রাজধানীর মিরপুরে শাহ আলী থানা এলাকায় একটি পুরোনো ভবন ভাঙার কাজ করার সময় দেয়ালধসে মো. জসিম (৪৫) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুজন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিড়িয়াখানা সড়কের বক্সনগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জসিমের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, কয়েক দিন আগে বক্সনগর এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি গ্রামীণ টেলিকমের পাশের একটি পুরোনো ভবন কেনেন। বুধবার দুপুরে ভবনটি ভাঙার কাজ করছিলেন পাঁচ শ্রমিক। একপর্যায়ে ভবনের একটি দেয়াল শ্রমিকদের ওপর ধসে পড়ে। দুটি ভবন পাশাপাশি হওয়ায় গ্রামীণ টেলিকমেরও একটি দেয়াল ধসে পড়ে। এতে তিন শ্রমিক আহন হন।
ওসি আরও বলেন, দেয়াল ধসে পড়ার পরপরই আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে দ্রুত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিমের মৃত্যু হয়।
ময়নাতদন্তের জন্য নিহত ব্যক্তির মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) নতুন সভাপতি খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে ভূরাজনীতিতে বর্তমানে হারিয়ে যাওয়া আস্থা ও সদিচ্ছা পুনর্গঠন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে গুতেরেস বলেন, কূটনীতি, সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সাধারণ পরিষদ এই আস্থা ও সদিচ্ছা ফিরিয়ে আনতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বের মানুষের জন্য আরও ভালো, স্বাস্থ্যকর ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।খলিলুর রহমান গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিয়ে অধিবেশনের কাজ শুরু করেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের জন্য এটি একটি ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’।খলিলুর রহমান এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘেও তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজনও তিনি।জাতিসংঘের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি জার্মানির আনালেনা বেয়ারবকের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন গুতেরেস। একই সঙ্গে খলিলুর রহমানকে নতুন দায়িত্বের জন্য স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পেল।দায়িত্ব গ্রহণের পর খলিলুর রহমান বলেন, ‘৮০তম সাধারণ পরিষদ থেকে ৮১তম সাধারণ পরিষদের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার এই সময়ে সংলাপ, সহযোগিতা ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতি অভিন্ন অঙ্গীকারের মাধ্যমে অগ্রগতি সম্ভব করতে যাঁরা ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’যুদ্ধ, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান জলবায়ু পরিবর্তনের সময়ে জাতিসংঘের ওপর মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারও করেন তিনি।বিদায়ী সভাপতি আনালেনা বেয়ারবকের কাছ থেকে আইসল্যান্ডের তৈরি ঐতিহ্যবাহী কাঠের হাতুড়ি গ্রহণের পর খলিলুর রহমান তাঁর এক বছরের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। তাঁর মূল প্রতিপাদ্য—‘আস্থা পুনরুদ্ধার, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: এমন একটি জাতিসংঘ, যা সবার জন্য কাজ করে।’খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের জাতিসংঘকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে হবে।’ এ ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের কণ্ঠস্বর শোনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক পরিস্থিতিতে আছি, যেখানে আস্থার ঘাটতি রয়েছে। এটি ১৯৪৫ সাল নয়। এটি ৮১তম অধিবেশন। বিশ্ব এগিয়ে গেছে। এই সংস্থাকেও এগিয়ে যেতে হবে এবং আমি সেই প্রক্রিয়ায় সহায়তা করব।’‘আস্থা পুনর্গঠনই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের সময় বিশ্ব নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মহাসচিব গুতেরেস। এর মধ্যে রয়েছে সংঘাত, ভূরাজনৈতিক বিভাজন, পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি, দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্য ও বৈষম্য এবং আরও খারাপ হয়ে ওঠা জলবায়ু সংকট।গুতেরেস বলেন, ‘বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনর্গঠন করাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই অস্থির সময়ে বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’তবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ থেকে শুরু করে বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা পর্যন্ত বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষমতা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।বৈশ্বিক সব সমস্যার সমাধান হয়তো হবে না, তবে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে: খলিলুর রহমানজাতিসংঘকে অপ্রাসঙ্গিক বলার সমালোচনাজাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের শেষ বৈঠকে বিদায়ী সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক বলেন, জাতিসংঘের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি অনুভব করছেন তিনি।বেয়ারবক বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এমন কোনো দিন বা এমন কোনো দেশ নেই, যা জাতিসংঘ ছাড়া আরও ভালো অবস্থায় থাকবে।যাঁরা জাতিসংঘকে অপ্রাসঙ্গিক বা ব্যর্থ বলে মনে করেন, বিশেষ করে বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়, তাঁদের জাতিসংঘবিহীন একটি বিশ্বের বিকল্পটি বিবেচনা করার আহ্বান জানান বেয়ারবক।সাধারণ পরিষদের বিদায়ী সভাপতি বলেন, জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) না থাকলে লাখো শিশু বিদ্যালয়ে যেতে পারত না। আবার জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীরা কাছাকাছি মোতায়েন থাকায় নারীরা ধর্ষণের ভয় ছাড়াই ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস পান।সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন খলিলুর রহমান
