জাতীয়

খিলগাঁওয়ের খালে ভাসছিল জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির লাশ, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
খিলগাঁওয়ের খালে ভাসছিল জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির লাশ, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
খিলগাঁওয়ের খালে ভাসছিল জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির লাশ, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনী সেতুর নিচে জিরানি খালের পানিতে ভাসছিল একটি লাশ। গত বুধবার পরিচয়হীন এই ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ।

পরে পুলিশ এই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে। তারা নিশ্চিত হয়, এটি হত্যাকাণ্ড। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. জজ মিয়া (৪৪)। তাঁর বাড়ি নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায়। বাবার নাম মো. আনোয়ার হোসেন। জজ মিয়া রাজধানীর খিলগাঁওয়ে থাকতেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বুধবার সকাল ১০টার দিকে জিরানি খাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর তদন্ত শুরু করে খিলগাঁও থানার পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, তদন্তের একপর্যায়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মো. আবদুল্লাহ (৩৩) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আবদুল্লাহ বলেছেন, জজ মিয়া তাঁর এক সহযোগীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এর জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়। তবে প্রকৃত ঘটনা কী, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। হত্যায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গ্রেপ্তার হওয়া মো. আবদুল্লাহ

প্রাথমিক তদন্তের বরাতে পুলিশ বলছে, গত মঙ্গলবার জজ মিয়া তাঁর খিলগাঁওয়ের বাসা থেকে বের হন। দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মেরুল বাড্ডার মিন্টুর গ্যারেজে যান। সেখানে আগে থেকে আবদুল্লাহসহ অন্য ব্যক্তিরা অবস্থান করছিলেন। তাঁরা ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে জজ মিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জজ মিয়ার লাশ জিরানি খালে ফেলেন তাঁরা।

এ ঘটনায় জজ মিয়ার স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা
নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

নাটোরের সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বিয়াশ বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রিফাত।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়াশ বাজারের মেসার্স হামিদ এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ২২০ বস্তা সার পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হামিদুল ইসলামের ছেলে মো. রাসেলকে সার ব্যবস্থাপনা আইনে ৩০ হাজার টাকা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে থাকা ২২০ বস্তা সার সরকারি মূল্যে এক দিনের মধ্যে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়।একই অভিযানে বিয়াশ চারমাথা মোড়ের তরিকুল এন্টারপ্রাইজে অবৈধ সার মজুতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক মিজানুর রহমানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাসরিফুল ইসলাম ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।ইউএনও আবদুল্লাহ আল রিফাত বলেন, প্রশাসন সতর্ক আছে। অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
চাঁদপুরে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

চাঁদপুরে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

ভেনিসে কঠিন অভিজ্ঞতার পর বাঁধনের আবেগঘন বার্তা

ভেনিসে কঠিন অভিজ্ঞতার পর বাঁধনের আবেগঘন বার্তা

নগরে আত্মীয়ের বাসায় দুই শিশু, গ্রামে মায়ের দাফন

নগরে আত্মীয়ের বাসায় দুই শিশু, গ্রামে মায়ের দাফন

হৃদরোগীদের কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো ভালো?
হৃদরোগীদের কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো ভালো?

