‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’ মুক্তির পর রাতারাতি বদলে গিয়েছিল নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকীর জীবন। বহু বছর ধরে ছোট চরিত্রে অভিনয়, অপেক্ষা আর অনিশ্চয়তার পর হঠাৎ করেই তিনি হয়ে উঠলেন আলোচিত অভিনেতা। পরিচালক অনুরাগ কশ্যপের ছবিতে ফয়জল খানের চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়ে। এরপর তাঁর সামনে খুলে যায় বলিউডের বড় দরজা। এতটাই যে একসময় তাঁর টেবিলে জমেছিল প্রায় ২০০টি চিত্রনাট্য, সঙ্গে ছিল ‘ব্ল্যাংক চেক’—ইচ্ছেমতো পারিশ্রমিক লেখার সুযোগ।
কিন্তু নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী সেসব প্রস্তাবের একটিও গ্রহণ করেননি।
সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সে সময়ের কথা স্মরণ করেছেন নওয়াজুদ্দিন। তিনি জানান, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’ মুক্তির পরই প্রথমবার নিজেকে তারকা বলে মনে হয়েছিল তাঁর। অভিনেতার ভাষায়, ‘ছবিটি মুক্তির পর অন্তত ২০০টি চিত্রনাট্য পেয়েছিলাম। আমার টেবিলে ব্ল্যাংক চেক পড়ে থাকত। লোকজন বলত, “এই নিন চিত্রনাট্য, আর এই নিন ব্ল্যাংক চেক। আপনি যত টাকা চান লিখুন, আপনার যে তারিখগুলো ফাঁকা আছে, সেগুলো দিন।”’
বলিউডে এমন প্রস্তাব যেকোনো অভিনেতার জন্যই লোভনীয়। বিশেষ করে এমন একজন অভিনেতার কাছে, যিনি বছরের পর বছর কাজের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু নওয়াজুদ্দিন তখন অন্য সিদ্ধান্ত নেন। তিনি কোনো চিত্রনাট্যই পছন্দ করেননি। তাই জনপ্রিয়তার ঢেউয়ে ভেসে একের পর এক সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হওয়ার বদলে অপেক্ষা করার পথ বেছে নেন।

‘আমি ওই চিত্রনাট্যগুলোর একটিও নিইনি। কারণ, কোনোটিই আমার ভালো লাগেনি। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, সঠিক চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করব। বছরের পর বছর কাজের অপেক্ষায় অভ্যস্ত ছিলাম। তাই ভেবেছিলাম, তাড়াহুড়া করে কোনো কিছুতে সই করার চেয়ে আরও দু-তিন বছর অপেক্ষা করাই ভালো,’ বলেন অভিনেতা।
নওয়াজুদ্দিনের এ সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল দীর্ঘ সংগ্রামের অভিজ্ঞতা। মুম্বাইয়ে অভিনয়ের সুযোগ পেতে তাঁকে অনেক বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ছোট চরিত্র থেকে ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’, ‘পিপলি লাইভ’, ‘কাহানি’, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’সহ একাধিক ছবিতে অভিনয়ের পর তিনি আলাদা পরিচিতি পেতে শুরু করেন। তবে ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’-এর ফয়জল খান চরিত্রটিই তাঁকে ব্যাপক দর্শকপরিচিতি এনে দেয়।

ছবিতে শুরুতে ফয়জল ছিলেন অনেকটাই নির্বিকার, লক্ষ্যহীন এক তরুণ। কিন্তু পারিবারিক সংঘাত, ব্যক্তিগত ক্ষতি ও বিশ্বাসঘাতকতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে বদলে যায় তাঁর চরিত্র। একসময় সেই শান্ত স্বভাবের মানুষটিই হয়ে ওঠেন নির্মম গ্যাংস্টার। চরিত্রটির এই রূপান্তর নওয়াজুদ্দিন এমন তীব্রতা ও সংযমের সঙ্গে পর্দায় তুলে ধরেন যে ফয়জল হয়ে ওঠে ছবিটির অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র।
২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর ২’ ছিল অনুরাগ কশ্যপের দুই পর্বের গ্যাংস্টার সিনেমার দ্বিতীয় অধ্যায়। ধানবাদের অপরাধজগতের পটভূমিতে খান ও কুরেশি পরিবারের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব, প্রতিশোধ ও ক্ষমতার লড়াইকে কেন্দ্র করে নির্মিত ছবিটি মুক্তির পর প্রশংসিত হয় গল্প, সংলাপ, অভিনয় ও নির্মাণশৈলীর জন্য। আর নওয়াজুদ্দিনের ফয়জল চরিত্রটি তাঁকে মূলধারার দর্শকের কাছে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
