জাতীয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শিশু-কিশোরদের ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজনের বরাতে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের স্বল্পনোয়াগাঁও ও নতুন হাবেলিপাড়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুরু হয় সংঘর্ষ। রাত সোয়া ১০টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এর আগে বিকেল সাড়ে চারটা থেকে স্বল্পনোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা হয়। সেখানে বিকেল পাঁচটার দিকে নতুন হাবেলিপাড়া গ্রামের এক কিশোর স্বল্পনোয়াগাঁও গ্রামের এক কিশোরকে মারধর করে। তারা দুজনই খেলার দর্শক ছিল। এর জেরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উভয় গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল ও দা-বল্লম নিয়ে গ্রামীণ সড়কে বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে চালিয়ে যেতে থাকে দুই পক্ষ।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মেহরাব আলম নামের এক বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী রুক্কু হোসেনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহাঙ্গীর আলম এবং সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার।

আবদুর জব্বার রাত ১১টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পায়ে এবং কোমরে আঘাত পেয়েছি। জখমি ফোলায় বরফ দিয়েছি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।’

সরাইল উপজেলা সদরে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চলছে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন

সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আরও অনেকে এসেছেন।

সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের ওপরও হামলা হয়েছে। আমাদের সার্কেল স্যার আহত হয়েছেন। তিনি পায়ে ইটের আঘাত পেয়েছেন। জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯
মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হয়েছে। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ১৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। আরও পড়ুন অনলাইন জুয়ার ৭ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ৪৮৪ সিম জব্দ মিরপুর বিভাগের বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মিরপুর বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ১৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্য মিরপুর থানা ৪৩ জন, শাহ আলী থানা ১৪ জন, পল্লবী থানা ২৩ জন, কাফরুল থানা ২০ জন, দারুস সালাম থানা ১৬ জন, রূপনগর থানা ১৫ জন ও ভাষানটেক থানা আটজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। কেআর/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ছেলে, পথে প্রাণ গেলো ট্রাকচাপায়

বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ছেলে, পথে প্রাণ গেলো ট্রাকচাপায়

গবেষণায় এআইয়ের অনৈতিক ব্যবহারে জালিয়াতির ঝুঁকি বাড়ছে

গবেষণায় এআইয়ের অনৈতিক ব্যবহারে জালিয়াতির ঝুঁকি বাড়ছে

গুম প্রতিরোধ এবং মানবাধিকার কমিশন আইন একদিন আপনাদের জন্যই বুমেরাং হবে

গুম প্রতিরোধ এবং মানবাধিকার কমিশন আইন একদিন আপনাদের জন্যই বুমেরাং হবে

আসিফ মাহমুদ দুদক না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক: রাশেদ খাঁন
আসিফ মাহমুদ দুদক না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক: রাশেদ খাঁন

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে সামনাসামনি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক! এরপর তিনি দুর্নীতি করেছেন কি, করে নাই সেটা আমি প্রমাণ করে দেবো। সরকারের উপদেষ্টা হয়ে কেন এবং কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই সফরে গেলেন? এটার কোনো সদুত্তর আজও তিনি দিতে পেরেছেন?’ আরও পড়ুন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিয়ে মন্তব্য প্রত্যাহার করলেন রাশেদ খাঁন বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময় আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি, বরং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছিল জানিয়ে রাশেদ বলেন, ‘সে সময়কার দুদক এতো নিরপেক্ষ হলে এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি? তখন যদি অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুদক তদন্ত করে ফেলতো, তাহলে তো বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না!’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট ‘আর বড় বিষয় হলো, আজকে প্রেস ক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারের প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কেন কোনো সিনিয়র নেতাকে পাওয়া গেলো না? এরই মধ্যে এনসিপির অফিসে আসিফ মাহমুদের সংবাদ সম্মেলনেও সিনিয়র কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি! তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছেন না,’ প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রীর এ রাজনৈতিক সহকারী। তিনি পোস্টে আরও বলেন, ‘আমি আগেই স্পষ্ট করেছি, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতের আমির কেন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে রাজি হলেন না? আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি না করলে সেসময় তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধটাও কেন জামায়াতের আমির রাখলেন না? আসিফ মাহমুদকে মনোনয়ন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিলো? জাতীয় নির্বাচনে যে কারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়েননি, একই কারণে কি এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ছাড় দেবেন?’ একিউএফ/

