জাতীয়

ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালু করল সিটিজেনস ব্যাংক

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালু করল সিটিজেনস ব্যাংক
ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা চালু করল সিটিজেনস ব্যাংক

সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি ‘শুদ্ধ ব্যাংকিং, সমৃদ্ধ আগামী’ স্লোগানে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করেছে। এ কার্যক্রমের নাম দেওয়া হয়েছে সিটিজেনস ইসলামিক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটিজেনস ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান; পরিচালক মোখলেসুর রহমান, এস এম শফিকুল হক ও মো. রফিকুল আলম; স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম শহীদুল হক; ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলমগীর হোসেন; শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুস সামাদ; সদস্য মুফতি মুহাম্মদ আবু ইউসুফ খান ও মুফতি মঈনুল ইসলাম এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও মো. আবদুল লতিফ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর ফলে ধর্মীয় বিশ্বাস ও আর্থিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশীদারত্বভিত্তিক ব্যাংকিং সেবাপ্রত্যাশী গ্রাহকেরা শরিয়াহসম্মত হিসাব, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প খাত এবং বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতের জন্য নতুন ও সম্প্রসারিত অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‘ক্যারিয়ারকে সর্বপ্রথম টার্গেট করবা’—জবি নবীনবরণে ছাত্রদল নেতা সুমন
‘ক্যারিয়ারকে সর্বপ্রথম টার্গেট করবা’—জবি নবীনবরণে ছাত্রদল নেতা সুমন

  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিজেদের ক্যারিয়ারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিবার, দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুমন সরদার।  বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ মাঠে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।  বক্তব্যে সুমন সরদার বলেন, ‘তোমরা তোমাদের মেধা, মন ও সৃজনশীলতা দিয়ে শত শত শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের আসন করে নিয়েছো। তোমাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, ভাই হিসেবে, ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে অবশ্যই নিজের ক্যারিয়ারকে সর্বপ্রথম টার্গেট করবা। নিজের পরিবার, দেশ এবং জাতির সেবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবা।’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও অতীত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী উঠে এসে বর্তমানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নসহ দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নবীনদের সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কথা ভাবার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তোমরা নিজের লেখাপড়ার পাশাপাশি বন্ধু, ছোট ভাই, বড় ভাই এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে নিয়ে এখন থেকেই ভাববা। নিজের ডায়েরিতে নোট করবা, আল্লাহ যদি আমাকে তৌফিক দান করেন, আমি এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কীভাবে সামনে নিয়ে আসব।’ বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবন ও নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান একজন হয়েছেন, আজকের অবস্থানে একদিনে সৃষ্টি হননি। বছরের পর বছর তাকে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে, ধৈর্য ধরতে হয়েছে।’  তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের জন্য কাজ করার মধ্য দিয়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন এবং দেশের মানুষ তাকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিজ্ঞান অনুষদ মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। টিএইচকিউ/জেএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
‘গুলি কর’ বলে হুমকি, ঘরে ঢুকে হামলা, গ্রেপ্তার ৩

‘গুলি কর’ বলে হুমকি, ঘরে ঢুকে হামলা, গ্রেপ্তার ৩

ট্যুরেট সিনড্রোম ছাপিয়ে সব জয় করা বিলি আইলিশ

ট্যুরেট সিনড্রোম ছাপিয়ে সব জয় করা বিলি আইলিশ

নাগরিকদের সৌদি আরবে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে বলল যুক্তরাষ্ট্র

নাগরিকদের সৌদি আরবে ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে বলল যুক্তরাষ্ট্র

সাতক্ষীরার গাজী নজরুল ইসলাম এখন কোন দলের এমপি
সাতক্ষীরার গাজী নজরুল ইসলাম এখন কোন দলের এমপি

জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুলের দাবি, তিনি এখনো দলের এমপি। তবে এমপি পদের কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁর এমপি পদ বহাল আছে। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে, গাজী নজরুল এখন কোন দলের এমপি, নাকি তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে সংসদে আছেন?গাজী নজরুল ইসলাম অবশ্য নিজেকে এখনো জামায়াতের এমপি মনে করেন। গতকাল মঙ্গলবার তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে, সদস্যপদ আমার আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই তো এখনো আছি খাতা–কলমে, সব জায়গায়। এটা আমার যদ্দুর জানা। আর জামায়াত কী বলছে না বলছে, এটা আমার জানা নাই।’সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করল জামায়াততবে জামায়াতের নেতাদের বক্তব্য ভিন্ন। তাঁদের ভাষ্য, বহিষ্কারের পর গাজী নজরুল আর দলের কেউ নন। তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ আসনের এমপি মো. ইজ্জত উল্লাহ গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের চিঠি সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এখন তিনি কী বলছেন, সে বিষয়ে জানা নেই। তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগও নেই।একই বিষয়ে প্রথম আলো কথা বলেছে জামায়াতের দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গেও। দলের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘এটা তো ওনাকেই (গাজী নজরুল ইসলাম) জিজ্ঞাসা করতে হবে।’পরে গাজী নজরুল ইসলাম এ বিষয়ে কী বলেছেন, তা জানালে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘উনি ওনার কথা বলছেন, আর আমরা আমাদের কথা বললাম। …আমরা তো দল থেকে বহিষ্কার, তারপর স্পিকার, ইলেকশন কমিশনে সব জায়গায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমাদের যতটুকু করার, আমরা তো সবই করেছি।’জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ পাননিসংসদে টানাপোড়েনগাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কারের পর সংসদে তাঁর অবস্থান নিয়েও একাধিক ঘটনা ঘটেছে। গত ১৮ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ১০ সদস্যের ওই কমিটির সদস্য তিনি। কমিটির সভাপতি ও বিএনপিদলীয় এমপি মনিরুল ইসলাম চৌধুরী সে সময় প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, জামায়াত না চাওয়ায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।এরপর সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটিতে গাজী নজরুলকে রাখার বিষয় নিয়েও সংসদে বিতর্ক হয়। বিরোধী দলের আপত্তির পর শেষ পর্যন্ত ওই কমিটি থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়।এসব ঘটনায় সংসদে তাঁর দলীয় পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন সামনে আসে। কিন্তু সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁর আসন এখনো বহাল রয়েছে।জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদের কী হবেজামায়াতে ফেরার চেষ্টা গাজী নজরুলেরজামায়াত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, বহিষ্কারের পর গাজী নজরুলকে দল থেকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে বলা হয়েছিল, অতীতে এমন নজির রয়েছে যে বহিষ্কারের পর কেউ ভুল স্বীকার করে সংশোধিত হলে দীর্ঘ সময় পর হলেও দলে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু গাজী নজরুল সে পথে না গিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। উদ্দেশ্য, যেকোনো উপায়ে দলে ফেরা।এসব সূত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন বিরোধী দলের একাধিক এমপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন গাজী নজরুল। ওই নির্বাচনে বিরোধী দলের হয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়াই তাঁর উদ্দেশ্য ছিল। তবে তিনি জামায়াত নেতাদের সাড়া পাননি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের আরও কয়েকজন নেতার সঙ্গেও গাজী নজরুল যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।প্রসঙ্গ জামায়াতের এমপি: মাননীয় স্পিকার, বলটা কিন্তু আপনার কোর্টেজামায়াতের নেতারা বলছেন, গাজী নজরুল যা–ই করুন, তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তাঁর আসনে বিকল্প প্রার্থী তৈরির কাজও শুরু হয়েছে।জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, গাজী নজরুল যেভাবে দলে ফেরার চেষ্টা করছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর বহিষ্কারের বিষয়ে জামায়াত তার অবস্থান বদলাবে না।গাজী নজরুলের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও ইসিকে চিঠি জামায়াতেরএমপি পদের কী হবেগাজী নজরুলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো সংবিধানে সংসদ সদস্য পদে অযোগ্যতার ক্ষেত্রে নৈতিক স্খলনের সঙ্গে ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। শুধু কোনো রাজনৈতিক দল ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগে একজন সংসদ সদস্যকে বহিষ্কার করলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে—এমন বিধান সংবিধানে নেই।বর্তমানে গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকা না–থাকার বিষয়টি স্পিকার ও ইসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে জামায়াতের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।ভিডিও ভাইরাল: গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদে থাকা নিয়ে যা জানাল ইসিসংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, দল থেকে বহিষ্কারের পর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে একই ধরনের প্রশ্ন উঠেছিল দশম সংসদে আওয়ামী লীগের তৎকালীন এমপি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে ঘিরে। ২০১৪ সালে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে আওয়ামী লীগ লতিফ সিদ্দিকীকে দল থেকে বহিষ্কার ও দলে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল করে। পরে তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিলের সুপারিশ করে স্পিকারকে চিঠি দেয় দলটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন স্পিকার বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দেন।তবে শেষ পর্যন্ত ইসিকে এই বিতর্কের কোনো সিদ্ধান্ত দিতে হয়নি। ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর লতিফ সিদ্দিকী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে বক্তৃতা দেওয়ার পর স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দেন। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর লতিফ সিদ্দিকীর আসনটি শূন্য হওয়ার বিষয়টি সংসদকে অবহিত করেন তখনকার স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।সেই গাজী নজরুলকে সংসদীয় কমিটিতে রাখা নিয়ে সংসদে বিতর্কগাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে এমপি পদের বিষয়ে জানতে গতকাল জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে ওমরাহ করতে মদিনায় অবস্থান করছেন। সেখান থেকে তিনি মেসেজে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁকে (গাজী নজরুল) দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর সংসদ সদস্য পদ হারানোর বাধ্যবাধকতা নেই।৭৫ বছর বয়সী গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা–৪ আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাঁকে দেখা যায়। এরপর গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ‘নৈতিক স্খলন’–এর প্রমাণ পাওয়া গেছে জানিয়ে গত ২২ জুলাই জামায়াত তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।এরপর জামায়াতের পক্ষ থেকে গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার, নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাঁর সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, সে প্রশ্নের নিষ্পত্তি এখনো স্পিকার ও ইসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ঈশা আর ফিরবে না, তার ছবি বুকে নিয়ে কাঁদছেন মা, দিশাহারা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা

