জাতীয়

বাঁধনের ওপর হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ফারুকীর, তুললেন অনেক প্রশ্ন

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
বাঁধনের ওপর হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ফারুকীর, তুললেন অনেক প্রশ্ন
বাঁধনের ওপর হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ফারুকীর, তুললেন অনেক প্রশ্ন

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এবার এ ঘটনায় দীর্ঘ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের জায়গা করে দেওয়া এবং এ বিষয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন।

ফারুকীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের ‘সফট পাওয়ার’কে বিভিন্নভাবে জায়গা করে দেওয়ার কারণেই দেশে-বিদেশে জুলাই সমর্থকদের সঙ্গে এমন আচরণ করার সাহস তৈরি হচ্ছে।

তিনি লেখেন, আওয়ামী লীগ ‘অনুশোচনায় না ভুগে’ দেশে-বিদেশে যে আচরণ করছে, এর দায় তাদেরও রয়েছে, যারা জুলাই গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসনের পক্ষে গণমাধ্যমে অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুন

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতারের পর নতুন কী ঘটছে?

এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষকে একই পাল্লায় তুলে দেখানোর সমালোচনা করেন ফারুকী। তার দাবি, জুলাই গণহত্যার ‘সম্মতি উৎপাদনকারী’ ও সমর্থকদের গণমাধ্যমে জায়গা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের বক্তব্য প্রচারের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

ফারুকী আরও লেখেন, জুলাইয়ের পক্ষের শক্তির মধ্যেও এ দায় রয়েছে। নিজেদের ক্ষমতার লড়াইয়ে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকে এমন ব্যক্তিদের উসকে দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই নির্মাতা। তার ভাষায়, অন্তর্বর্তী ও বিএনপি সরকারের দায়িত্ব ছিল বুদ্ধিবৃত্তিক অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার বা তিরস্কারের আওতায় আনা। সেটি করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফারুকীর মতে, ফ্যাসিবাদের শক্তির অন্যতম জায়গা হলো ‘সম্মতি উৎপাদনকারী’রা। তাদের জবাবদিহির আওতায় না আনলে তারা দেশে বসে বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে বিদেশে থাকা আওয়ামী লীগের সমর্থকদেরও উৎসাহ জোগাতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন

সালমান শাহর সঙ্গে কেমন সম্পর্ক ছিল, জানালেন শাবনূর

ফারুকীর পোস্টে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা এসেছে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়ে। তার অভিযোগ, বিএনপি সরকারের একটি অংশ গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনকে আওয়ামী লীগ ও সিআরআইয়ের প্রভাবের মধ্যে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি সরকার যদি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কথা বলে, তাহলে দেশের গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের নীতিনির্ধারণে আওয়ামী লীগ ও সিআরআইয়ের প্রভাব থাকবে কেন?

এ বিষয়ে সরকারের ভেতরে কারা ‘ফ্যাসিবাদের সফট পাওয়ারকে’ জায়গা দিচ্ছে এবং কারা তাদের ক্ষমতায়িত করছে, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কী ধরনের আলোচনা ও পরিকল্পনা হয়, সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেসব সম্পর্কে অবগত কি না-সেই প্রশ্নও তোলেন ফারুকী।

তার দাবি, এসব জায়গায় নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনা পরবর্তী সময়ে কীভাবে গণমাধ্যমে প্রচার বা ‘প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে আসে, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে সাধারণ সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে তুলনা না করার আহ্বান জানান ফারুকী। তার মতে, জুলাইয়ের ঘটনাকে ওয়ান-ইলেভেনের মতো কেবল সরকার পরিবর্তন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তিনি দাবি করেন, জুলাইয়ে গণহত্যা হয়েছে এবং তার আগে দীর্ঘ সময় ধরে দেশে গুম-খুনসহ নানা ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন।

ফারুকী বলেন, যারা জুলাইয়ের ঘটনাকে সাধারণ রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন, তারা আন্দোলনের সময়কার প্রাণহানি ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করছেন।

সরকারপ্রধানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফারুকী বলেন, তিনি প্রতিহিংসার আশ্রয় নেওয়ার কথা বলছেন না। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং ‘ইন্টেলেকচুয়াল অপরাধের’ জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা রাখার কথা বলছেন।

