জাতীয়

দেবজ্যোতির নতুন মিউজিক ভিডিও প্রকাশ

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঢাকায় অভিযানে ৬২৯ জন গ্রেফতার
ঢাকায় অভিযানে ৬২৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৫০টি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৪০ জন, লালবাগ বিভাগ ৪২ জন, ওয়ারী বিভাগ ৬৫ জন, মতিঝিল বিভাগ ৬৮ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৯৫ জন, মিরপুর বিভাগ ২০৩ জন, গুলশান বিভাগ ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৯ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে । অভিযানকালে ৭ কেজি ৯৬৫ গ্রাম গাঁজা, ২১১ পিস ইয়াবা, ১০৬ গ্রাম হেরোইন, ১ টি বিদেশী পিস্তল, ১ টি শর্টগান, ১ টি ইয়ারগান, ১ রাউন্ড গুলি, ১ টি ম্যাগাজিন, ১ টি গুলির খোসা, ৩২ টি রেডবল কার্তুজ, ৫৫ টি মোবাইলফোন, ৭ টি ফয়েল পেপার, ৩ টি গ্যাস লাইট, ১ টি সাদা বোতলের এ্যালকোহল, ১ টি সিএনজি, ৩ টি মোটরসাইকেল, ৪ টি চাকু, ২ টি স্টীলের ব্লেড, ১ টি চাপাতি ও নগদ ১৮২২০ টাকা জব্দ করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।জেএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
সকালে রাজধানীতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টি, আবার হতে পারে

সকালে রাজধানীতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টি, আবার হতে পারে

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন

পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নেবে ৮৫ জন, আবেদন ফি ১০০, কর্মস্থল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-কুমিল্লা

পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নেবে ৮৫ জন, আবেদন ফি ১০০, কর্মস্থল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-কুমিল্লা

তামিম হত্যা: ৯ জনের অব্যাহতির বিরুদ্ধে শুনানি আজ
তামিম হত্যা: ৯ জনের অব্যাহতির বিরুদ্ধে শুনানি আজ

  দীপ্ত টেলিভিশনের সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিম হত্যা মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবিসহ নয়জনকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে করা রিভিশন আবেদনের শুনানি আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর)। ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালতে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২৭ আগস্ট রিভিশন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য থাকলেও তা পিছিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার হাতিরঝিল থানার মহানগর আবাসিক এলাকায় নিজেদের বাসায় হামলার শিকার হন তামিম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন তার বাবা সুলতান আহমেদ হাতিরঝিল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান প্লেজেন্ট প্রোপার্টিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুনসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১১ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, নিহত তামিমের বাবার জমিতে চুক্তির ভিত্তিতে একটি ভবন নির্মাণ করেছিল শেখ রবিউল আলম রবির মালিকানাধীন প্লেজেন্ট প্রোপার্টিজ। ওই ভবনের ফ্ল্যাট ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে তামিমকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ ওঠে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মামুনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। মামলার নথি অনুযায়ী, মামুনের শ্বশুর ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাট প্লেজেন্ট প্রোপার্টিজের কাছ থেকে কিনেছিলেন। তামিমের পরিবার ওই ফ্ল্যাটটি তাদের জমির ওপর নির্মিত বলে দাবি করে আসছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন বছর ধরে বিরোধ চলছিল।মামলাটির তদন্ত শেষে ঢাকা মহানগর উত্তর পিবিআইয়ের উপ-পরিদর্শক জাকারিয়া আলম গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ১৩ জনকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে এক কিশোরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। তবে শেখ রবিউল আলমসহ নয়জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্ত প্রতিবেদনে অসন্তুষ্ট হয়ে গত ৮ জানুয়ারি বাদী সুলতান আহমেদ আদালতে নারাজি আবেদন করেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, সত্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যথাযথভাবে সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। বাদীর নেওয়া কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্যও হুবহু লিপিবদ্ধ না করে তদন্ত কর্মকর্তা নিজের মতো করে জবানবন্দি নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরে মামলাটি পুনঃতদন্তের আবেদনও করেন বাদী। তবে গত ৩ মার্চ ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ বাদীর নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে রবিউল আলমসহ নয়জনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন আদালত। আদেশে বলা হয়, মামলাটি আরও তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এরপর ওই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদন করেন তামিমের বাবা সুলতান আহমেদ। সেই আবেদনের ওপরই রোববার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্রে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন প্লেজেন্ট প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা আব্দুল লতিফ, সিইও ফাইজুল আহম্মেদ প্রকাশ সুমন, মামুনুর রশীদ মামুন, কোরবান আলী, এস এম ইব্রাহিম হোসাইন, বাধন, গাজী জাকির হোসেন, রাসেল, মনির হোসেন, শাহরাজ উদ্দিন, আমিরুল ইসলাম ওরফে আমির, সুমন মল্লিক ও মাহফুজার রহমান। অব্যাহতি পাওয়া নয়জন হলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুন, শেখ রবিউল আলম, ফজলুর রহমান, আরিয়ান, নাসরিন আক্তার, রাসেল, মাহফুজুর রহমান, মোজাম্মেল হক কবির ও ইমাম হোসেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়া আলম বলেন, তদন্ত শেষ করেই আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আর যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযোগপত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ আনা হয়েছে এবং যাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে কেন তা করা হয়েছে দুই বিষয়ই বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তদন্তে প্রভাবিত হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। জাকারিয়া আলম আরও বলেন, তিনি যখন মামলাটির তদন্ত করেন, তখন কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে ছিল না; অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে ছিল। ফলে রাজনৈতিক প্রভাবের সুযোগও ছিল না বলে তিনি দাবি করেন। এমডিএএ/এসএনআর

