জাতীয়

ভাঁজ করলেও ফোল্ডেবল ফোনের স্ক্রিন ভাঙে না কেন?

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ভাঁজ করলেও ফোল্ডেবল ফোনের স্ক্রিন ভাঙে না কেন?
ভাঁজ করলেও ফোল্ডেবল ফোনের স্ক্রিন ভাঙে না কেন?

একটা স্মার্টফোনের স্ক্রিন মাঝখান থেকে ভাঁজ করে ফেলছেন, অথচ ডিসপ্লে দিব্যি কাজ করছে বিষয়টি অবাক করার মতোই। সাধারণ ফোনের কাচের স্ক্রিনে এমনটা করার চেষ্টা করলে মুহূর্তেই ফাটল ধরতে পারে। কিন্তু ফোল্ডেবল ফোনে বারবার স্ক্রিন খোলা ও বন্ধ করলেও সেটি কীভাবে টিকে থাকে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ডিসপ্লের উপাদান, গঠন এবং বিশেষ হিঞ্জ প্রযুক্তিতে।

বর্তমান সময়ের ফোল্ডেবল ফোনগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে প্রয়োজনের সময় ছোট আকারে ভাঁজ করে রাখা যায় এবং খুললে পাওয়া যায় তুলনামূলক বড় ডিসপ্লে। ফলে স্মার্টফোন ও ছোট ট্যাবলেটের সুবিধা একই ডিভাইসে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এমন একটি ডিসপ্লে তৈরি করা, যা নমনীয় হলেও দীর্ঘদিন ব্যবহারযোগ্য।

ওএলইডি-ই কেন ফোল্ডেবল ফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়?

ফোল্ডেবল ফোনের ডিসপ্লেতে সাধারণত ওএলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এর অন্যতম কারণ হলো ওএলইডি প্যানেলকে অত্যন্ত পাতলা এবং নমনীয় করে তৈরি করা সম্ভব। এলসিডি ডিসপ্লের মতো এর জন্য আলাদা ব্যাকলাইটের প্রয়োজন হয় না। ওএলইডি-এর প্রতিটি পিক্সেল নিজেই আলো তৈরি করতে পারে। ফলে ডিসপ্লের মোট স্তর তুলনামূলকভাবে পাতলা রাখা যায়। আর পাতলা ও নমনীয় গঠনই স্ক্রিনকে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধে বাঁকানোর সুযোগ দেয়।

আরও পড়ুন

নতুন ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আনছে স্যামসাং

সাধারণ কাচের স্ক্রিন নয়

ফোল্ডেবল ফোনের ডিসপ্লে নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো এটি বুঝি সাধারণ স্মার্টফোনের মতো পুরোপুরি কাচের তৈরি। বাস্তবে তা নয়। ডিসপ্লের ওপর বিশেষ নমনীয় কভার উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা স্ক্রিনকে দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।

এই নমনীয় স্তরের কারণে স্ক্রিন ভাঁজ করার সময় সাধারণ কাচের মতো সহজে ভেঙে যায় না। তবে ফোল্ডেবল স্ক্রিন যে একেবারেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এমন নয়। ধারালো বস্তু দিয়ে আঁচড়, অতিরিক্ত চাপ, আঘাত কিংবা ভুলভাবে ব্যবহারে ডিসপ্লে নষ্ট হতে পারে।

স্ক্রিনের ভেতরে একাধিক স্তর

ফোল্ডেবল ওএলইডি ডিসপ্লে আসলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্তরের সমন্বয়ে তৈরি। এর মধ্যে থাকে সাবস্ট্রেট, টিএফটি, ওএলইডি এবং সুরক্ষামূলক কভার স্তর। সাবস্ট্রেট পুরো ডিসপ্লে কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। টিএফটি স্তর পিক্সেল নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক সংকেত পরিচালনা করে। ওএলইডি স্তরে থাকা পিক্সেলগুলো আলো তৈরি করে ছবি দেখায়।

সবশেষে থাকা কভার স্তর ডিসপ্লের উপরের অংশকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এই স্তরগুলোর উপাদান ও গঠন এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়, যাতে ডিসপ্লে বাঁকানোর সময় অতিরিক্ত চাপ তৈরি না হয়।

আরও পড়ুন

গ্যালাক্সি জেড ট্রাইফোল্ড: ৩ ভাঁজ করা ফোন আনলো স্যামসাং

শুধু স্ক্রিন নয়, হিঞ্জও গুরুত্বপূর্ণ

ফোনের ডিসপ্লে নমনীয় হলেই কিন্তু ফোল্ডেবল ফোন তৈরি করা যায় না। এর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফোনের হিঞ্জ বা কবজা ব্যবস্থা। ফোনের মাঝখানে থাকা এই মেকানিজম নির্দিষ্ট পথে দুই অংশকে ভাঁজ ও খোলার সুযোগ দেয়।

ফলে স্ক্রিনকে ইচ্ছামতো মোচড়ানো হয় না; বরং নির্দিষ্টভাবে বাঁকানো হয়। ডিসপ্লের নমনীয় স্তর এবং হিঞ্জের নকশা একসঙ্গে কাজ করেই ফোল্ডেবল ফোনকে এই বিশেষ সুবিধা দেয়।

তাহলে কি ফোল্ডেবল স্ক্রিন কখনো ভাঙবে না?