তার মতে, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাদের ক্ষমতায়িত বা সেলিব্রেট না করাও গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘ পোস্টের একেবারে শেষে ইতালিতে হামলা ও হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের প্রতি সংহতি জানান মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে দেশের বিনোদন অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। এবার ফারুকীর এই দীর্ঘ প্রতিক্রিয়ায় ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এমএমএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জানালো এনপিএ
মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি, জানালো এনপিএ

নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনপিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসুর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় নিবিড় পর্যবেক্ষণের স্বার্থে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এনপিএ জানায়, মেঘমল্লার বসুর সিটি স্ক্যানসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ল্যাব পরীক্ষার ফলাফল আশাব্যঞ্জক। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চলছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। আরও পড়ুন মেঘমল্লার বসু লাইফ সাপোর্টে হাসপাতাল সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট থেকে অসুস্থ অবস্থায় মেঘমল্লার বসুকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তার পাকস্থলী ওয়াশ করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। মেঘমল্লার বসু সোমবার রাতে ফেসবুক একটি পোস্ট দেন। সেখানে ব্যক্তিগত হতাশা, অপরাধবোধ, পারিবারিক বিষয় ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে সাবেক প্রেমিকাকে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী না করতে এবং মা ও পরিবারের প্রতি খেয়াল রাখার জন্য বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের অনুরোধ জানান। এই পোস্ট দেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা তার সন্ধান শুরু করেন। পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেট থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আরটি/একিউএফ 

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২

মেঘনার তীরে মোবাইলে গেম খেলছিলেন ৫ যুবক, হঠাৎ বাঁধ ধসে নিখোঁজ ২

দক্ষিণখানে চাঁদা না দেওয়ায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, বিদেশি পিস্তল জব্দ

দক্ষিণখানে চাঁদা না দেওয়ায় গুলির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, বিদেশি পিস্তল জব্দ

খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

খুলনায় ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, দুর্বৃত্তরা আসে ২ মোটরসাইকেলে করে

গেন্ডারিয়ায় ৩ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার ৫
গেন্ডারিয়ায় ৩ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার ৫

রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতারকালে তাদের কাছ থেকে পুলিশের লুণ্ঠিত গোলাবারুদসহ দুটি বিদেশি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান। আরও পড়ুন মিরপুরের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ১৩৯ এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ৩০ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বামীবাগের মুন্সিরটেক এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতরা হলেন- হোটেল কর্মচারী মো. সিয়াম (২২), চা দোকানদার আলমগীর হোসেন (৩২) ও গৃহিণী আশা আক্তার (২৮)। কেআর/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মেঘনার তীরে গোঙানির শব্দ, টর্চ জ্বালিয়ে মিললো হাত-মুখ বাঁধা যুবক

মেঘনার তীরে গোঙানির শব্দ, টর্চ জ্বালিয়ে মিললো হাত-মুখ বাঁধা যুবক

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

সেনাবাহিনীর অনুশীলনে হতাহতের ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের শোক
সেনাবাহিনীর অনুশীলনে হতাহতের ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের শোক

চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত ও এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে এক বিবৃতিতে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও নিহতদের সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। আতাউর রহমান বলেন, দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রস্তুতিকালে তারা মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মৃত্যু গৌরবের ও সম্মানের। আরও পড়ুন ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত তিনি বলেন, ফায়ারিং অনুশীলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রশিক্ষণে দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও ব্যবস্থাপনার প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আস্থা রয়েছে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা শনাক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, অনুশীলনে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত এবং এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। এমইউ/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মদিনাবাসীকে মহানবী (সা.) প্রথম যে বার্তা দেন

মদিনাবাসীকে মহানবী (সা.) প্রথম যে বার্তা দেন

হতাশা ভুলে লিভারপুলের নায়ক ম্যাক অ্যালিস্টার, ২৯ পাসের গোলে আর্সেনালের জয়

হতাশা ভুলে লিভারপুলের নায়ক ম্যাক অ্যালিস্টার, ২৯ পাসের গোলে আর্সেনালের জয়

মেহেদি অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে বৃদ্ধা নিহত

মেহেদি অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে বৃদ্ধা নিহত

0 Comments