জাতীয়

এডিস মশার লার্ভা নিধনে ডিএনসিসির অভিযান, জরিমানা ৫০০ টাকা

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
এডিস মশার লার্ভা নিধনে ডিএনসিসির অভিযান, জরিমানা ৫০০ টাকা
এডিস মশার লার্ভা নিধনে ডিএনসিসির অভিযান, জরিমানা ৫০০ টাকা

জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এডিস মশার লার্ভা নিধনে দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

অভিযানে বিমানবন্দর এলাকার একটি দোকানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় দোকানিকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ, বিমানবন্দর এলাকা, মনিপুরী পাড়া, রাজাবাজার, লালমাটিয়া, ইকবাল রোড, হুমায়ুন রোড, মোহাম্মদপুর ও আগারগাঁওসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরীর ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মশক সুপারভাইজার, মশককর্মী, বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সোর্স রিডাকশন, লার্ভিসাইডিং ও ছাদবাগান পরিদর্শন করেন।

এছাড়া জনসচেতনতা তৈরিতে মাইকিং, নোবালিউরন ট্যাবলেট প্রয়োগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়।

দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের নেতৃত্বে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। অভিযানে মশক কর্মীসহ প্রায় এক হাজার ৫০০ জন কর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করেন।

ডিএনসিসি জানায়, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমই নয়, নগরবাসীর সচেতনতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

এমএমএ/এমএএইচ/

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মতিঝিল এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২
মতিঝিল এলাকায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান। মতিঝিল বিভাগের বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এই অভিযান চালানো হয়। তাদের মধ্যে মতিঝিল থানা ১০ জন, পল্টন থানা ১২ জন, সবুজবাগ থানা ৭ জন, খিলগাঁও থানা ১৫ জন, রামপুরা থানা ১২ জন, শাহজাহানপুর থানা ৮ জন এবং মুগদা থানা ৮ জন গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। কেআর/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
খুনিরা এসেছিল বোরকা পরে, কৃষককে হত্যার পর লাশ ফেলে যায় খালে

খুনিরা এসেছিল বোরকা পরে, কৃষককে হত্যার পর লাশ ফেলে যায় খালে

লং মার্চ: টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সংবাদ সম্মেলন

লং মার্চ: টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সংবাদ সম্মেলন

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ 

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ 

ব্যালন ডি’অরে ৬ষ্ঠ মেক্সিকান কুইনোনেস, সবারই স্বপ্ন এক
ব্যালন ডি’অরে ৬ষ্ঠ মেক্সিকান কুইনোনেস, সবারই স্বপ্ন এক