একেবারেই তা নয়। ফোল্ডেবল ফোনের ডিসপ্লে সাধারণ ফোনের তুলনায় নমনীয় হলেও এটি অক্ষত রাখার জন্য ব্যবহারকারীকেও সতর্ক থাকতে হয়। বিশেষ করে স্ক্রিনে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া, ধুলা-ময়লা জমতে দেওয়া বা ধারালো বস্তুর সংস্পর্শে আনা থেকে বিরত থাকা উচিত।

অর্থাৎ, ফোল্ডেবল ফোনের স্ক্রিন ভাঁজ করেও টিকে থাকার রহস্য কোনো একক প্রযুক্তিতে নয়। নমনীয় ওএলইডি প্যানেল, একাধিক বিশেষ স্তর, সুরক্ষামূলক কভার এবং উন্নত হিঞ্জ প্রযুক্তি সবকিছুর সমন্বয়েই সম্ভব হয়েছে এই প্রযুক্তি। তাই ফোনের স্ক্রিন ভাঁজ হলেও তা সাধারণ কাচের মতো ভেঙে যায় না।

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নটর ডেম কলেজে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
নটর ডেম কলেজে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

নটর ডেম কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ ফল পাওয়া যাচ্ছে। ফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার মধ্যে কলেজের ওয়েবসাইটে গিয়ে ভর্তির ফরম পূরণ করতে হবে। ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিকাশের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে হবে। আরও পড়ুন এসএসসি পাস করেও একাদশে ভর্তি হচ্ছে না প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী পূরণকৃত ভর্তির ফরম ডাউনলোড করে ‘এ ফোর’ সাইজের সাদা কাগজে উভয় পৃষ্ঠা প্রিন্ট করে নিজের কাছে সংরক্ষিত রাখতে হবে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার কলেজে সশরীরে গিয়ে জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে কলেজের ওয়েবসাইটে জানানো হবে। ভর্তি ফি কোন বিভাগে কত নটর ডেম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের বাংলা মাধ্যমে ভর্তি সর্বমোট ফি (অনলাইন চার্জসহ) ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা ৪০ পয়সা। বিজ্ঞান বিভাগের ইংরেজি ভার্সনে অনলাইন চার্জসহ মোট ফি ৩৪ হাজার ২৭৯ টাকা ৪০ পয়সা। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে অনলাইন চার্জসহ মোট ফি ১৯ হাজার ৫৩৩ টাকা ৪০ পয়সা। মোট ফির মধ্যে ভর্তি ফি, টিউশন ফি (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০২৬), কলেজ ড্রেস, খাতা, ব্যাগ, টি-শার্ট, ল্যাব, রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য খাতের ফি রয়েছে। আরও পড়ুন একাদশে ভর্তিতে প্রায় ১০ লাখ আবেদন, ফল ১৬ সেপ্টেম্বর এদিকে, চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর আসন খালি থাকা সাপেক্ষে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দ্বিতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় মেধাতালিকা তৈরিতে লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রম অনুসরণ করা হবে বলেও কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এএএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
কেমন ছিল আশির দশকের ফ্যাশন

কেমন ছিল আশির দশকের ফ্যাশন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎ

গাড়ি ব্যবহারে অনিয়মে জড়িত এই আমলারা, জানতে চাইলে জবাব, ‘আমি একা করি নাকি'

গাড়ি ব্যবহারে অনিয়মে জড়িত এই আমলারা, জানতে চাইলে জবাব, ‘আমি একা করি নাকি'

জিন্নাহর দুটো মৃত্যুই করুণ হলো
জিন্নাহর দুটো মৃত্যুই করুণ হলো

জিন্নাহর প্রথম মৃত্যু হয়েছিল ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮। অ্যাম্বুলেন্সের পেট্রল ফুরিয়ে যাওয়ায় রাস্তার ধারে তাপ আর অপেক্ষায় পড়ে থেকে। দ্বিতীয় মৃত্যুটা হলো ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬—ডাকসুর সংগ্রহশালায়। ছবি ছিঁড়ে।প্রথমবার কেউ চেনেননি যে রাস্তার ধারে শুয়ে আছেন পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। দ্বিতীয়বার সবাই চিনলেন। চিনেই টেনেহিঁচড়ে নামানো হলো।১১ আগস্ট ১৯৪৭, করাচিতে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে জিন্নাহ বলেছিলেন, মন্দিরে, মসজিদে যাওয়ার স্বাধীনতা সবার। ধর্ম রাষ্ট্রের কাজের সঙ্গে জড়িত নয়। সময়ের সঙ্গে হিন্দু-মুসলিম পরিচয় রাজনৈতিক অর্থে মিলিয়ে যাবে, প্রত্যেকে প্রথমে এই রাষ্ট্রের নাগরিক হবে।সেই ভাষণ আজও জিন্নাহর সবচেয়ে উদ্ধৃত বক্তব্য। উদ্ধৃত করা হয়, পালন করা হয় না। পাকিস্তান সংবিধানও দিতে পারেনি। তিনি যে দুটো কাজ তুলে ধরেছিলেন, তার একটিও শেষ হয়নি।তারপর ১৯৪৮ সালের মার্চে ঢাকায় এসে জিন্নাহ আরেক কথা বলেন। রেসকোর্স ময়দানে আর কার্জন হলে: উর্দু অ্যান্ড অনলি উর্দু উইল বি দ্য স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ অব পাকিস্তান।যে মানুষটা আগস্টে বলেছিলেন ধর্ম রাষ্ট্রের কাজের অংশ নয়, তিনিই মার্চে ভাষাকে ইসলামি সংস্কৃতির বাহন বানিয়ে দিলেন। ঢাকার ছাত্ররা সেদিনই ধিক্কার দিয়েছিল। সেই ধিক্কৃত ছবিই ডাকসুর দেয়ালে টাঙানো হয়—ইতিহাস শেখানোর নামে।ইতিহাসের থলে থেকে বিড়াল উঁকি দিচ্ছে। এবার থলের বিড়ালটা বের করা যাক, যেহেতু টানাটানি শুরু হয়েছে।জিন্নাহ প্রাকটিসিং মুসলিম ছিলেন না। সুট-টাই, সিগার, হুইস্কি, লন্ডনের ব্যারিস্টারি—এগুলোই তাঁর দৈনন্দিন জীবন ছিল। তাঁর নামাজ-রোজা আদায়ের খবর ইতিহাসে কম। তিনি ইসমাইলি ঘর থেকে এসে সুন্নি রাজনীতি করেছেন, কিন্তু ধর্ম তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাসের চেয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ার বেশি ছিল।জিন্নাহর স্ত্রী ছিলেন রতনবাই পেটিট। মুম্বাইয়ের ধনী পারসি পরিবারের মেয়ে। জরাথুষ্ট্রীয়। বিয়ের আগে ইসলাম গ্রহণ করে নাম হয় মরিয়ম, কিন্তু তিনি নিজে রুত্তিই থাকতেন। বাবার অমতে, সম্প্রদায় ত্যাগ করে ৪২ বছর বয়সী জিন্নাহকে ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করেন। পারসি সমাজ তাঁকে ত্যাগ করে। মুসলিম আলেমদের একদল বিয়েটাকে অনৈসলামিক বলে।মেয়ে দিনা পরে অমুসলিমকে বিয়ে করলে বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ভেঙে যায়। দিনা তখন বাবা জিন্নাহকে মনে করিয়ে দেন, তুমি তো নিজেও পারসি মেয়েকে বিয়ে করেছিলে।যে মানুষটা নিজে ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করতে চেয়েছিলেন, যাঁর ঘর পারসি-মুসলিম মিশেলে তৈরি, যাঁর শেষযাত্রায় অ্যাম্বুলেন্সও পেট্রল পায়নি, তাঁকে এখন কেউ ইসলামের প্রতীক বানাচ্ছেন। তাঁকে নিজেদের মতো করে মারছেন।ডাকসুর বাড়াবাড়ি তাই জিন্নাহর দ্বিতীয় মৃত্যু হয়ে দাঁড়াল।জিন্নাহ যদি আজ বেঁচে থাকতেন, হয়তো আবার সেই কথাই বলতেন, ইউ আর ফ্রি টু গো টু ইয়োর টেম্পেলস, ইউ আর ফ্রি টু গো টু ইয়োর মস্কস।জিন্নাহ দুবার মরলেন। দ্বিতীয়বার মারল কায়েমি স্বার্থবাদীরা।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা

মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা

রাইস সলিউশন অ্যাপ, কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের উদ্যোগ

রাইস সলিউশন অ্যাপ, কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের উদ্যোগ

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু

বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শূন্য আসনে (ঠাকুরগাঁও-১) উপনির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। আরও পড়ুন ঠাকুরগাঁও-১ / মির্জা ফখরুলের আসনে উপনির্বাচনের ভোট ২৯ অক্টোবর গত ২০ আগাস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরদিন তিনি শপথ নিলে ওই আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। এই আসনে আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন (ইসি) এই আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। কেএইচ/ইএ

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কয়বার ধুয়ে পাক করতে হবে?

কুকুরের লালা কাপড়ে লাগলে কয়বার ধুয়ে পাক করতে হবে?

ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে

ঢাকায় নিয়োগ দিচ্ছে ওয়ালটন, আবেদন অনলাইনে

টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই: গ্রেফতার ৫

টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই: গ্রেফতার ৫

0 Comments