জাতীয়

ব্রিজের পিলারে বাল্কহেডের ধাক্কা, ছাত্রদল নেতা নিখোঁজ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার
মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনসে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার কথা উল্লেখ করে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, এই মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না। ডিএমপি কমিশনার উল্লেখ করেন, মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাই- এই তিনটি বিষয় নিয়ে নাগরিকরা তাদের বক্তব্যে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে বেশিরভাগ নাগরিক বলেছেন, কিশোর গ্যাং ও মাদক কেনাবেচা আগের চেয়ে কমেছে। ছিনতাইও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে বলে পুলিশের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে। গত তিন মাসের সঙ্গে তার আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান তুলনা করলে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করা ঠিক নয়। নাগরিকরা চান মোহাম্মদপুরে কোনো ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা মাদক থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে, বলেন তিনি। আরও পড়ুন মোহাম্মদপুরে অপরাধ দমনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশে চায় র‌্যাব ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে। তবে শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরের জনগণ যদি এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ করেন তাহলে এই এলাকায় কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে প্রচেষ্টার ঘাটতি আছে, অবশ্যই আছে, এটা স্বীকার করতেই হবে। মোহাম্মদপুর থানায় আটটি বিট রয়েছে জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের কর্মকর্তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হলো। আটটি বিটের বিট কর্মকর্তাদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও বলেন তিনি। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এসব তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার করতে হবে। রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশও দেন তিনি। তিনি বলেন, অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতর রাতে যাকেই পাওয়া যাবে তাকেই গ্রেফতার করতে হবে। আরও পড়ুন মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯ কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে এবং অতি সত্বর মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইয়ের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে। ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি বা অন্য কোনো দেশীয় অস্ত্র থাকলে এবং তা দিয়ে কারও ওপর হামলা বা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও বলেন তিনি। মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সেখানে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গা রয়েছে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং, ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি, র‍্যাব-২ অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। টিটি/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
হাসিনাকে ফেরাতে জামায়াত ‘এক ধরনের চক্রান্ত’ করছে: রাশেদ 

হাসিনাকে ফেরাতে জামায়াত ‘এক ধরনের চক্রান্ত’ করছে: রাশেদ 

দ্বিতীয় দফায় পানিতে তলিয়ে গেল ঝুলন্ত সেতু, নিষেধাজ্ঞার পরও সেতু পারাপার

দ্বিতীয় দফায় পানিতে তলিয়ে গেল ঝুলন্ত সেতু, নিষেধাজ্ঞার পরও সেতু পারাপার

লাইনের গ্যাস টানতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কম্প্রেসর

লাইনের গ্যাস টানতে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ কম্প্রেসর

