জাতীয়

গ্রাহকের স্বপ্নপূরণে সহজ গাড়ির ঋণ

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
গ্রাহকের স্বপ্নপূরণে সহজ গাড়ির ঋণ
গ্রাহকের স্বপ্নপূরণে সহজ গাড়ির ঋণ

২০০১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ব্র্যাক ব্যাংক সব সময়ই গ্রাহককেন্দ্রিক চিন্তাকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। গ্রাহকদের অগ্রাধিকারের ধারায় পরিবেশবান্ধব গাড়ির ঋণেও সুবিধা পাচ্ছে।

আধুনিক নগরায়ণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিগত যাতায়াতের চাহিদাও বাড়ছে। তবে এখন সময় এসেছে পরিবেশ নিয়ে ভাবার। এ কারণেই ব্র্যাক ব্যাংক গ্রিন মোবিলিটি বা পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনায় গ্রাহকদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করছে।

পরিবেশবান্ধব স্মার্ট যাতায়াত নিশ্চিত করতে হাইব্রিড ও ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) কেনার ক্ষেত্রে আমরা আকর্ষণীয় অফার ও অগ্রাধিকার দিচ্ছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমানে ইভি বা হাইব্রিড গাড়ির মূল্যের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন দেওয়া হচ্ছে। দেশের সাধারণ ও মধ্যবিত্ত গ্রাহকেরা যেন সহজেই পরিবেশবান্ধব গাড়ির মালিক হতে পারেন, সে জন্য মাত্র ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে এবং ১২ থেকে ৭২ মাসের সহজ কিস্তিতে (ইএমআই) গাড়ি কেনার সুযোগ করে দিয়েছি আমরা।

নারীর ক্ষমতায়নে ব্র্যাক ব্যাংক সব সময় অগ্রণী। আমাদের বিশেষায়িত ব্যাংকিং উইং ‘তারা’-এর মাধ্যমে নারী গ্রাহকেরা পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনায় অগ্রাধিকার, সহজ শর্ত এবং ক্রেডিট কার্ডে কম সুদের সুবিধা পাচ্ছেন।

গ্রাহকদের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে আমাদের অটো লোন প্রসেসিং এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত। দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি টাচ পয়েন্ট এবং সুদক্ষ লোন প্রসেসিং টিমের কারণে যাচাই-বাছাইয়ে সময় অনেক কম লাগছে। চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে মাসিক আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হলেই অটো লোনের আবেদন করা যাচ্ছে। ‘আস্থা’ অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঘরে বসেই প্রাথমিক আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এরপর আমাদের প্রতিনিধি ডোরস্টেপ সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেন।

এ ছাড়া স্বনামধন্য গাড়ির ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্ব রয়েছে। যেমন বর্তমানে নির্দিষ্ট মডেলের হুন্দাই গাড়ির ক্ষেত্রে শূন্য প্রসেসিং ফি ও বিশেষ মূল্যছাড়সহ নানা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষায় রিকন্ডিশন্ড ও নতুন হাইব্রিড গাড়ির লোনকে সহজলভ্য করার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়াই আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং, ব্র্যাক ব্যাংক

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নতুন দায়িত্বের শুরুতেই ক্ল্যাসিক হলিউড আমেজে নজর কাড়লেন নুসরাত ফারিয়া
নতুন দায়িত্বের শুরুতেই ক্ল্যাসিক হলিউড আমেজে নজর কাড়লেন নুসরাত ফারিয়া

