জাতীয়

প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানী হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে রাফসাদ মোস্তফা রুহিন (২২) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাজারীবাগের ৪/এ নম্বর রোডের একটি ভবনের পাঁচতলা বাসা থেকে রুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম মিয়া জানান, জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে হাজারীবাগের ওই বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে এসআই মো. শামীম মিয়া আরও জানান, প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েনের জেরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে ফাঁস নেন রাফসাদ মোস্তফা রুহিন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিহতের খালাতো ভাই ইমতিয়াজ কামাল জানান, গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকেও রাফসাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় তার। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা থেকে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময়ে স্বজনদের চোখ ফাঁকি দিয়ে গলায় ফাঁস নেন রাফসাদ। ​বুধবার সকালে ডাকাডাকি করেও রাফসাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন

বাড্ডা-বনানীতে অটোরিকশাচালক ও গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ইমতিয়াজ কামাল আরও জানান, প্রায় এক বছর ধরে একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাফসাদের। তবে কিছুদিন ধরে তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। এ কারণে মনোমালিন্যের জের ধরেই রাফসাদ আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ​রাফসাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের সিপাহীপাড়া এলাকায়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর হাজারীবাগের বাসায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন।

কেএজেডআইএ/এমএমকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান গেমস মিশন শুরু আজ
বাংলাদেশ নারী দলের এশিয়ান গেমস মিশন শুরু আজ

এশিয়া গেমসে সেমিফাইনালের হতাশা ভুলে আগামীকাল এশিয়ান গেমসে মিশন শুরুর হচ্ছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে এই টুর্নামেন্টে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই মাঠে নামছে টাইগ্রেসরা। জাপানের নিশিন শহরের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে আগামীকাল সকাল ৬টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চীন। গত এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছিল নিগার সুলতানা জোতির দল। এবারও পদকের প্রত্যাশা নিয়ে জাপানে গেছে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপ শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সরাসরি জাপানে গিয়েছে নারী দল। সেখানে অবশ্য বৃষ্টি আর সময় সল্পতায় পর্যাপ্ত অনুশীলন করতে পারেনি তারা। বুধবার পুরো অনুশীলন সেশন শেষ করে জ্যোতিরা। এশিয়ান গেমসে মাঠে নামার আগে কিছুটা অস্বস্তিও আছে বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে। চতুর্মুখী সমালোচনায় টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়তে চেয়ে বিসিবিকে মেইল দিয়েছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। ড্রেসিংরুমেও নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন আস্তে আস্তে। জ্যোতি অবশ্য এশিয়ান গেমসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আজ অঘটন ঘটে গেলে টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হিসেবে জ্যোতি শেষ ম্যাচও হতে পারে এটা। এসকেডি/আইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৩৮ হাজার পুলিশ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন ৩৮ হাজার পুলিশ

একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ

স্বামীকে হারানো অন্তঃসত্ত্বা দুই স্ত্রীর ভবিষ্যৎ কী, ৪ সন্তানের কী হবে

স্বামীকে হারানো অন্তঃসত্ত্বা দুই স্ত্রীর ভবিষ্যৎ কী, ৪ সন্তানের কী হবে

শুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: আরও দুই আওয়ামী লীগ নেতা সাত দিনের রিমান্ডে
শুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ: আরও দুই আওয়ামী লীগ নেতা সাত দিনের রিমান্ডে

রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় আরও দুইজনকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ডে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নরসিংদীর মহিসাসুরা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ (৪১) এবং দলটির সক্রিয় কর্মী মো. রফিক (৪০)। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গোয়েন্দা পুলিশ রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। আরও পড়ুন গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেফতার ২৫ জন রিমান্ডে গত ১১ সেপ্টেম্বর গুলশানে সরকারবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের লক্ষ্য করেও ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। এই মামলায় এর আগেও বিভিন্ন ধাপে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার ও রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।  এমডিএএ/এমএমকে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ঢাকা ওয়াসার নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬১ কোটি ৭০ লাখ টাকা

ঢাকা ওয়াসার নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় বাড়লো ৬১ কোটি ৭০ লাখ টাকা

যমুনার তীর রক্ষায় ১৮০ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন

যমুনার তীর রক্ষায় ১৮০ কোটি টাকার কাজের অনুমোদন

আগামী বছর নেপালে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

আগামী বছর নেপালে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে চাকরি, যে যে যোগ্যতায় আবেদন
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিতে চাকরি, যে যে যোগ্যতায় আবেদন

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) রাজস্ব খাতভুক্ত একাধিক শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু ১৭ সেপ্টেম্বর। আবেদন শেষ ১৬ অক্টোবরে।পদের নাম ও সংখ্যা:১. প্রোগ্রামার - ০২টি২. মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার—০১টি৩. সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার—০১টি৪. উপসহকারী পরিচালক—০১টি৫. অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর—০৪টি৬. ডাটা এন্ট্রি অপারেটর—০২টি৭. অফিস সহায়ক—০১টিসমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবেআবেদনের বয়সসীমা: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ বছর হতে হবে। পদের ধরন অনুযায়ী বয়স ৩২ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য।আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।৫১তম বিসিএস সাধারণ না বিশেষ, কোনটি আগে আসছেবিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
মধ্যরাতে সাংবাদিকের বাসায় গুলি, ‘ভইরা-দে’ গ্রুপের আতিকসহ গ্রেফতার ৩

মধ্যরাতে সাংবাদিকের বাসায় গুলি, ‘ভইরা-দে’ গ্রুপের আতিকসহ গ্রেফতার ৩

সরকারি খরচে ৩০৬ জন প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ প্রশিক্ষণ পাবে বিকেএসপিতে

সরকারি খরচে ৩০৬ জন প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ প্রশিক্ষণ পাবে বিকেএসপিতে

২০২৬ ব্যালন ডি’অর: পরিসংখ্যানে এমবাপ্পে-মেসি, নাকি ট্রফিতে রদ্রি-ইয়ামাল?

২০২৬ ব্যালন ডি’অর: পরিসংখ্যানে এমবাপ্পে-মেসি, নাকি ট্রফিতে রদ্রি-ইয়ামাল?

0 Comments