ট্রেন্ডের জোয়ারে গা ভাসালেন মুশফিকুর রহিম। নিজের একটি ছবিকে আশির দশকের ভাইব দিলেন। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
মুশফিক সেঞ্চুরির পর উদযাপনের একটি ছবিতে নস্টালজিয়া ফিল্টার ব্যবহার করেছেন। ছবিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫ হাজার রিয়েকশন পড়েছে। কমেন্ট পড়েছে ৮০০-এর ওপরে।
তবে অনেককেই একটি কমন কমেন্ট করতে দেখা যাচ্ছে, মুশফিককে নাকি লাগছে সাকিব আল হাসানের মতো! কেউ কেউ আবার কোকড়া চুল দেখে শচিন টেন্ডুলকারের কথাও বলছেন।
ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামের নিউজফিডে স্ক্রল করতেই চোখে পড়ছে আশির দশকের আদলে এমন সব ছবি। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে নিজেদের সেই নস্টালজিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তারা।
বর্তমানের একটি ছবিকে এআইয়ের সাহায্যে এমনভাবে রূপ দেওয়া হচ্ছে, যেন সেটি কয়েক দশক আগের কোনো স্টুডিও ক্যামেরায় তোলা। পোশাক, চুলের কাট, মেকআপ থেকে শুরু করে আলো, ব্যাকগ্রাউন্ড এমনকি ছবির দানাদার ফিল্ম-টেক্সচার; সবকিছুতেই ফুটে উঠছে আশির দশকের ছাপ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ‘নস্টালজিয়া ফিল্টার’ ট্রেন্ডটি তুমুল জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছে। প্রযুক্তি আর পুরনো স্মৃতির অদ্ভুত এক মেলবন্ধনে মেতে উঠেছেন নেটিজেনরা।
মুশফিকের ছবিতে একজন কমেন্ট করেছেন, ‘সাকিব-মুশফিক হাইব্রিড ক্রসওভার।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এটা মুশফিক নাকি সাকিব বোঝা কষ্ট।’ আরেকজনের কমেন্ট, ‘এআইরে কইছেন মুশফিকুর রহিমের ৮০ সালের পিকচার তৈরি করে দেও। এআই দিছে সাকিবের মতো চেহারা বানাইয়া।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘লুক লাইক সাকিব আল হাসান।’
অনেকে আবার শচিনের সঙ্গে চেহারার মিল পাচ্ছেন। একজন লিখেছেন, ‘শচিন টেন্ডুলকারের মতো লাগছে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘টেন্ডুলকারের একটা ভাইব আছে।’
এমএমআর
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের টানে সুদূর চীন থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে ছুটে এসেছেন ২৯ বছর বয়সী যুবক ঝাওহুইয়ান। এরপর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আবিদা সুলতানা নামে এক কিশোরীর সঙ্গে। বিয়ের পর ঝাওহুইয়ানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আয়ান ইসলাম। আবিদা সুলতানা পাহাড়পুর গ্রামের সোলাইমান মিয়ার মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবিদা সুলতানার সঙ্গে চীনের ওই যুবকের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্কের টানে চীন থেকে গত ২৫ আগস্ট বাংলাদেশে আসেন ওই যুবক। এর ১৬ দিনের মাথায় গত ১০ সেপ্টেম্বর আবিদা সুলতানার সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। আরও পড়ুন ভাব তরঙ্গ: বাউল গানে মুখরিত ময়মনসিংহের জয়নুল উদ্যান স্থানীয়রা জানান, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় আবিদা অকৃতকার্য হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে অন্যত্র বিয়ের বিষয়ে কথা চলছিল। তবে এতে রাজি না হয়ে চীনের ওই যুবককেই বিয়ে করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। পরে পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে ওই যুবক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তার নাম আয়ান ইসলাম রাখা হয়। এদিকে, বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। নবদম্পতিকে দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন আশপাশের এলাকার লোকজন। শানেরহাট ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য রাশেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেটি চীন থেকে এসেছে এবং গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। জিতু কবীর/এমআরএম
মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে আটক বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১৪০ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়। কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার অভিবাসন বিভাগের বেলান্তিক ডিটেনশন ডিপোতে আটক ছিলেন এসব অভিবাসী। ফেরত পাঠানো ১৪০ জনের মধ্যে ১১৭ জন পুরুষ, ২১ জন নারী এবং দুই শিশু রয়েছে। তারা মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও কেনিয়ার নাগরিক। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল। অভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে নির্ধারিত সাজা ভোগ সম্পন্ন করার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ফেরত পাঠানোর বিমান টিকিটের খরচ বহন করেছেন আটক ব্যক্তি, তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাস। আরও পড়ুন আলেকজান্দ্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার ক্যাম্প মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থাপনায় কালো তালিকাভুক্ত করার (ব্ল্যাকলিস্ট) পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে তারা যাতে পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। কেদাহ রাজ্যের অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। দেশটিতে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম বন্ধে অভিযান, শনাক্তকরণ, আটক, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিভাগটি আরও জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে। এমআরএম
সজল ভাইয়ের দুর্লভ হাসিতড়িৎ উক্তিঅসময়ে কাঞ্চনজঙ্ঘাসেদিন কী ঘটেছিল অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিংরুমেজটিল প্রেমতন্ত্রচাইলেই কাল সকালে...ইস্যু আসে ইস্যু যায়...