জাতীয়

৮ কেজির কালো পোয়া মাছ বিক্রি হলো ৪০ হাজার টাকায়

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
৮ কেজির কালো পোয়া মাছ বিক্রি হলো ৪০ হাজার টাকায়
৮ কেজির কালো পোয়া মাছ বিক্রি হলো ৪০ হাজার টাকায়

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে আট কেজি ওজনের একটি কালো পোয়া মাছ। স্থানীয়ভাবে মাছটি ‘কালো দাতিনা’ নামে পরিচিত। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে এফবি মিম ট্রলারের জেলে সিদ্দিকুর রহমান বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলেন। জালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে কালো পোয়া মাছটিও ধরা পড়ে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাছটি কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর মৎস্যবন্দরের মেসার্স সাগর ফিস আড়তে আনা হয়। সেখানে খোলাবাজারে ডাকের মাধ্যমে প্রতি কেজি পাঁচ হাজার টাকা দরে মাছটি ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

মাছটির ক্রেতা আলীপুর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী পি এস মুসা বলেন, মাছটি তিনি আরও বেশি দামে বিক্রি করতে চান। এর আগে গত বুধবার সাড়ে চার কেজি ওজনের একটি কালো পোয়া মাছ তিনি ৭২ হাজার টাকায় কিনেছিলেন বলে জানান।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিকস বিভাগের অধ্যাপক রাজীব সরকার বলেন, কালো পোয়া মাছ সর্বোচ্চ ৯০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। তবে এই মাছ বাংলাদেশের উপকূলে সাধারণত ৩৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি আকারের বেশি পাওয়া যায়। ছোট কাঁকড়া, চিংড়ি, মাছ, শামুক-ঝিনুক ও পানির তলদেশের বিভিন্ন সামুদ্রিক কৃমি এদের প্রধান খাবার। শক্ত চোয়ালের কারণে খোলসযুক্ত কাঁকড়া ও চিংড়িও এরা সহজে খেতে পারে।

অধ্যাপক রাজীব সরকার আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় পরিবেশদূষণের কারণে মাছটির প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হুমকির মুখে পড়ছে। সমুদ্র অর্থনীতির বিকাশ ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে কালো পোয়ার কৃত্রিম প্রজনন ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল রক্ষা করাও জরুরি।

পোয়া মাছের বায়ুথলি থেকে প্রসাধনী, ওষুধ ও সুতা তৈরির উপকরণ পাওয়া যায় উল্লেখ করে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এ মাছ রপ্তানি হয়। তিনি জানান, গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা ছিল। এর সুফল হিসেবে জেলেদের জালে এখন এ ধরনের মাছ তুলনামূলক বেশি ধরা পড়ছে। এতে জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ভায়না বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোনায়েম হোসেন ভায়না ইউনিয়নের কালীশংকরপুর গ্রামের মৃত আবুল মণ্ডলের ছেলে। তিনি ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে ভায়না বাজারে স্কুলের পাশে মোনায়েম হোসেন দাঁড়িয়েছিলেন। এসময় প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এসময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। আরও পড়ুন গুরুতর অসুস্থতার সংবাদে ভাই গিয়ে পেলেন বোনের ঝুলন্ত মরদেহ হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, ‘এ ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নই। তদন্ত দেখা হচ্ছে। মরদেহ কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে বলে জানতে পেরেছি।’ এম শাহাজান/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

নবগঙ্গা নদীতে জমজমাট নৌকাবাইচ, উৎসবে মুখরিত পুরো এলাকা

সেনাবাহিনীর অনুশীলনে হতাহতের ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের শোক

সেনাবাহিনীর অনুশীলনে হতাহতের ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের শোক

মদিনাবাসীকে মহানবী (সা.) প্রথম যে বার্তা দেন

মদিনাবাসীকে মহানবী (সা.) প্রথম যে বার্তা দেন

হতাশা ভুলে লিভারপুলের নায়ক ম্যাক অ্যালিস্টার, ২৯ পাসের গোলে আর্সেনালের জয়
হতাশা ভুলে লিভারপুলের নায়ক ম্যাক অ্যালিস্টার, ২৯ পাসের গোলে আর্সেনালের জয়