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বাহাত্তর–তেহাত্তর: স্বপ্ন, সংকট ও সময়ের দিনলিপি

বাহাত্তর–তেহাত্তর: স্বপ্ন, সংকট ও সময়ের দিনলিপি

৪৮ ঘণ্টায় ১২৯ হামলা, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের অভিযোগ

৪৮ ঘণ্টায় ১২৯ হামলা, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের অভিযোগ

ওয়াকআউট করার অধিকার যদি তাঁদেরও থাকত

ওয়াকআউট করার অধিকার যদি তাঁদেরও থাকত

দোয়েল কীভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলো
দোয়েল কীভাবে বাংলাদেশের জাতীয় পাখি হলো

সকালবেলা ঘুম ভাঙার ঠিক আগে আগে তুমি হয়তো শব্দটা শুনেছ। তীক্ষ্ণ অথচ সুরেলা। থেমে থেমে যেন কেউ বাঁশি বাজাচ্ছে জানালার ওপাশে। ওটাই দোয়েল। কালো–সাদা এই ছোট্ট পাখিটাকে তুমি রোজ দেখো হয়তো। অথচ কখনো ভাবোনি, কীভাবে এই সাধারণ দেখতে পাখিটাই বাংলাদেশের জাতীয় পাখির মর্যাদা পেয়েছে।কেন দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি, সেটা একটু অবাক করার মতোই। বাংলাদেশে তো আরও কত রংচঙে পাখি ঘুরে বেড়ায়। মাছরাঙার নীল–কমলা শরীর দেখলে চোখ আটকে যায়। বকের সাদা ডানাও কম চমৎকার নয়। তবু ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই যখন দেশ তার প্রতীকগুলো ঠিক করছিল, তখন দোয়েলকেই বেছে নেওয়া হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কাজী জাকের হোসেনই প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ খানিকটা লুকিয়ে আছে এই পাখির স্বভাবেই।বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis। চেনা সহজ। মাথা–পিঠ কালো চকচকে, বুক–পেট সাদা, লেজটা সোজা তুলে রাখে যেন একটু গর্ব নিয়ে হাঁটছে। পুরুষ পাখির রং একদম কালো–সাদা, তবে স্ত্রী দোয়েলের রংটা কিছুটা ফিকে ধূসর। আকারে বড় নয়, ২০ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা মোটে। অথচ এই ছোট্ট শরীর থেকে যে গান বের হয়, সেটাই বাকি সব পাখি থেকে তাকে আলাদা করে দেয়।মাছরাঙা যেভাবে পানির নিচে শিকার করেগানের কথায় আসি একটু। দোয়েল একসঙ্গে অনেক সুর মেলাতে পারে। ভোরে এক রকম, দুপুরে আরেক রকম ডাকে। মাঝেমধ্যে অন্য পাখির ডাক নকল করে ফেলে, তার গলার এমনই কারিগরি। এই গান নিয়ে গ্রামগঞ্জে গল্পের অভাব নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করত দোয়েলের ডাক শুনলে দিনটা ভালো যাবে। আবার কারও কাছে দোয়েল সাহসেরও প্রতীক; নিজের এলাকা রক্ষায় বড় পাখির সঙ্গেও লড়ে বসে এই পাখি।জাতীয় পাখি দোয়েলসাহসের এই গুণ বোধ হয় একটা কারণ ছিল। নতুন স্বাধীন একটা দেশের প্রতীক হিসেবে এমন এক পাখি দরকার ছিল যে ছোট হয়েও জায়গা ছাড়ে না, প্রতিকূলতার মধ্যেও গায়। যুদ্ধ সবে পেরিয়ে আসা দেশটা ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়াচ্ছে তখন। দোয়েলের মধ্যে সেই একই জেদ কেউ কেউ খুঁজে পেয়েছিলেন হয়তো।