জাতীয়

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই

রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকার প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন রাজন সরদার (২৫) ও ফয়সালুর রহমান ওরফে ফয়সাল।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।

পল্লবী থানার বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে পল্লবীতে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করছিলেন কয়েকজন লোক। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার রাজনের কাছ থেকে একটি তরবারি, একটি স্টিলের খুর ও একটি খেলনা পিস্তল এবং ফয়সালের কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ।

তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কেআর/এমআইএইচএস

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
কোদাল হাতে খাল পরিষ্কারে এমপি হুমাম কাদের
কোদাল হাতে খাল পরিষ্কারে এমপি হুমাম কাদের

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়াকে পর্যটনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মুরাদনগর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুলকুরমাই খাল পরিষ্কার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের সঙ্গে যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সকাল ৮টার দিকে কোদাল হাতে নিয়ে খাল পরিষ্কারে অংশ নেন এমপি হুমাম কাদের। তিনি বিডি ক্লিনের স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে নিয়ে খালের বিভিন্ন অংশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ও কচুরিপানা অপসারণ করেন। এসময় হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি রাঙ্গুনিয়াকে পর্যটনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। কুলকুরমাই খালটি রোয়াজারহাট বাজার ও কুলকুরমাই গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গুমাই বিল ও ইছামতী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। স্থানীয় কৃষি ও পানি নিষ্কাশনে খালটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খালের পানি ব্যবহার করে কুলকুরমাই, মুরাদনগরসহ আশপাশের প্রায় ৩০০ একর জমিতে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে খালে ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ও কচুরিপানা জমে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। কোথাও কোথাও পানি স্থির হয়ে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষিত হচ্ছিল। এতে কৃষিকাজ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় কৃষক রফিক উদ্দিন বলেন, এই খালের পানির ওপর অনেক কৃষকের চাষাবাদ নির্ভর করে। খালটি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা গেলে এবং দখল-দূষণ বন্ধ করা গেলে কৃষকরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দা জহির উদ্দিন বাবর বলেন, খালের বিভিন্ন স্থানে ময়লা ও কচুরিপানা জমে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল। এখন পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়ায় খালের চেহারা বদলাতে শুরু করেছে। তবে পরিষ্কার করার পর যেন কেউ আবার খালে ময়লা ফেলতে না পারে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। স্থানীয়দের মতে, একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিয়ে খাল রক্ষা করা সম্ভব নয়। নিয়মিত ময়লা অপসারণের পাশাপাশি খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধ, দখলমুক্ত রাখা এবং পানিপ্রবাহের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে খাল রক্ষায় স্থানীয়দেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই

ব্যবসায়ী হত্যা: আদালতে বন্ধুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ব্যবসায়ী হত্যা: আদালতে বন্ধুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

‘খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে’

‘খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখে’

বিয়ের ৩ মাসেই নববধূর মৃত্যু, রিমান্ড শেষে স্বামী কারাগারে
বিয়ের ৩ মাসেই নববধূর মৃত্যু, রিমান্ড শেষে স্বামী কারাগারে

ঢাকার শ্যামপুরে ১৬ বছর বয়সী আফরা খানকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় তার স্বামী রাহাত হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুই দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ রাহাতকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। আরও পড়ুন বিয়ের ৩ মাসেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী ২ দিনের রিমান্ডে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাহাতকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালতের আদেশের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত রাহাত হোসেনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। সেই রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাকে আদালতে তোলা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৮ মে রাহাত ও আফরা পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাহাত আফরাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে নির্যাতন ও অপমান করা হতো বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২০ আগস্ট আফরার শাশুড়ি সোনিয়া আক্তার ফোন করে তার মা লাকী আক্তারকে জানান, আফরা অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে রাহাতের বাবা লিটন ব্যাপারী ও বড় ভাই সাইফ হোসেন তাকে সূত্রাপুরের একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন আফরার মা। পরে আফরাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় একই দিন ২০ আগস্ট শ্যামপুর থানায় রাহাতসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন লাকী আক্তার। মামলার অন্য আসামিরা হলেন—রাহাতের মা সোনিয়া আক্তার, বাবা লিটন ব্যাপারী ও বড় ভাই সাইফ হোসেন। মামলার পরদিন ২১ আগস্ট শ্যামপুরের ডিআইটি প্লট এলাকার নিজ বাসা থেকে রাহাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে ৮ সেপ্টেম্বর আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অন্য তিন আসামি গত ২ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। এমডিএএ/এমআইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
রবীন্দ্র-নজরুল বাঙালির চেতনা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ

রবীন্দ্র-নজরুল বাঙালির চেতনা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ

আলেকজান্দ্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্প

আলেকজান্দ্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্প

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে খুন, গ্রেফতার ১

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে খুন, গ্রেফতার ১

প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য, নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য, নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ইয়াছমিন আক্তার (৩৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেপারীপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইয়াছমিন আক্তার রাউজান উপজেলার পূর্ব রাউজান কাজীপাড়া এলাকার কবির আহম্মদের মেয়ে। তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকার প্রবাসী চিসতিয়াকের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ইয়াছমিন চিকনদণ্ডীর বেপারীপাড়া এলাকায় একটি ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন। তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই মনোমালিন্য ও ঝগড়া-বিবাদ হতো। এসব কারণে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হাটহাজারী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াজ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ইয়াছমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এমআরএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
সিডনিতে জেমস, দেখা হতেই রূপম বললেন ‘জয় গুরু’

সিডনিতে জেমস, দেখা হতেই রূপম বললেন ‘জয় গুরু’

দুই মাসেই স্বপ্নযাত্রার করুণ সমাপ্তি, স্পেন থেকে কফিনে ফিরলেন আলিফ

দুই মাসেই স্বপ্নযাত্রার করুণ সমাপ্তি, স্পেন থেকে কফিনে ফিরলেন আলিফ

ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির কারণে জ্বালা‌নি খাত সংকটে পড়েছে: তিতুমীর

ফ্যাসিস্ট সরকারের দুর্নীতির কারণে জ্বালা‌নি খাত সংকটে পড়েছে: তিতুমীর

0 Comments