জাতীয়

ইলিশ মাছ বিক্রির সময় ওজনে কারচুপি, বিক্রেতাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ইলিশ মাছ বিক্রির সময় ওজনে কারচুপি, বিক্রেতাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
ইলিশ মাছ বিক্রির সময় ওজনে কারচুপি, বিক্রেতাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওজন যন্ত্রে রশি বেঁধে কারচুপি করে ইলিশ মাছ বিক্রিতে প্রতারণার দায়ে এক বিক্রেতাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের আনন্দবাজারের মাছের আড়তে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।

মাছ বিক্রেতার নাম আপেল মাহমুদ। ওজনে কারচুপির অভিযোগ পেয়ে আনন্দবাজারে গিয়ে তাঁকে হাতেনাতে ধরে ভোক্তা অধিকারের একটি দল। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা ভোক্তা অধিকারের উপপরিচালক ইফতেখারুল আলম।

ভোক্তা অধিকার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশ মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদ অত্যন্ত কৌশলে ক্রেতাদের ওজনে কম দিচ্ছিলেন। আপেল মাহমুদ তাঁর ওজন পরিমাপক যন্ত্রের (ডিজিটাল পাল্লা) ভেতর একটি রাবার রশি দিয়ে সংযুক্ত করেন। গামছার আড়ালে বিক্রেতা রশিটি টান ও ঢিলা করার মাধ্যমে ইচ্ছেমতো ওজন নিয়ন্ত্রণ করতেন।

ইফতেখারুল আলম বলেন, দোষ স্বীকার করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আপেল মাহমুদ ভবিষ্যতে এ রকম কারচুপি করবেন না বলে জানিয়েছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই
বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই

সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গঠিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার মূলধন পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে আইএফআইসি ব্যাংকের সঙ্গে। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক মো. জবদুল ইসলাম এবং আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. আনিছুর রহমান। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক শাহানাজ পারভীন, আইএফআইসি ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ ও হেড অব এসএমই ফারিয়া হায়দার।বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর আওতায় সিএমএসএমই খাতে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন ঋণ বা বিনিয়োগ সরবরাহ করা হবে। এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা কার্যক্রম পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালনায় সহায়তা করা। পাশাপাশি দেশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও এর লক্ষ্য। মূলত এর মাধ্যমেই মন্থর অর্থনীতির চাকা গতিশীল করার উদ্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক এই তহবিল গঠন করেছে।এ তহবিলের আওতায় সাধারণভাবে সচল সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠান, যারা প্রয়োজনীয় চলতি মূলধনের অভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন বা সেবা কিংবা ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হচ্ছে না তারা মাত্র ৯ শতাংশ সুদে অর্থায়ন সুবিধা পাবে।দেশব্যাপী বিস্তৃত শাখা ও উপশাখা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং ও অর্থায়ন সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছে আইএফআইসি ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে অংশগ্রহণের ফলে সিএমএসএমই খাতে ব্যাংকটির অর্থায়নের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
সারসংকট নিয়ে সংসদে বিতর্ক

সারসংকট নিয়ে সংসদে বিতর্ক

আরও এক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

আরও এক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

শেয়ার পুনঃক্রয়ে আইনি বিধান চায় ডিবিএ

শেয়ার পুনঃক্রয়ে আইনি বিধান চায় ডিবিএ

জবি ছাত্রী বর্ষা: জিনের নামে টাকা চুরি?
জবি ছাত্রী বর্ষা: জিনের নামে টাকা চুরি?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী মমতাজ আরা বর্ষাকে আটক করতে গিয়ে র‍্যাব বিতর্কের মুখে পড়েছে। পুলিশ বলছে, 'জিনে ভর করার' নামে র‍্যাব কর্মকর্তার স্ত্রীর ১৪ লাখ টাকা ও ১০ ভরি সোনা চুরির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বর্ষা। তবে সাদাপোশাকে র‍্যাবের আটকচেষ্টার পদ্ধতি প্রশ্নবিদ্ধ। বর্ষা দাবি করেন, বোনের সাবেক স্বামীর প্রতিশোধ এটি। ঘটনার পর থেকে বর্ষা আত্মগোপনে, মুঠোফোন বন্ধ।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
গ্লাভস হাতে গোলকিপার থেকে মুকুট মাথার রাজা

গ্লাভস হাতে গোলকিপার থেকে মুকুট মাথার রাজা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০

অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে বিএফটিআই ও ইআরএফ একসঙ্গে কাজ করবে

অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে বিএফটিআই ও ইআরএফ একসঙ্গে কাজ করবে

স্লিপার বাস নিয়ে হাইকোর্টে মালিকপক্ষ, কে কী বলল
স্লিপার বাস নিয়ে হাইকোর্টে মালিকপক্ষ, কে কী বলল

