জাতীয়

লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা
লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বলেছে, তারা লোহিত সাগরের উপকূলে হুতি যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর হুতিদের বিরুদ্ধে এসব হামলা চালানো হয়।

ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় সামরিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারন করেছে। দেশটির পশ্চিম উপকূলে সরকারি বাহিনী ও হুতিদের মধ্যে লড়াই চলছে। সরকারি বাহিনী এই সংঘাতকে ‘বাঁচা-মরার লড়াই’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ইয়েমেনের সরকারি বার্তা সংস্থা সাবা জানিয়েছে, মোখা শহরের কাছে হুতিদের যানবাহন ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। ইরান–সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল–নাজিলি বলেন, মোখা থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে মোখা–ধুবাব সড়কে হুতিদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার হুতিরা মোখা শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরদিন শুক্রবার তারা মায়ুন দ্বীপের নিয়ন্ত্রণও নেয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব আল–মানদেব প্রণালির ওপর তাদের প্রভাব আরও জোরদার হয়।

জাতিসংঘ গত শুক্রবার বলেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে লড়াই তীব্র হওয়ার পর থেকে ইয়েমেনে প্রায় ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশটি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ তলানিতে এসে ঠেকেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই জ্বালানি সরবরাহের আরেক গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বাব আল–মানদেব প্রণালি এখন ইয়েমেনের ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির নিয়ন্ত্রণে। প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা।

এরই মধ্যে হামলার শিকার হওয়ার পর সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল দিয়ে জ্বালানি রপ্তানি আরও হুমকির মুখে পড়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ট্রেডমিল নয়, প্রকৃতির মাঝে হাঁটলেই কমবে ওজন
ট্রেডমিল নয়, প্রকৃতির মাঝে হাঁটলেই কমবে ওজন