সারাদিনের ক্লান্তি কাটিয়ে শরীর ও মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়ার অন্যতম প্রধান উপায় ঘুম। পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম শুধু পরদিনের কর্মক্ষমতা বাড়ায় না, হৃদযন্ত্র ও স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। তবে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঘুমের সময় শরীরের অবস্থানও কখনো কখনো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে শোয়ার পর শ্বাসকষ্ট, বুকের অস্বস্তি বা শরীরে তরল জমার মতো সমস্যা থাকলে ঘুমের ভঙ্গির কারণে উপসর্গ কম-বেশি হতে পারে। তবে হৃদরোগীদের জন্য সবার ক্ষেত্রে একই ঘুমের ভঙ্গি সবচেয়ে ভালো-এমন কোনো নিয়ম নেই। কারো কোন ভঙ্গিতে আরাম হচ্ছে এবং শ্বাস নিতে সুবিধা হচ্ছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশ ফিরে ঘুমানো কি ভালো? অনেক হৃদরোগীর কাছে পাশ ফিরে ঘুমানো আরামদায়ক হতে পারে। বিশেষ করে চিৎ হয়ে শুলে যদি শ্বাসকষ্ট বাড়ে, তাহলে পাশ ফিরে শোয়া কিছু মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক হতে পারে। বাঁ দিকে ফিরে ঘুমানো নিয়ে অনেক ধরনের কথা প্রচলিত আছে। তবে প্রত্যেক হৃদরোগীর জন্য বাঁ দিকে ফিরে ঘুমানোই সবচেয়ে ভালো-এমন প্রমাণ নেই। তাই শুধু ‘হার্টের জন্য বাঁ দিকে ঘুমাতেই হবে’ এমন ধারণা অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই। হার্ট ফেইলিওরের মতো সমস্যায় শুয়ে পড়ার পর শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শরীরের ওপরের অংশ কিছুটা উঁচু করে ঘুমানো আরাম দিতে পারে। প্রয়োজন হলে বালিশ দিয়ে মাথা, ঘাড় ও বুকের অংশ সামান্য উঁচু করে রাখা যায়। চিৎ হয়ে ঘুমানো কি ক্ষতিকর? চিৎ হয়ে ঘুমানো মানেই হৃদরোগীদের জন্য ক্ষতিকর-এমন নয়। অনেক মানুষ এই ভঙ্গিতেই স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুমান। তবে কিছু হৃদরোগীর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে হার্ট ফেইলিওর বা শরীরে অতিরিক্ত তরল জমার সমস্যা থাকলে, সম্পূর্ণ চিৎ হয়ে শোয়ার পর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। যদি শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পরই হাঁপ ধরতে শুরু করে, বারবার উঠে বসতে হয় কিংবা ঘুমানোর জন্য আগের তুলনায় বেশি বালিশ প্রয়োজন হয়, তাহলে বিষয়টি শুধু ঘুমের ভঙ্গির সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। কোন লক্ষণগুলো সতর্কবার্তা? রাতে শোয়ার পর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া, ঘুমের মধ্যে হঠাৎ দম বন্ধ হয়ে আসার অনুভূতিতে জেগে ওঠা, নতুন করে পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া কিংবা অল্প সময়ে অস্বাভাবিক ওজন বেড়ে যাওয়া-এসব লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি। বিশেষ করে হৃদরোগের থাকলে এসব উপসর্গকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পেটের ওপর ভর দিয়ে ঘুমানো যাবে? হৃদরোগীদের জন্য পেটের ওপর ভর দিয়ে ঘুমানো একেবারেই নিষেধ কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। তবে কারা ক্ষেত্রে এই ভঙ্গিতে বুকে চাপ লাগতে পারে বা শ্বাস নিতে অস্বস্তি হতে পারে। তাই যে ভঙ্গিতে বুকব্যথা, তীব্র শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক অস্বস্তি তৈরি হয়, সেই অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ থাকা উচিত নয়। আরও পড়ুন মুরগির পা খেতে পছন্দ করেন না, এতে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ হৃদরোগীর ঘুমের ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আরামদায়কভাবে ঘুমানো এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারা। ঘাড়, পিঠ বা পায়ের নিচে প্রয়োজন অনুযায়ী বালিশ ব্যবহার করা যেতে পারে। আরও পড়ুন দ্রুত খাবার খাওয়ার পেছনে যেসব মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে তবে ঘুমের সময় বারবার শ্বাসকষ্ট বা অন্য উপসর্গ দেখা দিলে শুধু বালিশ বা ঘুমের ভঙ্গি বদলে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই জরুরি। সূত্র: হেলথ লাইন, স্লিপ ফাউন্ডেশন এসএকেওয়াই

