জাতীয়

হুটহাট বৃষ্টিতে ইলেকট্রিক স্কুটার ভালো রাখতে যেসব ভুল করবেন না

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
হুটহাট বৃষ্টিতে ইলেকট্রিক স্কুটার ভালো রাখতে যেসব ভুল করবেন না
হুটহাট বৃষ্টিতে ইলেকট্রিক স্কুটার ভালো রাখতে যেসব ভুল করবেন না

বর্ষাকালে শহরের রাস্তায় চলাচলের জন্য ইলেকট্রিক স্কুটার বেশ সুবিধাজনক। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টি, জমে থাকা পানি এবং ভেজা পরিবেশ স্কুটারের ব্যাটারি, মোটর, ব্রেক ও বৈদ্যুতিক সংযোগের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। একটু অসতর্ক হলেই দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। তাই বর্ষায় স্কুটার ব্যবহারের সময় কয়েকটি ভুল একেবারেই করা উচিত নয়।

জলাবদ্ধ রাস্তায় স্কুটার চালাবেন না

রাস্তায় পানি জমে গেলে যতটা সম্ভব সেই পথ এড়িয়ে চলুন। পানির গভীরতা বোঝা না গেলে তার মধ্য দিয়ে স্কুটার চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। অতিরিক্ত পানি মোটর, সেন্সর বা অন্যান্য বৈদ্যুতিক অংশে পৌঁছে গেলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পানির মধ্যে স্কুটার চালানো উচিত নয়।

আরও পড়ুন

হেলমেট পরেন? নিরাপদ রাইডের জন্য জানুন এই ৫ সহজ হ্যাক

ভেজা স্কুটার সঙ্গে সঙ্গে চার্জে দেবেন না

বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর অনেকেই দ্রুত ব্যাটারি চার্জে বসিয়ে দেন। এটি করা ঠিক নয়। চার্জিং পোর্ট, প্লাগ বা সংশ্লিষ্ট অংশে পানি বা আর্দ্রতা থাকলে বৈদ্যুতিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই স্কুটার শুকনো জায়গায় রেখে চার্জিং সংযোগগুলো সম্পূর্ণ শুকিয়েছে কি না নিশ্চিত করুন। নির্মাতার নির্দেশনাও মেনে চলুন।

পানি দিয়ে জোরে স্কুটার ধোবেন না

স্কুটার পরিষ্কার করতে উচ্চচাপের পানির জেট ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে পানি এমন জায়গায় ঢুকে যেতে পারে যেখানে স্বাভাবিক বৃষ্টির পানি পৌঁছানোর কথা নয়। ফলে বৈদ্যুতিক সংযোগ বা সিল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পরিষ্কারের সময় প্রস্তুতকারকের নির্দেশিত পদ্ধতি অনুসরণ করাই নিরাপদ।

ভেজা অবস্থায় দীর্ঘক্ষণ ফেলে রাখবেন না

বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর স্কুটারটি ভেজা অবস্থায় দীর্ঘ সময় রেখে দেওয়া উচিত নয়। সম্ভব হলে শুকনো ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় রাখুন। শরীরের দৃশ্যমান পানি নরম শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিতে পারেন। তবে বৈদ্যুতিক অংশ খুলে নিজে মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

আরও পড়ুন

বৈদ্যুতিক বাইকের ব্যাটারি বারবার নষ্ট হচ্ছে? ৪ বিষয়ে বিশেষ নজর দিন

ক্ষতিগ্রস্ত চার্জার বা কেবল ব্যবহার করবেন না

বর্ষায় চার্জার, কেবল ও চার্জিং কানেক্টর নিয়মিত পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও কাটা, ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্ত তার দেখা গেলে সেটি ব্যবহার না করাই ভালো। ভেজা হাতে চার্জার বা বৈদ্যুতিক সংযোগ ধরার অভ্যাসও এড়িয়ে চলুন।

