জাতীয়

বড় ঋণখেলাপিদের জন্য বড় ছাড়

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বড় ঋণখেলাপিদের জন্য বড় ছাড়
বড় ঋণখেলাপিদের জন্য বড় ছাড়

ঋণখেলাপিদের খুশি করতে এত দিন অনেক ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো। কিন্তু তাদের পাষাণ মন এসবে গলছে না। ছাড়ের দিন শেষ, এবার উপহার দিয়ে তাদের মন জয় করা যায় কি না, সেটাই দেখার পালা। ঋণখেলাপিদের কী কী উপহার দেওয়া যায়, তা নিয়েই ভেবেছে রস+আলো।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সাপের কামড়ের চিকিৎসায় নতুন অ্যান্টিভেনম, হতে পারে যুগান্তকারী
সাপের কামড়ের চিকিৎসায় নতুন অ্যান্টিভেনম, হতে পারে যুগান্তকারী

সাপের বিষে আক্রান্ত মানুষকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের হাতে এত দিন ছিল সীমিত কিছু উপায়। বিষধর সাপের প্রজাতিভেদে বিষের ধরনও আলাদা। তাই একটি অ্যান্টিভেনম দিয়ে সব ধরনের বিষ মোকাবিলা করা কঠিন। এবার সে সমস্যার সমাধানে নতুন আশার কথা জানিয়েছেন ভারত ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীরা। তারা এমন একটি অ্যান্টিভেনম তৈরি করেছেন, যা ভারতের বিভিন্ন প্রজাতির কোবরার বিষের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। গবেষকদের ধারণা, এ চিকিৎসা পদ্ধতি সফল হলে বিশ্বজুড়ে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমানো সম্ভব হবে। গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘সায়েন্স ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন’-এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নতুন অ্যান্টিভেনমটি পাঁচ ধরনের ক্ষুদ্র অ্যান্টিবডি খণ্ড বা ন্যানোবডি দিয়ে তৈরি। পরীক্ষায় চশমা কোবরা, মনোকলড কোবরা ও ভারতের দুই প্রজাতির কিং কোবরার বিষ ঠেকাতে এটি খুবই কার্যকর হয়েছে। শুধু ভারতেই প্রতিবছর সাপের কামড়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়। এ সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। সাপের প্রজাতিভেদে বিষের ধরনও আলাদা। কোনো বিষ স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করে, আবার কোনোটি রক্ত বা শরীরের বিভিন্ন টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই সব ধরনের বিষের বিরুদ্ধে একই অ্যান্টিভেনম তৈরি করা কঠিন। আরও পড়ুন অভিনয় করছে সাপ, চরিত্র পেতে দিতে হলো অডিশনও! হাসপাতালে ব্যবহৃত অ্যান্টিভেনমেরও বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা অ্যান্টিভেনমের কার্যকারিতায় পার্থক্য থাকতে পারে। এছাড়া এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। পাশাপাশি, সব প্রজাতির সাপের বিষের বিরুদ্ধে এটি সমানভাবে কাজও করে না। প্রচলিত পদ্ধতিতে অ্যান্টিভেনম তৈরির জন্য ঘোড়ার মতো প্রাণীকে বারবার বিষ প্রয়োগ করা হয়। এতে প্রাণীর শরীরে বিষের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। পরে, প্রাণীর রক্ত থেকে সেই অ্যান্টিবডি সংগ্রহ করে অ্যান্টিভেনম তৈরি করা হয়। এ পদ্ধতিতে খরচ যেমন বেশি, তেমনি প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডিও তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। তবে, নতুন পদ্ধতিতে অ্যান্টিবডি তৈরির প্রক্রিয়াটি কিছুটা ভিন্ন। গবেষকেরা বিভিন্ন প্রজাতির কোবরার বিষ লামা ও আলপাকার মতো উটজাতীয় প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করেন। এরপর এসব প্রাণীর রক্তে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে দেখা হয়, কোন অ্যান্টিবডি বিষের ক্ষতিকর উপাদান নিষ্ক্রিয় করতে পারে। পরে, সেই অ্যান্টিবডিগুলো শনাক্ত করে পরীক্ষাগারে অণুজীবের মাধ্যমে তৈরি করার সম্ভাবনা দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। আরও পড়ুন সাপের শরীরে কেমোথেরাপি, ক্যানসারের চিকিৎসায় নতুন ইতিহাস এভাবে পাওয়া অ্যান্টিবডিগুলো থেকে গবেষকেরা পাঁচটি ন্যানোবডি বেছে নেন। পরে, এগুলো মিলিয়ে তৈরি করেন অ্যান্টিবডির একটি মিশ্রণ বা ককটেল। এ অ্যান্টিবডিগুলো কোবরার বিষের ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিষকে শরীরের নির্দিষ্ট কোষ বা টিস্যুতে পৌঁছাতে বাধা দেয়। পরীক্ষায় এ অ্যান্টিবডি ককটেল বিষের কার্যকারিতা ঠেকাতে সফল হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে বিষ প্রয়োগের ৩০ মিনিট পরও এটি ইঁদুরকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে। এমনকি বিষের কারণে যেসব ইঁদুর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল বা স্নায়ুতন্ত্রে বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছিল, তারাও পরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। তাদের শরীরে বিষক্রিয়ার কোনো উপসর্গও দেখা যায়নি। আরও পড়ুন সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শনীতে কর্মকর্তার মৃত্যু গবেষণার অন্যতম লেখক কার্তিক সুনাগর বলেছেন, অ্যান্টিভেনম চিকিৎসায় প্রায় ১০০ বছর ধরে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। নতুন এ পদ্ধতি ভারতের সাপের কামড়ের সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তিনি। অন্যদিকে, ডেনমার্কের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ও গবেষণার আরেক লেখক আন্দ্রেয়াস লাউটসেন বলেছেন, এ গবেষণা নতুন ধরনের অ্যান্টিভেনম তৈরির একটি পথ দেখিয়েছে। স্থানীয় সাপের বিষে যেসব উপাদান মানুষের শরীরে বেশি ক্ষতি করে, সেগুলো লক্ষ্য করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য আলাদা অ্যান্টিভেনম তৈরি করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। পাশাপাশি, নতুন অ্যান্টিবডিতে আরও উপাদান যুক্ত করে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষধর সাপের বিরুদ্ধেও এর কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, মানুষের চিকিৎসায় এটি ব্যবহারের আগে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করছেন গবেষকেরা। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এমডিআরএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
রাজশাহীতে তাজা লাইভ বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

