জাতীয়

বামার লাইসেন্স বাতিল, বিসিপিএর সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
বামার লাইসেন্স বাতিল, বিসিপিএর সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ
বামার লাইসেন্স বাতিল, বিসিপিএর সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ

বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বামা) লাইসেন্স বাতিল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একাধিক সংগঠনের কারণে কীটনাশক খাতের বিশৃঙ্খলা দূর করতে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সংগঠনের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

বালাইনাশকের ব্যবসায়ীদের বড় সংগঠন বাংলাদেশ ক্রপ প্রটেকশন অ্যাসোসিয়েশন (বিসিপিএ)- এর সদস্য সংখ্যা এক হাজার ২৩০। অন্যদিকে বামার সদস্য সংখ্যা মাত্র ২০টি। আবার দুটি সংগঠনের উদ্দেশ্য একই। এই প্রেক্ষাপটে দুটি সংগঠন থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এজন্য পরে তৈরি হওয়া সংগঠন বামার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সংশোধন হচ্ছে সাইবার আইন / গুজব-অপতথ্য প্রচারে ১০ বছরের জেল, ৪০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিপিএ এবং বামার লক্ষ্য অভিন্ন হওয়ায় একই খাতের একাধিক সংগঠন থাকায় বালাইনাশক আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাতকরণে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বালাইনাশক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি বাণিজ্য সংগঠন থাকাই যুক্তিযুক্ত। ফলে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২ এর ৮ ধারা এবং বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা ২০২৫ এর ১০ বিধির ক্ষমতাবলে বামার লাইসেন্স বাতিল করা হলো।

অভিযোগ আছে, বামার সভাপতি কে এস এম মুস্তাফিজুর রহমানও বিসিপিএর সদস্য। কিন্তু নানান কারণে পুরোনো সংগঠনে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে না পেরে নিজেই বামা প্রতিষ্টা করেছিলেন। পরে লাইসেন্সও পান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।

আরও পড়ুন

সংসদে দুই বিল পাস / র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠন, এপিবিএনের ক্ষমতা বৃদ্ধি

তবে পরবর্তীতে বামার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিরোধে জড়ানোয় অনেক সদস্য সংগঠন ছাড়েন। এরই মধ্যে বিসিপিএ আইনি প্রক্রিয়ায় বামার লাইসেন্স বাতিলের জন্য বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগে আবেদন করেন।

এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের শুনানি ও দেনদরবার শেষে বিসিপিএর পক্ষে রায় এসেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বামার অধিকাংশ সদস্য টিও লাইসেন্স পাওয়ার আগে বিসিপিএর সদস্য ছিল। এখনো বামার বেশিরভাগ সদস্যই (সভাপতি সহ) বিসিপিএর সদস্য। এ কারণে বামাকে বিসিপিএর সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বামার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

এনএইচ/কেএসআর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
যেসব ফোনে আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ
যেসব ফোনে আর চলবে না হোয়াটসঅ্যাপ

