বান্দরবানের রুমা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের একজন মাঠ সংগঠক সমিতির ঋণ আদায় করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁর নাম মৃত্যুঞ্জয় কুমার মণ্ডল। তিনি গতকাল শনিবার সকালে একটি পাড়ায় যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। আজ রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁর হদিস পাওয়া যায়নি উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রকাশ চাকমা জানিয়েছেন।
গতকাল শনিবার অফিস বন্ধ থাকলেও পাইন্দু ইউনিয়নের দুর্গম আলেচুপাড়ায় সমিতির কিস্তি আদায়ের কথা বলে মৃত্যুঞ্জয় কুমার মণ্ডল অফিসের মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। অফিসের হিসাবরক্ষক মো. রবিউল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর কাছ থেকে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে মৃত্যুঞ্জয় আলেচুপাড়ায় যাবে বলে বের হন। সন্ধ্যায় তাঁর স্ত্রী খোঁজখবর নিতে এসে মৃত্যুঞ্জয় ফিরে না আসার বিষয়টি জানতে পারেন। মৃত্যুঞ্জয় প্রায় সময় সমিতি গঠন ও কিস্তি আদায়ের জন্য দুর্গম এলাকায় যান। কোনো সময় সমস্যা হয়নি। এ জন্য ছুটির দিনে অফিসের কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি। নিখোঁজ মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার ঝিনুকাঠি আমাদি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম বিপন্ন মণ্ডল। বদলি হয়ে আসার পর থেকে তিনি স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে রুমায় থাকেন বলে অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জানিয়েছেন।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানস বড়ুয়া জানান, মৃত্যুঞ্জয় কুমার মণ্ডল নিখোঁজের ঘটনায় একটি ডায়েরি করা হয়েছে। তাঁকে মুঠোফোন অনুসন্ধানে গতকাল দুপুর পর্যন্ত কুক্ষ্যংঝিরি এলাকায় পাওয়া গেছে এবং তাঁকে বিকেলে মুরুংবাজারে দেখা গেছে বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। মোটরসাইকেলটি কুক্ষ্যংঝিরি বাজার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর সন্ধানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ কাজ করছে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ বলেন, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তারা পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেখছে না। গবেষণা, উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফান্ড প্রদানে ইউজিসি শুধু ‘‘মেরিট’’কেই প্রাধান্য দিচ্ছে।’ এমনকি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাট সরকার শতকরা ৫ ভাগ কমিয়েছেন, আরও ৫ ভাগ কমানোর জন্য তাঁরা চেষ্টা করছেন বলে জানান।ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সময়ে বিভিন্ন ক্লাবে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের জন্য নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ দেন তিনি।সভাপতির বক্তব্যে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ৩০ বছর আগে দেশের নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের মেধাবী সন্তানদের মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা দেওয়ার যে স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন, তার অনেকটাই বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। এখানকার উদ্বৃত্ত অর্থ নানা ধরনের বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পেছনে খরচ করা হয়।ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শামস রহমান বলেন, ‘আমরা একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান এবং যুগের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ হিসেবে তৈরি করি। তাই এখানকার গ্র্যাজুয়েটরা সুনামের সঙ্গে দেশে-বিদেশে কাজ করতে পারেন।’অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস অনুষদের ডিন অনুপ চৌধুরী। আলোচনা শেষে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ফর পারফর্মিং আর্টস (ইসিপিএ) এবং দেশের খ্যাতনামা নজরুল সংগীতশিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের পরিবেশনায় ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিমা খাতে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি গভীরে শিকড় গেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিমা দাবি পরিশোধ করতে হবে। প্রয়োজনে গ্রাহকের পাওনা মেটাতে কোম্পানির সম্পদ বিক্রি করতে হবে। আজ সোমবার বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক উপস্থিত ছিলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকেরা ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বিমা করেন। অথচ অনেক কোম্পানি তাঁদের দাবি পরিশোধ করছে না। প্রায় ৫৭ শতাংশ বিমা দাবি পরিশোধ করা হয়নি। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, বিমা কোম্পানিগুলোকে দাবি পরিশোধের জন্য সময়সীমা দেওয়া হচ্ছে। যারা দাবি পরিশোধ করছে, তারা ভালো করছে। যারা করছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনেক কোম্পানি গ্রাহকের পাওনা পরিশোধ না করে জমি ও অন্যান্য সম্পদ কিনেছে। নগদ অর্থের সংকট থাকলে সম্পদ বিক্রি করে হলেও গ্রাহকের দাবি পরিশোধ করতে হবে।অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে মানুষটা নিরাপত্তার জন্য বিমা করে, নিজের কষ্টার্জিত টাকা থেকে দেয়, তাঁকে আপনি কীভাবে সেই টাকা থেকে বঞ্চিত করবেন?’কিছু দাবি এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইডিআরএর চেয়ারম্যানও দাবি পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে দাবি পরিশোধ করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নয়, সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকেই তা করতে হবে।ব্যাংক খাতের মতো বিমা খাতেও অনিয়ম ও দুর্নীতি দেখা যাচ্ছে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁরা ব্যাপক অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ন্ত্রণ দেখতে পেয়েছেন। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা হবে।বিমা আইন পরিবর্তনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই খাতেও প্রয়োজনীয় ‘রেজোল্যুশন’ কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এ–সংক্রান্ত পরিবর্তন আগামী দিনে সংসদে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।দুই সার্ভার থাকবে নাবিমা খাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি চালুর পাশাপাশি সব কোম্পানিকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, লেনদেন হবে অনলাইনে। যত বেশি শারীরিক যোগাযোগ থাকবে, দুর্নীতির সুযোগ তত বেশি থাকবে।কিছু কোম্পানির দুটি সার্ভার ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি সার্ভারে প্রকৃত তথ্য এবং অন্যটিতে ভিন্ন লেনদেন রাখার মতো ঘটনা পাওয়া গেছে। এখন থেকে কোনো কোম্পানিতে দুই সার্ভার রাখা যাবে না। নির্ধারিত সময়ের পর পরিদর্শনে গিয়ে দুই সার্ভার পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিমা খাতের সাত-আটটি কোম্পানির অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তারা কীভাবে এখনো কার্যক্রম চালাচ্ছে, সেটিই চিন্তার বিষয়। এসব কোম্পানিকে স্বল্প সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা পারবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোনো কোম্পানিকে একীভূত করার বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে চাননি অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোম্পানির জন্য যা প্রয়োজন, সেটিই করা হবে।আইডিআরএতে জনবল ও দক্ষ পেশাদার জনবলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারের ডেপুটেশনে থাকা কর্মকর্তার সংখ্যা কমিয়ে আইডিআরএর নিজস্ব জনবল গড়ে তোলা হবে। তাঁদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা হবে।বিভিন্ন মামলা ও আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা সমাধানে বিমা আইন ও আইডিআরএর ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হবে।বিমা খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকড় গভীরে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলো দূর করা কঠিন কাজ। কিন্তু জনগণের স্বার্থে কঠিন কাজটিই করতে হবে।’
ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে প্রথম আলো ডটকম ও টাইম জোনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রিডেন্স ফুটবল জিনিয়াস’ কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার হস্তান্তর করা হয়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে আজ সোমবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক, প্রধান ক্রীড়া সম্পাদক উৎপল শুভ্র এবং কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের হেড অব ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যান্ড ই–কমার্স রিফাত আহমেদ। কুইজে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে স্কোরের ভিত্তিতে ৩০ জন বিজয়ী নির্বাচিত হন। তাঁদের মধ্যে মেগা বিজয়ী পাঁচজনের প্রত্যেকে পান টাইম জোনের পক্ষ থেকে ক্রিডেন্সের প্রিমিয়াম হাতঘড়ি। বাকি ২৫ জন পান গিফট ভাউচার।বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘কল্লোল গ্রুপ ও টাইম জোনকে ধন্যবাদ এ ধরনের আয়োজনে আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য। যাঁরা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন, বিজয়ী হয়েছেন—আপনারাই আমাদের শক্তি। আপনারা আছেন বলেই প্রথম আলো পৃথিবীর বৃহৎ বাংলা সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালগুলোর একটি। কোনো খবর নিশ্চিত না হয়ে আমরা প্রকাশ করি না। সাময়িক ভিউ বা রিচ আমাদের লক্ষ্য নয়। বস্তুনিষ্ঠ ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।’প্রথম আলোর প্রধান ক্রীড়া সম্পাদক উৎপল শুভ্র বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রথম আলো প্রিন্ট–ডিজিটাল মিলিয়ে বেশ কয়েকটি ক্যাম্পেইন আয়োজন করেছে। পাঠক–দর্শকের সম্পৃক্ততায় এসব কার্যক্রমের পুরস্কার সফলভাবে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। স্কোর ও দৈবচয়নের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়েছে বলে আমরা শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পেরেছি। বিজয়ীদের অভিনন্দন।’ভবিষ্যতেও দর্শকদের জন্য এমন আয়োজন করার কথা উল্লেখ করে রিফাত আহমেদ বলেন, ‘সারা দেশে ৩০টির বেশি জেলায় টাইম জোনের ৮০টি আউটলেট রয়েছে। এসব আউটলেটে আমরা ৪৭টি গ্লোবাল ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি সরবরাহ করি। ক্রিডেন্সের এই আয়োজনে আমরা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছি। কল্লোল গ্রুপ ও টাইম জোনের পক্ষ থেকে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনে আমাদের পাশে থাকবেন—এটাই প্রত্যাশা।’মেগা বিজয়ী পাঁচজন হলেন ঢাকার মো. ইয়াসিন মজুমদার, মো. মারুফুজ্জামান, অপু সাহা, শরিফুল ইসলাম ও ফারিয়া রহমান।মেগা বিজয়ী ফারিয়া রহমান একজন চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি ডিউটিতে থাকতে হয়। এর বাইরের অবসর সময়টা কাজে লাগাতে বিভিন্ন কুইজে অংশ নিই। এবারই প্রথম কোনো কুইজের পুরস্কার জিতলাম। এমন আয়োজনের জন্য প্রথম আলো ও টাইম জোনকে ধন্যবাদ।’ক্রিডেন্স ফুটবল জিনিয়াসের মেগা বিজয়ী পাঁচজন ঢাকার মো. ইয়াসিন মজুমদার, মো. মারুফুজ্জামান, অপু সাহা, শরিফুল ইসলাম ও ফারিয়া রহমান। তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রথম আলো ও কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাগিফট ভাউচার বিজয়ী ২৫ জন হলেন মো. তুলিপ হোসেন, মেহেজাবিন, নীলেশ সাহা, ইসরাত জাহান, ফাতহা মোহাম্মদ নূর, মারুফুজ্জামান, মো. আকরাম হোসেন খান, মো. মিজানুর রহমান, হামিম খান, জাবের ফরাজী, ইসমত জাহান, সুজন তালুকদার, জাহিদ হাসান, রাবেয়া সুলতানা, শান্ত নূর, ফিরোজ আহমেদ, ইফরাত জাহান, সানজিদা আলম, নুসরাত জাহান, নঈমা নাহিদ জাহান, মো. মামুন আকন্দ, মো. রাকিবুল ইসলাম, গাজী আইরিন সুলতানা, মো. আরিফ তপদার ও মো. মোশারফ হোসেন।এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া পাঁচটি দল ব্রাজিল, ফ্রান্স, পর্তুগাল, জার্মানি ও আর্জেন্টিনার জানা-অজানা গল্প, সাফল্যের ইতিহাস, বর্তমান দলের শক্তি-দুর্বলতা ও বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে নির্মিত হয় বিশেষ পাঁচ পর্বের ভিডিও সিরিজ। এতে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে দলগুলোর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মিডফিল্ডার শেখ মোরছালিন ও ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। ভিডিওগুলো প্রচারিত হয় credencefootballgenius.com ওয়েবসাইট, প্রথম আলো ডটকম, প্রথম আলো এবং টাইম জোনের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।প্রতিটি পর্বের ওপর আয়োজিত কুইজে সারা দেশের ২ হাজার ৩০৮ জন পাঠক-দর্শক অংশ নেন। ভিডিওগুলোর সর্বমোট ভিউ ২২ লাখের বেশি। ওয়েবসাইটটির রিচ ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৩।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর ডিজিটাল মার্কেটিং লিড মেহবুব জাবেদ, উপব্যবস্থাপক ভক্ত সাগর উর্মি নিতু, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী মহিবুল হক ও নুসরাত জাহান এবং কল্লোল গ্রুপ অব কোম্পানিজের সহকারী ব্যবস্থাপক (ডিজিটাল মার্কেটিং) শামছুন নাহার বীথি প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহকারী মহাব্যবস্থাপক (ডিজিটাল কনটেন্ট) খায়রুল বাবুই।