জাতীয়

গ্যাস সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের, কমছে উপার্জন

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
গ্যাস সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের, কমছে উপার্জন
গ্যাস সংকটে ভোগান্তি বাড়ছে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের, কমছে উপার্জন

গ্যাস সংকটের কারণে দুর্ভোগ কমছে না রাজধানীর সিএনজি চালকদের। দিনের পর দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস নিতে হচ্ছে তাদের। দীর্ঘ অপেক্ষায় নষ্ট হচ্ছে কর্মঘণ্টা, কমে যাচ্ছে দৈনিক আয়। অনেক চালককে গ্যাসের জন্য দিনের একটি বড় সময় স্টেশনে কাটাতে হওয়ায় নির্ধারিত দৈনিক জমার টাকা পরিশোধ করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর বেশ কয়েকটি সিএনজি স্টেশন ঘুরে এচিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, গ্যাস নিতে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। অনেক চালক কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না। কোথাও গ্যাসের চাপ কম থাকায় ধীরগতিতে গাড়িতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। ফলে একটি গাড়ির পেছনে অপেক্ষমাণ অন্য গাড়িগুলোকেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

কারিগরি ত্রুটিতে আদানির এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে যে সময়টুকু রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে আয় করার কথা, তার একটি বড় অংশ এখন গ্যাস সংগ্রহ করতেই চলে যাচ্ছে। অনেক চালককে দিনে দুই দফায় গ্যাস নিতে হয়। একবার গ্যাস নেওয়ার পর কিছুক্ষণ গাড়ি চালিয়ে আবার গ্যাসের জন্য স্টেশনে ফিরতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাত্রী পরিবহনের সময় কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে জ্বালানি সংগ্রহের ভোগান্তি।

মগবাজার এলাকার সিএনজি চালক ইমরুল জানান, গ্যাসের জন্য প্রতিদিন তুন থেক চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও অনেক সময় কম পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যায়। এতে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার পরও বেশি সময় চালানো সম্ভব হয় না। অথচ গাড়ির মালিককে প্রতিদিন নির্ধারিত টাকা জমা দিতে হয়।

আরেক চালক মহসিন বলেন, প্রতিদিন গাড়ির মালিককে ১ হাজার ২০০ টাকা জমা দিতে হয়। গ্যাস নিতে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কম চাপের কারণে কখনো কখনো ১০০ থেকে ১২০ টাকার বেশি গ্যাসও নিতে পারেন না। মাঝে মধ্যে এর চাইতে কম টাকার গ্যাস নিতে যায়। তিন চার ঘণ্টা চালিয়ে আবার স্টেশনে আসতে হয়। আমাদের আয় কমে গেছে। সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন

সংসদে রুমিন ফারহানা / বিএনপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতি-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না

চালকরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের আয় কমলেও সংসারের খরচ কমেনি।

গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট থেকে তাদের মুক্তি মিলবে না। দ্রুত গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ স্বাভাবিক করে সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এনএস/এমকেআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়
সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনকে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেছেন, কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন দেশের জনগণ মেনে নেবে না। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ বলেন, উত্তরাধিকার সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হবে, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহতে বিস্তারিত নির্দেশনা রয়েছে। এটি একটি মীমাংসিত বিষয়। তাই এ বিষয়ে নতুন করে আইন প্রণয়ন করা কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করার শামিল। তিনি বলেন, জীবদ্দশায় বাবা-মায়ের সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে লিখে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলে অনেক বাবা মেয়েসন্তানদের বঞ্চিত করে শুধু ছেলেদের নামে সম্পত্তি লিখে দিতে পারেন। এর ফলে মেয়েসন্তানরা তাদের উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সরকার বাবা-মায়ের নিরাপত্তা ও ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে, এ ধরনের আইন করছে এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাবা-মা বৃদ্ধ হলে তাদের দেখভাল করবে সন্তানরাই। জমি-সম্পত্তি তাদের শারীরিক সেবা করতে পারবে না। সন্তান কুসন্তান হলে আইন করেও বাবা-মায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে অধিকাংশ মানুষ মুসলমান। উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়টি যখন কোরআন-হাদিসে নির্ধারিত তখন এ বিষয়ে নতুন আইন করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ধর্মীয় বিষয়ে আইন প্রণয়নের আগে আলেম-ওলামা ও ইসলামি স্কলারদের সঙ্গে পরামর্শের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন আমরা মানবো না।’ রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি যেন এ আইনে স্বাক্ষর না করেন। একই সঙ্গে দ্রুত আইনটি প্রত্যাহার করে ইসলামি স্কলারদের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।সমাবেশে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর শাখার নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এমইউ/জেএইচ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

ভুল লেখার কারণে শিক্ষিকার মারধরে অজ্ঞান দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী

সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

সিডির দিন কি ফিরছে, এক বছরে বিক্রি বেড়েছে ৪৬ শতাংশ

হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন

হংকংয়ে চমকে দিলেন মেহজাবীন

লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প
লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, দেখুন মিথিলার 'হ্যাপেনিং' ব্যাংকক ডাম্প

অভিনেত্রী, মডেল ও প্যাজেন্ট কন্যা তানজিয়া জামান মিথিলার শেয়ার করা ব্যাংকক ডাম্প আসলেই হ্যাপেনিং মনে হচ্ছে। মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ জেতা এই সুন্দরী দারুণ সময় কাটিয়েছেন সেখানে কাজের ফাঁকে। নানা ছবিতে নজর কাড়ছে লিটল ব্ল্যাক ড্রেস, টুকটুক রাইড আর বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি। রোদ ঝলমলে ব্যাংকক নগরীতে সাদা হলটারনেকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা পুলসাইডে পোজ দিয়েছেন দারুণ প্লিটেড ডিজাইনের দারুণ এক লিটল ব্ল্যাক ড্রেসে পাউট করছেন লালচেদ লিপকালার আর বড় কালো শেডসেবারগ্যান্ডি ত্যাংক টপে পার্টি মুডে মিথিলা বন্ধুর সঙ্গে ব্যাংকক মানেই টুকটুক রাইড। বন্ধুর সঙ্গে পোজ দিয়েছেন সাদা ডিপনেক হলটার টপ আর ধূসর অ্যাসিমেট্রিক স্কার্টে বেড়াতে গিয়ে রাজহাঁসের সঙ্গে মিথিলার সময় কাটানো ধূসর ট্যাংক টপে থাই ফুড উপভোগ করছেন মিথিলা বিউটি স্যালনে দেখা যাচ্ছে এই বিউটি কুইনকে আরেকটি লং স্লিভ কালো মিনিড্রেস পরেছেন মিথিলা। সঙ্গে ছোট ব্যাগ সফট গ্ল্যাম লুকে সিলভার দুল আর ধূসর ট্যাংক টপে মিথিলা হাইড্রেশনের কথা ভোলেন নি তিনি দারুণ সময় কাটাচ্ছেন তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ব্যাংককের নাইট লাইফ ঘুরে দেখছেন মিথিলা সব মিলিয়ে বেশ ফান টাইম কেটেছে মিথিলার, বলাই যায় ছবি: ইন্সটাগ্রাম

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, ফলাফল শিগগির: চিফ হুইপ

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, ফলাফল শিগগির: চিফ হুইপ

চট্টগ্রামে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৪২

চট্টগ্রামে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেফতার ৫৪২

মেসিবিহীন আর্জেন্টিনায় স্কালোনিকেই চান কর্তারা

মেসিবিহীন আর্জেন্টিনায় স্কালোনিকেই চান কর্তারা

বাড্ডায় গ্যারেজে হত্যা করা হয় জজ মিয়াকে, ফেলা হয় জিরানী খালে
বাড্ডায় গ্যারেজে হত্যা করা হয় জজ মিয়াকে, ফেলা হয় জিরানী খালে

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় জজ মিয়া নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জজ মিয়াকে বাড্ডার এক গ্যারেজে হত্যা করা হয়। পরে জিরানী খালের পানিতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। এ ঘটনায় মো. আব্দুল্লাহ (৩৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।  আরও পড়ুন চট্টগ্রামে আটতলা ভবন ঘিরে পুলিশের অভিযান, ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক খিলগাঁও থানার বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, গত বুধবার সকালে খিলগাঁও থানার ত্রিমোহনী ব্রিজের নিচে জিরানী খালের পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. জজ মিয়া (৪৪)। আরও পড়ুন দৌলতপুরে পদ্মায় পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, সাপ আতঙ্কে বানভাসিরা তিনি বলেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর মেরুল বাড্ডা এলাকার এক গ্যারেজে হত্যার শিকার হন জজ মিয়া। সেখান থেকে মরদেহ নিয়ে জিরানী খালে ফেলা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে গতকাল বৃহস্পতিবার বাড্ডা থেকে আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করে খিলগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতার যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন। কেআর/কেএসআর

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ বিভাগে প্রভাষক-সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ, আবেদনের সীমা ২৮ সেপ্টেম্বর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ বিভাগে প্রভাষক-সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ, আবেদনের সীমা ২৮ সেপ্টেম্বর

ভিকারুননিসায় একাদশে ভর্তি: ফরম পূরণের সূচি প্রকাশ

ভিকারুননিসায় একাদশে ভর্তি: ফরম পূরণের সূচি প্রকাশ

নাইন-ইলেভেন: মাত্র ১০২ মিনিটে বদলে যায় পৃথিবীর ইতিহাস

নাইন-ইলেভেন: মাত্র ১০২ মিনিটে বদলে যায় পৃথিবীর ইতিহাস

0 Comments