জাতীয়

আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, জরুরি অবতরণ ইরানের উড়োজাহাজের

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, জরুরি অবতরণ ইরানের উড়োজাহাজের
আকাশে তীব্র ঝাঁকুনি, জরুরি অবতরণ ইরানের উড়োজাহাজের

ইরানের মাশহাদ থেকে কেরমানশাহ যাওয়ার পথে সেপেহরান এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। বিস্তারিত ভিডিওতে…

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সংশ্লিষ্ট গুণী ব্যক্তিরাই চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন
সংশ্লিষ্ট গুণী ব্যক্তিরাই চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন

দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুনভাবে বিকশিত করতে সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিরাই নেতৃত্ব দেবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে করণীয়, বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতাসহ একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে উপস্থাপন করা হবে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু এফডিসির উন্নয়ন নয়, বরং সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। অতীতে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যেসব গুণী পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা ও অভিনেত্রী অসাধারণ কাজ করেছেন, সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে চলচ্চিত্রের মান ও শিল্পের সক্ষমতা আরও বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, আমরা এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি, যার মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করে চলচ্চিত্র শিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে আরও কার্যকর করা যাবে। এফডিসিও এ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চলচ্চিত্রের গুণীজনদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ও গুণী ব্যক্তিরাই। সরকার তাদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। চলচ্চিত্র অঙ্গনের মানুষদের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ থেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি অতীতেও এফডিসিতে এসেছেন এবং ভবিষ্যতেও চলচ্চিত্র শিল্পের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে ও তাদের পাশে থেকে কাজ করবেন। আরও পড়ুন অভিনয়ের বাইরে নেতা হিসেবেও সফল যেসব চলচ্চিত্র তারকা এর আগে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অবদানের জন্য ফরিদুর রেজা সাগর, বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, মাসুদ পারভেজ, এ জে মিন্টু, কাজী হায়াৎ, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, ড. মতিন রহমান, মসিহ উদ্দিন শাকেরসহ বেশ কয়েকজনকে সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের অনুরোধে বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন গান পরিবেশন করেন।  অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, এফডিসির এমডি মাসুমা তানি, পরিচালক সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুলসহ চলচ্চিত্র অঙ্গনের গুণীজন, পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। এমএএস/এমএমকে

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
নির্বাচিত ৯ লাখ ৮০ হাজারের বেশি, ৪১৬টি কলেজ শিক্ষার্থী পায়নি

নির্বাচিত ৯ লাখ ৮০ হাজারের বেশি, ৪১৬টি কলেজ শিক্ষার্থী পায়নি

নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প পাস, খরচ বাড়ল আরও দুটি মেট্রোর ও অন্যান্য খবর

নতুন মেট্রোরেল প্রকল্প পাস, খরচ বাড়ল আরও দুটি মেট্রোর ও অন্যান্য খবর

প্রাথমিকের শিক্ষাক্রমে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ বিষয় যুক্ত হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিকের শিক্ষাক্রমে ১২ মাসে ১২টি জীবনঘনিষ্ঠ বিষয় যুক্ত হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

