জাতীয়

অটোতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু, বাঁচাতে গিয়ে আহত মেয়ে

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
অটোতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু, বাঁচাতে গিয়ে আহত মেয়ে
অটোতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু, বাঁচাতে গিয়ে আহত মেয়ে

জামালপুরের ইসলামপুরে চার্জে থাকা অটোইজিবাইক বের করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কাঞ্চন মিয়া (৪৫) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বাবাকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছে তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের বলিয়াদহ আমলতী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত অটোচালক কাঞ্চন মিয়া ওই এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, কাঞ্চন মিয়া প্রতিদিনের মতো বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তার অটোইজিবাইকটি চার্জে দিয়ে রাখেন। বৃহস্পতিবার সকালে অটোটি বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় অটোতে বিদ্যুৎ সংযোগ থাকায় পুরো অটোটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। অটোতে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঞ্চন মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

বাবাকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অবস্থায় দেখে উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে কাঞ্চন মিয়ার ১৫ বছর বয়সী মেয়েও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়। পরে স্থানীয়রা দ্রুত বাবা-মেয়েকে উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কাঞ্চন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কাঞ্চন মিয়া অটোইজিবাইক চালিয়ে সংসারের খরচ চালাতেন। তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ওসি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চার্জে থাকা অটোইজিবাইক বের করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কাঞ্চন মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হৃদয় আহম্মেদ/কেজে/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: সরবরাহ ব্যবস্থার সব পর্যায়ে যেভাবে ব্যয় কমানো সম্ভব
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: সরবরাহ ব্যবস্থার সব পর্যায়ে যেভাবে ব্যয় কমানো সম্ভব