ছুটির দিনে বইয়ের টানে স্কুলে ভিড়
ছুটির দিনে বইয়ের টানে স্কুলে ভিড়

শনিবার সকাল। সাপ্তাহিক ছুটি। ক্লাস–পরীক্ষার ব্যস্ততা নেই। তবু বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। তাদের এই ভিড় বইয়ের স্টল ঘিরে। কারও হাতে গল্পের বই, কারও হাতে ছিল কিশোর উপন্যাস। কেউ পছন্দের বইটি হাতে নিয়ে মলাট দেখছে, কেউ স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে বই কেনার জন্য। অভিভাবকেরাও মেয়েদের সঙ্গে নিয়ে ব্যস্ত বই বাছাইয়ে।প্রিয় লেখকের বই কেনার অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণটি মুখর হয়ে উঠেছিল। এমন দৃশ্য দেখা যায় চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের সিলভার বেলস কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড গার্লস হাইস্কুলে। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান প্রথমা প্রকাশন ও সিলভার বেলস কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড গার্লস হাইস্কুল যৌথভাবে এই বই উৎসবের আয়োজন করে। সহযোগিতায় ছিল উৎসব সুপারমার্কেট।সকালে বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিভা ইন্দু। প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক ও প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী। বই উৎসবে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনা।মেলায় ছিল একটিমাত্র বইয়ের স্টল। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে থেকে সেটির সামনে ছিল নানা বয়সী শিক্ষার্থীর ভিড়। কেউ বইয়ের মলাট দেখছে, কেউ কয়েক পৃষ্ঠা পড়ে দেখছে। পছন্দের বই হাতে পেয়ে কারও মুখে হাসি। আবার কেউ একাধিক বইয়ের মধ্যে কোনটি কিনবে, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেছে।বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইপ্সিতা জান্নাতুল ফেরদৌস বাবা ও ছোট বোনকে নিয়ে এসেছিল বই উৎসবে। তার পছন্দ গল্প ও কিশোর উপন্যাস। তার কথা, ‘বই পড়লে নিজের মতো করে একটা জগৎ কল্পনা করা যায়। তাই গল্পের বই পড়তে আমার ভালো লাগে। আজ পছন্দের কয়েকটা বই কিনেছি।’তার মতো অনেক শিক্ষার্থীর কাছেই বই উৎসব ছিল শুধু বই কেনার সুযোগ নয়, প্রিয় লেখকদের বই একসঙ্গে দেখার আনন্দও। বন্ধুদের সঙ্গে বই নিয়ে আলোচনা, একে অপরকে পছন্দের বই দেখানো—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে স্কুলজুড়ে।সদ্য এসএসসি উত্তীর্ণ মাওয়া সিদ্দিকী কিনেছিল বিশ্বজিৎ চৌধুরীর দুটি উপন্যাস। স্টলের পাশেই ছিলেন লেখক। তাই অটোগ্রাফ নেওয়ার সুযোগ হারায়নি সে। পছন্দের বই সংগ্রহ করে উচ্ছ্বসিত মাওয়া সিদ্দিকী বলে, তাদের বিদ্যালয়ে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প–উপন্যাস, কবিতা–ছড়া পড়ার প্রতি জোর দেওয়া হতো। বিদ্যালয়ে এই ধরনের বই উৎসবের আয়োজন করায় পছন্দের বই কেনা সহজ হয়েছে।উৎসবে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। সন্তানের পছন্দের বই খুঁজে দিতে স্টলে ভিড় করছিলেন তাঁরা। কেউ বই কিনে দিচ্ছেন, কেউ আবার সন্তানকে বই বেছে নিতে উৎসাহ দিচ্ছেন। তেমনই একজন অভিভাবক হাসান ফরহাদ। তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে আলিজা হাসানকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন উৎসবে। তিনি বলেন, ‘এখন বাচ্চাদের হাতে সব সময় মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইস থাকে। বই পড়ার কথা বললে অনেক সময় আগ্রহ দেখায় না। কিন্তু এমন আয়োজন হলে তারা নিজেরাই বই দেখতে আসে, পছন্দ করে, কিনতে চায়। এটা আমাদের জন্য খুব আনন্দের।’প্রথম শ্রেণি পড়ুয়া অনসূয়া নন্দিনীর পিতা অনুপম শীল বলেন, শুধু পরীক্ষার বই পড়লেই তো হবে না। গল্প, উপন্যাস, বিজ্ঞান, ইতিহাস—বিভিন্ন ধরনের বই পড়লে বাচ্চাদের চিন্তাভাবনার পরিধি বাড়ে। তাই এমন আয়োজন আরও হওয়া দরকার। তারেক আহমেদ নূরী নামের আরেক অভিভাবক মেয়ের জন্য কয়েকটি বই কিনছিলেন। তিনি বলেন, ‘বাচ্চাদের বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করিয়ে দেওয়ার জন্য স্কুলের এমন আয়োজন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে এসে নিজের পছন্দের বই হাতে নেওয়ার মধ্যে আলাদা আনন্দ আছে।’উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেখক ও প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে বই পড়ার আগ্রহ কমে গেছে। এ জন্য শিশু–কিশোরদের দায় করে লাভ নেই। তারা যদি বাসায় মা–বাবাসহ পরিবারের বড়দের বই পড়তে না দেখে, তাহলে এ অভ্যাস হবে না। কেননা, শিশু–কিশোরেরা অনুসরণ করতে পছন্দ করে। তিনি বলেন, আজকের উৎসবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি মন ভালো করে দেওয়ার মতো। একটি বই মানুষের জীবনের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধও পাল্টে দিতে পারে।কবি ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী বলেন, ছোটবেলায় বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হলে সেটি অনেক দূর পর্যন্ত যায়। বই উৎসবের মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের সেই অভ্যাস তৈরিতে উৎসাহিত করে। আজ যে শিক্ষার্থী একটি বই কিনল, হয়তো কাল সে আরও কয়েকটি বই খুঁজবে।সিলভার বেলস কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিভা ইন্দু বলেন, এ ধরনের বই উৎসব আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও প্রচুর উৎসাহ–উদ্দীপনা ছিল। তার প্রমাণ হচ্ছে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। তারা এখানে নিজের পছন্দে বই দেখছে, লেখকদের সঙ্গে কথা বলছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করছে। ফলে বইয়ের সঙ্গে তাদের সম্পর্কটা শুধু পড়াশোনার মধ্যে আটকে থাকছে না। এই উৎসবের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা সহজে পছন্দের বই কিনতে পারবেন। কেননা, দূরত্বের কারণে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বইমেলায় যাওয়া সম্ভব হয় না।বই উৎসবের সহযোগিতায় থাকা উৎসব সুপারমার্কেটের সমন্বয়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, সৃষ্টিশীল, সৃজনশীল ও মননশীল উৎসব আয়োজনে তাঁদের সহযোগিতা রয়েছে। এই বই উৎসব শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাড়া মুগ্ধ করেছে।

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
ক্লাবগুলোর দাবি উপেক্ষা করেই খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত বাফুফের

ক্লাবগুলোর দাবি উপেক্ষা করেই খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত বাফুফের

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পটিয়াকে সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত করা হবে: এনামুল হক

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পটিয়াকে সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত করা হবে: এনামুল হক

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে মালিক-শ্রমিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে মালিক-শ্রমিকসহ সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

0 Comments