অনেকে সবাই মনে করেন ট্রেডমিলে দৌড়ালে ওজন কমে। তাই জিমে গিয়ে অনেকেই কোন কিছু না করে প্রথমেই ট্রেডমিলে উঠে হাঁটতে শুরু করে দেন। আসলে এটা ঠিক নয়। বরং এই ধারণা একেবারেই ভুল। তার চেয়ে হাঁটা অনেক উপকার।ট্রেডমিল একটা যন্ত্র ছাড়া তো আর কিছু নয়; এর গতি গতানুগতিক। নির্দিষ্ট ছন্দ আর ছকের বাইরে তো আর হাঁটা যাবে না। এর থেকে বরং পথে থাকে বৈচিত্র্য। সব পথও আবার এক রকম নয়। এমনকি দিনের বিভিন্ন সময় বদলে যায় এর রূপ। প্রকৃতিও যোগ করে নানা কিছু। ফলে পায়ের পেশি এ ক্ষেত্রে কাজ করে বেশি। তাই ক্যালরিও বেশি ক্ষয় হয়।ট্রেডমিলে হাঁটার চেয়ে বাইরে হাঁটা ভালস্বাস্থ্যসচেতন মানুষ মাত্রই যান জিমে বা শরীরচর্চা করেন বাড়িতে। অনেকে আবার নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন। তবে ট্রেডমিল নয়, বরং বাইরে হাঁটলে ওজন কমে দ্রুত। শুধু তা–ই নয়, এতে অবসাদ দূর হয় এবং মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য বাইরে নিয়মিত হাঁটা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।আপনি ওজন কমাতে চাইলে নিঃসন্দেহে বাইরে হাঁটাহাঁটি দারুণ এক কার্যকর উপায় হতে পারে। অনেকেই আছেন যাঁরা আবার ট্রেডমিলে হাঁটতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। অথচ এর চেয়ে বাইরে হাঁটলেই বেশি উপকার পাওয়া যায়।জিমে ট্রেডমিল ব্যবহারের সময় আপনি টিভি দেখতে পারেন, ভেতরে পরিবেশ শীতল থাকে, আপনি গান শোনেন, পাশের কারও সঙ্গে কথা বলেন। অর্থাৎ একই সময়ে অনেক কিছু করার সুযোগ থাকে ট্রেডমিলে। এ জন্য আপনার মস্তিষ্ককে অনেকগুলো কাজ একসঙ্গে করার সংকেত দেয়, যা আপনার মনোযোগকে বিচ্ছিন্ন করে। আপনি ট্রেডমিলে কোনো হিট ট্রেনিং (হাই ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং) করলে অনেক কিছু একসঙ্গে করা যাবে না। অন্যদিকে আপনি বাইরে হাঁটলে আপনাকে মনোযোগী থাকতে হবে। কারণ, উঁচু–নিচু রাস্তা দেখতে হবে, গান শুনলেও তা আপনার হাঁটার পথে ছন্দ আনবে। আর এ সময় ডোপামিন–জাতীয় হ্যাপি হরমোন নিঃসৃত হওয়ায় ওজনও দ্রুত কমবে।এ ছাড়া বাইরে হাঁটলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, আপনি বাইরে হাঁটলে ট্রেডমিলে হাঁটার চেয়ে বেশি প্রতিকূলতার মুখোমুখি হবেন। ট্রেডমিলে সমান্তরাল ট্র্যাকে হাঁটতে হয় অথচ পথ থাকে উঁচু–নিচু। এতে পায়ের পেশি থাকে অনেক বেশি কার্যকর। উঁচুতে বা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলে পায়ের পেশিতে বেশি চাপ পড়ে, যা পেশি গঠনে খুবই কার্যকর। এতে হৃৎস্পন্দন বাড়ে, ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে, যা খুবই ইতিবাচক। ফলে ক্যালরি বেশি ক্ষয় হয়।হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় কোনো সবুজ উদ্যানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে হাঁটাহাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় কোনো সবুজ উদ্যানে প্রকৃতির সান্নিধ্যে হাঁটা। আশপাশের মানুষের কোলাহল, পাখির কলতান—সব মিলিয়ে ইতিবাচক শক্তি পাওয়া যাবে। হাঁটার সময় সূর্যের আলো পড়ে, যা ভিটামিন ডির উৎস; ভিটামিন ডি আপনার আলসেমি দূর করে চাঙা রাখবে। এ ছাড়া সূর্যের আলোর মাধ্যমে দেহের মধ্যে ‘সারকাডিয়ান রিদম’ প্রবাহ ত্বরান্বিত হয়, যা আপনার রাতের ঘুমে সহায়তা করে। এ ছাড়া গরম, ঠান্ডা বা বৃষ্টিতে নানা ধরনের তাপমাত্রা ও পরিবেশের ভিন্নতার মধ্যে হাঁটলে আপনার মস্তিষ্ক সহনশীলতা পরীক্ষার সুযোগ পাবে, যা খুবই ইতিবাচক।কোনো কারণে মন অশান্ত থাকলে বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে, এমন কোনো সবুজ পার্কে ঘণ্টাখানেক হাঁটুন, দেখবেন ভালো লাগবে। মনে রাখতে হবে, শুধু শরীরচর্চা বা খাবার নিয়ন্ত্রণ করলেই ওজন কমে না, অবসাদে থাকলেও ওজন হ্রাসকে বাধাগ্রস্ত করে।পার্কে হাঁটতে গেলে চেষ্টা করুন মনোযোগ দিয়ে হাঁটতে। কত পদক্ষেপ হাঁটলেন, শ্বাসপ্রশ্বাস, স্মার্টওয়াচে হৃৎস্পন্দন, অক্সিজেন স্যাচুরেশন দেখুন, ১০ মিনিট হাঁটার পর দেখুন কতটা দূরত্ব আপনি পার করেছেন। সবুজ পার্কে ঘণ্টাখানেক হাঁটুন, দেখবেন ভালো লাগবেতারপর ১৫টি স্কোয়াট দিয়ে আবার হাঁটা শুরু করুন। ২০ মিনিট হাঁটার পর পার্কের বেঞ্চে স্ট্রেচ করতে পারেন। লাঞ্জেসের মতো ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন। এভাবে নিজের মতো করে হাঁটার সঙ্গে ব্যায়ামের একটা রুটিন বানিয়ে নিলে দ্রুত ভালো ফল পাবেন।লাইফস্টাইলে নিয়মিত চর্চা আপনাকে এনে দেয় ইতিবাচক ফল। তাই সুস্থ থাকতে ভালো অভ্যাসগুলোর চর্চা করুন। ভালো থাকুন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম ও পেকজেলসডটকম

News নভেম্বর ২২, ২০২৪ 0
আজ টিভিতে যা দেখবেন (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

গুগলের সবকিছু ফ্রি, তবু এক বছরে কীভাবে ৪০০ বিলিয়ন ডলার আয় করল

গুগলের সবকিছু ফ্রি, তবু এক বছরে কীভাবে ৪০০ বিলিয়ন ডলার আয় করল

নায়ক–চাবুক দুটোই বদলাতে পারে, কিন্তু ওমর সানী বদলায় না
—ওমর সানী

নায়ক–চাবুক দুটোই বদলাতে পারে, কিন্তু ওমর সানী বদলায় না —ওমর সানী

‘একদম হৃদয় দিয়ে গাইত ফরিদা’
‘একদম হৃদয় দিয়ে গাইত ফরিদা’