রাজশাহীতে তাজা লাইভ বেকারিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

দেশের সব ক্রীড়া ফেডারেশনকে সিড মানি দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

দেশের সব ক্রীড়া ফেডারেশনকে সিড মানি দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর নয়, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সমমর্যাদার সম্পর্ক চাই: স্পিকার

ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর নয়, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সমমর্যাদার সম্পর্ক চাই: স্পিকার

টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুড়ে আসামি ছিনিয়ে নিল মাদক কারবারিরা
টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুড়ে আসামি ছিনিয়ে নিল মাদক কারবারিরা

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এ সময় রেললাইন থেকে পাথর তুলে পুলিশ সদস্যদের দিকে ছুড়ে মারা হয়। এতে এক কনস্টেবল আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনিয়ে নেওয়া আসামির নাম রাহুল মিয়া (৩০)। তিনি টঙ্গীর কেরানীরটেক এলাকার বাসিন্দা। হামলায় আহত পুলিশের কনস্টেবল মো. মাসুদ টঙ্গী পূর্ব থানায় কর্মরত।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানার একদল পুলিশ কেরানীরটেক বস্তিতে অভিযান চালায়। সেখানে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন হয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।পথে একদল মাদক কারবারি পুলিশের গতি রোধ করে। তারা রেললাইন থেকে পাথর কুড়িয়ে পুলিশের সদস্যদের লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকে। একপর্যায়ে পাথরের আঘাতে কনস্টেবল মাসুদ আহত হন। এ সময় পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ রাহুলকে ছিনিয়ে নিয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।পুলিশ জানায়, পরে স্টেশন এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় হাতকড়াটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার রাতেই বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সোমবার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত রাহুলকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকছুদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, আসামি ও পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
দলের সাপোর্ট করতে গিয়ে দলকানা হয়ে যাবেন না: বাঁধন