প্রতীকী কারণটাই একমাত্র ব্যাপার নয় অবশ্য। দোয়েল বাংলাদেশের প্রায় সবখানে থাকে। গ্রামে– শহরে, বাগানে–উঠানে, ব্যস্ত রাস্তার ধারের গাছেও দেখা যায় তাকে। এই সহজলভ্যতাও কাজ করেছিল দোয়েলকে বেছে নেওয়ার পেছনে। বিরল কোনো পাখি হলে তো বেশির ভাগ মানুষ কখনো চোখেই দেখত না তাকে।দোয়েল মাটিতে নেমে খাবার খুঁজতে ভালোবাসে। খেয়াল করেছ কখনো? পোকামাকড়, শুঁয়াপোকা—এসবই প্রধান খাবার। বাগানের মাটি খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে লুকিয়ে থাকা পোকা বের করে আনে। এই স্বভাবের জন্য কৃষকদের কাছেও দোয়েল বহুকাল প্রিয় ছিল। ফসলের ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলে বলে কৃষিবান্ধব পাখি বলেও ডাকা হতো একে।মহাবিপর্যয় এলে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশ হবে কোনটিদোয়েল কি এখনো আগের মতোই সহজলভ্য আছে? সেই প্রশ্নের উত্তরটা সহজ নয়। নগরায়ণের চাপে গাছপালা কমছে, খোলা মাটির জায়গাও কমে আসছে দিন দিন। যেখানে আগে অনায়াসে নেমে খাবার খুঁজত দোয়েল, সেখানে এখন কংক্রিট। ঢাকার মতো শহরে আজকাল দোয়েল দেখাটাই একরকম দুর্লভ ঘটনা। গ্রামেও কীটনাশকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় পোকামাকড় কমছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে দোয়েলের খাদ্য চক্রে।একলা দোয়েল। কামারগাড়ী, বগুড়া, ৩ জুলাইমন খারাপ হওয়ার মতোই খবর এটা। জাতীয় পাখি হয়েও সংকটে পড়বে দোয়েল, এমনটা কেউ চায়নি নিশ্চয়ই। পরিবেশ রক্ষা না করলে প্রতীক শুধু কাগজে–কলমেই থেকে যায়, আর আসল প্রাণীটা হারিয়ে যেতে থাকে ধীরে ধীরে। তোমার বাড়ির আশপাশে একটা গাছ থাকলে সেখানে যদি দোয়েল বাসা বাঁধতে পারে, সেটা আসলে অনেক বড় কিছু।আরেকটা কথা অনেকেই জানে না। দোয়েল বাসা বানায় গাছের কোটরে কিংবা দেয়ালের ফাঁকফোকরে। ডিম পাড়ে তিন থেকে পাঁচটার মতো। বাবা–মা দুজনেই মিলে বাচ্চা খাওয়ায় পাহারা দেয়। এই পারিবারিক টানটাও বাংলার গানে–কবিতায় বারবার ফিরে এসেছে দোয়েলের ছবি হয়ে।জাতীয় পাখি বলে একে চেনাটা শুধু নাম মুখস্থ রাখার ব্যাপার নয়। দোয়েলকে চেনা মানে তার ডাক চেনা, তার বেঁচে থাকার লড়াইটা একটু হলেও বোঝার চেষ্টা করা। পরের বার সকালে ওই সুরেলা ডাকটা কানে এলে একটু থামো। খুঁজে দেখো কোথায় বসে আছে পাখিটা। হয়তো দেখবে কালো–সাদা ছোট্ট একটা শরীর গাছের ডালে বসে পাড়াটাকে মাতিয়ে রেখেছে শুধু নিজের মিষ্টি গলার জোরে।সূত্র: বার্ড ক্লাব বাংলাদেশযুক্তরাষ্ট্রের কিশোর-কিশোরীদের কি বুদ্ধি কমে যাচ্ছে

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
রাবিতে নবীনবরণে গোলাম আযমের বই, ‘পুনর্বাসনের চেষ্টা’ বলছেন বাম নেতারা

রাবিতে নবীনবরণে গোলাম আযমের বই, ‘পুনর্বাসনের চেষ্টা’ বলছেন বাম নেতারা

কবির ফ্যাশন: কেমন ছিল আশির দশক

কবির ফ্যাশন: কেমন ছিল আশির দশক

ইউটিউব দেখে গড়ে তুললেন মিশ্র ফলের বাগান

ইউটিউব দেখে গড়ে তুললেন মিশ্র ফলের বাগান

0 Comments