‘আমরা অনেক সময় গাইলে মনে হয়, মুখ থেকে গাই; কিন্তু ফরিদার লালনের গান শুনলে মনে হতো, একেবারে ভেতর থেকে গায়। গানের কথা উপলব্ধি করে গাইত। প্রতিটি লাইনের সারমর্ম বুঝে, গভীর থেকে, একদম হৃদয় দিয়ে গাইত ফরিদা।’ লালনসংগীতের বরেণ্য শিল্পী ফরিদা পারভীনকে এভাবেই স্মরণ করলেন অগ্রজ সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান। তাঁদের সম্পর্ক ছিল পাঁচ দশকের বেশি সময়ের—বড় বোন আর ছোট বোনের মতো। আজ ফরিদা পারভীনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রিয় শিল্পীকে হারানোর এক বছর পর তাঁর কণ্ঠ, সংগীতসাধনা ও ব্যক্তিজীবনের কথা বলতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন ফেরদৌসী রহমান। শিল্পী ও মানুষ ফরিদা পারভীনের মধ্যে কোনো অমিলও দেখেননি তিনি। ফেরদৌসী রহমান বলেন, ‘গানটা যেমন সহজ-সরল করে মিষ্টি ভাষায় গাইত, তেমনি জীবনটাও ছিল তার সহজ-সরল। কোনো ধরনের জটিলতা আমি পাইনি।’দেখতে দেখতে ফরিদা পারভীনের চলে যাওয়ার এক বছর পূর্ণ হলো। এক বছর আগে প্রিয় এই শিল্পীকে হারিয়েছিল দেশের সংগীতাঙ্গন। ছেলে-মেয়েদের ইচ্ছা ছিল, মাকে কুষ্টিয়া পৌর শহরে নিয়ে গিয়ে তাঁর মা–বাবার কবরের পাশে সমাহিত করবেন। শেষ পর্যন্ত তাঁদের সেই ইচ্ছাই পূরণ হয়। কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন ফরিদা পারভীন।গানের টানে একসময় দেশের নানা প্রান্ত থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছুটে বেড়িয়েছেন এই শিল্পী। এক বছর ধরে তিনি নেই, তবে থেমে নেই তাঁর গান কিংবা সংগীতচর্চার প্রতিষ্ঠান। ঢাকার তেজগাঁওয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘অচিন পাখি সংগীত একাডেমি’তে এখনো শিক্ষার্থীরা গেয়ে চলেছেন তাঁর প্রিয় গান। প্রায় ১৭ বছর আগে জীবনসঙ্গী গাজী আবদুল হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে ফরিদা পারভীন প্রতিষ্ঠা করেন অচিন পাখি সংগীত একাডেমি। সেখানে লোকগান, নজরুলসংগীত, আধুনিক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের পাশাপাশি ছবি আঁকা, গিটার ও তবলা শেখানো হয়। বর্তমানে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী সেখানে তালিম নিচ্ছেন। তিন বছর বয়সী শিশু থেকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা—বিভিন্ন বয়সের মানুষ রয়েছেন তাঁদের মধ্যে।এক বছর ধরে ফরিদা পারভীনের কণ্ঠে কোনো গান শোনা যায় না। তবে তাঁর গাওয়া গান, শেখানো সুর, লালনের বাণী ও সংগীতসাধনার উত্তরাধিকার বহন করছেন অচিন পাখি সংগীত একাডেমির শিক্ষার্থীরা। শিল্পীর অনুপস্থিতিতে সেই উত্তরাধিকার এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন গাজী আবদুল হাকিমের কাঁধে। ফরিদা পারভীনকে ছাড়া এক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সামলাচ্ছেন তিনি। গাজী আবদুল হাকিম বলেন, ‘ফরিদা পারভীনের শূন্যতা তো কোনো দিন পূরণ হওয়ার নয়। তবে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি চাইতেন, বাংলা লোকগান পৃথিবীর আনাচকানাচে সুন্দরভাবে ছড়িয়ে পড়ুক। অচিন পাখি সংগীত একাডেমির শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে তাঁর সেই স্বপ্ন ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’আগে দুজন মিলে প্রতিষ্ঠানটি চালাতেন। এখন একাই সব সামলাতে হচ্ছে জানিয়ে গাজী আবদুল হাকিম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে অনেক খরচ হয়। তারপরও যত দিন আমার পক্ষে সম্ভব, তত দিন এটি চালিয়ে যাব।’ফরিদা পারভীননাটোরের সিংড়ায় জন্ম ফরিদা পারভীনের। ছোটবেলায় মাগুরায় ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে গানে তাঁর হাতেখড়ি। পরে বিভিন্ন গুণীজনের কাছে তালিম নেন। ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতারের তালিকাভুক্ত নজরুলসংগীতশিল্পী নির্বাচিত হন তিনি। স্বাধীনতার পর কুষ্টিয়ায় থাকার সময় লালনসংগীতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ তৈরি হয়। ১৯৭৩ সালে মোকছেদ আলী সাঁইয়ের কাছে ‘সত্য বল সুপথে চল’ গান শেখার মধ্য দিয়ে শুরু হয় লালনের গানে তাঁর নিবিড় সাধনা। পরে খোদা বক্স সাঁই, ব্রজেন দাস, বেহাল সাঁই, ইয়াছিন সাঁই ও করিম সাঁইয়ের কাছেও তালিম নেন। লালনের বাণী ও সুর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফরিদা পারভীনের অবদান অনন্য। সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৭ সালে একুশে পদক পান ফরিদা পারভীন। ১৯৯৩ সালে অন্ধ প্রেম চলচ্চিত্রের ‘নিন্দার কাঁটা’ গানের জন্য অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।বিউটি, সালমাদের নিয়ে সেই সাক্ষাৎকারে যা বলেছিলেন ফরিদা পারভীনআজকের স্মরণ আয়োজনপ্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ফরিদা পারভীনকে স্মরণ করে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংগীত প্রতিষ্ঠান বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আজ রোববার বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত হবে তাঁকে নিয়ে এক ঘণ্টার বিশেষ অনুষ্ঠান। দুপুরে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে ফরিদা পারভীনের গান গাইবেন নাসরিন আক্তার বিউটি ও সাজিয়া সুলতানা পুতুল। বাঁশি বাজাবেন গাজী আবদুল হাকিম।সকালে চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হবে ফরিদা পারভীনকে নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান গান দিয়ে শুরু। সেখানে বাঁশি বাজানোর পাশাপাশি শিল্পীকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করবেন গাজী আবদুল হাকিম। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে শোনানো হবে ফরিদা পারভীনের গান।আজ সন্ধ্যায় অচিন পাখি সংগীত একাডেমিতেও থাকছে স্মরণ আয়োজন। এতে একাডেমির কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা ফরিদা পারভীনের জীবন ও সংগীতে তাঁর অবদান নিয়ে কথা বলবেন। এর বাইরেও কয়েক দিন ধরে তাঁকে স্মরণ করে চলছে নানা আয়োজন। ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের একটি মিলনায়তনে ফরিদা পারভীনের গান ও জীবন নিয়ে আরেকটি অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন গাজী আবদুল হাকিম।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর দিন কি ঘনিয়ে আসছে