দলের সাপোর্ট করতে গিয়ে দলকানা হয়ে যাবেন না: বাঁধন

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন জামায়াতের দেলাওয়ার, বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে শুক্রবার

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন জামায়াতের দেলাওয়ার, বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হবে শুক্রবার

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ৭ ধাপে, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ৭ ধাপে, ভোট শুরু ১২ নভেম্বর

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ২ মামলা হচ্ছে
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ২ মামলা হচ্ছে

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক ও তার ছেলে জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। অনুমোদিত মামলার এজাহারে বলা হয়, রুহুল হকের নামে ৩৯ কোটি ৩০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৪৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৮ কোটি ৪৭ লাখ ২৯ হাজার ৮৬২ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩০ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৩ টাকা। এছাড়া তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় পাওয়া গেছে ৫ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ১১২ টাকা। সব মিলিয়ে রুহুল হকের নিট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৫ কোটি ৩ লাখ ২৫ হাজার ৭৫৭ টাকা। এর বিপরীতে তার নামে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ২৫ কোটি ৮৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩৭ টাকা। অর্থাৎ তার নামে ১৯ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ২০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক। সেই সঙ্গে দুদক জানায়, রুহুল হকের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত ৩৯টি হিসাবে ৬৪ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৯ টাকা জমা এবং ৫১ কোটি ৪৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৮০ টাকা উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে মোট ১১৬ কোটি ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৯ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। বর্তমানে হিসাবগুলোতে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬১ হাজার ৯৯ টাকা স্থিতি রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, এসব অর্থের বৈধ উৎসের তথ্য পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বারবার অর্থ জমা ও উত্তোলনের মাধ্যমে লেনদেনের স্তর তৈরি করে অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও পড়ুন ‘আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক’ এ ঘটনায় রুহুল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে, জিয়াউল হকের নামে ১৯ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৪৩ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা এবং অস্থাবর সম্পদ ১৭ কোটি ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৩৯৩ টাকা। তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় পাওয়া গেছে ৫ কোটি ৪২ লাখ ৪৯ হাজার ৬১৫ টাকা। এছাড়া দুদক জানায়, ব্যয়সহ জিয়াউল হকের নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার ৪৫৮ টাকা। তার নামে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১৬ কোটি ৬৩ লাখ ৫ হাজার ৬৩৮ টাকা। এতে ৮ কোটি ৫২ লাখ ৮৪ হাজার ৮২০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক। জিয়াউল হকের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত ১৫টি হিসাবে ১৭ কোটি ৮৭ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৭ টাকা জমা এবং ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ১ হাজার ৪৭৬ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসব হিসাবে মোট ৩৩ কোটি ৮৪ লাখ ৩৫ হাজার ৩১৩ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে এসব হিসাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ৩২ হাজার ৩৬১ টাকা স্থিতি রয়েছে। দুদকের অভিযোগ, জিয়াউল হকও অর্থের বৈধ উৎসের তথ্য দিতে পারেননি। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা ও উত্তোলনের মাধ্যমে লেনদেনের স্তর তৈরি করে অর্থের উৎস গোপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক। এসএম/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গ্রেফতার

ভারতে নতুন দেওয়ানি আইন চালুর ঘোষণা বিজেপির, মুসলিমদের উদ্বেগ

ভারতে নতুন দেওয়ানি আইন চালুর ঘোষণা বিজেপির, মুসলিমদের উদ্বেগ

চট্টগ্রামে যুবদল কর্মী করিম খুনে চারজন গ্রেপ্তার, হত্যার যে কারণ জানাল পুলিশ

চট্টগ্রামে যুবদল কর্মী করিম খুনে চারজন গ্রেপ্তার, হত্যার যে কারণ জানাল পুলিশ

0 Comments