নতুন দায়িত্বের শুরুতেই ক্ল্যাসিক হলিউড আমেজে নজর কাড়লেন নুসরাত ফারিয়াগাউনে ক্ল্যাসিক হলিউডের আমেজে ধরা দিলেন নুসরাত ফারিয়া। সম্প্রতি জুতার ব্র্যান্ড ‘স্টেপ’-এর উদ্বোধন ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এমনই এক গ্ল্যামারাস লুকে হাজির হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। রইল বিস্তারিত...দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার সৌন্দর্য একেবারেই অন্যরকম। অপরূপ মুখশ্রী, মিষ্টি হাসি আর ছিমছাম ফিগারের এই তারকাকে মানিয়ে যায় প্রায় সব ধরনের সাজপোশাকেই। কখনো জমকালো লুকে, কখনো আবার একেবারে ন্যাচারাল সাজে সামনে আসেন তিনি। তবে জায়গা বুঝে পোশাক বেছে নেওয়ায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। শুটিং সেটে একরকম আমেজ, ইভেন্ট বা লঞ্চিং অনুষ্ঠানে আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহ। সম্প্রতি জুতার ব্র্যান্ড 'স্টেপ'-এর উদ্বোধন ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখান থেকে নিজের কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নিয়ে নিয়েছেন সুন্দরী ।লুকটি ছিল রীতিমতো ক্ল্যাসিক হলিউড ঘরানার। সাদা স্যাটিনের মিডি গাউনে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পরার মতো।ড্রেসে আছে সরু স্প্যাগেটি স্ট্র্যাপ, লেস ছোঁয়ানো সুইটহার্ট নেকলাইন আর কোরসেট বডিসের নিচ থেকে ছড়িয়ে পড়েছে ভারী ঘেরের স্কার্ট। এরসঙ্গে গলায় পান্নার পেন্ডেন্টসহ ডায়মন্ড নেকপিস  ও চোকার পরেছেন তিনি। কানে ছোট্ট স্টাড, হাতে  ব্রেসলেট, সোনালি ঘড়ি আর পান্না বসানো ব্যাঙ্গল আর আংটি পরেছেন ।চুলে ছিল রেট্রো ছোঁয়া—পেছনে উঁচু করে বাঁধা খোঁপা, আর মুখের একপাশে নামিয়ে দেওয়া নরম ঢেউখেলানো চুল। মেকআপেও ছিল না অতিরিক্ত কিছু; গ্লোয়ি বেস, নিখুঁতভাবে আঁকা ভ্রু, চোখে ঘন মাশকারা আর ঠোঁটে নুড শেড—সব মিলিয়ে সাজে ছিল মিনিমাল টাচ ।ব্র্যান্ডের মুখ হিসেবে নতুন অধ্যায়ের শুরুতেই ফারিয়ার বেছে নেওয়া এই লুক যেন মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাশনে শুধু কী পরছি সেটিই নয়, কোন উপলক্ষে কীভাবে সাজছি, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।ছবি: ইন্সটাগ্রাম

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
আমিয়াখুম ভ্রমণের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

আমিয়াখুম ভ্রমণের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

১৩২ বছর পর গ্রন্থাগারে ফিরল সাময়িকী

১৩২ বছর পর গ্রন্থাগারে ফিরল সাময়িকী

ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ব্রিটিশ কাউন্সিলের অনলাইন কোর্স, ফ্রি ডিজিটাল আপগ্রেডের সুযোগ
ব্রিটিশ কাউন্সিলের অনলাইন কোর্স, ফ্রি ডিজিটাল আপগ্রেডের সুযোগ

