জাতীয়

কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক
কুয়ালালামপুরে মেগা অভিযানে ৩৬৪ বাংলাদেশি আটক

২ হাজার ৫০০ বিদেশি। তল্লাশি শেষে আটক ৪৭২। আর তাদের মধ্যে ৩৬৪ জনই বাংলাদেশি। মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ব্যস্ত লেবুহ পুডু ও জালান সিলাংয়ের কোতারায়া বাংলা মার্কেট এলাকায় মেগা অভিযানে বেরিয়ে এসেছে এই চমকে দেওয়ার মতো চিত্র। অভিযানে আটক বিদেশিদের প্রায় ৭৭ শতাংশই বাংলাদেশি।

আরও পড়ুন

এটিএমে পড়ে থাকা ১৯০০ ক্রোনা নিয়ে ৫২ হাজার ক্রোনা জরিমানা

বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতি ও সন্দেহজনক অবৈধ ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে শুরু হয় মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ‘সমন্বিত মেগা আইন প্রয়োগ অভিযান’।

কয়েক ঘণ্টার অভিযানে ১৮ থেকে ৬২ বছর বয়সী ৪৭২ বিদেশিকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৪৩৯ পুরুষ ও ৩৩ নারী।

আটকদের জাতীয়তা বিশ্লেষণেও বাংলাদেশিদের আধিক্য স্পষ্ট। ৩৬৪ বাংলাদেশির পর মিয়ানমারের ৫৭, ফিলিপাইনের ৯, নেপালের ৮, ইন্দোনেশিয়ার ৭, পাকিস্তানের ৭, ভারতের ৬, চীনের ৩, জিম্বাবুয়ে ও সৌদি আরবের একজন করে নাগরিক আটক হয়েছেন।

অভিবাসন বিভাগের কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক পরিচালক দাতুক হামশা ইঞ্জাউ জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি না থাকা, অনুমোদিত সময়ের বেশি মালয়েশিয়ায় অবস্থানসহ অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযান ঘিরে লেবুহ পুডুতে তৈরি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। আইন প্রয়োগকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন বিদেশি পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের আটক করতে গিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে অভিবাসন কর্মকর্তাদের ধস্তাধস্তিও হয়। কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের আবাসিক স্থাপনা ভেতর থেকে তালাবদ্ধ থাকায় সেগুলোর তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিতে ভবনের ওপরের তলায় সন্দেহজনক কয়েকটি স্থাপনার সন্ধান পাওয়া যায়। এগুলো পতিতাবৃত্তির আস্তানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল বলে সন্দেহ করছে কর্তৃপক্ষ। বিদেশিদের কাছে অবৈধ ওষুধ বিক্রি করা হয় এমন একটি দোকানও শনাক্ত করা হয়েছে।

অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই লেবুহ পুডু ও কোতারায়ার কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দ্রুত ফাঁকা হয়ে যায়। কয়েকজন বিদেশি নিজেদের আড়াল করতে মুদ্রা বিনিময়কেন্দ্রে সাধারণ গ্রাহক সেজে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও স্থানীয় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

অভিযানে অংশ নেন ৩৩৭ কর্মকর্তা ও সদস্য। এর মধ্যে অভিবাসন বিভাগের ২১৮ জন। বাকি ১১৯ জন ছিলেন কুয়ালালামপুর সিটি হল, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সদস্য।

অভিবাসন বিভাগের পরিচালক হামশা ইঞ্জাউ বলেন, সপ্তাহান্তে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিপুলসংখ্যক বিদেশি কুয়ালালামপুরে আসেন। তাদের অনেকের বৈধ ভ্রমণ নথি ও কাজের অনুমতি রয়েছে। তবে এবারের অভিযানে তল্লাশি করা ২ হাজার ৫০০ বিদেশির মধ্যে ৪৭২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আটক সবাইকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার জন্য বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