অস্বাভাবিক সমস্যা হলে জোর করে চালাবেন না

বৃষ্টির পর স্কুটার চালু না হলে, বারবার সতর্কবার্তা দেখালে, অস্বাভাবিক শব্দ হলে বা ব্যাটারি নিয়ে সমস্যা মনে হলে জোর করে ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে পরীক্ষা করান।

বর্ষায় ইলেকট্রিক স্কুটার ব্যবহারের মূল কথা হলো পানি থেকে দূরে রাখা, ভেজা অবস্থায় চার্জ না দেওয়া এবং বৈদ্যুতিক অংশে অযথা হস্তক্ষেপ না করা। এতে স্কুটারের নিরাপত্তা যেমন বাড়বে, তেমনই অপ্রয়োজনীয় মেরামতের খরচও এড়ানো সম্ভব।

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ইয়াবার চালান মিললো অটোরিকশার সিটের নিচে, মাদক কারবারি আটক
ইয়াবার চালান মিললো অটোরিকশার সিটের নিচে, মাদক কারবারি আটক

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজারে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে প্রায় চার হাজার ইয়াবার একটি চালান জব্দ করেছে র‌্যাব। সেই সঙ্গে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। আটক ব্যক্তির নাম মো. সেলিম (৩৮)। তিনি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, অটোরিকশায় করে আন্দারকিল্লা থেকে নবাব সিরাজদ্দৌলা রোড হয়ে বহদ্দারহাটের দিকে ইয়াবার একটি চালান যাচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি দল নবাব সিরাজদ্দৌলা রোডে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে। আরও পড়ুন হানিফ পরিবহনের ঢাকাগামী বাসে ইয়াবার বিশাল চালান, চালক-হেলপার গ্রেফতার একপর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামিয়ে চালক সেলিমকে আটক করা হয়। পরে রিকশাটিতে তল্লাশি চালিয়ে যাত্রী সিটের পেছনে বিশেষ কৌশলে রাখা একটি লাল রঙের শপিং ব্যাগ পাওয়া যায়। সেখান থেকে স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় তিন হাজার ৯২০টি ইয়াবা জব্দ করা হয়। র‌্যাব-৭-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে আটক সেলিমকে জব্দ করা মাদকদ্রব্যসহ চকবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এমআরএএইচ/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
স্কুলে যাওয়ার পর নিখোঁজ, বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির মাটির নিচে মিললো মরদেহ

স্কুলে যাওয়ার পর নিখোঁজ, বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির মাটির নিচে মিললো মরদেহ

স্বাধীন বাংলা বেতারের সেই কণ্ঠ আর নেই, চলে গেলেন শিবু রায়

স্বাধীন বাংলা বেতারের সেই কণ্ঠ আর নেই, চলে গেলেন শিবু রায়

কেউ তুলছে ছবি, কেউ চড়ছে রাইডে, কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

কেউ তুলছে ছবি, কেউ চড়ছে রাইডে, কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে বাঙালির মিলনমেলা
যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে বাঙালির মিলনমেলা

যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শুরু হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইউকে বেঙ্গলি কনভেনশন (ইউকেবিসি) ২০২৬’। যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত বাঙালিদের সংস্কৃতি–ঐতিহ্য–সৃজনশীলতার মিলন ঘটাতে আয়োজিত এ সম্মেলন আজ রোববার পর্যন্ত চলবে। কেমব্রিজের ক্যামবর্ন সিক্সথ ফর্ম ভিলেজ কলেজে আয়োজিত এ সম্মেলনে সংগীত, নৃত্য, নাটক, আবৃত্তি, সাহিত্য, আলোচনা ছাড়াও শিশুদের জন্য থাকছে বিভিন্ন আয়োজন। পাশাপাশি বাঙালি খাবার, পোশাক, সাজসজ্জা ও দৃশ্যশিল্পের নানা আয়োজনও থাকছে আয়োজনে। ‘ইউকে বেঙ্গলি ডায়াসপোরা ফোর নেশনস প্লাস ইউরোপ’ আয়োজিত এ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ‘ইউকেবিসি আর্ট অ্যান্ড স্কাল্পচার এক্সিবিশন’। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরের শিল্পীরা চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, কারুশিল্পসহ বিভিন্ন মাধ্যমের শিল্পকর্ম নিয়ে এ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। এ আয়োজন প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা ভাষা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যসহ শিকড়ের পরিচয় করিয়ে দেওয়ারও একটি উদ্যোগ। এ নিয়ে ছবির গল্প।কেমব্রিজের ক্যামবর্ন সিক্সথ ফর্ম ভিলেজ কলেজে ‘ইউকে বেঙ্গলি কনভেনশন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী আয়োজনসম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ‘ইউকেবিসি আর্ট অ্যান্ড স্কাল্পচার এক্সিবিশন’প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া চিত্রকর্মযুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাঙালিরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন কারুশিল্পসহ বাঙালির পোশাক–সাজসজ্জার নানা উপকরণ স্থান পেয়েছে আয়োজনে চিত্রশিল্পীদের শিল্পকর্ম সম্মেলনের সাংস্কৃতিক আয়োজন শিশুদের জন্য সম্মেলনে রয়েছে নানা আয়োজন সম্মেলনে নানা পণ্যের প্রদর্শনীসম্মেলনের অনুষঙ্গে বইও আছে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
প্লাস্টিকের প্যাকেট মোচড়ালে এত শব্দ হয় কেন

প্লাস্টিকের প্যাকেট মোচড়ালে এত শব্দ হয় কেন

এক যুগেও চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এক যুগেও চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

রাগে র‍্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা, বল ছুড়ে মারলেন দর্শকের দিকে

রাগে র‍্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা, বল ছুড়ে মারলেন দর্শকের দিকে

বেতন-ভিসা-নিয়োগে বিপাকে বাংলাদেশিরা, সমাধান ৩৩০ অভিযোগ
বেতন-ভিসা-নিয়োগে বিপাকে বাংলাদেশিরা, সমাধান ৩৩০ অভিযোগ

  পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর স্বপ্ন নিয়ে প্রতি বছর লাখ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে পাড়ি জমালেও সবার ভাগ্য বদলায় না। মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে কলিং ভিসায় গিয়ে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিককে মোকাবিলা করতে হচ্ছে নিয়োগ-সংক্রান্ত ঋণের বোঝা, বকেয়া বেতন, ভিসা ও অভিবাসন জটিলতা এবং দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় নানা সমস্যার। এসব সংকটের প্রতিকার চেয়ে ২০২২ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জমা পড়েছে প্রায় ৪৫০টি অভিযোগ। এর মধ্যে ৩৩০টির বেশি অভিযোগ নিয়োগকর্তা ও কর্মীদের মধ্যে মধ্যস্থতা এবং মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনের সহযোগিতায় সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইকমিশন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বেতন পরিশোধে বিলম্ব বা বকেয়া, ভিসা নবায়ন, নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা এবং কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধ। শ্রমিকদের একটি অংশ মালয়েশিয়ায় আসার আগে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে ঋণগ্রস্ত হন। পরে প্রতিশ্রুত চাকরি বা বেতন না পেলে সেই ঋণের চাপ আরও বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ হাইকমিশন/ছবি: সংগৃহীত মালয়েশিয়ায় কর্মরত একাধিক বাংলাদেশি শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিদেশে আসার আগে চাকরি, বেতন ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়, বাস্তবে অনেক সময় তার সঙ্গে মিল পাওয়া যায় না। এতে নতুন কর্মীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। একজন শ্রমিকের ভাষ্য, মালয়েশিয়ায় আসার পর বেতন ও চাকরির শর্ত নিয়ে সমস্যা হলে অনেক শ্রমিক শুরুতে বুঝতেই পারেন না কোথায় গেলে দ্রুত প্রতিকার পাওয়া যাবে। বিশেষ করে ঋণের কিস্তি, পরিবারের খরচ এবং বৈধ কাগজপত্র ঠিক রাখার চাপ একসঙ্গে থাকায় তারা অনেক সময় সমস্যার মধ্যেই কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হন। আরেক শ্রমিক জানান, নিয়োগের সময় সব শর্ত পরিষ্কারভাবে লিখিত ও যাচাইযোগ্য থাকলে মালয়েশিয়ায় এসে অনেক বিরোধ এড়ানো সম্ভব। নিয়োগকর্তা পরিবর্তন, বেতন বকেয়া কিংবা ভিসা জটিলতার ক্ষেত্রে দ্রুত অভিযোগ জানানোর কার্যকর ব্যবস্থা থাকাও জরুরি। আরও পড়ুন ২২ বছর আগের ভ্রূণ থেকে মা হলেন গ্রিক নারী কমিউনিটি নেতারাও বলছেন, শ্রমিকের সমস্যা দেখা দেওয়ার পর সমাধানের চেয়ে নিয়োগের শুরুতেই অনিয়ম বন্ধ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মতে, বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর আগে চাকরির ধরন, বেতন, কর্মস্থল, আবাসন, নিয়োগকর্তা এবং অন্যান্য শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একজন কমিউনিটি নেতার মতে, শ্রমিকদের সুরক্ষায় বাংলাদেশি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা, সরকারি সংস্থা ও হাইকমিশনের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় প্রয়োজন। অভিযোগ নিষ্পত্তির পাশাপাশি একই ধরনের অভিযোগ যেন বারবার না আসে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি কর্মী/ছবি: সংগৃহীত আরেক কমিউনিটি প্রতিনিধি বলেন, শ্রমিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত নিয়োগ ব্যয় আদায়, প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব চাকরির অমিল এবং বেতনসংক্রান্ত বিরোধ—এসব বিষয়ে শুরুতেই কঠোর নজরদারি থাকলে পরবর্তী সংকট অনেকটাই কমে আসবে। এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে রেসপনসিবল বিজনেস অ্যালায়েন্স (আরবিএ) আয়োজিত ‘কমিটমেন্ট থেকে অ্যাকশন: সরবরাহ শৃঙ্খলে মানবাধিকার যথাযথ পর্যালোচনার সর্বোত্তম চর্চা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় মালয়েশিয়ায় অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও সর্বোত্তম চর্চা তুলে ধরে বাংলাদেশ হাইকমিশন। আলোচনায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা অভিবাসী কর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কর্মী, নিয়োগকর্তা, মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় করে অভিযোগের সমাধান, ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার নিশ্চিতকরণ, কল্যাণমূলক সহায়তা এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে হাইকমিশন কাজ করছে। হাইকমিশনের হিসাবে, প্রায় ৪৫০টি অভিযোগের মধ্যে ৩৩০টির বেশি সমাধান হওয়া শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে এখনও যেসব অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, সেগুলোর দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি ভবিষ্যতে একই ধরনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোও জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পেনাংয়ে আরবিএর প্যানেল আলোচনায় অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগ ও সর্বোত্তম চর্চা তুলে ধরেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা/ছবি: সংগৃহীত কমিউনিটি নেতাদের মতে, শুধু অভিযোগ পাওয়ার পর প্রতিকার নয়, নিয়োগের প্রথম ধাপ থেকেই শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এতে একদিকে শ্রমিকের আর্থিক ক্ষতি কমবে, অন্যদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুনাম ও আস্থাও বাড়বে। শ্রমিকদের প্রত্যাশা, বিদেশে যাওয়ার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া বাস্তব সুযোগের মধ্যে যেন কোনো ফারাক না থাকে। আর সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রতিকারই হতে পারে তাদের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। এমআরএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
সরকারের কেনাকাটায় আসছে একক দরতালিকা 

সরকারের কেনাকাটায় আসছে একক দরতালিকা 

ইসলামী ব্যাংকের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ

ইসলামী ব্যাংকের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ

স্থগিতের ১০ মাস পর ঢাকায় হচ্ছে পাকিস্তানি ব্যান্ডের কনসার্ট

স্থগিতের ১০ মাস পর ঢাকায় হচ্ছে পাকিস্তানি ব্যান্ডের কনসার্ট

0 Comments