জাতীয়

জাকসুর ৪৬ প্রতিশ্রুতির ১৩টির বাস্তবায়ন, বিতর্কে নেতারা

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
জাকসুর ৪৬ প্রতিশ্রুতির ১৩টির বাস্তবায়ন, বিতর্কে নেতারা
জাকসুর ৪৬ প্রতিশ্রুতির ১৩টির বাস্তবায়ন, বিতর্কে নেতারা

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এক বছর পর এসে তা অনেকটাই ম্লান। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দেওয়া ইশতেহারের বেশির ভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। জাকসু নেতাদের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচনের পর দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নির্বাচিত সদস্যদের এক বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পায় ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল। বাকি পাঁচটি পদের মধ্যে দুটি পদে জাতীয় ছাত্রশক্তি, দুটি স্বতন্ত্র এবং সহসভাপতি (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু জয়ী হন। আওয়ামী লীগের শেষ সময়েও তিনি ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর জিতু বিএনপিতে যোগ দেন।

প্রতিশ্রুতির আংশিক বাস্তবায়ন

জাকসু নির্বাচনে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ও তিনটি আংশিক প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হওয়া সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট ৯ দফা ইশতেহার দিয়েছিল। এতে ক্যাম্পাস-সংশ্লিষ্ট ৪৬টি বিষয়ের প্রতিশ্রুতি ছিল। এর মধ্যে ১৩টি বাস্তবায়িত হয়েছে আর ৩০টি বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং দুটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। বাকি একটি প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যবিমা আগেই চালু হয়েছে। যে ৩০টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলো মূলত কমিটি গঠন ও কমিটির সুপারিশ সিন্ডিকেটে উত্থাপনের অপেক্ষা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। আর কোনো কোনো প্রতিশ্রুতি একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।

প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রতিবেশগত মহাপরিকল্পনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং জোরদারের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হয়নি।

শিবির-সমর্থিত প্যানেলের যেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি সেগুলো হলো শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল গঠন, সম্পূরক বৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি, সেশনজট নিরসন ও শিক্ষা ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন, শিক্ষক মূল্যায়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণা সফটওয়্যার সরবরাহ এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি। তবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভাষা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কর্মশালা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রতিবেশগত মহাপরিকল্পনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং জোরদারের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হয়নি।

জাকসুর নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডাইনিংয়ে ভর্তুকি ও ছাত্রী হলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়নি। আধুনিক ডিসপেনসারি ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের কথা বলা হলেও এ বিষয়ে শুধু কর্মশালা হয়েছে। খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়াম উন্নয়ন হয়নি। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা খেলার মাঠের কাজ আগেই শুরু হয়েছিল, জাকসু নির্বাচনের পর তা চালু হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ চলছে। গেস্টরুম কালচার বন্ধে জাকসুকে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হয়নি। জুলাই অভ্যুত্থানের পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা আগেও ছিল। ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স-সেবা চালুর পাশাপাশি চিকিৎসাকেন্দ্রে ওষুধের আইটেম বেড়েছে। ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন চালু করা হলেও কার্যকর সেবা পান না শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত হয়নি। যৌন নিপীড়ন অভিযোগ সেল আগের মতোই আছে। ডে-কেয়ার, নারী কমন রুম, লিফট চালু হয়নি। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল-সুবিধা চালু হয়েছে। বাসের সংখ্যা, ট্রিপ ও রুট বাড়ানো হয়েছে, চালু হয়েছে লাইভ ট্র্যাকিং অ্যাপ। সাইকেল লেন ও সাইকেল স্ট্যান্ড স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। আন্তহল ও আন্তবিভাগ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন প্রশংসা পেয়েছে।

জাকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ইশতেহারে দেওয়া অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়েছে। যেগুলো বাকি রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কিছু কাজ হতে বিলম্ব হয়েছে।

রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি

‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেল থেকে একমাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হন ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু। নির্বাচনে তাঁর প্যানেল ১১ দফা ইশতেহার দেয়। প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল, তাঁরা নিরপেক্ষ থাকবেন এবং আবাসিক হলগুলোয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করবেন। তবে জেতার পর ভিপি নিজেই কয়েকটি হল সংসদের নেতাকে নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। এ বিষয়ে আব্দুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজনৈতিক দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত। আমি কোনো দলের ভিপি নই, আমি শিক্ষার্থীদের ভিপি। শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরাই বিচার করবেন, আমি তাঁদের আস্থার মর্যাদা রাখতে পেরেছি কি না।’

ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে বলা হয়েছিল, তারা মূল দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি করে না। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না। তবে নির্বাচনের জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলামকে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ইসলামীর বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অনেকেই বিষয়টিকে প্রতারণা হিসেবে দেখছেন। স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সদরুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচনের সময় প্রার্থীদের নির্দলীয় হিসেবে বেশি প্রচারের প্রবণতা দেখেছি। কিন্তু জেতার পর তাঁদের কেউ কেউ দলীয় রাজনৈতিক কাজকর্মে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। এটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা।

এ বিষয়ে মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভেতরে জামায়াত ইসলামীর কোনো কর্মসূচি আমরা করিনি। আমি ব্যক্তিগতভাবে আদর্শিক জায়গা থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে কিছু কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি, তবে সেটা জাকসুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে নয়।’

ছাত্রশিবিরের প্যানেল থেকে বলা হয়েছিল, তারা মূল দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি করে না। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না। তবে নির্বাচনের জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলামকে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ইসলামীর বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।

বিতর্কে নেতারা

জাকসুর নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে বছরজুড়ে আলোচনায় ছিলেন স্বাস্থ্য ও খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হোসনে মোবারক এবং কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতি। মেডিকেলের বিভিন্ন অনিয়ম এবং বটতলাসহ বিভিন্ন খাবারের হোটেলে পচা-বাসি খাবার নিয়ে তাঁদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। এ জন্য তাঁরা মাঝেমধ্যে বিতর্কে জড়িয়েছেন।

গত ২২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় একটি দোকানে হালিমে মাছি পাওয়ার অভিযোগ তুলে দোকানের কর্মচারীর গায়ে হালিমের বাটি ছুড়ে মারেন হোসনে মোবারক। এর প্রতিবাদে ওই দিন কয়েকটি দোকান বন্ধ রাখা হয়। দোকানদারদের সঙ্গে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে হোসনে মোবারকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় মোহাম্মদ আলী চিশতি কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে পাল্টা স্লোগান দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

গত ৮ এপ্রিল ‘গণভোট অস্বীকার ও অধ্যাদেশ বাতিলের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রে প্রবেশ এবং সংকটের পথে দেশ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে জাকসু। সেমিনার শুরুর আগে ভিপি আব্দুর রশিদ আপত্তি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে সমালোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে সেমিনার বন্ধ হয়ে যায়।

একটি অডিও কথোপকথনে মনিরকে বলতে শোনা যায়, প্রয়োজন হলে রিকশাচালকেরা যেন বলেন, ‘জিতু ভাই আমাদের নম্বর করে দিছে।’

গত ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচের একটি খেলা দেখানোর সময় কথা-কাটাকাটির জেরে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসানসহ (কিরণ) কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

গত ২৩ জুলাই ক্যাম্পাসে অটোরিকশা চলাচলের অনুমোদনের নামে রিকশাপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠে শহীদ সালাম বরকত হলের কর্মচারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মনিরের পাশাপাশি ভিপি আব্দুর রশিদ এবং ওই হল সংসদের ভিপি মারুফ হোসেনের নাম আলোচনায় আসে। এ-সংক্রান্ত একটি অডিও কথোপকথনে মনিরকে বলতে শোনা যায়, প্রয়োজন হলে রিকশাচালকেরা যেন বলেন, ‘জিতু ভাই আমাদের নম্বর করে দিছে।’

এদিকে ভিপি আব্দুর রশিদের ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও তিনি আবাসিক হলে থাকেন—এটা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয় গত জুলাই মাসে। এরপর ২৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হলে অবস্থান করতে পারবেন। এতে জাকসুর অন্য সদস্যরা আপত্তি জানান এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে অবশ্য সমালোচনার মুখে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রশাসন। তারপরও তিনি হলেই থাকছেন।