এক অভিযানে ৪৭২ বিদেশির মধ্যে ৩৬৪ বাংলাদেশি এই পরিসংখ্যানই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কাগজপত্রের ঘাটতি, অতিরিক্ত অবস্থান কিংবা অন্যান্য অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কেন একই এলাকায় পাওয়া গেল তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক অভিযানগুলোতে বিদেশি নাগরিকদের বৈধতা, কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি বাড়ছে। তার মধ্যেই লেবুহ পুডুর এই অভিযান বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা হিসেবে সামনে এসেছে।

এমআরএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
গুলশানে মিছিল করা আওয়ামী লীগের ৯ জনকে কারাগারে পাঠালেন আদালত
গুলশানে মিছিল করা আওয়ামী লীগের ৯ জনকে কারাগারে পাঠালেন আদালত

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার নয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছিল পুলিশ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন রেহানা পারভীন, সাইফুল ইসলাম, জুয়েল শিকদার, নাজিম উদ্দিন, সাহেদ, শান্ত শেখ, হারুন মাইজভাণ্ডারী, খালেদ মাহমুদ ফয়সাল ও সফিকুর রহমান। আরও পড়ুন গুলশানে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেফতার ২৫ জন রিমান্ডে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোক্তার হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৮০ থেকে ১০০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন। পরে তারা মিছিল নিয়ে পুলিশ প্লাজার দিকে অগ্রসর হন। এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য বহনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আরও পড়ুন প্রতিমন্ত্রী নুর / গুলশানে ছাত্রলীগের মিছিল: প্রশাসন-গোয়েন্দা সংস্থা কেউ আঁচ করতে পারেনি? এজাহার অনুযায়ী, মিছিল থেকে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায় নয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রেফতার আসামিদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এমডিএএ/এমএমকে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ব্রিজের নিচে পড়ে ছিলেন যুবক, প্রাণ গেল হাসপাতালে

ব্রিজের নিচে পড়ে ছিলেন যুবক, প্রাণ গেল হাসপাতালে

এসিল্যান্ডের সই জাল করে নামজারি, দলিল লেখকের সহকারী আটক

এসিল্যান্ডের সই জাল করে নামজারি, দলিল লেখকের সহকারী আটক

ঋতুপর্ণাদের সামনে সেই উত্তর কোরিয়া, ৬ মাস আগে হয়েছিল বিধ্বস্ত

ঋতুপর্ণাদের সামনে সেই উত্তর কোরিয়া, ৬ মাস আগে হয়েছিল বিধ্বস্ত

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে মুখোমুখি সিটি-ইউনাইটেড, ম্যাচ কখন-কোথায়?
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে মুখোমুখি সিটি-ইউনাইটেড, ম্যাচ কখন-কোথায়?

