জাতীয়

ঢাবিতে এইচআরডিএসের কমিটি, সভাপতি সৌরভ-সম্পাদক তানজিলা

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
ঢাবিতে এইচআরডিএসের কমিটি, সভাপতি সৌরভ-সম্পাদক তানজিলা
ঢাবিতে এইচআরডিএসের কমিটি, সভাপতি সৌরভ-সম্পাদক তানজিলা

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) প্রথমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার জন্য কমিটি ঘোষণা করেছে। ২০২৬-২৭ সেশনের জন্য ২৮ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটিতে প্রেসিডেন্ট পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সৌরভ ইসলাম এবং জেনারেল সেক্রেটারি পদে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিলা হক অপরাজিতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহর সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সরোয়ার জাহান। জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. সাব্বিরুল ইসলাম। অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হয়েছেন তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. রাকিবুল হাসান কবির।

এছাড়া, অফিস সেক্রেটারি পদে মাটি, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের মো. তারিফ আহমেদ তুহিন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিস সেক্রেটারি পদে আরবি বিভাগের মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রেজারার হয়েছেন ইতিহাস বিভাগের তাশফিয়া তারান্নুম নূর তুশান।

আরও পড়ুন

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড / এসএসসিতে মাত্র এক বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর জিপিএ ৪.৯৪, তদন্তে কমিটি

কমিটিতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সম্পাদক পদে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের মাসুমা আক্তার মিমি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সম্পাদক পদে উর্দু বিভাগের ইমরান বিশ্বাস দায়িত্ব পেয়েছেন।

রিসার্চ সেক্রেটারি হয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের রুকাইয়া এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিসার্চ সেক্রেটারি হয়েছেন আরবি বিভাগের হাসনাত জাহান সিফাত।

এছাড়া মাইনরিটি রাইটস অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি পদে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রাহুল ত্রিপুরা, উইমেন অ্যান্ড চাইল্ড অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি পদে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ফারজানা বিনতে আঁখি, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি পদে আইন বিভাগের লুবাবা মোশলেহি এবং মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি পদে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদ আদনান রনি দায়িত্ব পেয়েছেন।

ডকুমেন্টেশন সেক্রেটারি হয়েছেন উর্দু বিভাগের মো. রাইহান হোসেন এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আমিনুল ইসলাম মজুমদার। ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আশিক কুমার শীল। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড প্রোগ্রাম সেক্রেটারি হয়েছেন শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের মাহরিব বিন মহসিন।

লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি পদে আইন বিভাগের অংথোয়াইগিয়া মারমা অং, ভিকটিম সাপোর্ট সেক্রেটারি পদে ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের কৌলিক আবিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সংসদে মন্ত্রী / মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল

কমিটিতে এক্সিকিউটিভ মেম্বার হিসেবে রয়েছেন ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ইফতেখার সোহান সিফাত, আরবি বিভাগের আরিফুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের মেহনাজ হোসেন মাটি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রওশন আরা আক্তার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শেখ গালিব আল দ্বীন এবং আরবি বিভাগের তাওহিদুল ইসলাম।

সংগঠনটির ঢাবি শাখার প্রেসিডেন্ট মো. সৌরভ ইসলাম বলেন, ​বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার প্রধান কেন্দ্র। হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটি (এইচআরডিএস) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রথম কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক ও দায়িত্বপূর্ণ। আমরা এমন একটি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

তিনি বলেন, ​আমাদের এই নবগঠিত ২৮ সদস্যের কমিটি ক্যাম্পাসে মানবাধিকার সুরক্ষা, ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং, সংখ্যালঘু ও নারী-শিশুদের অধিকার রক্ষা এবং গবেষণাধর্মী কাজের ওপর বিশেষ জোর দেবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং ভিকটিমদের পাশে থেকে সার্বিক সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ গঠনে আমরা ঢাবির সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

জেনারেল সেক্রেটারি তানজিলা হক অপরাজিতা বলেন, ​মানবাধিকার কোনো দয়া বা সুযোগ নয়, এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। আমাদের মূল লক্ষ্য হবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সোচ্চার হওয়া এবং তাদের জন্য একটি নিরাপদ আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করা।

তিনি আরও বলেন, ​আমাদের এই নবগঠিত টিমটি বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীলভাবে গঠিত হয়েছে। ক্যাম্পাসে মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে আমরা শুধু প্রতিবাদেই সীমাবদ্ধ থাকবো না, বরং বস্তুনিষ্ঠ ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং, আইনি সহায়তা ও ভিকটিম সাপোর্ট নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবো। পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে আমরা নিয়মিত নানামুখী কর্মসূচি পরিচালনা করবো। একটি সচেতন, সোচ্চার ও মানবিক ক্যাম্পাস গঠনে আমরা সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।