রাজধানীর লালবাগে বাসা থেকে তৌহিদা হোসেন তিশা (৩০) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বিসি দাস স্ট্রিট-সংলগ্ন একটি পাঁচতলা ভবন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তিশা ধোলাইখাল জোড়পুলের মো. গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে। নিহতের ভাই রাজীব বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিশার শাশুড়ি ফোন করে তিশা গুরুতর অসুস্থ জানিয়ে তাদের দ্রুত ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। খবর পেয়ে তারা সেখানে গিয়ে দেখতে পান তিশার নিথর দেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা রাজীব জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই নানা পারিবারিক বিষয় নিয়ে তিশার সঙ্গে তার শাশুড়ির ঝগড়া চলছিল এবং বুধবার সকালেও তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। রাজীবের দাবি, তিশাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়। লালবাগ থানার পুলিশ জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল তৈরি করে। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। লালবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বেলায়েত হোসাইন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। কেএজেডআইএ/একিউএফ
লেখক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের জাতীয় কনভেনশন আয়োজন করতে যাচ্ছে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে।‘কণ্ঠে মোদের কুণ্ঠাবিহীন নিত্য-কালের ডাক’ স্লোগানে আয়োজিত এ কনভেনশনে ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ জেলা থেকে লেখক, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।রাজধানীর তোপখানায় উদীচী কার্যালয়ে বুধবার সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় কনভেনশন প্রস্তুতি কমিটির সদস্যসচিব ও বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটু। সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন।কনভেনশনের লক্ষ্যলিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী দেশের বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এ কনভেনশনের আয়োজন করা হচ্ছে। সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সমৃদ্ধ ও সংগ্রামী ধারাকে রক্ষা ও বিকশিত করা এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের পরিপূরক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নির্মাণ এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।আয়োজকেরা বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন ও শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ছাড়া কেবল ব্যক্তি বা দলের পরিবর্তন জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে না। এ জন্য সর্বব্যাপী সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন আছে।লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, মুক্ত গণমাধ্যম, মুক্তচিন্তা ও সংস্কৃতিচর্চার শঙ্কাহীন পরিবেশ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বাধা, মব সন্ত্রাস, নারী ও আদিবাসীদের ওপর নিপীড়ন এবং স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সংস্কৃতির ওপর আক্রমণের ঘটনাও তুলে ধরা হয়।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৬ মে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে ৩১টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথ প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য গঠনের সূত্রপাত। পরে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ২০ জুলাই কারফিউ জারির পর ২৬ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদী গানের মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে কারফিউ ভাঙার কর্মসূচি পালন করে সাংস্কৃতিক মোর্চাটি। এরপর ৩০ জুলাই গান নিয়ে রাজপথের কর্মসূচি এবং ২ আগস্ট ‘দ্রোহযাত্রা’ আয়োজনের কথাও উল্লেখ করা হয়।সংস্কৃতিকর্মীদের ঐক্যের আহ্বানসংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস আছে। অতীতের সেই সংগ্রামী ভূমিকা ও গৌরব পুনরুদ্ধার করে জনগণের পক্ষে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বর্তমান সময়ের বিভ্রান্তি ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ব্যাপক ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংস্কৃতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন গণসংস্কৃতি কেন্দ্রের উপদেষ্টা জাকির হোসেন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সমাজ অনুশীলন কেন্দ্রের সমন্বয়ক বিমল কান্তি দাশ এবং সমাজ চিন্তা ফোরামের রঞ্জন দাশ শিবু।কনভেনশনের কর্মসূচিজাতীয় নাট্যশালা প্রাঙ্গণে ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় কনভেনশনের উদ্বোধন করবেন সাংবাদিক ও লেখক নূরুল কবীর। উদ্বোধনের পর সংক্ষিপ্ত শোভাযাত্রা শেষে জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।উদ্বোধনী অধিবেশনে অতিথি হিসেবে থাকবেন উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতৃত্বের দীপা দত্ত, লেখক-অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ এবং কারাবরণকারী বাউলশিল্পী আবুল সরকার। বেলা একটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত মধ্যাহ্নবিরতির পর শুরু হবে সাংগঠনিক অধিবেশন। এটি চলবে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। এরপর সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত থাকবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। রাত সাড়ে আটটায় কনভেনশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।