পিএসজি ও বার্সার বড় জয়ের দিনে নূন্যতম ব্যবধানে জিতেছে দুই ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল ও আর্সেনাল। লিভারপুল ঘরের মাঠে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ও আর্সেনাল নেপলসে নাপোলিকে হারিয়েছে।লিভারপুল ২–১ আতলেতিকোনতুন চুক্তির প্রস্তাব না পাওয়ায় আগের দিনই লিভারপুলের ওপর নিজের অসন্তোষের কথা প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরের দিনই হতাশা ভুলে মাঠের পারফরম্যান্সে অবহেলার জবাব দিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। চ্যাম্পিয়নস লিগে বুধবার রাতে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে লিভারপুলের ২-১ গোলের জয়ে ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি এসেছে এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের পা থেকেই।অ্যানফিল্ডে এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় লিভারপুল। ম্যাচের এক পর্যায়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক বুলেটগতির শটে দুর্দান্ত গোলটি করেন ম্যাক অ্যালিস্টার। ২০১৩ সালে লিভারপুলে যোগ দেওয়া এই বিশ্বজয়ী তারকা গোল করেই দৌড়ে যান ঘরের দর্শকদের সামনে উল্লাসে মেতে উঠতে। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে যে বিষণ্ণ সুর শোনা গিয়েছিল তার কণ্ঠে, এই উদযাপনের রূপ ছিল একেবারেই বিপরীত।মঙ্গলবার ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে ম্যাক অ্যালিস্টার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমাকে জানানো হয়েছে ক্লাব আপাতত আমাকে নতুন চুক্তির কোনো প্রস্তাব দেওয়ার অবস্থায় নেই।’ম্যাক অ্যালিস্টারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে, তাই লিভারপুলের চুক্তি নবায়নের তাড়াহুড়ো না থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে বিরতির ঠিক ৫ মিনিট পর তার ওই গোলটি যেন ক্লাবের সামনে তার কার্যকারিতার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিল।লিভারপুল সমতায় ফেরে দমিনিক সোবোসলাইয়ের গোলেম্যাচের ১৭তম মিনিটে মার্কোস ইয়োরেন্তের গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল আতলেতিকোই। অ্যানফিল্ডের মাঠে ইয়োরেন্তের গোল করার ধারাবাহিকতা যেন থামছেই না। লিভারপুলের মাঠে শেষ তিন সফরে এটি তাঁর পঞ্চম গোল। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ লকডাউনের ঠিক আগে এই অ্যানফিল্ডেই জোড়া গোল করে সে সময়ের চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করেছিলেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।তবে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি অলরেডরা। ৪০তম মিনিটে দমিনিক সোবোসলাইয়ের গোলে সমতায় ফেরে লিভারপুল। এরপরই আসে ম্যাক অ্যালিস্টারের সেই জয়সূচক গোল। তোরেসের হ্যাটট্রিকে পিএসজির হ্যাটট্রিক অভিযান শুরুআসিয়ান কাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কখননাপোলি ০–১ আর্সেনালমার্টিন ওডেগার্ডের দুর্দান্ত ফর্ম চলছেই। নেপলসে গিয়ে দল যখন পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকিতে, ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন আর্সেনাল অধিনায়ক। তার একক নৈপুণ্যেই নাপোলির বিপক্ষে জয় নিয়ে ফিরেছে গানাররা।আর্সেনালের একমাত্র গোলটি অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডেরতবে ফিনিশিংয়ের চরম ব্যর্থতায় ম্যাচটি  ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছিল। কিন্তু ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক বাঁকানো শটে গ্যালারিতে থাকা ১,৫০০ গানার সমর্থককে উল্লাসে মাতান ওডেগার্ড। কমিউনিটি শিল্ডসহ চলতি মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে এটি আর্সেনাল অধিনায়কের চতুর্থ গোল।গ্লাভস হাতে গোলকিপার থেকে মুকুট মাথার রাজাগত মৌসুমে ফাইনালে ওঠার পথে গ্রুপ পর্বের আটটি ম্যাচের প্রতিটিই জিতেছিল মিকেল আর্তেতার দল। এবারও ইতালির মাটিতে এই জয় দিয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করল তারা।ওডেগার্ডের গোলের আগেই অবশ্য নাপোলিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেওয়ার অন্তত তিনটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছিল গানাররা।ওডেগার্ডের এই জয়সূচক গোলটি গড়ার নেপথ্যে ছিল টানা ২৯টি পাস, যা অন্তত ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্সেনালের কোনো গোলের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বাসেলের বিপক্ষে লুকাস পেরেজের গোলের আগে হয়েছিল ৩৩ পাস)।এমবাপ্পে নাকি হলান্ড, চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোর রেকর্ড কে ভাঙবেন

