জাতীয়

বিদ্যুৎ খরচ ২৫ টাকা, বাইক চলবে ৮০ কিলোমিটার

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ খরচ ২৫ টাকা, বাইক চলবে ৮০ কিলোমিটার
বিদ্যুৎ খরচ ২৫ টাকা, বাইক চলবে ৮০ কিলোমিটার

রাজধানীর ইনোভেশন ফেয়ারে নজর কেড়েছে সৌরবিদ্যুৎচালিত ‘সানকার’সহ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নানা পরিবেশবান্ধব ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন। দেখা গেছে সবজির চারার রোগ নির্ণয় করার যন্ত্র এগ্রো-বট। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
বাসচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত, জনতার সড়ক অবরোধ
বাসচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত, জনতার সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দূরপাল্লার একটি বাসের চাপায় ঈশা দাশ (১০) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মিঠাদিঘি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ঈশা দাশ সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দাশপাড়া এলাকার সুনিল কান্তি দাশের মেয়ে। সে ছদাহা কেয়াফাত উল্লাহ কবির আহমদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে দূরপাল্লার একটি বাস ঈশা দাশকে চাপা দেয়। এতে গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে কেরানিহাটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এদিকে, স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বাসচাপায় স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় বাসচালককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এমআরএএইচ/এএমএ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে পরিবহন শ্রমিকদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের দাবি হেফাজতের

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনের দাবি হেফাজতের

একজন বেশি নিয়েও পারলো না ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটির জয়

একজন বেশি নিয়েও পারলো না ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার ডার্বিতে সিটির জয়

মুখোমুখি লড়াইয়ে
হুতি ও সরকারি বাহিনী,
সৌদিতেও হামলা
মুখোমুখি লড়াইয়ে হুতি ও সরকারি বাহিনী, সৌদিতেও হামলা

লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখা পতনের পর দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ শহরের কাছে কাধা এলাকায় দুই পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষ চলছে। হুতিরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর মারিবের দিকে অগ্রসর হলে সেখানেও তারা সরকারি বাহিনীর প্রতিরোধের মুখে পড়েছে। শহরটি হুতিদের দখলে গেলে দেশটির উত্তরাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর অবস্থান আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবেও হামলা জোরদার করেছে। রোববার তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীটি বলছে, গত শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি বাহিনী ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তাইজ ও মারিবের কাছেও তাদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।রোববার হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরান জানিয়েছে, হরমুজের অদূরে কাসেম দ্বীপের কাছে তাদের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এতে একজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে চারজন।এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিসহ মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য সোমবার ওমানে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান। অবশ্য বাহরাইন জানিয়েছে, তারা এ বৈঠকে অংশ নেবে না।আয়ারল্যান্ডের ডুনবেগে নিজের গলফ রিসোর্টে রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হরমুজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইরানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলো বৈঠক করলে তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। এটি তাদের বিষয়।জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, জুলাই থেকে ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে প্রায় ৭৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, চলতি সপ্তাহে দুই হাজারের বেশি মানুষ লোহিত সাগরের পশ্চিম তীরে আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।তাইজ ও মারিবে তীব্র লড়াইতাইজ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে মাকবানাহ জেলার কাধা এলাকায় হুতি ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আল–জাজিরার প্রতিবেদক ইউসুফ মাওরি জানান, বৃহস্পতিবার মোখা শহরের পতনের পর এটিই দুই পক্ষের প্রথম সরাসরি সংঘর্ষ। সরকারি বাহিনী সেখানে বিমান হামলাও চালাচ্ছে। দুই পক্ষই সেখানে অতিরিক্ত সেনা পাঠাচ্ছে।উত্তরাঞ্চলের মারিবের পশ্চিমে আল-মাশজাহ ও আল-জোর এলাকায় হুতিদের বড় ধরনের একটি হামলা সরকারি বাহিনী ঠেকিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মাস ক্যাম্পের কাছেও সংঘর্ষ চলছে। সেখানে ব্যাপক গোলাগুলির পাশাপাশি হুতিদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে।ইয়েমেন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বড় তেল ও গ্যাসকেন্দ্র রয়েছে মারিবে। শহরটিতে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। এটি উত্তরাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর প্রধান সরবরাহ ঘাঁটি। আল–জাজিরার প্রতিবেদক ইউসুফ মাওরির ভাষায়, যে পক্ষ এটি নিয়ন্ত্রণ করবে, ইয়েমেনের রাজস্বের প্রবাহ তার হাতে থাকবে।ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় ২০১৪ সালে। ওই বছর হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে এবং দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায়। ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি জোট ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে। তবে ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। তবে সংঘাত নতুন করে তীব্রতর হওয়ায় গৃহযুদ্ধ আবার ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, জুলাই থেকে ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে প্রায় ৭৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, চলতি সপ্তাহে দুই হাজারের বেশি মানুষ লোহিত সাগরের পশ্চিম তীরে আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছে।‘হুতিদের মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে’মোখা ও পশ্চিম উপকূলে হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সরকারি বাহিনী বিমান হামলা চালাচ্ছে। সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি বলেছেন, মোখা-ধুবাব সড়কে হুতিদের যানবাহন ও যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাইজ অঞ্চলেও হুতিদের অবস্থান ও ব্যারাকে তিনটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।সরকারি বাহিনীর একটি অংশ লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূল থেকে সরে গিয়ে মারিবে পুনর্গঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য ও মারিবের গভর্নর সুলতান আল-আরাদা। তিনি মোখা ও পশ্চিম উপকূলে সরকারি বাহিনীর পরাজয়কে ‘দুঃখজনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।ইয়েমেনের সরকারপন্থী ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স জানিয়েছে, গত ৯ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম উপকূলে হুতিদের সঙ্গে লড়াইয়ে তাদের পাঁচ শতাধিক সেনা নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার। বাহিনীটির দাবি, একই সময়ে হুতিদের হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি।হুতিদের দ্রুত অগ্রযাত্রার পেছনে সরকারপন্থী বাহিনীর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও বিভক্তি ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন মোহাম্মদ আল-বাশা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান বাশা রিপোর্ট রিস্ক অ্যাডভাইজরির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বিশ্লেষক আল–বাশা আল–জাজিরাকে বলেন, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও বিভাজনের কারণে হুতিদের মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।এক দেশ, বহু শক্তির লড়াই: ইয়েমেন কীভাবে বারবার যুদ্ধের আগুনে পুড়ছেসৌদি আরব ও ইয়েমেন সীমান্তের আল-ওয়াদিয়াহ সীমান্তচৌকির কাছে হামলায় ট্রাকে আগুন ধরে গেলে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়। ৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ভিডিও থেকে নেওয়া স্থিরছবিসৌদিতে হামলা, বাড়ছে উদ্বেগহুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরবও বিমান হামলা চালাচ্ছে। হুতিদের দাবি, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪৮ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রণে যাওয়া এলাকায় সৌদি বাহিনী ১২৯টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তাইজ ও মারিবের কাছেও হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।শনিবার সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, ইয়েমেন সীমান্তের কাছে জাজান প্রদেশের আল-তুওয়াল এলাকায় একটি হামলা হয়েছে। এতে কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ এ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে।হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, তাঁরা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘাঁটির অস্ত্রের গুদাম, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ অবশ্য এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী কারা, কীভাবে উত্থানএরই মধ্যে হুতিদের ড্রোন হামলার জেরে সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, লোহিত সাগর উপকূলে সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুতে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের চাহিদা মেটানোর মতো তেল মজুত আছে। তবে মিসরেও সৌদি আরবের কিছু পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে।কয়েক দিনের মধ্যে ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন চালু করা না গেলে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি থেকে দৈনিক প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল কমার ঝুঁকি রয়েছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সৌদি আরবের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের, বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষতি

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
দুরন্ত ইয়ামালে দুর্দান্ত বার্সা, টানা ৫ ম্যাচে জয়

দুরন্ত ইয়ামালে দুর্দান্ত বার্সা, টানা ৫ ম্যাচে জয়

১৩৪ কোটি রুপি আয় করা এই মালয়ালাম সিনেমাটি দেখেছেন?

১৩৪ কোটি রুপি আয় করা এই মালয়ালাম সিনেমাটি দেখেছেন?

বিদ্যুৎ খরচ ২৫ টাকা, বাইক চলবে ৮০ কিলোমিটার

বিদ্যুৎ খরচ ২৫ টাকা, বাইক চলবে ৮০ কিলোমিটার

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে দুই নারীর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৭
চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে দুই নারীর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৭

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মৃত দুই নারী হলেন- অর্পিতা (২৬) ও শামসুন নাহার খানম (৫০)। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুজনই ডেঙ্গুর মারাত্মক জটিলতা ‘এক্সপ্যান্ডেড ডেঙ্গু সিন্ড্রোমে’ আক্রান্ত ছিলেন। অর্পিতা চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। অন্যদিকে, শামসুন নাহার খানম আগ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ সেপ্টেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার মৃত্যু হয়। এর আগে অন্য একটি হাসপাতালে তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছিল। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৭ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৭৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৮৩ জনে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২ হাজার ৪৫৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৪২৬ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদিকে, চলতি বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ১২ জনের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালে আটজন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন এবং ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। এমআরএএইচ/এএমএ

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
সমন্বিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি চায় ব্রিকস

সমন্বিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি চায় ব্রিকস

ফিল ফোডেনের লাল কার্ড: আসলে দোষী কে, কী বললেন বিশ্লেষকেরা

ফিল ফোডেনের লাল কার্ড: আসলে দোষী কে, কী বললেন বিশ্লেষকেরা

দিল্লিতে অভিষেক ঝড়, আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিলো ভারত

দিল্লিতে অভিষেক ঝড়, আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিলো ভারত

0 Comments