ব্যালন ডি’অর- বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারগুলোর একটি। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর তারকা, বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার কিংবা চ্যাম্পিয়নস লিগের নায়ক- এই পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সাধারণত তাদেরই দেখা যায়। তবে মেক্সিকোর ফুটবলাররাও যে এই মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন, তার প্রমাণ মিলেছে একাধিকবার। ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের ৩০ জনের মনোনীত তালিকায় জায়গা করে নিয়ে সেই ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেছেন হুলিয়ান কুইনোনেস। আল-কাদসিয়াহ ও মেক্সিকো জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে পাওয়া এই মনোনয়ন তাকে বানিয়েছে ইতিহাসের ষষ্ঠ মেক্সিকান ফুটবলার, যিনি ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত মনোনীতদের তালিকায় জায়গা পেলেন। কুইনোনেসের আগে এই তালিকায় নাম উঠেছিল মেক্সিকোর আরও পাঁচ তারকা ফুটবলারের। তাদের মধ্যে ছিলেন গোলরক্ষক, ডিফেন্ডার, স্ট্রাইকার ও মিডফিল্ডার- প্রতিটি প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তারা। ওচোয়া: মেক্সিকোর প্রথম ব্যালন ডি’অরে মেক্সিকোর উপস্থিতির শুরু ২০০৭ সালে। সেই বছর প্রথম মেক্সিকান হিসেবে মনোনীতদের তালিকায় জায়গা করে নেন গুইলার্মো ওচোয়া। তখন মাত্র ২২ বছর বয়সী ওচোয়া ছিলেন আমেরিকার গোলরক্ষক। গোলপোস্টের নিচে তার পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল ফুটবলবিশ্বের। যদিও চূড়ান্ত ভোটে খুব বেশি ওপরে উঠতে পারেননি তিনি, তবু ৩০তম হয়ে এক পয়েন্ট পেয়েছিলেন।       View this post on Instagram       A post shared by Selección Nacional de México (@miseleccionmx) তবে ফলাফল যা-ই হোক, ওচোয়ার মনোনয়ন ছিল মেক্সিকান ফুটবলের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তিনিই প্রথম মেক্সিকান খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অরের আলোচনায় জায়গা করে নেন। মার্কেজের পালা তিন বছর পর, ২০১০ সালে মেক্সিকোর আরেক কিংবদন্তি রাফায়েল মার্কেজ জায়গা করে নেন ব্যালন ডি’অরের প্রার্থীদের তালিকায়। বার্সেলোনার হয়ে খেলতে গিয়ে মার্কেজ নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কাতালান ক্লাবটির হয়ে লা লিগার পাশাপাশি দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপাও জিতেছিলেন তিনি। জাতীয় দলের হয়েও ছিলেন মেক্সিকোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপেও মেক্সিকোর নেতৃত্বস্থানীয় ফুটবলারদের একজন ছিলেন মার্কেজ। ‘চিচারিতো’র উত্থান ২০১১ সালে ব্যালন ডি’অরের তালিকায় জায়গা করে নেন মেক্সিকোর অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলার হ্যাভিয়ের ‘চিচারিতো’ হার্নান্দেজ। তখন তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ইংলিশ ক্লাবটিতে নিজের প্রথম মৌসুমেই ২০ গোল করেছিলেন এই স্ট্রাইকার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে প্রিমিয়ার লিগ জেতাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। একই সঙ্গে খেলেছিলেন চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে। তরুণ বয়সে ইউরোপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে এমন পারফরম্যান্সই চিচারিতোকে ব্যালন ডি’অরের মনোনয়ন এনে দেয়। ২০১৫- একসঙ্গে দুই মেক্সিকান মেক্সিকোর ফুটবল ইতিহাসে ব্যালন ডি’অরের দিক থেকে ২০১৫ সাল ছিল বিশেষ। ওই বছর একসঙ্গে দুজন মেক্সিকান ফুটবলার জায়গা করে নিয়েছিলেন মনোনীতদের তালিকায়- আন্দ্রেস গুারদাদো ও জিওভানি দস সান্তোস। গুারদাদো তখন মেক্সিকো জাতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। জাতীয় দলের হয়ে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং গোল্ড কাপ জয়ে ভূমিকা তাকে এই স্বীকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যায়। অন্যদিকে জিওভানি দস সান্তোস ইউরোপের ফুটবলে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখেছিলেন। মেক্সিকোর আক্রমণভাগের এই তারকাও ২০১৫ সালে জায়গা করে নেন ব্যালন ডি’অরের মনোনীতদের তালিকায়। একই বছরে দুজন মেক্সিকান ফুটবলারের মনোনয়ন দেশটির ফুটবলের জন্য ছিল বড় অর্জন। এবার ইতিহাসে কুইনোনেস ছয় মেক্সিকানের এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হুলিয়ান কুইনোনেস। আল-কাদসিয়াহ ও মেক্সিকো জাতীয় দলের হয়ে গত মৌসুমে তার পারফরম্যান্সই এনে দিয়েছে এই স্বীকৃতি। আক্রমণভাগে তার গতি, গোল করার ক্ষমতা এবং জাতীয় দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তাকে ২০২৬ সালের ৩০ জনের ব্যালন ডি’অর মনোনীতদের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। ফলে ওচোয়া, মার্কেজ, চিচারিতো, গুারদাদো ও দস সান্তোসের পর ষষ্ঠ মেক্সিকান হিসেবে ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন কুইনোনেস। কুইনোনেসের মনোনয়ন অবশ্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি মেক্সিকান ফুটবলের জন্যও নতুন করে স্বপ্ন দেখার সুযোগ। কারণ ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত পুরস্কারটি মূলত ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা তারকারাই নিজেদের করে নিয়েছেন। বিশেষ করে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর হয়ে খেলা ফুটবলারদের আধিপত্যই সবচেয়ে বেশি। তবে কুইনোনেসের মনোনয়ন মেক্সিকোর ফুটবলারদের সেই বড় মঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নেওয়ার ধারাবাহিকতাই সামনে নিয়ে এসেছে। ওচোয়া পথ দেখিয়েছিলেন ২০০৭ সালে। মার্কেজের মাধ্যমে মেক্সিকো পেয়েছিল বিশ্বমানের ডিফেন্ডারের প্রতিনিধিত্ব। চিচারিতো দেখিয়েছিলেন ইউরোপের বড় ক্লাবে গোল করার সামর্থ্য। গুারদাদো ও দস সান্তোস যোগ করেছিলেন আরেকটি অধ্যায়। এবার সেই গল্পের নতুন নায়ক কুইনোনেস। মনোনয়ন থেকে পুরস্কার জেতার পথ অবশ্য অনেক দীর্ঘ। কিন্তু ব্যালন ডি’অরের ৩০ জনের তালিকায় জায়গা করে নেওয়াটাই একজন ফুটবলারের জন্য বিরাট স্বীকৃতি। আর কুইনোনেসের সামনে এখন সেই স্বীকৃতিকে আরও বড় কিছুতে পরিণত করার স্বপ্ন। আইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে যেদিন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে যেদিন

পুরুষ নৃত্যশিল্পীদের পথচলা যেন স্রোতের বিপরীতে

পুরুষ নৃত্যশিল্পীদের পথচলা যেন স্রোতের বিপরীতে

জেব্রার গায়ে সাদা–কালো ডোরা হলো যেভাবে

জেব্রার গায়ে সাদা–কালো ডোরা হলো যেভাবে

0 Comments