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে চলমান সংকট এক দিনে তৈরি হয়নি। কেন এ সংকট তৈরি হলো? নীতি গ্রহণে কোথায় ভুল ও ব্যর্থতা ছিল? এ সংকট থেকে উত্তরণের পথ কী? সংকটের সমাধানের প্রস্তাবসহকারে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করেছেন জ্বালানিবিশেষজ্ঞ এম শামসুল আলমএম শামসুল আলমবিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের প্রয়োজন আছে। একজন বিনিয়োগকারী মূলধন বিনিয়োগ করবেন, প্রযুক্তিগত ও বাজারঝুঁকি নেবেন এবং দক্ষতার সঙ্গে সেবা দেবেন—এর বিনিময়ে তিনি ন্যায্য ও যৌক্তিক মুনাফা পাবেন। এতে আপত্তির কারণ নেই। সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন বিনিয়োগকারীর মুনাফা নিশ্চিত করা হয়, কিন্তু বিনিয়োগের ঝুঁকি বহন করে রাষ্ট্র বা ভোক্তা। অর্থাৎ মুনাফা ব্যক্তির, ঝুঁকি জনগণের—এমন ব্যবস্থা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত হতে পারে না।একটি সুস্থ বিনিয়োগব্যবস্থায় ঝুঁকি, সেবার মান, দক্ষতা ও মুনাফার মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক থাকতে হয়। প্রয়োজনীয় ও দক্ষ ব্যয়ের তুলনায় প্রকৃত ব্যয় এবং মুনাফা অস্বাভাবিকভাবে বেশি হলে সেই ব্যবস্থাকে লুণ্ঠনমূলক বলতেই হয়। প্রতিযোগিতামূলক ক্রয়, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এ ধরনের ব্যয় অনেকটাই কমানো সম্ভব। কিন্তু জ্বালানিসেবার মূল্য যদি কেবল ‘ব্যয়+মুনাফা’ ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়, তাহলে ব্যয় কমানোর জন্য বিনিয়োগকারীর ওপর কোনো কার্যকর চাপ থাকে না; বরং ব্যয় যত বাড়ে, মুনাফার সুযোগও তত বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সেই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা গিয়ে পড়ে জনগণের ওপর। বাংলাদেশ বর্তমানে অনেকটা সেই কাঠামোগত সমস্যার মধ্যেই রয়েছেগত দেড় দশকে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের ব্যয় অন্যায় ও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। অস্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতাহীন চুক্তি, অসম শর্ত ও দায়মুক্তির আইনি ব্যবস্থার কারণে এ খাতে জবাবদিহি এবং দক্ষতার সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে উচ্চ ব্যয়, অদক্ষতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি বেড়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনও (বিইআরসি) কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যহার, ভর্তুকি এবং সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায়। বকেয়া বাড়ছে, ঋণের কিস্তি পরিশোধে রাষ্ট্রের সক্ষমতা চাপে পড়ছে। একই সময়ে প্রাথমিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। ফলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ছে, তেমনি ভোক্তার ওপর ব্যয়ের চাপও ক্রমাগত বাড়ছে। জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তাই আমাদের চিন্তার ধরন বদলাতে হবে। শুধু নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কিংবা উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোকে সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে দেখলে চলবে না। দেখতে হবে—কত ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, কে সেই ব্যয় বহন করছে, বিনিয়োগের ঝুঁকি কে নিচ্ছে এবং ভোক্তা কী দামে সেবা পাচ্ছে। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও তা যেন জনস্বার্থ, প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের বিকল্প হয়ে না দাঁড়ায়, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি। আরও জরুরি হলো, অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা। অপরাধ ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সুবিধা ও সুরক্ষা অব্যাহত রেখে কোনো খাতের সংস্কার সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যর্থতার দায় বহন করতে হয় সরকার ও জনগণকে।কিছু মানুষের পকেট ভারী করতে গিয়ে জ্বালানিসংকটবিদ্যুৎ-সংকটের চেয়ে বড় সংকট সামর্থ্যেরবাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানিসংকটকে শুধু বিদ্যুৎ বা জ্বালানির ঘাটতি হিসেবে দেখলে সমস্যার প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাবে না। এটি একই সঙ্গে একটি আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকট। প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদনব্যবস্থা যখন অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হয়, অদক্ষতা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সেই ব্যয়ের বোঝা ভর্তুকি কিংবা মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়, তখন জ্বালানিসংকট শেষ পর্যন্ত ‘সামর্থ্য-সংকটে’ পরিণত হয়। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগে মুনাফা প্রায় নিশ্চিত থাকলে ঝুঁকির ভারসাম্যও নষ্ট হয়। জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি বহন করে রাষ্ট্র ও জনগণ, মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি যায় ভোক্তার ওপর, আর বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা অব্যবহৃত থাকার ঝুঁকি বহন করে ইউটিলিটি। ফলে বিনিয়োগকারী অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবসায়িক ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকেন। বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি ও জ্বালানিচুক্তিতে ঝুঁকির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত না হলে এই ব্যয় সংকট মোকাবিলা করা সরকারের জন্য কঠিন হবে। আর তাতে সরকার ও জনগণের সামর্থ্যসংকট আরও গভীর হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অর্থনীতির মৌলিক অবকাঠামো। খাদ্য, পানি, পরিবহন ও যোগাযোগের মতোই মানুষের জীবন ও উৎপাদনের জন্য এটি অপরিহার্য। তাই এই খাতের প্রধান লক্ষ্য বাণিজ্যিক মুনাফা হওয়া উচিত নয়। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত মুনাফামুক্ত ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণের জন্য নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও টেকসই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেবা নিশ্চিত করা। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগকেও এই জনস্বার্থের লক্ষ্যেই পরিচালিত করতে হবে।রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। পাবনাউৎপাদন বাড়ালেই কি খরচ কমবেবিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন অবকাঠামো নির্মাণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এসব উদ্যোগ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যয় কমাবে, নাকি নতুন করে ব্যয়ের বোঝা বাড়াবে?পরিকল্পনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সক্ষমতা উন্নয়নে ১ দশমিক ৫ থেকে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে। বছরে বিদ্যুতের চাহিদা ৬ শতাংশ বাড়বে ধরে নেওয়া হয়েছে। খুলনা ও বরিশালে আরও দুটি এলএনজি টার্মিনাল, ভোলায় ৪০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মাতারবাড়ী ও পায়রায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ২০ শতাংশ স্টোরেজ সক্ষমতাসহ ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের বেঞ্চমার্ক মূল্যহার ধরা হয়েছে ১০ টাকা ৫০ পয়সা। পাশাপাশি চার হাজার মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ, আরও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রিড বিদ্যুৎ দিয়ে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ প্রতিস্থাপনের উদ্যোগও রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন বাস্তবতা যে সতর্কবার্তা দিচ্ছেকিন্তু শুধু উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানো আর নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানিসেবা নিশ্চিত করা এক বিষয় নয়; বরং উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি সেই ক্ষমতার ব্যয়, ব্যবহার, জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থায়নের কাঠামো বিবেচনা না করলে নতুন বিনিয়োগই ভবিষ্যতের আর্থিক বোঝা হয়ে উঠতে পারে। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তার অর্থ শুধু পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়; রাষ্ট্র ও ভোক্তা—উভয়কে সামর্থ্যসংকট থেকে মুক্ত রাখা। তাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত অন্যায়, অযৌক্তিক ও লুণ্ঠনমূলক ব্যয় কমানো। একই সঙ্গে আমদানি-নির্ভরতা কমানো, আর্থিক ও জ্বালানিদক্ষতা বাড়ানো, সাশ্রয়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা এবং ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। বিচ্ছিন্ন কিছু নীতিগত উদ্যোগ দিয়ে এই সংকটের সমাধান হবে না। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ের ব্যয় কমাতে হবে। এ জন্য প্রতিটি সমস্যার কাঠামোগত কারণ চিহ্নিত করে তার সঙ্গে সুনির্দিষ্ট সংস্কার যুক্ত করতে হবে। কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রক্যাবের প্রস্তাবএই সামর্থ্যসংকট মোকাবিলায় কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষ থেকে পাঁচ বছরের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, সরকারকে মুনাফা গ্রহণ থেকে বিরত রেখে সরকারি বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসেবা মুনাফা ও লুণ্ঠনমুক্ত করা। এতে বছরে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতকে ভর্তুকিমুক্ত করা, মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ভোক্তাকে রক্ষা করা এবং বকেয়া ও ঋণের কিস্তি পরিশোধে সরকারের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হতে পারে। দ্বিতীয়ত, বিদ্যমান সক্ষমতা অনুযায়ী ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডির বেশি এলএনজি আমদানি না করা; গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থে বাপেক্সের মাধ্যমে ছাতক (পূর্ব) গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাব্য এক টিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা এবং পুরোনো কূপ সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো। তৃতীয়ত, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ছয় টাকা মূল্যহারের বিদ্যুৎ জরুরি ভিত্তিতে গ্রিডে যুক্ত করা।গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকটের টেকসই সমাধান আছেবিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট থেকে বের হওয়ার পথ কীচতুর্থত, তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে বছরে অন্তত ৩০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা। পঞ্চমত, কয়লা আমদানি বাড়িয়ে ৯০ শতাংশের বেশি প্ল্যান্ট ফ্যাক্টরে প্রায় ৭ টাকা ৫০ পয়সা মূল্যহারে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রতিস্থাপন করা। ষষ্ঠত, ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে গ্রিডের বিদ্যুতের চাহিদা ২০ শতাংশ কমানো। এতে আনুপাতিক হারে জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বছরে গড়ে ৫ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির চাপও সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। সপ্তমত, অনধিক ৬ টাকা বেঞ্চমার্ক মূল্যহারে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো। অষ্টমত, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টসহ ইউটিলিটি স্কেলে আরও ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো, যার বেঞ্চমার্ক মূল্যহার হবে অনধিক ৬ টাকা ৪৮ পয়সা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ শুধু কত মেগাওয়াট উৎপাদন করা হবে, তার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করবে কত কম ব্যয়ে, কতটা দক্ষতার সঙ্গে এবং কার স্বার্থে সেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে তার ওপর। তাই সংকট মোকাবিলার মূলমন্ত্র হওয়া উচিত—নতুন ব্যয় নয়, প্রথমে বিদ্যমান ব্যয়ের অপচয় ও লুণ্ঠন বন্ধ করা।নবমত, ভোক্তার অর্থে গঠিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ব্যবহার করে ভোলায় পিডিবির মালিকানায় স্বল্প ব্যয়ে ৪০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো। দশমত, জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণ বাড়িয়ে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ শতাংশ কমানো। এতে বছরে গড়ে ১৯ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে।একাদশত, রাজস্ব ছাড় সমন্বয় করে আগামী দুই বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের মূল্যহার ভারতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। বর্তমানে দেশে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের লেভেলাইজড উৎপাদন ব্যয়হার ৩ টাকা ৮৯ পয়সা। এক মার্কিন ডলারের মূল্য ১২৩ টাকা ধরে ভারতে তা ৩ টাকা ৮৮ পয়সা এবং পাকিস্তানে ৩ টাকা ৯২ পয়সা। এ ক্ষেত্রে বিইআরসির আওতায় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। দ্বাদশত, বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশের আলোকে আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের মূল্যহার কমিয়ে ভারত থেকে সরকারি পর্যায়ে আমদানি করা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা। তা সম্ভব না হলে চুক্তি বাতিলের বিষয়টি বিবেচনা করা।ক্যাবের এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বিদ্যুতের গড় উৎপাদন ব্যয় প্রায় ৭ টাকা ৫০ পয়সায় নামিয়ে আনা। এতে বছরে প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভর্তুকি, মূল্যবৃদ্ধি, আমদানি-নির্ভরতা ও সরকারের আর্থিক চাপ কমিয়ে জনগণের সামর্থ্যসংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কারজ্বালানি-বিদ্যুৎ খাতের সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তাই আমাদের চিন্তার ধরন বদলাতে হবে। শুধু নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ কিংবা উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোকে সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে দেখলে চলবে না। দেখতে হবে—কত ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, কে সেই ব্যয় বহন করছে, বিনিয়োগের ঝুঁকি কে নিচ্ছে এবং ভোক্তা কী দামে সেবা পাচ্ছে। এই খাতের সংস্কারের প্রধান ভিত্তি হওয়া উচিত জ্বালানি অপরাধ নির্মূল, দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, জাতীয় সক্ষমতা তৈরি, অপ্রয়োজনীয় আমদানি-নির্ভরতা কমানো এবং সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ে ব্যয় হ্রাস। একই সঙ্গে খাতটিকে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রভাবমুক্ত করে জনস্বার্থ, জবাবদিহি ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদীয় রাজনীতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থের ইস্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জ্বালানি খাতে অনিয়ম ও অপরাধের বিচার, সরকারি ব্যয় ও চুক্তির জবাবদিহি এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় নীতি ও আইন সংস্কারে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ শুধু কত মেগাওয়াট উৎপাদন করা হবে, তার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করবে কত কম ব্যয়ে, কতটা দক্ষতার সঙ্গে এবং কার স্বার্থে সেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে তার ওপর। তাই সংকট মোকাবিলার মূলমন্ত্র হওয়া উচিত—নতুন ব্যয় নয়, প্রথমে বিদ্যমান ব্যয়ের অপচয় ও লুণ্ঠন বন্ধ করা। সরবরাহের প্রতিটি পর্যায়ে ব্যয় কমানোই হতে পারে জনগণের সামর্থ্যসংকট মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর পথ। ● এম শামসুল আলম কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা *মতামত লেখকের নিজস্ব