ঈশা আর ফিরবে না, তার ছবি বুকে নিয়ে কাঁদছেন মা, দিশাহারা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বাবা

ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মানিকগঞ্জের আনিছা লাবনী

ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মানিকগঞ্জের আনিছা লাবনী

পুরোনো মেকআপ ফেলে না দিয়ে যেভাবে কাজে লাগাবেন

পুরোনো মেকআপ ফেলে না দিয়ে যেভাবে কাজে লাগাবেন

চীন সফরে ঢাবি উপাচার্য
চীন সফরে ঢাবি উপাচার্য

চীন-দক্ষিণ এশিয়া মেরিন কো-অপারেশন ফোরামে অংশগ্রহণের জন্য চীন সফরে গেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১০ মিনিটে এয়ার চায়না এয়ারলাইন্সের CA 702 নম্বর ফ্লাইটে তিনি রওয়ানা দেন। চীনের প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (FIO) এবং শাংদাও মিউনিসিপ্যাল গভর্নমেন্টের যৌথ আয়োজনে আগামী ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর শাংদাওয়ের স্টারলাইট আইল্যান্ড কনফারেন্স সেন্টারে এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। উপাচার্যের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্নেন্স (ICOG)-এর পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী। সফরকালে ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (FIO) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (MoU) নবায়ন করা হবে। এছাড়া, ফোরামে উপাচার্য সমুদ্র পর্যবেক্ষণ ও আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, চীন-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা এবং সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে যৌথ গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা ফোরামের বিভিন্ন অধিবেশনে অংশ নেবেন। অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে চীন-বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার সুনীল অর্থনীতি ও টেকসই সামুদ্রিক উন্নয়নবিষয়ক একটি কারিগরি অধিবেশনে সহ-সভাপতিত্ব করবেন। ড. কে এম আজম চৌধুরী উত্তর বঙ্গোপসাগরে অক্সিজেন মিনিমাম জোনের মৌসুমি বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করবেন। ফোরামে চীন, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও পাকিস্তানের গবেষক ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেবেন। জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, সুনীল অর্থনীতি ও টেকসই সামুদ্রিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফোরামে আলোচনা ও মতবিনিময় হবে। ফোরামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ এবং FIO -এর সঙ্গে MoU নবায়নের মাধ্যমে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সামুদ্রিক গবেষণা, একাডেমিক বিনিময় ও কারিগরি সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপাচার্যের ছুটিকালীন প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। আরটি/এসএনআর 

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগে গ্রেফতার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বহিষ্কার

ট্রান্সফরমার চুরির অভিযোগে গ্রেফতার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বহিষ্কার

ভারতের হাতে সুইচ, যে কোনো সময় বিদ্যুৎ বন্ধ করতে পারে আদানি: রিজভী

ভারতের হাতে সুইচ, যে কোনো সময় বিদ্যুৎ বন্ধ করতে পারে আদানি: রিজভী

মীর শাহে আলমের সই জাল করে চাকরির আবেদন, নারী গ্রেফতার

মীর শাহে আলমের সই জাল করে চাকরির আবেদন, নারী গ্রেফতার

0 Comments