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
মেহেদি অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে বৃদ্ধা নিহত

মেহেদি অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার তারে জড়িয়ে বৃদ্ধা নিহত

অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগের পর  ডব্লিউএইচও’র পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগের পর ডব্লিউএইচও’র পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

উনি কি গালি দিলেন না দোয়া, কিছুই বুঝলাম না: রুমিন প্রসঙ্গে শফিকুর

উনি কি গালি দিলেন না দোয়া, কিছুই বুঝলাম না: রুমিন প্রসঙ্গে শফিকুর

চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু
চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দেশে সারের কোনো সংকট নেই, বরং চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৬ লাখ টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একইসঙ্গে তিনি বিরোধীদলের উদ্দেশে বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির যে ষড়যন্ত্র করছে, আপনারা সেই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানের উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নতুন ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘শূন্য ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, যার আবেদনের শেষ দিন আগামীকাল। আবেদনের তারিখই শেষ হয়নি, কে পেলো না পেলো তা নির্ধারণের আগেই আপনারা দুর্নীতির কথা বলছেন! আপনারা কল্পনায় ভাসছেন।’ তিনি জানান, দেশজুড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা প্রত্যেকে আবার দুজন করে খুচরা ডিলার নিয়োগ দিতে পারবেন। ফলে আরও ১৬ হাজার ডিলার যুক্ত হবেন। এর বাইরে আগে থেকেই ৩১ হাজারের বেশি ডিলার রয়েছেন। সারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন মাঠপর্যায়ে তীব্র সার সংকটে কৃষকরা হাহাকার করছেন: সংসদে শফিকুল ইসলাম সার মজুত ও চাহিদার পরিসংখ্যান সারের মজুত পরিস্থিতি স্পষ্ট করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মোট সারের চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে জোগান রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন। অর্থাৎ, ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন সার উদ্বৃত্ত থাকবে ইনশাআল্লাহ। এ নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন।’ তিনি আরও জানান, বর্তমানে আমন ধানের শিষ বা কুশি বের হওয়ার পর্যায় চলছে। এসময়ে সারের খুব একটা প্রয়োজন হয় না। এখন মূলত সামনের রবি মৌসুমের জন্য কৃষকরা সার সংগ্রহ করছেন। ৬৪ জেলায় মনিটরিং সেল সারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের দুজন যুগ্ম সচিব ও দুজন উপসচিবের তত্ত্বাবধানে দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪টি মনিটরিং সেল কাজ করছে। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনিয়ম করতে গিয়ে এরই মধ্যে পাঁচজন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আরও পড়ুন সারের কোনো সংকট নেই, ঘাটতি অভিযোগ সঠিক নয়: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম কৃষক কার্ড উদ্বোধনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের সম্মানিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সারের অপচয় রোধ হবে। কোন কৃষকের কতটুকু জমি এবং সেখানে কতটুকু সার প্রয়োগ করতে হবে, তা নির্ধারিত থাকবে। বিএনপি যা বলে, তাই করে। বিএনপি কখনোই জনগণের বিপক্ষে যায় না। বিরোধীদলের প্রতি আহ্বান সংসদে বিরোধীদলের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাদের গৃহপালিত বলতে চাই না। আমরা আপনাদের এই সংসদ গৃহে রাখতে চাই। আপনারা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে কথা বলুন। বিগত দিনে যারা গণতন্ত্র ধ্বংস করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তারা এখন ষড়যন্ত্র করছে। দয়া করে তাদের উসকানিতে বা ষড়যন্ত্রে পা দিয়ে নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।’ বর্তমান সংসদকে মজলুমের পার্লামেন্ট আখ্যা দিয়ে টুকু বলেন, ‘আমরা যদি সবাই মজলুম হয়ে থাকি, তবে দেশের ও গণতন্ত্রের স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। যাতে এই দেশে আর কেউ ফ্যাসিবাদ কায়েম করার সুযোগ না পায়।’ এমওএস/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল

তোরেসের হ্যাটট্রিকে পিএসজির হ্যাটট্রিক অভিযান শুরু

তোরেসের হ্যাটট্রিকে পিএসজির হ্যাটট্রিক অভিযান শুরু

পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

পরিবেশ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

0 Comments