গত ৫ আগস্ট আল-বেরুনী হল থেকে ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক এক শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ভিপির বিরুদ্ধে। ওই দিন রাতেই হলের ক্যানটিনে তিনি ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতাকে গালাগাল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সাবেক সমন্বয়ক মেহরাব সিফাত প্রশ্ন করলে তাঁদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

গত বছরের ২৭ অক্টোবর ছাত্রলীগ নেতা খন্দকার আল মামুন রেজা পরিচালিত একটি কোচিং প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা এনে লালন সন্ধ্যা আয়োজনের অভিযোগ ওঠে জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক মহিবুল্লাহ শেখ ওরফে জিসানের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যেও অনুষ্ঠান হয়েছে। গত ৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ছাত্রদলের কিছু নেতার নাম ঘোষণা করা না-করা নিয়ে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে রাতেই ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন জিসান।

আস্থা হারাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি। পরের বছরই জাকসু নির্বাচন হয়। তখন থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত ২০ বছরে নির্বাচন হয়েছে ৯ বার। তারপর দীর্ঘ ৩৩ বছর জাকসু নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ সময় নির্বাচন না হওয়ায় গত বছর দশম জাকসু নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস, উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার হয়।

তবে দশম শিক্ষার্থী সংসদের মেয়াদ শেষে নতুন নির্বাচনের জন্য ক্যাম্পাসে তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। নির্বাচনের দাবিতে আগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা যেভাবে সোচ্চার ছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে আলোচনা করতেন, এবার তা দেখা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতবারের ছাত্র সংসদ নির্বাচন ছিল দীর্ঘ বিরতির পর একটি ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন। ৫ আগস্ট-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পরিবর্তনের প্রত্যাশা এবং দীর্ঘদিন পর ভোট দেওয়ার সুযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছিল। এবার সেই নতুনত্ব ও প্রত্যাশার তীব্রতা নেই। কারণ, গতবারের নির্বাচনের পর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
চট্টগ্রামে আটতলা ভবন ঘিরে পুলিশের অভিযান, ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক
চট্টগ্রামে আটতলা ভবন ঘিরে পুলিশের অভিযান, ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী-জালালাবাদ এলাকায় আটতলা এক ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ ৭০টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতাররা চার দেশের বাসিন্দা। গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও পুলিশের যৌথ দল এ অভিযান চালায়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চীন, পাকিস্তান, লাওস ও ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছেন বলে অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মোহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ। তিনি বলেন, ভবনটিতে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিকের অবস্থান ও সন্দেহজনক কার্যক্রমের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ। আরও পড়ুন এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি, ফল তৈরিতে ‘জালিয়াতি’ মোহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চীন, পাকিস্তান, লাওস ও ভিয়েতনামের নাগরিক রয়েছেন। তারা কী উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে এসেছেন, ভবনটিতে কেন অবস্থান করছিলেন এবং সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন- এসব বিষয় যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া তাদের বৈধ কাগজপত্র, ভিসার ধরন এবং তারা কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত, সেসব তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোটি টাকার লেনদেনের সন্দেহ অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আটতলা ভবনটিতে বিদেশি নাগরিকদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। সেখানে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেনের পাশাপাশি ক্যাসিনোসদৃশ বা জুয়াসংক্রান্ত কার্যক্রম চলার তথ্যও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অভিযানে জব্দ করা ৭০টি ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এসব ডিভাইসে আর্থিক লেনদেন, পারস্পরিক যোগাযোগ কিংবা অনলাইন কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আরও পড়ুন এই দিনে ছিনতাই হয় চার যাত্রীবাহী বিমান, হামলায় কেঁপে ওঠে যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের ধারণা, ডিভাইসগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করা গেলে আটক ব্যক্তিদের পারস্পরিক যোগাযোগ, বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্য এবং ভবনটিতে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র আরও দাবি করেছে, কথিত ওই জুয়ার আসরে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন হয়ে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে সেখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই অর্থের পরিমাণ বা লেনদেনের নির্দিষ্ট কোনো হিসাব প্রকাশ করেনি পুলিশ। নগদ অর্থের পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব, অনলাইন লেনদেন কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে কি না, তা-ও তদন্তের আওতায় রয়েছে। এমআরএএইচ/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে নগদ, থাকছে না বয়সসীমা

ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে নগদ, থাকছে না বয়সসীমা

এবার কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে

এবার কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে

৯/১১ পৃথিবীকে কতটা বদলে দিয়েছে

৯/১১ পৃথিবীকে কতটা বদলে দিয়েছে

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের মৃত্যু, মায়ের কবরে সমাহিত হবেন
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের মৃত্যু, মায়ের কবরে সমাহিত হবেন

শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৭ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। আমীরুল ইসলামের মৃত্যুর তথ্য প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় অসুস্থ হয়ে ১৩ আগস্ট রাজধানীর একটি হাসপাতালে আমীরুল ইসলামকে ভর্তি করানো হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার রাত তিনটার দিকে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। বুধবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি।আজ শুক্রবার তিন দফা জানাজা শেষে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁর মা আনজিরা খাতুনের কবরে আমীরুল ইসলামকে সমাহিত করা হবে।জুমার নামাজের পর বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে আমীরুল ইসলামের প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা তিনটায় বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গণে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হবে। সেখানে বেলা সাড়ে তিনটায় তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।আসরের নামাজের পর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানসংলগ্ন গোলারটেক ঈদগাহ জামে মসজিদে তাঁর তৃতীয় ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।আমীরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হতো। সর্বশেষ এই জটিলতায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।আমীরুল ইসলামের জন্ম ১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া, কবিতা ও নানা ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দুই শতাধিক। এর অধিকাংশই শিশুসাহিত্যনির্ভর।শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৬ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান আমীরুল ইসলাম। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি।সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন আমীরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান নির্মাণ, পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ছিল। চ্যানেল আইয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।তাঁর মৃত্যুতে চ্যানেল আইয়ের সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
‘অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা ও অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না’

‘অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা ও অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না’

নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

চাঁদপুরে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

চাঁদপুরে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

ভেনিসে কঠিন অভিজ্ঞতার পর বাঁধনের আবেগঘন বার্তা
ভেনিসে কঠিন অভিজ্ঞতার পর বাঁধনের আবেগঘন বার্তা

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার পর নিজের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা ও পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধন তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘জীবন যখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, তখন সবসময় মনে রাখবেন অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে।’ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী বলেন, ‘কী দীর্ঘ এক যাত্রা ছিল এটি! এমন এক যাত্রা, যেখানে ছিল কঠিন সব মুহূর্ত; ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আমি একটি গভীর সত্য উপলব্ধি করেছি কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সমর্থন।’ আরও পড়ুন হামলার ঘটনায় ইতালিতে মামলা করলেন বাঁধন কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ও ইতালি সরকার, ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বাঁধন। তিনি বলেন, ‘যখন আমার সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।’ নিজের কিছু মানুষ যখন দূরে সরে গিয়েছিল, তখন এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিই তার শক্তি ও সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছিল বলেও জানান এই অভিনেত্রী। আরও পড়ুন বাঁধনের ওপর হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ফারুকীর, তুললেন অনেক প্রশ্ন পাশাপাশি যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, খোঁজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন কিংবা একটি ভালো কথা বলেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতিও হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাঁধন। সবশেষে আজমেরী হক বাঁধন লেখেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি।’ ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতেই ইতালিতে গেছেন বাঁধন। আরও পড়ুন ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার অভিযোগ গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী-সমর্থক তার ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন বাঁধন। ঘটনার পর তার পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসন। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে অসংখ্য মানুষ ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং অভিনেত্রীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। এমআই/বিএ/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
নগরে আত্মীয়ের বাসায় দুই শিশু, গ্রামে মায়ের দাফন

নগরে আত্মীয়ের বাসায় দুই শিশু, গ্রামে মায়ের দাফন

হৃদরোগীদের কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো ভালো?

হৃদরোগীদের কোন ভঙ্গিতে ঘুমানো ভালো?

বিগ বাজেটে সাত পর্বের সিনেমা, পোস্টারে শ্রীকৃষ্ণের হাত

বিগ বাজেটে সাত পর্বের সিনেমা, পোস্টারে শ্রীকৃষ্ণের হাত

0 Comments