রাজশাহী বিভাগে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ১০২টি পলিনেট হাউসে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় চরম লোকসানে পড়েছেন কৃষকেরা। তবু সাফল্যের গল্প বানিয়ে বলতে বাধ্য করা হয়েছে তাঁদের। বিস্তারিত দেখুন প্রতিবেদনে...
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
স্মার্টফোনের পাশাপাশি ক্যামেরা দিয়েও এখন দারুণ মানের ভিডিও তৈরি করছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। ইউটিউব, ফেসবুক কিংবা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভ্লগিং করে অনেকেই তৈরি করছেন নিজের পরিচিতি। ফলে কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে। তবে ভালো ভিডিওর জন্য ক্যামেরা বাছাই করা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভ্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ক্যামেরার আকার, ভিডিওর মান, স্ট্যাবিলাইজেশন এবং অডিও সবই দেখতে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন পাঁচটি ক্যামেরা সম্পর্কে, যেগুলো ভ্লগিংয়ের জন্য কাজে লাগতে পারে। ১. ইন্সটা৩৬০ এস প্রো ২ হাতে নিয়ে ঘুরে ঘুরে ভ্লগ করতে চাইলে ইন্সটা৩৬০ এস প্রো ২ হতে পারে ভালো একটি বিকল্প। এটি তুলনামূলক কমপ্যাক্ট এবং ক্রিয়েটরদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। এতে রয়েছে ২.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে। অ্যাক্টিভ এইচডিআর এবং পিওেভিডিও মোড বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ভালো মানের ভিডিও ধারণে সাহায্য করে। উন্নত মাইক্রোফোন ও উইন্ড গার্ড থাকায় বাইরের পরিবেশেও অডিও রেকর্ডিংয়ে সুবিধা পাওয়া যায়। আরও পড়ুন আইফোন ডুওর দাম প্রায় ৫ লাখ, তবুও কেন মানুষ কিনবে ২. গোপ্রো হিরো০১৩ ব্ল্যাক অ্যাডভেঞ্চার বা বাইরে ঘুরে ঘুরে ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে গোপ্রো হিরো০১৩ ব্ল্যাক নজরে রাখতে পারেন। সামনে ও পেছনে ডিসপ্লে থাকায় শুটিংয়ের সময় ফ্রেম দেখা সহজ। ক্যামেরাটি ৫.৩কে ভিডিও এবং ২৭এমপি ছবি তুলতে পারে। হাইপারস্মুথ ৬.০ স্ট্যাবিলাইজেশন চলন্ত অবস্থায় তুলনামূলক স্থির ফুটেজ পেতে সাহায্য করে। এইচএলজি এইচডিআর-এর পাশাপাশি ব্লুটুথ অডিও সাপোর্টও রয়েছে। ৩. সনি জেডভি-১ ভ্লগিংকে গুরুত্ব দিয়েই তৈরি সনি জেডভি-১। এতে রয়েছে ৩ ইঞ্চির সাইড-ফ্লিপ এলসিডি স্ক্রিন, যা নিজের ভিডিও করার সময় বেশ কাজে আসে। ২০ মেগাপিক্সেলের ১ ইঞ্চি এক্সমর আরএস সেন্সর এবং জাইস ২৪-৭০মিমি এফ/১.৮-২.৮ লেন্স ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সাহায্য করে। এতে ৪কে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সুবিধাও রয়েছে। উইন্ডস্ক্রিনসহ ডিরেকশনাল ৩-ক্যাপসুল মাইক্রোফোন অডিও রেকর্ডিংয়ের মান বাড়ায়। ৪. ডিজেআই ওসমো পকেট ৪ ছোট আকারের ক্যামেরা পছন্দ হলে ডিজেআই ওসমো পকেট ৪ দেখতে পারেন। এতে রয়েছে ২ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন এবং ১ ইঞ্চির সিএমওএস সেন্সর। এটি ৪কে ভিডিও ও ৩৭ মেগাপিক্সেলের ছবি ধারণ করতে পারে। তিনটি মাইক্রোফোন, ডিজেআই মাইক-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য এবং থ্রি-অ্যাক্সিস মেকানিক্যাল স্ট্যাবিলাইজেশন ভ্লগিংকে আরও সহজ করে। দ্রুত অটোফোকাস ও এআই সাবজেক্ট ট্র্যাকিং-ও রয়েছে। আরও পড়ুন আইফোন ১৭ সিরিজে কমলা, ১৮-তে কোন রং জনপ্রিয়? ৫. ক্যানন ইওএস আর৫০ ভি যারা একটু বেশি প্রফেশনাল সেটআপ চান, তাদের জন্য ক্যানন ইওএস আর৫০ ভি একটি বিকল্প হতে পারে। এটি একটি মিররলেস ক্যামেরা, যাতে রয়েছে ২৪.২ মেগাপিক্সেল সেন্সর এবং ৩ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন। ১৪-৩০ মিমি পাওয়ার জুম লেন্স, ডুয়াল পিক্সেল সিএমওএস এএফ II এবং ডিজিটাল স্থিতিশীলতা ভ্লগিংয়ের সময় সুবিধা দিতে পারে। পাশাপাশি থ্রি-ক্যাপসুল মাইক্রোফোনের মাধ্যমে পরিষ্কার অডিও রেকর্ড করা সম্ভব। ক্যামেরা কেনার আগে অবশ্যই নিজের ভ্লগিংয়ের ধরন, বাজেট, বহন করার সুবিধা এবং অডিও-ভিডিওর প্রয়োজন বিবেচনা করা উচিত। দামি ক্যামেরা থাকলেই ভিডিও ভালো হবে এমন নয়; ভালো গল্প, পরিষ্কার উপস্থাপনা এবং নিয়মিত মানসম্মত কনটেন্টই শেষ পর্যন্ত দর্শক ধরে রাখার মূল চাবিকাঠি। কেএসকে