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
বিগ বাজেটে সাত পর্বের সিনেমা, পোস্টারে শ্রীকৃষ্ণের হাত

বিগ বাজেটে সাত পর্বের সিনেমা, পোস্টারে শ্রীকৃষ্ণের হাত

নারায়ণগঞ্জে ধর্মান্তরিত বিল্লালকে ইসলামি রীতিতে দাফনের নির্দেশ

নারায়ণগঞ্জে ধর্মান্তরিত বিল্লালকে ইসলামি রীতিতে দাফনের নির্দেশ

ঢাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৪২

ঢাকায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৫৪২

সবার আগে জাপানের পথে নারী ফুটবল দল
সবার আগে জাপানের পথে নারী ফুটবল দল

এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে সবার আগে জাপানের পথে রওনা হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। চীনের গুয়াংজুতে কন্ডিশনিং ক্যাম্প ও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে শুক্রবার জাপানের উদ্দেশে যাত্রা করেছে আফঈদা খন্দকার, মনিকা চাকমারা। এশিয়ান গেমস সামনে রেখে চীনে বেশ কয়েকদিনের ক্যাম্প করেছে বাংলাদেশ দল। সেখানে কন্ডিশনিংয়ের পাশাপাশি দুটি অনুশীলন ম্যাচ খেলে নিজেদের প্রস্তুতিও ঝালিয়ে নিয়েছেন ফুটবলাররা। গুয়াংজুর ক্যাম্প শেষে এবার জাপানে গিয়ে গেমসের জন্য নিজেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেবেন কোচ পিটার বাটলারের শিষ্যরা। এশিয়ান গেমসে এবার দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এর আগে ২০২৩ সালের হাংজু এশিয়ান গেমসে প্রথমবার অংশ নিয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আরও ভালো করার প্রত্যাশা রয়েছে দলের। বাংলাদেশের গ্রুপটাও বেশ কঠিন। ‘এফ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ এশিয়ার দুই পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া এবং মিয়ানমার। ফলে গ্রুপ পর্বেই বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে ঋতুপর্ণা-তহুরাদের। ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়ান গেমসের অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে জাপান সময় বিকেল ৪টায়, বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। ১৭ সেপ্টেম্বর একই ভেন্যুতে দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। জাপান সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি, যা বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ২১ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বিপক্ষে। নাগাই স্টেডিয়ামে এই ম্যাচও শুরু হবে জাপান সময় বিকেল ৪টায়, বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। বাংলাদেশের জন্য প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপের সেরা দলগুলো নকআউট পর্বে যাবে। তাই শক্তিশালী দুই কোরিয়ার বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের পাশাপাশি মিয়ানমারের বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়াও হবে বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য। জাপানের নাগোয়া ও আইচি শহরে অনুষ্ঠিতব্য এবারের এশিয়ান গেমসে ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ। ডিসিপ্লিনগুলো হচ্ছে-আরচারি, অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, সাইক্লিং, ফুটবল (নারী), ফেন্সিং, জিমন্যাস্টিকস, গলফ, হকি (পুরুষ ও নারী), জুডো, কাবাডি (পুরুষ ও নারী), কারাতে, শ্যুটিং, সার্ফিং, সুইমিং, টেবিল টেনিস, বিচ ভলিবল, ভারোত্তোলন, কুস্তি ও উশু। আরআই/আইএন

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
সম্প্রীতির শিক্ষা ভুলে কেন বিভেদের পথে?

সম্প্রীতির শিক্ষা ভুলে কেন বিভেদের পথে?

আত্মহত্যার প্রবণতাকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার আহ্বান

আত্মহত্যার প্রবণতাকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার আহ্বান

এই দিনে ছিনতাই হয় চার যাত্রীবাহী বিমান, হামলায় কেঁপে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র

এই দিনে ছিনতাই হয় চার যাত্রীবাহী বিমান, হামলায় কেঁপে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments