জাতীয়

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা
জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা এবং সেখানে গোলাম আযমকে জুতাপেটার ছবি লাগানোকে ‘মব’ হিসেবে উল্লেখ করে এতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন ডাকসুর নেতারা।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তাঁর কার্যালয়ে যান ডাকসুর নেতারা। উপাচার্য চীন সফরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ায় তাঁকে না পেয়ে সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীর কাছে এ দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সাক্ষাৎ শেষে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছি, যারা ডাকসু সংগ্রহশালায় হামলা করে ঐতিহাসিক সম্পদ ও ছবি নষ্ট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? একই সাথে ডাকসু সংগ্রহশালা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য, শাহবাগ থানায় সাংবাদিক ও ডাকসু প্রতিনিধিদের ওপর হামলা, ফজলুল হক মুসলিম হলের শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট কর্তৃক নির্যাতন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আমাদের অবস্থান জানিয়েছি।’

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির বিষয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা ফরহাদ বলেন, ‘ডাকসু সংগ্রহশালা উদ্বোধনের আগে উপাচার্য দুবার সেটি পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি ডাকসুর সভাপতি হিসেবে সেখানে কী কাজ হচ্ছে, কী ছবি লাগানো হচ্ছে, এসব জানার সুযোগও তাঁর ছিল। যদি প্রশাসন মনে করে, ওই ছবি সরানো প্রয়োজন, তাহলে তারা আমাদের সেটা স্পষ্টভাবে বলুক। কিন্তু এ বিষয়ে তারা কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া দেয়নি।’

ডাকসু সংগ্রহশালা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্যের বিষয়ে এস এম ফরহাদ বলেন, ‘জিন্নাহর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্যের ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আমরা ছবি ও বক্তব্য প্রকাশ করেছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে। আমরা প্রশ্ন করেছি, জিন্নাহর বাংলা ভাষাবিরোধী বক্তব্য তো বাংলাদেশের বিভিন্ন পাঠ্যবই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ আছে। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা এসব বই প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে?’

ফরহাদ বলেন, ‘যারা ডাকসু সংগ্রহশালায় হামলা করে ঐতিহাসিক সম্পদ ও ছবি নষ্ট করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়েও আমরা কথা বলেছি।’

প্রসঙ্গত ডাকসু সংগ্রহশালা গত রোববার উদ্বোধন করার পর সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার ঐতিহাসিক কোনো ছবি দেখা যায়নি। দেখা যায়, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি যুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা হয়। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী সংগ্রহশালায় গিয়ে জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা জিন্নাহর ছবির স্থানে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমকে ১৯৮১ সালে বায়তুল মোকাররমের সামনে জুতাপেটার একটি ছবি টাঙিয়ে দেন। এসব ঘটনাকে ‘মব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ডাকসুর নেতারা।

এ ছাড়া ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে কেন উল্টো শোকজ করা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ডাকসু প্রতিনিধিদেরও কেন শোকজ করা হয়েছে, তা–ও জানতে চেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচন নিয়েও আমরা স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছি। সংবিধান অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা না হলে তিন মাস মেয়াদ বাড়ার সুযোগ থাকলেও আমরা সে মেয়াদ বাড়াতে চাই না। আমরা দ্রুত নির্বাচনের তফসিল চাই।’

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকসুর নেতারা বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আজকে এসেছিল। আমরা তাদের জানিয়েছি, ফজলুল হক মুসলিম হলের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি টাঙানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

এ ছাড়া ডাকসু নির্বাচন নিয়ে প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করেছে জানিয়ে অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ছাত্রসংগঠনগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহবাগে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটিও তদন্তাধীন। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না বলেও জানান তিনি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক
মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩১ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের বহনকারী তিনটি হায়েস মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, সোমবার দিনগত রাত ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে মুন্সিগঞ্জ সদর ও শ্রীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে শ্রীনগরের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এলাকা থেকে ১০ জন এবং মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দুটি এলাকা থেকে ২১ জন রয়েছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার একটি চেকপোস্টে প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে একটি হায়েস মাইক্রোবাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ১০ জনকে আটক করা হয়। এরপর রাত ১টা ৪৫ মিনিটে সদর থানার হাতিমারা মোড়ের চেকপোস্টে আরেকটি হায়েস মাইক্রোবাস থেকে ১১ জনকে আটক করা হয়। রাত ২টার দিকে শ্রীনগর থানাধীন ছনবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্টে তৃতীয় মাইক্রোবাস থেকে আরও ১০ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, আটক ব্যক্তিরা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আওয়ামী লীগের পক্ষে ঝটিকা মিছিল করার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনিছুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগের মিছিল হতে পারে এমন খবর পেয়ে এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস সড়কের ছনবাড়ি এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি মাইক্রোবাস থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানান। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তছলিম উদ্দিন জানান, সদর উপজেলার সিপাহিপাড়া থেকে ১১ জন ও নয়াগাঁও এলাকা থেকে ১০ জনকে দুটি মাইক্রোবাসসহ আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুভ ঘোষ/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
বাকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি, প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল-শিবিরের

বাকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি, প্রতিহতের ঘোষণা ছাত্রদল-শিবিরের

তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯

তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯

দিনে দিনে শেয়ার কেনাবেচা সুবিধা ডিসেম্বরে

দিনে দিনে শেয়ার কেনাবেচা সুবিধা ডিসেম্বরে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতে পরপর তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ হয়েছে। আজ রাত ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ হলের সামনে দুটি এবং টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশনের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সহকারী প্রক্টররা গিয়েছেন। তাঁরা এ বিষয়ে কাজ করছেন। ঘটনা কারা ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।এর আগে আজ দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের সড়কসংলগ্ন মূল ফটকের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর কিছুক্ষণ আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বিস্ফোরণকারী দুজনকে চিহ্নিত করা গেছে। তারা আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতকারী কেউ হতে পারে। সরকার এ বিষয়ে তদন্ত করছে।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা: পরিবেশমন্ত্রী

সামাজিক অবক্ষয় রোধে চাই সম্মিলিত প্রচেষ্টা: পরিবেশমন্ত্রী

বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক

বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক

এবার শাহরুখ খান-কাজলের গান দিয়ে ভাইরাল মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী
এবার শাহরুখ খান-কাজলের গান দিয়ে ভাইরাল মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

আগেও বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলা গানের প্রতি ভালোবাসার নজির রেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের ভিডিওতে তিনি হাবিব ওয়াহিদের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘মহাজাদু’ ব্যবহার করেছিলেন। সংগীতের মাধ্যমে কূটনৈতিক বার্তা তুলে ধরার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে অনেকেই ‘সং ডিপ্লোম্যাসি’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। আর সেই আলোচনার কেন্দ্রেই এবার শাহরুখ খানের অমর গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’। বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান অভিনীত কালজয়ী সিনেমা দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে' ছবির জনপ্রিয় গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’। এটি এবার জায়গা করে নিল কূটনৈতিক অঙ্গনের আলোচিত এক ভিডিওতে। ভারতের ব্রিকস সম্মেলন সফরের স্মৃতি ভাগ করে নিতে এই গানই বেছে নিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভ্যর্থনার মুহূর্ত নিয়ে তৈরি একটি ভিডিও তিনি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন। ভিডিওটির আবহে শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত ১৯৯৫ সালের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র 'দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে' ছবির এই রোমান্টিক গান ব্যবহার করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। শুধু এই একটি গানই নয়, সফরের বিভিন্ন মুহূর্তে আনোয়ার ইব্রাহিম আরও কয়েকটি জনপ্রিয় বলিউড গান ব্যবহার করেছেন। মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবিতে ছিল 'দিল তো পাগল হ্যায়' ছবির শিরোনাম গান, ব্রিকস সম্মেলনের বক্তব্যের ছবিতে 'হর দিল জো পেয়ার করেগা' এবং ভারত ছাড়ার ভিডিওতে 'লক্ষ্য' সিনেমার ‘কান্ধোঁ সে মিলতে হ্যায় কান্ধে’ গান। ভারত সফরের ফাঁকে তিনি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সেই ভোজের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে শোনা যায় 'ভীর-জারা' সিনেমার ‘আইসা দেশ হ্যায় মেরা’ গান। এলআইএ/কেএইচকে

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ইউল্যাবে ফল সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ইউল্যাবে ফল সেমিস্টারের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

জিন্নাহর ছবি ছেঁড়ার ঘটনাকে ‘মব’ উল্লেখ করে বিচার দাবি করলেন ডাকসু নেতারা

ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম, সিভিল সার্জনকে আইনমন্ত্রী

ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম, সিভিল সার্জনকে আইনমন্ত্রী

0 Comments