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি অজ্ঞাত বস্তু (ক্ষেপণাস্ত্র/ড্রোন) সৌদি আরবের দক্ষিণের জাজান অঞ্চলে আঘাত হেনেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। হামলায় বেশ কয়েকটি ভবন ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ এসব তথ্য জানায়। তবে হুতিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকার একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ওই হামলা চালিয়েছে।জাজান অঞ্চলের আল-তুওয়াল গভর্নরেটে স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার হুতিদের ছোড়া ওই অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানে বলে জানানো হয়েছে। বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র বলেন, এ ঘটনার পরপর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নির্ধারিত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।মুখপাত্র আরও বলেন, বেসামরিক স্থাপনায় যেকোনো ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।তবে হুতিরা বলেছে, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান প্রদেশের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ওই হামলা চালায়।মানদেব প্রণালিতে হুতিদের নিয়ন্ত্রণ, দেশের বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে ইরান-সমর্থিত হুতিরা সাম্প্রতিক দিনগুলোয় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। গত মঙ্গলবার তারা সৌদি আরবের আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান ও নাজরান শহরের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালায়। এ ঘটনায় নারী, শিশুসহ ৭৩ জন আহত হন বলে জানা গেছে।ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরেই সংঘাত চলছে। সৌদি আরব এ সংঘাতে ইয়েমেন সরকারের পক্ষে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আসছে। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় করা চুক্তির আওতায় বছর চারেক ধরে পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল ছিল। তবে গত জুলাই থেকে এ অঞ্চলের আপাতশান্ত পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাগুলো সেটারই প্রমাণ।লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের ওপর ইয়েমেন সরকারের হামলা হুতিরা গত শুক্রবার ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা জানায়। এর আগে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা দখল করে নেয় তারা।এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালির বিকল্প বাণিজ্যপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে হুতিরা।অন্যদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী আল-জাওফ, মারিব ও আল-বায়দা এলাকায় হুতিদের বিরুদ্ধে নতুন করে লড়াই শুরু করেছে।হুতিদের শক্তি কোথায়, বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধে জড়িয়েও কেন পিছু হটল যুক্তরাষ্ট্রআন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ লড়াইয়ে এরই মধ্যে পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো মানুষ।এ সংকট নিয়ে চলতি মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক করেছে। বৈঠকে সংস্থাটির ইয়েমেনবিষয়ক বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ সতর্ক করে বলেন, ইয়েমেনে যুদ্ধ ‘নতুন ও আরও বিপজ্জনক পর্যায়ের’ দিকে এগোচ্ছে।মানদেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি হুতিদের
দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি ‘হেড অব সিআরএম ডিভিশন (ইভিপি/এসইভিপি)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে। এক নজরে দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ তথ্যের ধরন বিবরণ প্রতিষ্ঠানের নাম দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি পদের নাম হেড অব সিআরএম ডিভিশন (ইভিপি/এসইভিপি) পদসংখ্যা নির্ধারিত নয় চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর অভিজ্ঞতা ১৫ বছর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে বয়সসীমা ৫৮ বছর সূত্র বিডিজবস ডটকম আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আবেদন শুরু: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে কর্মস্থল: ঢাকা জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক। আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগনার্স হিসেবে ক্যারিয়ার গড়বেন যেভাবেনৌবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই অফিসার ক্যাডেট হওয়ার সুযোগসেনাবাহিনীর চাকরি পেতে যেসব যোগ্যতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে১১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেবে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনসেনাবাহিনী নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এসএসসি পাসেই আবেদন১৪২ জনকে নিয়োগ দেবে সমরাস্ত্র কারখানা, এসএসসি পাসেও আবেদন৮৫ জনকে নিয়োগ দেবে পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, আবেদন ফি ১০০ টাকাসেনাবাহিনীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, এইচএসসি পাসেই আবেদনের সুযোগ এমআইএইচ