সুদানে সোনার খনিতে ধস, নিহত অন্তত ৮২
সুদানে সোনার খনিতে ধস, নিহত অন্তত ৮২

সুদানের পশ্চিম কর্দোফান রাজ্যে একটি সোনার খনিতে ধস নেমে অন্তত ৮২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। ধসে খনির ভেতরে এখনও বেশ কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার পশ্চিম কর্দোফানের আল-নুহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কোরদোফান অবজারভেটরি নামে একটি পর্যবেক্ষণকারী গোষ্ঠী জানিয়েছে, পাশাপাশি থাকা কয়েকটি খনির সুড়ঙ্গ একসঙ্গে ধসে পড়ায় এই প্রাণহানি ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই স্থানীয়ভাবে খনিতে কাজ করা শ্রমিক। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলেও সেখানে এখনো কোনো বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল পৌঁছায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধসে পড়া মাটি ও বালু সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। তবে আলগা ও বালুময় মাটির কারণে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এলাকাটি নিয়ন্ত্রণকারী আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় অন্তত ৮২ জন নিহত এবং আরও ৫০ জন আহত হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা জানা যায়নি। সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করেই উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া খনি শ্রমিক খাইর আল-সাইয়েদ জাবারা জানান, তিনি ও অন্য শ্রমিকেরা সারা রাত নিজেদের সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ করেছেন। তবে তিনি বলেন, দ্রুত উদ্ধারকাজ চালাতে ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। তিনি বলেন, আর কতজন ভেতরে আটকা পড়ে আছেন, আমরা জানি না। আরেক শ্রমিক আমিন সুলেইমান জানান, খনির সুড়ঙ্গগুলো খুব কাছাকাছি করে তৈরি করা হয়েছিল। ফলে একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার সময় পাশের সুড়ঙ্গগুলোও ধসে যায়। স্থানীয় সূত্রগুলো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, খনিতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ও উদ্ধার সরঞ্জাম না থাকায় মৃতের সংখ্যা এত বেশি হয়েছে। খার্তুমভিত্তিক চিকিৎসকদের সংগঠন সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, খনিতে এখনো উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান চলছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, শ্রমিকদের জন্য খনিটিতে প্রয়োজনীয় মৌলিক নিরাপত্তাব্যবস্থারও ঘাটতি ছিল। সুদানে ছোট ও অনানুষ্ঠানিক সোনার খনিতে নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। এই দুর্ঘটনা আবারও এসব খনিতে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে। সূত্র: এএফপি এমএসএম

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত শিশুদের ৮৫.২ শতাংশই টিকা নেয়নি

চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত শিশুদের ৮৫.২ শতাংশই টিকা নেয়নি

একই ঘরে দুই তরুণী, ‘বাসর’ সাজিয়ে রাতযাপন

একই ঘরে দুই তরুণী, ‘বাসর’ সাজিয়ে রাতযাপন

অবৈধ ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশ

অবৈধ ঋণদাতা অ্যাপের পেমেন্ট সেবা বন্ধের নির্দেশ

জিপিএ-৫ পেয়েও একাদশে ভর্তির সুযোগ পাননি ২২০৫ জন
জিপিএ-৫ পেয়েও একাদশে ভর্তির সুযোগ পাননি ২২০৫ জন

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ শিক্ষার্থী। বুধবার (১৬ আগস্ট) রাত ৮টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেন ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন। আরও পড়ুন একাদশে ভর্তির ফল প্রকাশ অনলাইনে আবেদন করেও ভর্তি সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ১৪ হাজার ৪১৫ জন। বঞ্চিতদের মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২০৫ জন। ফল দেখা যাবে যেভাবে ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। এরপর স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘সাবমিট’ অপশনে ক্লিক করলেই ফল দেখা যাবে। ফলাফলে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে। ফি পরিশোধ-নিশ্চায়ন-মাইগ্রেশন যেভাবে এদিকে প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। এসময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চয়নের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে। একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মোট আসনের ৭ শতাংশ কোটা হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। এএএইচ/এমআইএইচএস

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
কঙ্কালের রাজ্যে একদিন: কী কী আছে চট্টগ্রামের আলোচিত অ্যানাটমি মিউজিয়ামে?

কঙ্কালের রাজ্যে একদিন: কী কী আছে চট্টগ্রামের আলোচিত অ্যানাটমি মিউজিয়ামে?

মুডিসের পূর্বাভাসে অর্থনীতির ঝুঁকি কতটা কাটল

মুডিসের পূর্বাভাসে অর্থনীতির ঝুঁকি কতটা কাটল

আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কাজ চলছে: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

আগামী মাসের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কাজ চলছে: রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত

0 Comments