ঘরে বসে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ দিচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। অনলাইন শিক্ষামাধ্যম FutureLearn-এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কোর্সে অংশ নেওয়া যাচ্ছে। তালিকাভুক্ত কোর্সগুলোর কয়েকটিতে বর্তমানে বিনা মূল্যে ডিজিটাল আপগ্রেডের সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে। FutureLearn-এর ব্রিটিশ কাউন্সিল পেজে মোট ১১টি কোর্সের তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে একই প্রত্নতত্ত্বভিত্তিক কোর্সের ইংরেজি, আরবি, ফরাসি ও ফারসি সংস্করণ রয়েছে। ভাষাভিত্তিক সংস্করণ বাদ দিলে আলাদা বিষয় হিসেবে ছয়টি কোর্স রয়েছে। ফ্রি ডিজিটাল আপগ্রেড কী ‘ফ্রি ডিজিটাল আপগ্রেড’ সুবিধার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোর্সের বাড়তি সুবিধাগুলো বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। এর মধ্যে কোর্সের কনটেন্টে দীর্ঘমেয়াদি প্রবেশাধিকার, কোর্সের সব ধাপ সম্পন্ন করার সুযোগ এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাওয়ার সুবিধা থাকতে পারে।স্ট্যানফোর্ডে পড়াশোনার সুযোগ অনলাইনে, নেই টিউশন ফি, যাঁরা আবেদনের যোগ্যযেসব কোর্স করা যাবে১. আন্তসাংস্কৃতিক যোগাযোগ (Communicating across Cultures): মেয়াদ তিন সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় চার ঘণ্টা সময় দিতে হয়।২. স্টাডি ইউকে: কর্মজীবনের প্রস্তুতি (Study UK: Preparing for Work): মেয়াদ তিন সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় চার ঘণ্টা সময় দিতে হয়।৩. যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার সময় নিজের সুস্থতা বজায় রাখা (Managing Your Wellbeing When Studying in the UK): মেয়াদ তিন সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিতে হয়।৪. স্টাডি ইউকে: যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা ও বসবাসের প্রস্তুতি (Study UK: Prepare to **Study and Live in the UK): মেয়াদ চার সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিতে হয়।ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ৫৫ অনলাইন কোর্স বিনা মূল্যে শেখার সুযোগ৫. ঝুঁকিপূর্ণ প্রত্নতত্ত্ব: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষায় রিমোট সেন্সিংয়ের ব্যবহার (Endangered Archaeology: Using Remote Sensing to Protect Cultural Heritage): মেয়াদ ছয় সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিতে হয়।৬. উন্নত প্রত্নতাত্ত্বিক রিমোট সেন্সিং: মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান অনুসন্ধান, ল্যান্ডস্কেপ আর্কিওলজি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ (Advanced Archaeological Remote Sensing: Site Prospection, Landscape Archaeology and Heritage Protection in the Middle East and North Africa): মেয়াদ ছয় সপ্তাহ। প্রতি সপ্তাহে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিতে হয়।৩ মাস ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ বিনা মূল্যে, দিনে ভাতা ২০০, করুন আবেদন আবেদন করবেন যেভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। পছন্দের কোর্স নির্বাচন করে নিবন্ধন করা যাবে। কোর্সের শুরু ও নিবন্ধনের শর্তও সংশ্লিষ্ট পেজে দেওয়া রয়েছে।কোর্সগুলো অনলাইনে হওয়ায় নিজস্ব সময় অনুযায়ী শেখার সুযোগ রয়েছে। তবে কোর্সভেদে ফ্রি অ্যাকসেস ও ডিজিটাল আপগ্রেডের শর্ত আলাদা হতে পারে।* বিস্তারিত দেখুন এখানে২ লাখ টাকার আইটি স্কলারশিপ, ডিগ্রি যা-ই হোক আবেদনের আছে সুযোগ