পুরোপুরি আইন মেনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অনুমোদন পাওয়া বাসগুলো সড়কে চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া যাবে না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বুধবার এ আদেশ দেন।স্লিপার এসি বাসের নির্বিঘ্নে চলাচল বন্ধ, আটক, জব্দ, ডাম্পিং বা অন্য কোনোভাবে বিঘ্ন না ঘটাতে নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষাপটে স্লিপার এসি বাস সড়কে চলাচল করতে পারবে কি না—এমন প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিআরটিএর আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, বিআরটিএ বিভিন্ন ক্যাটাগরির যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে। এর মধ্যে স্লিপার বাস হিসেবে কোনো ক্যাটাগরি নেই। বিআরটিএ হতে কোনো স্লিপার বাসের (ডাবল ডেকার) অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেয়নি। স্লিপার বাসের অনুমোদন নেই, রেজিস্ট্রেশন নেই, রুট পারমিট নেই, আইনে নেই—এগুলো চলাচলের অনুমতি পাবে কীভাবে। এসব বাস চলাচল বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেননি।রাফিউল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইন ও ২০২২ সালের সড়ক পরিবহন বিধিমালা অনুসরণ করে যেসব বাসের রেজিস্ট্রেশন বা অনুমোদন বিআরটিএ দিয়েছে, সে বাসগুলো সড়কে চলতে কোনো বাধা দেওয়া যাবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির মালিকপক্ষের আইনজীবী মাহফুজার রহমান প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অমনি (বড় ও মধ্যম) বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে স্লিপার বাসগুলো বৈধভাবেই সড়কে চলাচল করে আসছে। তবে এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ জুলাই হাইকোর্ট তিনটি বিষয়ে বিআরটিএর প্রতি নির্দেশ দেন। স্লিপার বাস মানসম্মত কি না, তা এখনো নিরূপণ পর্যায়ে রয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগেই বিআরটিএ ১১ আগস্ট এক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মূলত স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা শুরু করে। যে কারণে মালিকপক্ষ আবেদনটি করে।বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সদস্যদের মালিকানায় থাকা আইন মেনে বিআরটিএর বৈধ অনুমোদন পাওয়া কোনো বাস আটক, জব্দ বা ড্যাম্প না করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী মাহফুজার রহমান। তিনি বলেন, বৈধ অনুমোদন পাওয়া বাসগুলোর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় বিআরটিএ চাইলে অমনি বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন পাওয়া স্লিপার বাসগুলো সড়কে চলাচল করতে পারে। রেজিস্ট্রশনের ক্ষেত্রে স্লিপার বাস হিসেবে ক্যাটাগরি না থাকায় অমনি বাস হিসেবে এসব বাসের রেজিস্ট্রেশন দিয়েছে বিআরটিএ।অবশ্য বিআরটিএর আইনজীবী রাফিউল ইসলাম বলেন, অমনি বাস হচ্ছে সিঙ্গেল ডেকার বাস। অমনি বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কাঠামো পরিবর্তন করে ডাবল ডেকার স্লিপার বাসে পরিণত করা হয়েছে। যা সড়ক পরিবহন আইনের ৪০ ধারার সরাসরি লঙ্ঘন।আদালতে বিআরটিএর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ ও মাহফুজার রহমান। রিটের পক্ষে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান।সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে অননুমোদিত স্লিপার বাস চলাচলের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে গত বছর ১৩ জানুয়ারি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন। পরবর্তী সময়ে রিট আবেদনকারী এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ জুলাই আদালত কয়েক দফা নির্দেশসহ আদেশ দেন। তাতে কতটি স্লিপার বাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, অননুমোদিত ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থা এবং তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে স্লিপার বাসের বর্তমান পরিস্থিতি ও নজরদারির জন্য নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।এর ধারাবাহিকতায় প্রতিবেদন দাখিল করে বিআরটিএ। অন্যদিকে স্লিপার এসি বাসের নির্বিঘ্ন চলাচলে বাধা না দিতে নির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির পক্ষে ওই আবেদন করা হয়।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
গ্যাস-বিদ্যুৎ বাদ দিয়ে সরকারও কি ৮০-এর দশকে ফিরে যাবে, প্রশ্ন নাহিদ ইসলামের

গ্যাস-বিদ্যুৎ বাদ দিয়ে সরকারও কি ৮০-এর দশকে ফিরে যাবে, প্রশ্ন নাহিদ ইসলামের

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক ফরহাদ হোসেন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক ফরহাদ হোসেন

সংসদে সারের চাহিদা ও যোগানের হিসাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন

সংসদে সারের চাহিদা ও যোগানের হিসাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন

0 Comments