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
আইআরও বাংলাদেশ ওপেনের জাতীয় পর্ব আগামীকাল

আইআরও বাংলাদেশ ওপেনের জাতীয় পর্ব আগামীকাল

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় ট্রাকে আটকে পড়েন চালক, পরে জীবিত উদ্ধার

এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় ট্রাকে আটকে পড়েন চালক, পরে জীবিত উদ্ধার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত

আকিজ সিমেন্টে ম্যানেজার পদে চাকরি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে
আকিজ সিমেন্টে ম্যানেজার পদে চাকরি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

আকিজ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড তাদের ব্র্যান্ড বিভাগে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘ম্যানেজার/ডেপুটি ম্যানেজার–ব্র্যান্ড’ পদে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। আকিজ সিমেন্টে ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি ও পরিকল্পনা তৈরি, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং বাজারভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তা খুঁজছে।সংক্ষিপ্ত তথ্যপ্রতিষ্ঠানের নাম: আকিজ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।পদের নাম: ম্যানেজার/ডেপুটি ম্যানেজার–ব্র্যান্ড।চাকরির ধরন: ফুল টাইম (অফিস)।কর্মস্থল: ঢাকা।শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে বিবিএ বা এমবিএ ডিগ্রি। এমবিএ বা প্রাসঙ্গিক পেশাদার যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।অভিজ্ঞতা: ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট/মার্কেটিং খাতের ওপর ৬ থেকে ১২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিমেন্ট, স্টিল, বিল্ডিং মেটেরিয়ালস বা এফএমসিজি শিল্প খাতে কাজের অভিজ্ঞতা অগ্রাধিকার পাবে।অন্যান্য যোগ্যতা: ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং, কাস্টমার ও মার্কেট ইনসাইট, ক্যাম্পেইন ম্যানেজমেন্ট, বাজেট নিয়ন্ত্রণ এবং এজেন্সি ও ভেন্ডর ব্যবস্থাপনায় ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।৩ ধাপে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, চলতি বর্ষে যত জনপ্রধান দায়িত্বসমূহআকিজ সিমেন্টের ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি, পজিশনিং ও বার্ষিক ব্র্যান্ড পরিকল্পনা প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করা। এটিএল, বিটিএল, ডিজিটাল ও ট্রেড মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা। প্রকৌশলী, রাজমিস্ত্রি, কন্ট্রাক্টর ও আর্কিটেক্টদের সঙ্গে ব্র্যান্ড রিলেশনশিপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা। ডিলার ও রিটেইল অ্যাকটিভেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত বাজার পরিদর্শনের মাধ্যমে ভোক্তা ও প্রতিযোগীদের তথ্য সংগ্রহ করা। প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বাজেট নিয়ন্ত্রণ ও পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করা।বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি, পদ ১৪২ সুযোগ-সুবিধাপ্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, বিমা সুবিধা, আংশিক ভর্তুকিতে দুপুরের খাবার, বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা, মোবাইল বিল এবং বছরে দুটি উৎসব বোনাস প্রদান করা হবে।আবেদনের প্রক্রিয়া ও সময়সীমাআগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬আবেদনের শেষ তারিখ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ–৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মেঘ ও সন্ধ্যার গান’