আরটি/কেএসআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
টালিউডের তিন কন্যা যেন পাল্লা দিয়ে আবেদন ছড়াচ্ছেন যত আকর্ষণীয় লুকে
টালিউডের তিন কন্যা যেন পাল্লা দিয়ে আবেদন ছড়াচ্ছেন যত আকর্ষণীয় লুকে

টালিউডের তিন কন্যা উষসী রায়, তৃণা সাহা আর ঐন্দ্রিলা সেনকে প্রায়ই দেখা যাইয় বিভিন্ন আবেদনময় লুকে। কিন্তু তাঁদের এসব লুক দেখে মনে হচ্ছে, তাঁরা যেন পাল্লা দিয়ে আবেদন ছড়াচ্ছেন। চলুন ইন্সটাগ্রামের উষ্ণতা বাড়ানো এই লুকগুলোর আদ্যোপান্ত দেখে নিই ছবির গল্পে। করসেট টপের সঙ্গে থাই স্লিট স্কার্ট পরেছেন ঐন্দ্রিলাহালকা সাদা-সবুজ পাথরের গয়নায় মিনিমাল সাজে মোহনীয় ঐন্দ্রিলাকালো হলটারনেক বডিকন ড্রেসে সিকুইনের ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে তৃণার লুকে। সেই সঙ্গে নজরকাড়া স্টেটমেন্ট গয়নাটেনে বাঁধা পনিটেইল, উইংড আইলাইনার আর ব্যাকলেস লুকে আবেদন ছড়াচ্ছেন তৃণাফুলেল প্রিন্টের হলটারনেক ড্রেসে আবেদনময়ী উষসীবডিকন কাটের ড্রেসটি এই আকর্ষণীয় ফিগারের অভিনেত্রীকে দারুণ ফিট করেছেফুল স্লিভ টার্টলনেক ভিস্কোস টপ আর ম্যাচিং থাই স্লিট স্কার্টে উষসীচুলের মেসি স্টাইল আর ন্যুড লিপস নজর কাড়ছেতৃণা পরেছেন ঝলমলে সিকুইনের থাই স্লিট ড্রেসস্লিক আপডু আর ম্যাচিং দুলে আবেদন ছড়াচ্ছেন্ত ইনিছবি: ইন্সটাগ্রাম

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫ 0
আজ থেকে পর্দায় তারকাদের সেই জমকালো রাত

আজ থেকে পর্দায় তারকাদের সেই জমকালো রাত

মিষ্টিমুখের ঐতিহ্য, মিষ্টিতে ভেজালের শঙ্কা

মিষ্টিমুখের ঐতিহ্য, মিষ্টিতে ভেজালের শঙ্কা

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী আছে

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল ফোনে কী আছে

আজ টিভিতে যা দেখবেন (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
আজ টিভিতে যা দেখবেন (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেটের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আজ, মুখোমুখি পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। রাতে ও কাল সকালে আছে ইউএস ওপেনের পুরুষ সেমিফাইনাল।এজবাস্টন টেস্ট-৩য় দিনইংল্যান্ড-পাকিস্তানবিকেল ৪টা, সনি স্পোর্টস ২নারী এশিয়া কাপ ক্রিকেটপাকিস্তান-শ্রীলঙ্কারাত ৮-৩০ মি., টি স্পোর্টসইউএস ওপেন: পুরুষ সেমিফাইনালজভেরেভ-খাচানভরাত ১টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২টিয়াফো-শেলটনআগামীকাল ভোর ৫টা, স্টার স্পোর্টস ১ ও ২  লা লিগাসেভিয়া-ভ্যালেন্সিয়ারাত ১টা, টি স্পোর্টস

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
Be পজিটিভ

Be পজিটিভ

ক্ষুধা দূরীকরণে ইসলামের বাস্তবমুখী ৫ পদক্ষেপ

ক্ষুধা দূরীকরণে ইসলামের বাস্তবমুখী ৫ পদক্ষেপ

প্রত্যাবর্তনে ইউনাইটেডের বড় জয়, বায়ার্নেরও গোল–উৎসব, কোমোর স্মরণীয় অভিষেক

প্রত্যাবর্তনে ইউনাইটেডের বড় জয়, বায়ার্নেরও গোল–উৎসব, কোমোর স্মরণীয় অভিষেক

আবারও সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হার বাংলাদেশের
আবারও সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হার বাংলাদেশের