স্বাধীনধারার সিনেমা থেকে মূলধারার বাণিজ্যিক ছবি—দুই জায়গাতেই নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন নওয়াজুদ্দিন। চরিত্রের ধরন নিয়ে তাঁর এই বাছাইয়ের কারণেই হয়তো তিনি বলিউডের প্রচলিত নায়কদের ভিড়ে আলাদা হয়ে উঠেছেন। তাঁর অভিনয়জীবনে তাই ‘তারকা’ হওয়ার চেয়ে ভালো চরিত্র পাওয়াটাই বরাবর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থেকেছে।
এখনো সে পথেই হাঁটছেন নওয়াজুদ্দিন। গত ৮ মে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ‘ম্যায় অ্যাক্টর নেহি হুঁ’। ছবিতে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হলেও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র থেকে নেতিবাচক।
সামনে আরও বড় কাজ নিয়ে ফিরছেন নওয়াজুদ্দিন। ‘তুম্বাড় ২’-এ আলিয়া ভাটের সঙ্গে দেখা যাবে তাঁকে। ২০১৮ সালের আলোচিত হরর সিনেমা ‘তুম্বাড়’-এর এই সিক্যুয়েল আগের ছবির তুলনায় অনেক বড় পরিসরে নির্মিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে জানা গেছে, মুম্বাইয়ে ৭ থেকে ৮ একর জায়গাজুড়ে তৈরি হচ্ছে বিশাল সেট, যেখানে একটি পুরো শহরের আদল নির্মাণ করা হবে। সিনেমাটির বাজেট প্রায় ১০০ কোটি রুপি। পরিচালনা করছেন আদেশ প্রসাদ। ২০২৭ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে ছবিটির।
এনডিটিভি অবলম্বনে
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্পিডবোট ও স্টিলের বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালীয়া নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়াও এই ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের চাতলপাড় গ্রামের রায়হান ভূঁইয়ার ছেলে মো. দয়াল মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার বরারচর গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে সজীব মিয়া। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে এক অসুস্থ রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দিয়ে স্পিডবোটটি চাতলপাড় ফিরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের কাছে বেমালীয়া নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি স্টিলের বাল্কহেডের সঙ্গে স্পিডবোটটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে স্পিডবোটে থাকা তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দয়াল মিয়া ও সজীব মিয়া নামের দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টানা ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে এলে এরমধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। আবুল হাসনাত মো. রাফি/এএমএ
চট্টগ্রাম নগরে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর বন্ধুকে তুলে নিয়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) ও দুই সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী তাঁদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেন।প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন নগর পুলিশের এলআইসি শাখার এসি শরীফুল আলম চৌধুরী, এএসআই বশির উদ্দিন এবং রেশন শাখার এএসআই মো. সুফিয়ান। এসি শরীফুলকে নগর পুলিশের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর দুই এএসআইকে দামপাড়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার তদন্তে নগর পুলিশের উপকমিশনার (পিএমও) মো. বদরুজ্জামানকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৪ সেপ্টেম্বর নগরের হালিশহর থানার কে-ব্লক এলাকা থেকে ব্যবসায়ী আখতারুজ্জামান শাকিল ও তাঁর বন্ধু মো. মনসুরকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়। পুলিশের কাছে তথ্য ছিল, শাকিল অনলাইন জুয়ার এজেন্ট এবং তাঁর মুঠোফোনে বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি বা বাইন্যান্স ডলার রয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের সিএমপি কার্যালয়ের নিচতলায় এলআইসি শাখায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এসি শরীফুল তাঁর কক্ষে তাঁদের কাছে প্রথমে এক কোটি টাকা দাবি করেন। পরে দর-কষাকষির পর শাকিলের মুঠোফোনে থাকা সাড়ে ১২ হাজার বাইন্যান্স ডলার ও নগদ ১০ লাখ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।শাকিলের অভিযোগ, শুরুতেই তাঁর বাইন্যান্স অ্যাকাউন্ট থেকে তিন দফায় সাড়ে ১০ হাজার ডলার অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। পরে সিটি ব্যাংক থেকে ৬ লাখ টাকা বাইন্যান্সের মাধ্যমে ডলারে রূপান্তর করে নেওয়া হয়। এ ছাড়া দামপাড়া পুলিশ লাইনের পাশে ব্র্যাক ব্যাংকের এটিএম বুথে নিয়ে তাঁকে দিয়ে আরও টাকা তোলানো হয়। আর্থিক মুঠোফোন সেবাদাতা অ্যাপের মাধ্যমেও নেওয়া হয় ৮০ হাজার টাকা।শাকিলের ভাষ্য, পরদিন আরও পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার শর্তে তাঁর গাড়ি হস্তান্তর করা হয়। তবে তাঁর ১৪টি মুঠোফোন রেখে দেন এসি শরীফুল।আখতারুজ্জামান শাকিল প্রথম আলোকে বলেন, গেম খেলাকে জুয়া হিসেবে উল্লেখ করে ভয়ভীতি দেখানো এবং মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় তিনি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। মুঠোফোনে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও থাকায় তিনি আরও বেশি আতঙ্কিত ছিলেন। মুঠোফোনগুলো ফেরত পাওয়ার জন্য একটি আইফোন দেওয়ার দাবি করা হয়। তা না হলে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।শাকিলের খামার ও খাতুনগঞ্জে প্লাস্টিক দানার ব্যবসা রয়েছে। তিনি নিয়মিত মুঠোফোনে গেম খেলেন বলে জানান।চট্টগ্রাম নগর পুলিশের এলআইসি শাখাটি অত্যন্ত গোপনীয়। অপরাধী শনাক্ত করা ও অপরাধ প্রতিরোধে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা এ শাখার কাজ। সিএমপি কার্যালয়ের নিচতলায় অবস্থিত শাখাটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির দরজা থাকায় অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া প্রবেশের সুযোগ নেই। এ শাখায় কর্মরত কর্মকর্তাদের নিয়মিত কোনো অভিযানে যাওয়ারও সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নগর পুলিশ।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত চুক্তি করতে চাইছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসা বা সমঝোতায় যাওয়ার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহের পথ স্বাভাবিক রাখতে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করছে না, তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র ইরান খুব দ্রুত এবং মরিয়া হয়ে (ওয়াশিংটনের সঙ্গে) একটি চুক্তি করতে চাইছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত হবে কি না, তা আমিই নির্ধারণ করব। অবশ্য এই ধারণার বিষয়ে আমাদের অবস্থান উন্মুক্ত।’ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও বলেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেল পরিবহন নিরাপদ ও স্বাভাবিক রাখতে যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য করছে না, তারা মার্কিন প্রশাসনকে অর্থ পরিশোধ বা ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে।ইরানকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় চীনের সহায়তার খবর উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্পএর আগে গত রোববার আয়ারল্যান্ড সফরে আইরিশ ওপেন গলফ চ্যাম্পিয়নশিপে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, এ বছরই ইরান যুদ্ধ শেষ হবে। নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই সম্ভবত ইরান যুদ্ধ শেষ হবে বলে তিনি আশা করছেন। ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেই জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে।হরমুজ নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত, কূটনীতিতে হোঁচট