আইফোন ১৮ নজর কাড়া যেসব রঙে পাওয়া যাবে

আইফোন ১৮ নজর কাড়া যেসব রঙে পাওয়া যাবে

আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে

আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে এলে বিএনপির অবস্থান কী হবে

এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা!
এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা!

সাকিব জামাল ললি এলিয়েনা এম২১০০ই হঠাৎ ললি এলিয়েনার কার্টেসি কল পেয়েবহুদিন পরে, বের হলাম রাতে, লং ড্রাইভ প্ল্যান।ওর স্পেসশিপটা এবার আরও আপডেটেড,প্ল্যানেট ফ্লাইয়িং মোডে উড়ছিলাম প্রেমে, যখনউপরে উঠি, তখন কী সুন্দর নীচের পৃথিবী!পাহাড় চেয়ে থাকে হরিণীর চোখে,ঝরনা বয়ে যায় শীতল পাটির নকশায়নান্দনিক সমতলে!ভালোবাসো, ললি?‌‘কসমিক কসম!তোমায় ছাড়া কী করে বাঁচি!’অনামিকায়-অনামিকায়, দুজনে‘রেড রোজ লাভ’ অ্যাপস ইনস্টল করে,ফিরি মাটির বুকে ভোরে, দেখা হয় আবার যদি! এলিয়েনার জন্য ভালোবাসা! আমি আর এলিয়েনা,সন্ধি করেছি পৃথিবী আর মঙ্গলের!প্রেমের বন্ধনে, আলোর বেগ অতিক্রমেআমাদের দেখা হয়েছিল সপ্তর্ষিমণ্ডলে!সেখান থেকে তাকিয়ে দেখি,কী সুন্দর পৃথিবী! কী দারুণ মঙ্গল! তারপর হাতে রেখে হাত, চোখে রেখে চোখ,দুজনেই সমস্বরে বলেছিলাম,‘গ্রহে গ্রহে সবার জীবনটুকু সুখের হোক।’লিপিবদ্ধ হলো প্রতিশ্রুতি, আমাদের প্রেমেনিরাপদ মহাকাশ। সবাই স্বাগত ভ্রমণে! ভালোবেসে, তোমরাও কথা দাওকখনো হবে না ‘স্টার ওয়ার’ মহাবিশ্বের বুকে! দ্য স্পিরিট অব এলিয়েন বাট উই হ্যাভ লস্ট মানুষেরা যখন আমাদের পৃথিবীতে আসবে,সাবধান থেকো! সম্ভবত ওরা সাথে নিয়ে আসবেবিবেক বিবশ যুদ্ধাস্ত্রঃলোভ, অহম, অসাম্য!সেই স্টারওয়ারে, তখন, যদি পরাজিত হই আমরা,হারিয়ে ফেলবো- আমাদের এলিয়েনত্ব!নানাবিধ ন্যাশনালিজমের মারপ্যাঁচে বিভক্ত হয়ে যাবো!ইকোনমিক্সের বিবিধ তত্ত্বে বাড়বে বৈষম্য আমাদের!ঠিক যেভাবে প্লানেট আর্থ, আজ, বাস অযোগ্য প্রায়,অনেকটাই মনুষ্যত্বহীন! শোনো, হে এলিয়েনসকল, আমরা চাই না,মানুষদের মতো আমাদেরও আসুক সেইসব দিন! এসইউ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে গোপন তৎপরতা, হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে গোপন তৎপরতা, হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

হাইকোর্টে জামিন পেলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল

হাইকোর্টে জামিন পেলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল

ইংল্যান্ডে আশ্রয়প্রার্থী ভেবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ঘিরে ধরেছিলেন বিক্ষোভকারীরা

ইংল্যান্ডে আশ্রয়প্রার্থী ভেবে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ঘিরে ধরেছিলেন বিক্ষোভকারীরা

0 Comments