টসের সময় দুই অধিনায়কের কথাতেই দুটি শব্দ ছিল ‘কমন’—নতুন ম্যাচ।বাংলাদেশ অধিনায়ককে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ এশিয়া কাপ ফাইনালে ভারতকে হারানোর স্মৃতি। নিশ্চয়ই পুনরাবৃত্তি করতে চান প্রশ্নে নিগার বলেছেন, ‘এটা আরেকটা নতুন ম্যাচ।’ ভারত অধিনায়কের সামনে ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপুটে সাফল্যের স্মৃতি। ২৪ ম্যাচের ২১টিই যে তাঁর দল জিতেছে, সেটিকে এক পাশে সরিয়ে হারমানপ্রীত কৌরেরও একই কথা, ‘এটা নতুন ম্যাচ।’শেষ পর্যন্ত এই ‘নতুন ম্যাচ’টিতে আগের ভালো স্মৃতিটা ফিরিয়ে এনেছে ভারতই। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালের ওঠার লড়াইয়ে নিগারদের হারালেন হারমানপ্রীতরা।বাংলাদেশ ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে আসলে প্রথমার্ধেই। গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়া, আরব আমিরাতের মতো দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েও ১৩০ রানের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সেই দলটির সামনেই আগে ব্যাট করে ভারত দেয় ১৫০ রানের লক্ষ্য। দিলারা আক্তার–জুয়াইরিয়া ফেরদৌসের উদ্বোধনী জুটিতে ২৬ রান এলেও বল খরচ হয়ে যায় ৩৩টি। রান তোলার এই ধীর গতি পরেও আর দ্রুততা পায়নি। বাংলাদেশ দল পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে ৭ উইকেটে করতে পারে ১০৯ রান। স্বর্ণা আক্তারের ১৮ বলে ২২ রানের অপরাজিত ইনিংসই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ। দিলারা ২১ ও নিগার করেন ১৯ রান।ধীর গতির ব্যাটিংয়ে লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে থামতে হয়েছে বাংলাদেশকেএর আগে টস জিতে বেশ সাহসী সিদ্ধান্তই নেন নিগার। টুর্নামেন্টের আগের ১২ ম্যাচের ৮টিতে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতলেও বাংলাদেশ অধিনায়ক বেছে নেন বোলিং। লক্ষ্য ছিল টুর্নামেন্টজুড়ে ভালো বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ভারতকে অল্প রানে আটকে রাখা। কিন্তু ফিল্ডিংয়ের দুর্বলতায় সেই লক্ষ্য খেই হারায় শুরুতেই। ভারতের হয়ে ওপেনিংয়ে নামা শেফালি বর্মা ৪০ বলে খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস। ম্যাচের শুরুতে দুবারসহ মোট তিনবার তাঁর ক্যাচ ফেলেছে বাংলাদেশ। ৬ রানে ক্যাচ ফেলেন ফাহিমা খাতুন, ১১ রানে নাহিদা আক্তার।একের পর এক ক্যাচ মিসের কারণে উইকেট পাওয়ার এই খুশি স্থায়ী হতে দেয়নিশুরুতেই দুই জীবন পেয়ে যাওয়া শেফালি ৩৫ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে সুলতানা খাতুনকে টানা তিন বাউন্ডারি মারার পর চতুর্থ বলে ক্যাচ হন বদলি নামা ফারজানা ইয়াসমিনের। তার আগে ৫৬ রানের মাথায় তাঁকে ‘নতুন জীবন’ দেন স্বর্ণা। এত সব সুযোগ নষ্টের ম্যাচে দিন শেষে বাংলাদেশের সঙ্গী হারের হতাশা।বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার অবশ্য ক্যাচ মিসের পাশাপাশি বোলিং ভালো করতে না পারা আর ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে পর্যাপ্ত রান তুলতে না পারাও হারের কারণ বলে অভিহিত করেছেন ম্যাচশেষে।সংক্ষিপ্ত স্কোর:ভারত: ২০ ওভারে ১৪৯/৬ (শেফালি ৬৪, হারমানপ্রীত ২৪*; সুলতানা ২/৩০)।বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১০৯/৭ (স্বর্ণা ২২, দিলারা ২১, নিগার ১৯; দীপ্তি ৩/২৬)।ফল: ভারত ৪০ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: শেফালি বর্মা।ক্যাচ মিসের মিছিল থেকে ধীর গতির ব্যাটিং—যেভাবে ভারতের কাছে হার বাংলাদেশের

News ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কার, ফয়সালা করতে মমতা ও ঋতব্রতকে দিল্লিতে তলব

তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক কার, ফয়সালা করতে মমতা ও ঋতব্রতকে দিল্লিতে তলব

আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা ও সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য

আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তির প্রতি সহানুভূতি, তাঁর কথা শোনা ও সমর্থন দেওয়া অপরিহার্য

সাবেক বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য নতুন করে গোয়েন্দা ছাড়পত্রের শর্ত অযৌক্তিক

সাবেক বিচারপতিদের সাধারণ পাসপোর্টের জন্য নতুন করে গোয়েন্দা ছাড়পত্রের শর্ত অযৌক্তিক

0 Comments