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে চলা বেশ কিছু স্মার্টফোনে আর ব্যবহার করা যাবে না জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ লল্লিপপ-চালিত ডিভাইসের জন্য সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যেসব ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ রয়েছে এবং যেগুলো পরবর্তী অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে আপডেট করার সুযোগ নেই, সেসব ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা হবে। কোন ফোনগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ? ওয়েবিটাইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলেই হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের সাপোর্ট বন্ধের বিষয়টি জানানো হয়েছিল। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ লল্লিপপ-এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের সাপোর্ট শেষ হয়েছে। এখন হোয়াটসঅ্যাপ চালানোর জন্য অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ মার্সমেলো বা তার পরের সংস্করণ প্রয়োজন। অর্থাৎ আপনার ফোন যদি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১-এ আটকে থাকে এবং সেটিকে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করার কোনও ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে ওই ফোনে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। পুরোনো ফোন ব্যবহারকারীরাই বেশি সমস্যায় এই পরিবর্তনের ফলে মূলত বহু বছর ধরে ব্যবহৃত পুরোনো স্মার্টফোনগুলো প্রভাবিত হবে। যেসব ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর সফটওয়্যার আপডেট দেয় না, সেগুলোতেই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে ভারত, ব্রাজিল, পাকিস্তান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার রয়েছে। এসব ডিভাইসের অনেকগুলোতেই নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ইনস্টল করার সুযোগ নেই। ফলে হোয়াটসঅ্যাপে চালিয়ে যেতে ব্যবহারকারীদের নতুন ফোনের কথা ভাবতে হতে পারে। ফোনে হোয়াটসঅ্যাপে চালু রাখতে কী করবেন? প্রথমেই ফোনের বর্তমান অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ দেখে নেওয়া উচিত। যদি সেটি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ হয়, তাহলে ফোনের জন্য কোনো সফটওয়্যার আপডেট এসেছে কি না সেটি পরীক্ষা করতে হবে। ফোনটি যদি অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা তার পরের সংস্করণে আপডেট করা যায়, তাহলে সফটওয়্যার আপডেটের পর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তবে ফোনের জন্য নতুন আপডেট না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ বা তার পরের সংস্করণ সমর্থন করে এমন নতুন ডিভাইসে পরিবর্তন করতে হবে। এই নিয়ম শুধু সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপে মেসেঞ্জারের জন্য নয়, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কেন পুরোনো অ্যান্ড্রয়েডের সাপোর্ট বন্ধ করল হোয়াটসঅ্যাপ? হোয়াটসঅ্যাপ নিয়মিত নতুন ফিচার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত করে। কিন্তু একটি অ্যাপকে একই সঙ্গে বহু পুরোনো ও নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে কার্যকর রাখা হলে নতুন ফিচার তৈরি ও সেগুলোর সামঞ্জস্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ওয়েবিটাইনফোর তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে নতুন ফিচারের সব সুবিধা সেখানে ঠিকভাবে চালানো সম্ভব নয়। তাই তুলনামূলকভাবে পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমের সাপোর্ট সরিয়ে দিয়ে নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণগুলোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। এর ফলে অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ ও অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ব্যবহারকারীদের একটি অংশ সমস্যায় পড়লেও, হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষে আধুনিক ডিভাইসের জন্য আরও নতুন ফিচার ও প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা সহজ হবে। কেএসকে

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
সম্ভাবনাময় ভোজ্যতেল পেরিলা চাষ করবেন যেভাবে

সম্ভাবনাময় ভোজ্যতেল পেরিলা চাষ করবেন যেভাবে

একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, চিকিৎসার খরচ ও খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার

একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, চিকিৎসার খরচ ও খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার

যাত্রাবাড়ীর সড়ক থেকে যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

যাত্রাবাড়ীর সড়ক থেকে যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

সোনার দাম কমল ভরিতে ২,১৫৮ টাকা
সোনার দাম কমল ভরিতে ২,১৫৮ টাকা

দুই দিনের ব্যবধানে সোনার দাম কমেছে ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা। নতুন দর আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় কার্যকর হয়েছে। আজ সকালে সোনার দাম কমার বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে; যদিও মূল বিষয় হলো বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে যাওয়া। এর আগে গত বুধবার সোনার দাম কমে ১ হাজার ১০৮ টাকা। তাতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় ২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি সোনার দাম দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। সেদিন সকালে একলাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দাঁড়ায়। এরপর সোনার দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছিল। তারপর আবার বৃদ্ধি পায়। সব মিলিয়ে উত্থান-পতনের মধ্য রয়েছে সোনার দাম।আজ দাম সমন্বয়ের কারণে ২২ ক্যারেটের এক ভরি ভালো মানের সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি ২ হাজার ১০০ টাকা কমে হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমে হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম কমেছে ভরিতে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। এতে এক ভরি সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এখন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা। সোনার এই দাম ভ্যাটসহ।সোনার পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে। প্রতি ভরিতে দাম কমেছে ১১৬ টাকা। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৬ টাকা।

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
চট্টগ্রামে আটতলা ভবন ঘিরে পুলিশের অভিযান, ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক

চট্টগ্রামে আটতলা ভবন ঘিরে পুলিশের অভিযান, ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক

ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে নগদ, থাকছে না বয়সসীমা

ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেবে নগদ, থাকছে না বয়সসীমা

এবার কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে

এবার কারিগরি ত্রুটিতে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে লোডশেডিং বাড়ছে

৯/১১ পৃথিবীকে কতটা বদলে দিয়েছে
৯/১১ পৃথিবীকে কতটা বদলে দিয়েছে

৯/১১-এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে গত ২৫ বছরে যেসব যুদ্ধ, সংঘাত, আগ্রাসন, সহিংসতা ঘটেছে, তাতে কত মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, তার সঠিক হিসাব নেই। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন, গৃহহীন হয়েছেন, সর্বস্ব হারিয়েছেন। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর অনেক কিছুই কীভাবে বদলে গেছে, তা নিয়ে লিখেছেন আলী রীয়াজ আলী রীয়াজ ২৫ বছর আগে ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, পেন্টাগন এবং পেনসিলভানিয়ায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার অভাবনীয় হামলার ঘটনার অভিঘাত এখনো শেষ হয়ে যায়নি। গত সিকি শতাব্দীতে এর প্রভাবে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে, এখনো এর প্রতিক্রিয়া দৃশ্যমান। তেমনি এ ঘটনা মার্কিন রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন সব পরিবর্তন ঘটিয়েছে, যার প্রতিক্রিয়া চারপাশে গভীরভাবে তাকালেই বোঝা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ সেই ঘটনার সময় জন্মগ্রহণ না করলেও ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা এবং এর ধারাবাহিকতায় সংঘটিত ঘটনাবলির প্রভাব জ্ঞাত-অজ্ঞাতে তাঁদের জীবনে আজও উপস্থিত।বিশ্বে কী ঘটল? সারা বিশ্বে এ ঘটনার সহিংস প্রতিক্রিয়া এতটা দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থেকেছে যে সেদিনের শিশু-কিশোর থেকে বয়োবৃদ্ধ কেউই তা থেকে মুক্ত থাকেনি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘গ্লোবাল ওয়ার অন টেরর’ বা ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক যুদ্ধ’-এর নামে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর অভিযান ঘটেছে, ইরাকে অবৈধ দখলদারত্ব ঘটেছে। সেখানেই তার সীমা আটকে থাকেনি। তার আঁচ লেগেছে পাকিস্তানে।২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্র ‘ওয়ার অন টেরর’ কথাটির ব্যবহার বন্ধ করে দিলেও তার আগেই এই অজুহাতে মধ্য-এশিয়া, আফ্রিকা মহাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা সরকারবিরোধী শক্তিগুলোকে ‘আইনি প্রক্রিয়ায়’ নিপীড়ন-নির্যাতন করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় মার্কিন কর্তৃত্ব এবং উপস্থিতি নিরঙ্কুশ হয়েছে, ইসরায়েলের শক্তি ও প্রভাব বেড়েছে।পশ্চিমা বিশ্বে দীর্ঘদিনের গণতান্ত্রিক দেশগুলোয় ‘সন্ত্রাস দমন আইন’ করে নাগরিকদের অধিকার সংকুচিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনকে অগ্রাহ্য করে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র স্থাপন করেছে গোপন বন্দিশালা, অব্যাহত আছে গুয়ানতানামোর কারাগার, জিজ্ঞাসাবাদের নামে চালানো হয়েছে নিপীড়ন।► যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘গ্লোবাল ওয়ার অন টেরর’ বা ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক যুদ্ধ’-এর নামে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর অভিযান ঘটেছে, ইরাকে অবৈধ দখলদারত্ব ঘটেছে। সেখানেই তার সীমা আটকে থাকেনি। ► ৯/১১-এর পরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইসলাম এবং মুসলিমবিরোধী প্রচারণা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে তা সাংস্কৃতিক উপাদানগুলোকে নগ্নভাবে হাতিয়ারে পরিণত করে।ভারতসহ যেসব দেশে মুসলিম জনগোষ্ঠী সংখ্যালঘু, সেখানে গোটা মুসলিম জনগোষ্ঠীকেই সমাজের মূলস্রোত থেকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে প্রান্তে; রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় আচরণে সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদের পৃষ্ঠপোষকতার মধ্য দিয়ে তাদের ‘শত্রু’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। যে সন্ত্রাস এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের মোকাবিলার কথা বলে এসব করা হয়েছে, আফগানিস্তানে তালেবানের পতনের পর সেই সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার কেন্দ্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়লেও তার বিস্তার ঘটেছে বিভিন্ন দেশে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলোয় সহিংস উগ্রবাদী সংগঠনগুলো বিস্তার লাভের সুযোগ পেয়েছে। ইরাকে আগ্রাসনের পরিণতিতে যে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ এবং মার্কিন সেনাদের সঙ্গে লড়াই হয়েছে, তার সুযোগে উত্থান ঘটেছিল আইসিসের, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে উগ্রবাদীরা তাতে যোগ দিয়েছিল, যার শাখা–প্রশাখা এখনো বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয় আছে।প্রতিটি ঘটনাই দশকের পর দশক ধরে বৈশ্বিকভাবে রাজনীতির পথরেখা নির্ধারণ করেছে। এর উদাহরণ হচ্ছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। আফগানিস্তানে দুই দশক ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়েছে, ক্ষমতায় তালেবানের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। কিন্তু একসময়কার উগ্রবাদী তালেবানকে এখন মোকাবিলা করতে হচ্ছে আইসিসের একটি শাখাকে।পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে সহিংস উগ্রবাদীদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছে, আজকে তারা এবং তাদের উত্তরসূরিরাই পাকিস্তান রাষ্ট্রের অখণ্ডতার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। যে তালেবানকে পাকিস্তান দুঃসময়ে আশ্রয় দিয়েছিল, এখন তাদের সম্পর্ক শত্রুতার।৯/১১-এর পরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইসলাম এবং মুসলিমবিরোধী প্রচারণা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে তা সাংস্কৃতিক উপাদানগুলোকে নগ্নভাবে হাতিয়ারে পরিণত করে, রাষ্ট্রকে ব্যবহার করাকে বৈধতা দেয়। তার একটি উদাহরণ হচ্ছে চীন কর্তৃক উইঘুর জনগোষ্ঠীর লাখ লাখ মানুষকে আটক এবং তাঁদের ওপরে নিপীড়ন। পশ্চিমা বিশ্বে, বিশেষত ইউরোপে, নিরাপত্তা ও উগ্রবাদ মোকাবিলার জন্য প্রণীত নীতি মুসলিম জনগোষ্ঠী বিরুদ্ধে এমনভাবে প্রচারিত এবং ব্যবহৃত হয় যে তা দীর্ঘ মেয়াদে বর্ণবাদ এবং জেনোফোবিয়াকে (বিদেশি আতঙ্কে) বৈধতা দিয়েছে। সমাজে এ ধরনের মত ও প্রবণতা ছিল ফ্রিঞ্জ বা একেবারে স্বল্পসংখ্যক মানুষের মধ্যে। শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদ এসব সমাজে দীর্ঘদিন ধরে উপস্থিত থাকলেও ২০০১ সালের পর পর্যায়ক্রমে তা মূলস্রোতে পরিণত হয়েছে। দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ইউরোপের মূলধারার রাজনীতিতে যে দক্ষিণপন্থী শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের উত্থান ঘটেছে এবং তার একাংশ যে সহিংস রূপ নিয়েছে, তার উৎস ও বৈধতা তৈরি হয়েছে ৯/১১-পরবর্তী বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ওই সব সমাজে অভ্যন্তরীণভাবে রাষ্ট্রের অনুসৃত নীতি ও কৌশলের কারণে।মুসলিম সমাজে প্রতিক্রিয়াবৈশ্বিকভাবে যুদ্ধ ও সহিংসতা, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিস্তার, মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচারণার পাশাপাশি মুসলিম সমাজের ভেতরেও বিভিন্ন প্রশ্নে মতপার্থক্য-বিরোধ আরও দৃশ্যমান হয়েছে; শিয়া-সুন্নির সম্প্রদায়গত ফারাক, বিভিন্ন মাজহাব এবং মাসলাকের দূরত্ব যেমন আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে, তেমনি এগুলোকে কেন্দ্র করে বিবাদ-বিসংবাদ-সহিংসতাও বেড়েছে।মুসলিম জনগোষ্ঠীর একাংশের মধ্যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে, একাংশের মধ্যে সহিংসতা ও উগ্রবাদের প্রতি সমর্থন ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে, আরেক অংশের মধ্যে ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা করার প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এসব বিষয়ে বিতর্ক, বিশেষ করে ইসলামের দৃষ্টিতে সহিংসতার গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন, আলেম–সমাজ, ইসলামি চিন্তাবিদ, একাডেমিক, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে যেমন সমৃদ্ধ হয়েছে, তেমনি তাঁদের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করেছে।এসব বিভক্তি আগেও ছিল, কিন্তু গত ২৫ বছরে আরও বেশি সামনে এসেছে। ৯/১১-পরবর্তী পরিস্থিতি এর একমাত্র কারণ নয়, কিন্তু তা যে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে, তা অনস্বীকার্য।যুক্তরাষ্ট্রে আইনি ও কাঠামোগত পরিবর্তন২০০১ সালের সন্ত্রাসী হামলার পরে মার্কিন রাষ্ট্র ও সমাজে যেসব পরিবর্তন ঘটেছে, তার অনেক কিছু স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। পেট্রিয়ট অ্যাক্ট, যা পাস হয়েছিল হামলার ৪৫ দিন পরে, সরকারকে সাময়িকভাবে টেলিফোনে আড়ি পাতার অবারিত ক্ষমতা দিয়েছিল; আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবসান ঘটে ২০২০ সালে। কিন্তু ইতিমধ্যে এই আইনের প্রধান প্রধান বিষয় স্থায়ী আইনে রূপ নিয়েছে।নাগরিকের প্রাইভেসির এই আইনি বরখেলাফ নিয়ে মার্কিন সমাজে এখন আর আলোচনা হয় না। ‘নিরাপত্তার’ নামে একে স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। নিরাপত্তার কথা বলেই ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, যার ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (সংক্ষেপে আইসিই—আইস)। গত কয়েক বছরে এই সংস্থা কেবল অভিবাসীদের জন্য নয়, এমনকি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকদের জন্যও এক ভয়াবহ রূপ নিয়েছে; আইস কমপক্ষে ২২৫টি ডিটেনশন সেন্টার ব্যবহার করছে, যেখানে অন্তত ৬৫ হাজার মানুষ মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ষাটের দশক থেকেই আছে, কিন্তু ২০০১ সালের পরে যুক্তরাষ্ট্র এক অন্তহীন যুদ্ধের ধারণাকে প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনি রূপ দিয়েছে। ২০০১ সালে মার্কিন কংগ্রেস প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধের যে ক্ষমতা দিয়েছিল, তার আইনি রূপ হচ্ছে ‘২০০১ অথরাইজেশন ফর ইউজ অব মিলিটারি ফোর্স’।১৯৯১ ও ২০০৬ সালে দেওয়া এ ধরনের ক্ষমতার কার্যকারিতা ইতিমধ্যে অবসান হলেও ২০০১ সালের এ ব্যবস্থার শেষ হয়নি। ফলে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার কথা বলে যেকোনো দেশে যেকোনো সময়ে যুক্ত হচ্ছে। গত ২৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র ৭৮টি দেশের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতার নামে বিভিন্ন ধরনের অভিযান চালিয়েছে।এ ব্যবস্থার কারণেই মার্কিন নাগরিকদের এক বড় অংশের কাছে অন্তহীন যুদ্ধকে গ্রহণযোগ্য বলেই মনে হয়। ইরানে এখন যে যুদ্ধ চলছে, তা নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের উদ্বেগ এই অনন্ত যুদ্ধের ধারণার বিরুদ্ধে নয়, তাঁদের প্রতিদিনের জীবনে তার প্রভাবের কারণে। এ ধরনের অনন্ত যুদ্ধের জন্য দরকার হয় শত্রু তৈরি করা—ঘরে ও বাইরে।মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে ‘শত্রুর’ ধারণা যে কত গভীরভাবে প্রোথিত হয়ে গেছে এবং তা যে মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই দাঁড়িয়েছে, তার সাম্প্রতিক প্রমাণ হচ্ছে ইসলাম এবং মুসলিমদের সম্পর্কে পিউ রিসার্চ সেন্টারের করা জরিপের ফল। ২০০১ সালে ২৫ শতাংশ নাগরিক মনে করতেন যে অন্য ধর্মের তুলনায় ইসলাম সহিংসতাকে উৎসাহ দেয়, এ বছরের মে মাসের জরিপে তা দাঁড়িয়েছে ৫১ শতাংশে। মুসলিমদের দেশপ্রেম নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা।পেট্রিয়ট অ্যাক্ট থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের আইন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা যে ধরনের ক্ষমতা ২০০১ সালের পরে জরুরি বিবেচনায় নির্বাহী বিভাগকে দিয়েছিল, তার অধিকাংশই এখনো ভিন্ন ভিন্ন রূপে সেভাবেই আছে। এগুলো বারাক ওবামা এবং জো বাইডেনের সময়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত না হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে প্রতিদিনই ব্যবহৃত হচ্ছে এবং তা কেবল নিরাপত্তাজনিত ক্ষেত্রেই নয়। ২০০১ সালের পরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতার যে বৃদ্ধি ঘটেছে, তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ছিল কি না, সেই প্রশ্ন করা যায়।অভ্যন্তরীণভাবে যেসব পরিবর্তন ঘটেছে, তার অন্যতম হচ্ছে পুলিশের সামরিকীকরণ। যুক্তরাষ্ট্র যত বেশি যুদ্ধে জড়িয়েছে, তত বেশি ব্যবহৃত অস্ত্র দেশে এনে তা বাতিল করতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দুটি কর্মসূচি আছে—এগুলো ১০৩৩ এবং ১১২২ কর্মসূচি বলে চিহ্নিত। এর আওতায় পুলিশ বিভাগগুলোয় সরকার কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে।১০৩৩ কর্মসূচি প্রতিরক্ষা বিভাগকে বিনা মূল্যে পুলিশের কাছে সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর করার অনুমতি দেয়। ১১২২ কর্মসূচির আওতায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সামরিক সরঞ্জাম সামরিক বাহিনীর জন্য নির্ধারিত ছাড়ের হারে তার ‘নিজস্ব তহবিল’ (করদাতাদের অর্থ) দিয়ে কিনতে দেওয়া হয় । এই সরঞ্জামগুলোর মধ্যে গোলাবারুদ, অস্ত্র এবং কৌশলগত সাঁজোয়া যানবাহন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলোই এখন পুলিশ ব্যবহার করে, যে কারণে পুলিশের আচরণ প্রাণঘাতী বলে প্রতীয়মান হয়।শেষ কথা নয়গত ২৫ বছরে ৯/১১-এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে যেসব যুদ্ধ, সংঘাত, আগ্রাসন, সহিংসতা ঘটেছে, তাতে কত মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, তার সঠিক হিসাব নেই, কয়েক লাখ বললে সম্ভবত কমই বলা হবে। অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন, গৃহহীন হয়েছেন, সর্বস্ব হারিয়েছেন; আমরা মানবিক বিপর্যয় প্রত্যক্ষ করেছি। এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর অনেক কিছুই বদলে গেছে, যার ছায়ায় আমাদের সবাইকেই বাস করতে হচ্ছে, ভবিষ্যতেও করতে হবে। ● আলী রীয়াজ সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর। *মতামত লেখকের নিজস্ব

News সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ 0
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের মৃত্যু, মায়ের কবরে সমাহিত হবেন

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলামের মৃত্যু, মায়ের কবরে সমাহিত হবেন

‘অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা ও অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না’

‘অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা ও অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করবেন না’

নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

নাটোরে অবৈধভাবে সার মজুত, দুই ব্যবসায়ীকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

0 Comments