অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার শাড়ির লুক মানেই একরাশ আবেদন। স্লিভলেস লুকের ছবি শেয়ার করেছেন তিনি সম্প্রতি। সাজপোশাকে আবেদনের সঙ্গে আছে স্নিগ্ধতার ছোঁয়া। ক্যাপশনে ভাবনা লিখলেন, 'আমি আর আমার শাড়ি, দুজনেই যেন মায়ায় পোড়া'।
ছবি: ভাবনার ইন্সটাগ্রাম
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনার শাড়ির লুক মানেই একরাশ আবেদন। স্লিভলেস লুকের ছবি শেয়ার করেছেন তিনি সম্প্রতি। সাজপোশাকে আবেদনের সঙ্গে আছে স্নিগ্ধতার ছোঁয়া। ক্যাপশনে ভাবনা লিখলেন, 'আমি আর আমার শাড়ি, দুজনেই যেন মায়ায় পোড়া'। সোনালি ব্লক করা মভ-সাদা সুতির শাড়ি পরেছেন ভাবনা সঙ্গে গোলাপি স্লিভলেস ভেলভেট ব্লাউজে আবেদন ছড়াচ্ছেন তিনি সফট গ্ল্যাম মেকওভারে ফলস ল্যাশ, লেন্স আর গোলাপি লিপটিন্ট নজর কাড়ছে সফট কার্লসে ছেড়ে রেছেন চেস্টনাট হাইলাইট করা চুল নাকফুলটি জ্বলজ্বল করছে পুরো লুকের মাঝে হাতে আছে সোনালি চেনের ঘড়ি হালকা রোদে ফুরফুরে স্নিগ্ধ লাগছেন এই লুকে ভাবনা। হাতে আংটি আর কানে ঝোলানো দুল দেখা যাচ্ছে। শাড়ি, ব্লাউজ আর সাজ মিলিয়ে বেশ নজর কেড়েছেন তিনি ছবি: ভাবনার ইন্সটাগ্রাম
গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেমায় কখনো তিনি পুলিশ, কখনো রহস্যভেদী কাকাবাবুর চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। তবে এবার পর্দায় কোনো নায়কোচিত চরিত্র নয়, চিকিৎসকের ভূমিকায় দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। ‘ডাক্তার কাকু’ নামে সিনেমাটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে। পাভেল পরিচালিত সিনেমাটিতে আরও আছেন ঋদ্ধি সেন, এনা সাহা। বাবা ও ছেলের গল্প এই ছবির কেন্দ্রে। দুজনই চিকিৎসক। কিন্তু পেশা এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ব নিয়ে তাঁদের ভাবনায় বিস্তর তফাত। ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের সঙ্গে যখন রোগীর জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব এসে মিশে যায়, তখন সম্পর্কের সেই টানাপোড়েনই ছবির মূল বিষয়। অন্যদিকে চিকিৎসাকে ঘিরে অর্থনৈতিক বৈষম্যও ছবির গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ। ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়ে পড়া, চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ এবং পেশাগত নৈতিকতার সংকট—এসব প্রশ্ন নিয়েও সিনেমাটি কথা বলে। ছবির প্রচারে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ বলেন, তিনি নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের কাছ থেকেও শিখতে চান। ভারতের জাতীয় পুরস্কার পাওয়া তরুণ অভিনেতা ঋদ্ধি সেনও আছেন এই সিনেমায়। তাই ডাক্তার কাকুতে অভিনয় করতে তিনি বিশেষভাবে আগ্রহী হন। ‘ঋদ্ধির কোনো কাজ বা ভিডিও ভালো লাগলে মাঝরাতেও ওকে মেসেজ দিই। নতুন প্রজন্মের নিজস্ব একটি অভিনয়ের ভাষা তৈরি হয়েছে। সেই ভাষার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াও জরুরি। কোনো জটিল দৃশ্য থাকলে শুটিংয়ের আগে ঋদ্ধির সঙ্গে বসে স্ক্রিপ্ট পড়তাম,’ বলেন প্রসেনজিৎ। ‘ডাক্তার কাকু’ সিনেমার পোস্টার থেকে। প্রসেনজিতের ফেসবুক থেকে ‘ডাক্তার কাকু’ ছবিতে প্রথমবার চিকিৎসকের চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎকে। তবে চরিত্রটি শুধু চিকিৎসকের পেশাগত পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে রয়েছে মধ্যবিত্ত মানসিকতা, নিজস্ব বিশ্বাস ও আদর্শবোধ। এমনকি ছেলের সঙ্গে সম্পর্কেও রয়েছে টানাপোড়েন। প্রসেনজিতের ভাষায়, ‘ছবিটিতে বাঙালি মধ্যবিত্ত জীবনের পরিচিত আবহ এবং শিকড়ের কাছাকাছি থাকা বাঙালিয়ানা রয়েছে। চরিত্রটি পরিচিত মনে হলেও এমন চরিত্র আগে করা হয়নি।’ ‘নতুন প্রসেনজিৎ ঋতুপর্ণর আবিষ্কার’ সংবাদ প্রতিদিন–এ দেওয়া আরেকটি সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ মানুষ এবং অতীতের সঙ্গে যুক্ত শিকড়কে আঁকড়ে থাকতে ভালোবাসি। সিনেমাটি সেই শিকড়ের গল্প বলতে চেয়েছে। আমার জীবনেও এমন একাধিক “ডাক্তার কাকু” দেখেছি। তাই চরিত্রটির কথা শুনে রাজি না হয়ে পারিনি।’ গতকাল মুক্তি পেলেও সিনেমাটির নির্মাণপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল করোনা মহামারির আগে। দীর্ঘ সময় পর অবশেষে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে এল।
টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও ফ্যাশন নিয়েও অনুরাগীদের আগ্রহের কমতি নেই। বারবার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও তা নাকচ করে আসছেন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দীর্ঘদিন ধরে পর্দায় নিজের অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দর্শকের মন জয় করা মিমিকে নানা সময় দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন স্টাইলের পোশাকে। কখনো গ্ল্যামারাস, কখনো এলিগ্যান্ট, আবার কখনো একেবারে ছিমছাম সাজে—প্রতিটি লুকেই নিজের মতো করে নজর কেড়েছেন মিমি। এবার তাঁর জীবনে আসতে চলেছে নতুন অধ্যায়। শোনা যাচ্ছে দীর্ঘদিনের প্রেমিক, পেশায় নৌবাহিনীতে কর্মরত এক ব্যক্তির সঙ্গে নভেম্বর মাসে আইনি বিয়ে করতে চলেছেন তিনি। ডিসেম্বর মাসে কালিম্পংয়ে পাহাড়ে হবে বিয়ের আয়োজন। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাই নতুন করে আলোচনায় দুষ্টু কোকিল গান দিয়ে দুই বাংলা জয় করে নেওয়া মিমি। চলুন, তাঁর প্রি-ওয়েডিং ফ্ল্যাশব্যাকে ফিরে দেখা যাক, নানা সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নেওয়া কিছু বোল্ড লুক।গোলাপি ওয়ান-শোল্ডার ক্রপ টপের সঙ্গে জুটি হয়েছে ফুল-পাতার প্রিন্টের হাই-ওয়েস্ট স্কার্ট। পুরো সাজে ফুটে উঠেছে একেবারে নিখুঁত সামার ভাইব। সোনালি ও মেটালিক পুঁতির ভারী এমব্রয়ডারি করা কালো শর্ট ড্রেসে দারুণ গ্ল্যামারাস মিমি। পান্না সবুজ ও কালো রঙের ড্রেসে ধরা দিয়েছেন মিমি। ডিপ ভি-নেকের এই ড্রেসে রয়েছে থ্রি-ডি ফ্লোরাল সিকুইন মোটিফ, নিচের অংশে কালো ফ্রিঞ্জ ডিটেইলিং। সঙ্গে পায়ে পরেছেন গ্লিটারি হাই হিল। গলায় পান্না বসানো ডায়মন্ড নেকলেস ও কানে প্রজাপতি আকৃতির ইয়ার কাফ। চুলে রেখেছেন চমৎকার বাবল পনিটেল। শিয়ার সাদা শাড়ির সঙ্গে নজর কাড়ছে মেটালিক গোল্ডেন ব্লাউজ। জমকালো এই লুককে আরও আকর্ষণীয় করতে খোঁপা করেছেন সুন্দরী আর গলায় পরেছেন ডায়মন্ড চোকারআকর্ষণীয় ব্যাকলেস ব্লাউজের সঙ্গে শাড়ির লুকে মিমি চক্রবর্তী। হলুদ রঙে যেন উষ্ণ আলো ছড়াচ্ছেন তিনি। ড্রামাটিক ও বোল্ড এই লুকে মিমি পরেছেন সাদা ব্র্যালেট টপের ওপর কালো ফ্যাব্রিক জড়ানো ক্রপ টপ। বটমে আছে জমকালো এমব্রয়ডারি করা বেল্টের সাদা-কালো স্কার্ট। সঙ্গে কানে পরেছেন সিলভার মেটালিক ইয়াররিংস। হাতে মেটালিক চেইনের স্টেটমেন্ট কাফ। সাদা ও কালো জ্যামিতিক প্রিন্টের স্ট্র্যাপলেস জাম্পসুটে দেখা দিয়েছেন মিমি। এর সঙ্গে গলায় পরেছেন মেটালিক গোল্ডেন চোকার নেকলেস। কানে শোভা পাচ্ছে মানানসই গোল্ডেন ইয়ার কাফঅল ব্ল্যাক এই লুকে মিমি চোখ ধাঁধাচ্ছেন একেবারে। পরেছেন কালো ব্রালেট ও লো রাইজ স্কার্টের সঙ্গে উইংড কেপ বাদামি শর্ট-স্লিভ ক্রু-নেক টপের সঙ্গে চেক প্রিন্টের স্টাইলিশ মিনি স্কার্ট জুটি হয়েছে এই লুকে । স্মার্ট ক্যাজুয়াল এই আউটফিটের সঙ্গে পায়ে পরেছেন ন্যুড রঙের হাই হিল পাম্পস। চোখে কালো শেডস আর কানে গোল্ডেন হুপস লুকটি সম্পূর্ণ করেছে।রেড লুকে ল্যাটেক্স ওয়ান-শোল্ডার মিনি ড্রেস আর মায়চিং হিলে দেখা দিয়েছেন নায়িকা। সঙ্গে চোখে পরেছেন মানানসই শেডস ডিপনেক, ফুলস্লিভ রয়েল ব্লু ব্লাউজের সঙ্গে ম্যাচিং ফিউশন শাড়ির লুকে মিমি বডি হাগিং কালো গাউন তাঁর পরনে। যেখানে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে এক্সট্রিম কাট-আউট ডিজাইন। অফ-হোয়াইট স্লিভলেস ড্রেসে রয়েছে সাইড হাই-স্লিট ডিটেইলিং। কানে পরেছেন মেটালিক ফ্লোরাল ডিজাইনের বড় ইয়াররিংস। চুল পেছনে টেনে রেখেছেন স্লিক স্টাইলে। ছবি: ইন্সটাগ্রাম