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর দিন কি ঘনিয়ে আসছে

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ব্রিকসের প্রতি সি চিন পিংয়ের আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ব্রিকসের প্রতি সি চিন পিংয়ের আহ্বান

লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা

লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা

এসি মেরামতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
এসি মেরামতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর সূত্রাপুরের লক্ষ্মীবাজার এলাকায় একটি বাসায় এসি মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো. আজিজুল ইসলাম (২৫) নামের এক মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের স্থানান্তর করা হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার চাচা মো. বাদল জামান, বিকেলে লক্ষ্মীবাজারের একটি আবাসিক ভবনে সহকর্মীর সঙ্গে এসি সার্ভিসিংয়ে কাজ করছিলেন আজিজুল। এক ছাদ থেকে অন্য ছাদে যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত একটি বিদ্যুতের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং সেখানেই অচেতন হয়ে পড়েন। পারে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢামেকে তার মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। কেএজেডআইএ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মধ্যেই হরমুজে নতুন নৌপথ চালুর উদ্যোগ ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মধ্যেই হরমুজে নতুন নৌপথ চালুর উদ্যোগ ইরানের

ডাকসুর পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে জোরালো আলোচনা

ডাকসুর পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে জোরালো আলোচনা

ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্রে কী থাকছে

ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্রে কী থাকছে

0 Comments