প্রিমিয়ার লিগে আজ আবারও উত্তাপ ছড়াবে ম্যানচেস্টার। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে মুখোমুখি হচ্ছে শহরের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটি। ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণীয় এই দ্বৈরথে এবারও থাকছে মর্যাদা, আধিপত্য ও নগর-শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার রুবেন দিয়াজ। নতুন মৌসুমে দলের শুরুটা ইতিবাচক হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। পাশাপাশি নতুন কোচ এনজোর কৌশলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং দলের পুরোনো মান ধরে রাখার ওপরও জোর দিয়েছেন পর্তুগিজ এই ডিফেন্ডার। জিওস্টারের সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিয়াজ বলেন, নতুন মৌসুমে অনেক কিছু বদলালেও দলের মূল পরিচয় খুব একটা বদলায়নি। ‘নতুন মৌসুমের শুরুটা খুবই ইতিবাচক হয়েছে। অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে; কিন্তু শেষ পর্যন্ত খুব বেশি কিছু বদলায়নি। দলের চারপাশে নতুন একটা শক্তি অনুভব করছি, যা ভালো লাগছে।’ সিটিতে নতুন কোচ এনজো দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের কৌশলে কিছু পরিবর্তন এসেছে। তবে বল দখলে রেখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করা এখনো সিটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বলে মনে করেন দিয়াজ। তার ভাষায়, ‘এনজোর নিজস্ব কিছু ধারণা আছে- আক্রমণ ও রক্ষণ দুই ক্ষেত্রেই তিনি কিভাবে খেলাটি দেখতে চান, সে বিষয়ে তার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে আমরা আগের যে ধরনের ফুটবল খেলতাম, সেটার সঙ্গে এখনো অনেক মিল আছে।’ বল দখল ধরে রেখে প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করা সিটির ফুটবলের অন্যতম ভিত্তি। নতুন কৌশলের মধ্যেও সেই ধারাবাহিকতা থাকছে বলে জানিয়েছেন দিয়াস। ‘আমরা এখনো বল দখলে আধিপত্য রাখি, যেটা আমাদের মূল বৈশিষ্ট্য। তাই কিছু পরিবর্তন থাকলেও ধারাবাহিকতাও আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সবাই নতুন ধারণাগুলো গ্রহণ করছে। অনুশীলনে আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি, যাতে প্রতিটি বিষয় ভালোভাবে বুঝতে পারি।’ মৌসুমের শুরুর ফলাফলও দলকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে বলে মনে করেন তিনি। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না দিয়াস। ম্যাচ ধরে ধরে নিজেদের আরও উন্নত করতে চান তারা। গ্রীষ্মের দলবদলে ম্যানচেস্টার সিটিতে এবার বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। নতুন খেলোয়াড় যেমন এসেছেন, তেমনি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খেলোয়াড় ক্লাব ছেড়েছেন। তবে দিয়াসের কাছে এটি ফুটবলের স্বাভাবিক চক্র। নতুন যারা দলে এসেছেন, তাদের প্রত্যেকের লক্ষ্যও একই- সাফল্য ও শীর্ষে থাকা। ‘সব সময়ই নতুন মুখ আসে, আবার কেউ কেউ চলে যায়। এবার দলবদলের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খেলোয়াড় চলে গেছে। কিন্তু এটি একটি চক্র। যারা এখানে আসে, তারা সবাই একই কারণে আসে- জিততে এবং শীর্ষে পৌঁছাতে।’ নতুনদের দ্রুত দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াকেই এখন গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন দিয়াস। তার মতে, খেলোয়াড় বদলালেও সিটির উচ্চ মানের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। ‘নতুন যারা এসেছে, তারা কত দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে এবং এখানে কী প্রত্যাশা করা হয় তা বুঝতে পারে- সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। ভবনে কে আছে, তার ওপর দলের মানদণ্ড বদলায় না। আমাদের দল শক্তিশালী এবং নতুন খেলোয়াড়রাও ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। লক্ষ্য একই আছে, আমরা সবাই একই দিকে এগোচ্ছি।’ ম্যানচেস্টার সিটির পুরোনো নেতৃত্বগোষ্ঠীর হাতে গোনা কয়েকজন সদস্যের একজন এখনো দিয়াস। দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবটির সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ডিফেন্ডারের কাছে বিষয়টি আবেগেরও। ‘সময় খুব দ্রুত চলে যায়। যতদিন আছেন, উপভোগ করতে হবে। ম্যানচেস্টার সিটিতে কাটানো সময় আমার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা।’ সিটির হয়ে বহু শিরোপা জেতা এবং ক্লাবের সাফল্যের বিভিন্ন অধ্যায়ের সাক্ষী হওয়ার অভিজ্ঞতাই এখন তার সবচেয়ে বড় সম্পদ বলে মনে করেন দিয়াজ। ‘আগের যারা এখানে ছিল, তাদের সঙ্গে অনেক কিছু পার করেছি, অনেক কিছু জিতেছি। সাফল্যের জন্য কী প্রয়োজন এবং প্রতিদিন কতটা ধারাবাহিক থাকতে হয়- সেটা খুব ভালোভাবে জানি। এই অভিজ্ঞতাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসী হলেও প্রতিপক্ষকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না দিয়াজ। তার মতে, প্রিমিয়ার লিগে কোনো ম্যাচই সহজ নয়। আর প্রতিপক্ষ যখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, তখন চ্যালেঞ্জ আরও বড়। ‘এটি কঠিন একটি ম্যাচ। এটি প্রিমিয়ার লিগ, আর সেটাই অনেক কিছু বলে দেয়। আমরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ম্যাচে যাচ্ছি এবং খেলতে মুখিয়ে আছি।’ ইউনাইটেডের সামর্থ্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন সিটির এই ডিফেন্ডার। ‘এটি অনেক উচ্চমানের ম্যাচ। এটাই এই লিগের সৌন্দর্য। এখানে কোনো সহজ ম্যাচ আশা করা যায় না। আমরা প্রত্যেক প্রতিপক্ষকে সম্মান করি এবং সবার বিপক্ষেই একইভাবে প্রস্তুতি নিই। আমরা জানি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কী করতে পারে। তাই চ্যালেঞ্জের জন্য আমরা প্রস্তুত থাকব।’ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ডার্বির উত্তাপ দুই দলের এই লড়াই শুধু তিন পয়েন্টের ম্যাচ নয়। ম্যানচেস্টারের ফুটবল-অহংকারের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ডার্বিটি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যাচ হওয়ায় ইউনাইটেড সমর্থকদের উন্মাদনার মধ্যেই মাঠে নামতে হবে সিটিকে। একদিকে নিজেদের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা নিয়ে ইউনাইটেড, অন্যদিকে নতুন মৌসুমের ইতিবাচক শুরু ধরে রেখে নগর-প্রতিদ্বন্দ্বীর মাঠ থেকে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য সিটির। ফলে ম্যাচে কৌশলের পাশাপাশি মানসিক দৃঢ়তাও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সিটির হয়ে দিয়াসের নেতৃত্বে রক্ষণ সামলানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। নতুন কৌশলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা যেমন হবে, তেমনি ডার্বির চাপ সামলে নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলাটাও সিটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সব মিলিয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে আজকের রাত হতে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ফুটবলের আরেকটি উত্তপ্ত অধ্যায়ের। দুই দলের লড়াইয়ে কে হাসবে শেষ হাসি, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা। ম্যাচের তথ্য ম্যাচ: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বনাম ম্যানচেস্টার সিটিপ্রতিযোগিতা: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগভেন্যু: ওল্ড ট্র্যাফোর্ডসময়: বাংলাদেশ সময় রাত ৯.৩০টালাইভ: স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১ আইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ

জিয়াকে গুলি করেন মতিউর, হত্যার আগে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামে এরশাদ

ঢাকা সিটি নির্বাচন ঘিরে ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি

ঢাকা সিটি নির্বাচন ঘিরে ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি

রাত ১২টা বাজার অপেক্ষায় থাকেন গৃহিণীরা

রাত ১২টা বাজার অপেক্ষায় থাকেন গৃহিণীরা

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক আওতাধীন সশন্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর ও আন্তঃবাহিনী সংস্থাসমূহে ২টি পদে ৮ জন সহকারী পরিচালক (নবম গ্রেড) নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন শুরু হয়েছে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়, আগামী ৮ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। পরীক্ষার ফি টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এক নজরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬পদের বিবরণ আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা আবেদনের শেষ তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে চাকরির ধরন: অস্থায়ী প্রার্থীর ধরন: নারী - পুরুষ কর্মস্থল: ঢাকা বয়স: ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না। অনলাইনে আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন ফি: টেলিটক সিমের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রতিটি পদের জন্য ২২৩ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে। আরও পড়ুন৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, আবেদন ফি ৫৬ টাকাএইচএসসি পাসে বিজিবির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ৫৬ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে চীন, রাশিয়া ও ভারতের অঙ্গীকার

অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে চীন, রাশিয়া ও ভারতের অঙ্গীকার

বিয়ে করলেন মডেল ও উপস্থাপক পায়েল, পাত্র কে

বিয়ে করলেন মডেল ও উপস্থাপক পায়েল, পাত্র কে

ব্রিকস সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ, গৃহীত হলো নয়াদিল্লি ঘোষণা

ব্রিকস সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ, গৃহীত হলো নয়াদিল্লি ঘোষণা

0 Comments