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়

সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সহজে মিলছে গাড়ির ঋণ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সহজে মিলছে গাড়ির ঋণ

বিসিক কার্যালয় থেকেই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে, কারা পাবেন

বিসিক কার্যালয় থেকেই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে, কারা পাবেন

ব্যালন ডি’অরে কীভাবে নির্ধারিত হয় বিজয়ী, কারা দেন ভোট
ব্যালন ডি’অরে কীভাবে নির্ধারিত হয় বিজয়ী, কারা দেন ভোট

কিলিয়ান এমবাপ্পে বলছেন এবারের ব্যালন ডি’অরটা তাঁর প্রাপ্য। লামিনে ইয়ামাল বলছেন, যেহেতু স্পেন বিশ্বকাপ জিতেছে তাই সোনার গোলক জয়ে তিনিই প্রধান দাবিদার। কে জিতবেন এবারের ব্যালন ডি’অর, পাবেন বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি, সেটি নিয়ে কথা বলছেন সাবেক-বর্তমান আরও অনেক খেলোয়াড়। বর্ষসেরার ট্রফিটি কার হাতে উঠছে, তা নিয়ে সমর্থক ও বিশেষজ্ঞদের জল্পনা-কল্পনারও শেষ নেই।এদিক দিয়ে এবারের ব্যালন ডি’অরকে অন্য রকম বলাই যায়। কাছেপিঠের সময়ে ব্যালন ডি’অরের আগে এত আলোচনা হয়নি। কারণটা অনুমিতই, বিগত কয়েক বছরের মতো এবার আগেভাগেই কোনো নিশ্চিত ফেবারিট পাওয়া যাচ্ছে না; বরং লড়াইটা হতে যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি।কিন্তু কীভাবে নির্ধারিত হয় বিজয়ী? কারা দেন ভোট? আর পয়েন্ট সমান হলে নিষ্পত্তিই–বা হয় কীভাবে?ব্যালন ডি’অর কী?পুরুষ ও নারী ফুটবলের বর্ষসেরা খেলোয়াড়দের দেওয়া ব্যালন ডি’অরকে একক অর্জনের দিক থেকে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার মনে করা হয়। ১৯৫৬ সাল থেকে ‘ফ্রান্স ফুটবল’ পুরুষ বিভাগে এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে। আর নারী ফুটবলারদের জন্য ‘ব্যালন ডি’অর ফেমেনিন’ চালু হয় ২০১৮ সালে। ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে আয়োজন স্থগিত থাকায় ২০২৬ সালেরটি হতে যাচ্ছে ট্রফিটির ৭০তম সংস্করণ।পুরুষ বিভাগে সর্বশেষ ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলেসেরা বেছে নিতে মূল বিবেচ্য বিষয় কী কী?ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচারক প্যানেল মূলত তিনটি প্রধান বিষয় বিবেচনা করেন—১. ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও পারফরম্যান্স২. দলের হয়ে সাফল্য এবং অর্জিত শিরোপা৩. মান ও ‘ফেয়ার প্লে’মনোনীতদের তালিকা ও মূল্যায়ন সময়কাল ফ্রান্স ফুটবলের নির্ধারিত ৩০ জন পুরুষ ও ৩০ জন নারী ফুটবলারের সংক্ষিপ্ত মনোনীত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর। ২০২২ সালের পর থেকে নিয়ম পরিবর্তন করে বর্ষপঞ্জির বদলে ইউরোপীয় ফুটবল মৌসুমকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।সেই অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পুরস্কারের জন্য ৩ আগস্ট ২০২৫ থেকে ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স বিচার করা হবে। তবে ব্যতিক্রমী ছাড় দেওয়া হয়েছে ১৬ আগস্ট শেষ হওয়া নারী আফ্রিকা কাপ অব নেশনসকে, যা এই মৌসুমের পারফরম্যান্সের সঙ্গেই গণনা করা হবে।ব্যালন ডি’অর ২০২৬ মনোনয়ন: ২০২৩ সালের পর প্রথমবার তালিকায় মেসি, আরও যাঁরা আছেন ভোট দেন কারা?সেরা পুরুষ ও নারী খেলোয়াড় নির্বাচনে রয়েছে বিশেষ সাংবাদিক জুরি বোর্ড। পুরুষ ফুটবলের জন্য ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০টি দেশ থেকে একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত ১০০ জনের সাংবাদিক প্যানেল ভোট দেবেন। নারী ফুটবলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করা হলেও সেখানে জুরি প্রতিনিধির সংখ্যা ৫০।টানা তিনবারের নারী ব্যালন ডি’অরজয়ী আইতানা বোনমাতি এবার সংক্ষিপ্ত তালিকাতেই নেইভোট দেওয়ার নিয়ম ও পয়েন্ট বিন্যাসভোটাররা ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে ক্রমানুসারে তাঁদের শীর্ষ ১০ জন খেলোয়াড়কে বেছে নেবেন। অবস্থানের ভিত্তিতে ফুটবলারদের পয়েন্ট বণ্টন করা হবে এভাবে—প্রথম স্থান: ১৫ পয়েন্টদ্বিতীয় স্থান: ১২ পয়েন্টতৃতীয় স্থান: ১০ পয়েন্টচতুর্থ স্থান: ৮ পয়েন্টপঞ্চম স্থান: ৭ পয়েন্টষষ্ঠ স্থান: ৫ পয়েন্টসপ্তম স্থান: ৪ পয়েন্টঅষ্টম স্থান: ৩ পয়েন্টনবম স্থান: ২ পয়েন্টদশম স্থান: ১ পয়েন্টসব পয়েন্ট যোগ করার পর সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ফুটবলারের হাতেই উঠবে বহুল কাঙ্ক্ষিত ব্যালন ডি’অর।পয়েন্ট সমান হলে নিষ্পত্তি কীভাবে?দুই বা ততোধিক খেলোয়াড়ের মোট পয়েন্ট সমান হলে টাইব্রেকার হিসেবে দেখা হবে কে সবচেয়ে বেশি প্রথম স্থানের (১৫ পয়েন্ট) ভোট পেয়েছেন। তাতেও সমতা না ভাঙলে একইভাবে দেখা হবে দ্বিতীয় স্থানের ভোটের সংখ্যা।কেন এবার প্যারিসে হচ্ছে না ব্যালন ডি’অর, কোথায় হবে এবং কবে

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
নাসিরনগরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এ কেমন দশা!

নাসিরনগরের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এ কেমন দশা!

পানির ওপর গামলা ঠেলে ৬৩ বছরের বৃদ্ধের শরীরচর্চা

পানির ওপর গামলা ঠেলে ৬৩ বছরের বৃদ্ধের শরীরচর্চা

তিস্তার পাড় থেকে মুসনাদ এখন বিশ্ববাজারে, করেছেন ৯০০ জনের কর্মসংস্থান

তিস্তার পাড় থেকে মুসনাদ এখন বিশ্ববাজারে, করেছেন ৯০০ জনের কর্মসংস্থান

0 Comments