জাতীয়

বিদ্যুৎ না থাকায় টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ না থাকায় টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার
বিদ্যুৎ না থাকায় টর্চের আলোয় অস্ত্রোপচার

ভারতের বিহার রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থার চরম বেহাল এক চিত্র সামনে এসেছে। টানা ৪৫ মিনিট বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় টর্চ ও মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে দুই প্রসূতির জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের জামুই সদর হাসপাতালে। শুক্রবারের (১০ সেপ্টেম্বরের) এই ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও কর্তৃপক্ষের চরম অব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রসূতিদের নাম পূজা কুমারী ও অঞ্জনি কুমারী। প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে দুজনকেই সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।

চিকিৎসকরা জানান, অপারেশন থিয়েটারে তাদের অস্ত্রোপচারের প্রক্রিয়াটি যখন পুরোদমে চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিকভাবে পুরো হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে হাসপাতালের জেনারেটর চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জেনারেটরটিও তাৎক্ষণিকভাবে সচল হতে ব্যর্থ হয়, যার ফলে ঘোর অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো অপারেশন থিয়েটার।

অস্ত্রোপচার মাঝপথে বন্ধ রাখা প্রসূতিদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে- এই আশঙ্কায় আর বিলম্ব করেনি দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক দল। তারা অবিলম্বে নিজেদের হাতের কাছে থাকা টর্চলাইট ও উপস্থিত কর্মীদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে আলো তৈরি করেন।

চিকিৎসক ড. শালিনী কুমারী, ড. রঘুনন্দন ও ওটি সহকারী অমিত কুমারের সমন্বয়ে গঠিত দলটি মোবাইল ও টর্চের সেই সীমিত আলোতেই অস্ত্রোপচারের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জটিল প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

সংকটাপন্ন অবস্থায় অস্ত্রোপচার শেষ করার পরপরই তারা বিষয়টি হাসপাতালের সিভিল সার্জন ও সুপারিনটেনডেন্টকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করেন।

এরই মধ্যে এ ঘটনার একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ও চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পুরো অপারেশন থিয়েটার অন্ধকারে ডুবে আছে ও কেবল একটি মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইটের ওপর ভরসা করে অপারেশন পরিচালনা করা হচ্ছে।

ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তিকে ক্ষোভের সঙ্গে বলতে শোনা যায় যে, অপারেশন থিয়েটারে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো আলো ছিল না। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বারবার এই বিষয়ে অভিযোগ জানানো ও সমস্যার কথা তুলে ধরা সত্ত্বেও কেউ কোনো সমাধান করেননি।

ভিডিওটির একপর্যায়ে দেখা যায়, একজন নার্স তার মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইটটি সোজা অস্ত্রোপচার স্থানে নির্দেশ করে ধরে আছেন, যাতে চিকিৎসকরা অন্ধকারে কাটাছেঁড়ার কাজটি সূক্ষ্মভাবে করতে পারেন।

অস্ত্রোপচার শেষ হওয়ার পর হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি অভ্যন্তরীণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। চিকিৎসকরা অভিযোগ তোলেন, এই ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অন্ধকারের মধ্যে চিকিৎসা চালানোর ঘটনা এই হাসপাতালে এবারই প্রথম নয়।

তাদের দাবি, এর আগেও একাধিকবার আকস্মিক বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর বাধ্য হয়ে চিকিৎসকদের মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে নানা জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে হয়েছে।

চিকিৎসকদের এই বিস্ফোরক দাবি সত্ত্বেও হাসপাতালের ম্যানেজার রমেশ পান্ডে সম্পূর্ণ বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের কোনো ঘটনা হাসপাতালে কখনোই ঘটেনি ও অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন।

তবে ঘটনার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জামুই সদর হাসপাতালের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট ড. থানেশ কুমার জানিয়েছেন, প্রশাসন পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে ও বিস্তারিত তথ্যা সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, পুরো ঘটনার পেছনের দায়বদ্ধতা ও গাফিলতি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

এসএএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
রাজবাড়ীতে তিন দিনব্যাপী নৌকাবাইচ, পদ্মাপাড়ে উৎসবের আমেজ
রাজবাড়ীতে তিন দিনব্যাপী নৌকাবাইচ, পদ্মাপাড়ে উৎসবের আমেজ

রাজবাড়ীর কালুখালীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রতনদিয়া ইউনিয়নের মহেন্দ্রপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বড় আকৃতির ৮টি নৌকা অংশ নিয়েছে। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে পদ্মাপাড়ে। মুখরোচক খাবারসহ হরেক পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছে গ্রামীণ মেলা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। এ সময় দর্শনার্থীদের কেউ নৌকায়, কেউ নদীর তীরে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন এ প্রতিযোগিতা। আয়োজকরা জানান, এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বড় আকৃতির মোট ৮টি নৌকা অংশ নিয়েছে। প্রথম দিনের প্রতিযোগিতায় চারটি বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিযোগিতা শেষ হবে। উদ্বোধনী বাইচে উলাট একতা এক্সপ্রেসকে হারিয়ে জয় পেয়েছে ‘নিউ শাপলা’ নৌকা। দ্বিতীয় বাইচে চর গোবিন্দপুরের নৌকাকে হারিয়ে জয় পেয়েছে ‘নিউজ জনতার সংগ্রাম’ এবং তৃতীয় বাইচে দুলদুল এক্সপ্রেসকে হারিয়ে জয় পায় খয়রানা একতা চ্যালেঞ্জার। শেষ বাইচে কুষ্টিয়ার লালনকে হারিয়ে জয় পায় পাবনার সুজানগরের রায় শিমুল একতা এক্সপ্রেস। নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা একটি নৌকা/ ছবি- জাগো নিউজ কালুখালী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তোতা বলেন, নৌকাবাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি গ্রামবাংলার আবহমান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হারিয়ে যেতে বসা এ ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে। উদ্বোধনী বাইচে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রকিবুল হাসান রুমা, সাবেক আহ্বায়ক কে. এম. আইনুল হাবীব, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মনজুর হোসেন মঞ্জু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, কালুখালী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তোতা, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. জামাল খান প্রমুখ। রুবেলুর রহমান/এসজেডএইচ/এএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
হালান্ডের গোল বাতিল করে দেওয়া উচিত ছিল, একদিন পর ক্ষমা চাইল রেফারিরা

হালান্ডের গোল বাতিল করে দেওয়া উচিত ছিল, একদিন পর ক্ষমা চাইল রেফারিরা

দ্বিতীয় বিয়ে করলেন ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী

দ্বিতীয় বিয়ে করলেন ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী

সন্ধ্যার আকাশে চাঁদ ও শুক্র

সন্ধ্যার আকাশে চাঁদ ও শুক্র

হাটহাজারীতে অভিযান, আড়াই কোটি টাকার সরকারি জমি পুনরুদ্ধার
হাটহাজারীতে অভিযান, আড়াই কোটি টাকার সরকারি জমি পুনরুদ্ধার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ধলই ইউনিয়নের পশ্চিম ধলই এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহেদ আরমান। অভিযানকালে পশ্চিম ধলইয়ের মনিয়া পুকুরপাড় সংলগ্ন হাটহাজারী-নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালিকানাধীন প্রায় ২০ শতক জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার করা এসব সরকারি জমির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। এদিকে, সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমআরএএইচ/এমকেআর

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
কীটনাশক কোম্পানির ‘ইচ্ছামতো’ দামে দিশাহারা কৃষক

কীটনাশক কোম্পানির ‘ইচ্ছামতো’ দামে দিশাহারা কৃষক

কর্মস্থলে নেই ১৪ মাস, কর পরিদর্শক সোহেলাকে চাকরি থেকে অপসারণ

কর্মস্থলে নেই ১৪ মাস, কর পরিদর্শক সোহেলাকে চাকরি থেকে অপসারণ

দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএনপির মতবিনিময় সভায় হাতাহাতি, আহত ৫

দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএনপির মতবিনিময় সভায় হাতাহাতি, আহত ৫

পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিলো বিজেপি সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিলো বিজেপি সরকার

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন বিজেপির সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সরকারিভাবে অনুমোদিত ও অনুমোদনহীন মাদ্রাসার কার্যপদ্ধতি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। সেই কমিটির তদন্তের পর প্রথম পর্যায়ে ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি ১০০টিরও বেশি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না মিললে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে, যেসব মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় সরকারি বা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছিল, সেসব মাদ্রাসায় নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজ্যের ২২ জেলা ও কলকাতার মাদ্রাসাগুলোর তথ্য সংগ্ৰহ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন, পরিচালন ব্যবস্থা, শিক্ষার্থী সংখ্যা, তাদের পরিচয়, শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা, অর্থের উৎস- সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  প্রসাশন সূত্রে জানা গেছে, যেসব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষের অভাব, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা কম, রাজ্যের নির্ধারিত স্কুলের পাঠ্যক্রম থেকে বড় ধরনের বিচ্যুতি ও প্রশাসনের নিয়ম না মানার অভিযোগ পাওয়া গেছে- এমন একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৪৫টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে। এরপর রয়েছে দিনাজপুর, সেখানে প্রায় ৩৭টি মাদ্রাসায় নোটিশ পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার।  দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে ৩২টি এবং নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে ২৫টি করে মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ দেওয়ার পর অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা সাজিদ রশিদি জানিয়েছেন, সরকারের অধীনে থাকা মাদ্রাসা বন্ধ করলে তাতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু আমাদের পরিচালিত, সরকারের নিয়ন্ত্রণে বাইরে থাকা আড়াই শতাংশ মাদ্রাসা বন্ধ করে দেখান। মাওলানা সাজিদ রশিদির মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সাজিদ রশিদি কে? আমাদের লড়াই কোনো মাদ্রাসার বিরুদ্ধে নয়। মাদ্রাসার নামে যে ‘ভারতবিরোধী’ কাজ হচ্ছে, আমরা তার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রামউন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, মাদ্রাসা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। এর আগে বহু সন্ত্রাসী ধরা পড়েছে, যারা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন ও দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, বহুবার বহু মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। যারা বিধিবদ্ধভাবে রেজিস্ট্রেশন করা সরকারের নিয়ম-নীতি মেনে চালাচ্ছেন, তাদের মাদ্রাসা চলবে। যেখানে-সেখানে মাদ্রাসা খুলে উৎপাত করার অনুমতি সরকার দেবে না, আর সেই কাজ শুরু হয়েছে। মাদ্রাসা বন্ধের বিষয়ে রাজ্যের কেবিনেট মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, বিগত দিনে দেখেছি, ভোট ব্যাংকের জন্য এসব মাদ্রাসা ব্যাবহার করা হয়েছে। খারিজি মাদ্রাসায় ভারত বিরোধী কার্যকলাপ হয়েছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান- সব পরিবারের বাচ্চারা আমাদের সন্তান। কেন হবে এসব? আমরা ভারতবর্ষকে টুকরো টুকরো করতে দেবো না। তথ্য বলছে, এই সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২ হাজার ১৩২টি মাদ্রাসা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে চলছে। অন্যদিকে, সরকারি রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই চলছে ২৩৯৬টি মাদ্রাসা। ডিডি/এসএএইচ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
স্মার্ট ক্যাম্পাসের পথে ইউএপি, চালু হলো ‘ওয়ানকার্ড’

স্মার্ট ক্যাম্পাসের পথে ইউএপি, চালু হলো ‘ওয়ানকার্ড’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মঙ্গলবার ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মঙ্গলবার ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে লাল কার্ড, এমবাপ্পের প্রত্যাবর্তন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে লাল কার্ড, এমবাপ্পের প্রত্যাবর্তন

0 Comments