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস, বিতর্কিত মালিকদের ফেরার ধারাটি বাদ

ব্যাংক রেজোল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস, বিতর্কিত মালিকদের ফেরার ধারাটি বাদ

ফুটবল খেলা দেখতে ফ্লাডলাইট ও গাছের ডালেও দর্শক

ফুটবল খেলা দেখতে ফ্লাডলাইট ও গাছের ডালেও দর্শক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, এএসপিসহ আহত ৫০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, এএসপিসহ আহত ৫০

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ সেমিনারের শিরোনাম ছিল ‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি পরিস্থিতি ও উত্তরণের পথ’। সেমিনারটির আয়োজক ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি অ্যান্ড লজিস্টিকস (সিইএল)। এতে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, জ্বালানিবিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদেরা। তাঁরা দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিইএলের অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সুলতান হাফিজ রহমান। তিনি সত্তরের দশকের বৈশ্বিক তেলসংকটের পর থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন।সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম। তিনি বলেন, আমদানিনির্ভর ও ডলারে মূল্য নির্ধারিত জীবাশ্ম জ্বালানি বর্তমানে দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।দ্বিতীয় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহামেদুল করিম চৌধুরী। তিনি জ্বালানিনিরাপত্তাকে একটি লজিস্টিকস চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেন এবং উৎপাদক থেকে ভোক্তার কাছে জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার পুরো ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।পরে ছয়জন আলোচকের অংশগ্রহণে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং সিইএলের অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সদস্য আবদুল হাসিব চৌধুরী বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সিইএলের অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সদস্য আজম জে চৌধুরী বর্তমান সংকট মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর দ্রুত সংস্কার বিষয়ে কথা বলেন।এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সিনিয়র এনার্জি অ্যাডভাইজার সিদ্দিক জোবায়ের বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন, গ্যাস অনুসন্ধান ও কয়লাভিত্তিক জ্বালানি উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।অনলাইনে যুক্ত হয়ে দেশের বিদ্যুৎ–ঘাটতি এবং সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার অভাব নিয়ে বক্তব্য দেন ওফানিক্স অ্যানালিটিকসের অ্যাক্টিং চিফ টেকনোলজি অফিসার এবং সিইএল ফেলো ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চের ডিরেক্টর শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের প্রফেসর এবং সিইএল ফেলো সেবাস্টিয়ান গ্রোহ দেশের প্রায় ৬০ লাখ বৈদ্যুতিক তিন চাকার যানবাহনকে কীভাবে সম্ভাবনাময় বিদ্যুৎ সম্পদ হিসেবে গড় তোলা যায়, সে বিষয়ে বক্তব্য দেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি মাতারবাড়ীতে স্থলভিত্তিক রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট স্থাপন এবং সমুদ্রের গ্যাস ব্লকে অনুসন্ধান কার্যক্রমসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী ও সিইএলের ডিরেক্টর মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং সাবেক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মুজিবুল হক।এই সেমিনার জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারকে আরও এগিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে এসডিজি-৭ (সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি) এবং এসডিজি-৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো) অর্জনের সঙ্গে এই উদ্যোগ সরাসরি সম্পৃক্ত বলে জানান আয়োজকেরা।

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই

বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই

সারসংকট নিয়ে সংসদে বিতর্ক

সারসংকট নিয়ে সংসদে বিতর্ক

আরও এক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

আরও এক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

0 Comments