অপরাধ

সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো করেন প্রেমিক

Montu Mian সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো করেন প্রেমিক
সুটকেসে না ধরায় প্রেমিকার মরদেহ দুই টুকরো করেন প্রেমিক

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ডোবার পানিতে সুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর পিবিআই। হত্যায় ব্যবহৃত বটি, দা, মোবাইল ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রেম, পূর্বের বিয়েসহ নানা বিষয়ে ক্ষোভের জন্ম থেকে ওই নারীকে তার প্রেমিক হত্যা করে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান গাজীপুর জেলার পিবিআই’র পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার।

গ্রেফতার মো. মিশন ইসলাম (২২) বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মো. মাসকুর আলমের ছেলে, তার মা বানু আক্তার (৪৩) ও গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার বুড়াবুড়ি গ্রামের মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪)। মাসহ মিশন ইসলাম গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসী ভিটা সাগর মার্কেট এলাকার আনোয়ারের ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

নিহত ডলি আক্তার (৩০) ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার পাহাড় পাবিজান গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ডলি গাজীপুরের বানিয়ারচালা একটি কারখানায় কাজের পাশাপাশি ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের খালের পানিতে একটি সুটকেস, পাশের একটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা এক নারীর খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের বড় ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় মামলা রুজু করেন। মামলা রুজুর পর নিহতের পরিচয় শনাক্তসহ ছায়া তদন্ত শুরু করে গাজীপুর পিবিআই।

গাজীপুর পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারী জানান, তদন্তের এক পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যায় জড়িত সন্দেহে মো. মিজানুর রহমান মিল্টন, মো. মিশন ইসলাম ও তার মা বানু আক্তারকে গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসীভিটা এলাকার আলাদা ভাড়া বাসা থেকে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ডলি আক্তার ও মো. মিশন ইসলাম একই কারখানায় কাজে সুবাদে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। সম্পর্কের সূত্রে গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের ভাড়া বাসায় যান ডলি আক্তার। সেখানে মিশন, তার মা বানু আক্তার ও ডলি একসঙ্গে রাতের খাবার খান। পরে মিশন ও ডলি একই রুমে ও বানু আক্তার পাশের রুমে ঘুমাতে যান।

এসময় বিয়েসহ পূর্বের বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ও কথা কাটাকাটি হলে ডলিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন মিশন ইসলাম। রাতেই ডলিকে ঘুম ও এলার্জির ওষুধ খাওয়ান মিশন। ডলি ঘুমিয়ে গেলে রাত ২টার দিকে মিশন তার লুঙ্গি পেঁচিয়ে ও বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে করে মরদেহ ঘরের চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখেন। পরদিন সকালে মিশনের মা বানু আক্তার ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময় চৌকির নিচে ডলির মরদেহ দেখতে পান। পরে মা ও সন্তান পরিকল্পনা করে মরদেহটি গুম করার জন্য বাজার থেকে একটি সুটকেস নিয়ে আসেন। মরদেহ সুটকেসে না ধরায় ব্লেড সংগ্রহ করেন। পরে বটি, দা ও ব্লেড ব্যবহার করে মরদেহটি কোমর থেকে দুই খণ্ড করেন। মরদেহের এক খণ্ড সুটকেসে, অপর খণ্ড পলিথিনে মুড়িয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখেন।

বাসা পরিবর্তনে সহযোগিতার কথা বলে বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনকে ডেকে আনেন মিশন ইসলাম। মিশনের বাসায় এসে সুটকেস ও বস্তা অটোরিকশায় ওঠান মিল্টন। পরে মিশন, বানু আক্তার ও মিল্টন অটোরিকশায় রাজেন্দ্রপুর যান, সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভবানীপুর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে সুটকেস ও বস্তা খালের পানিতে ফেলে দেন। এসময় মিল্টনের হাতে রক্ত লাগলে বস্তা ও সুটকেসে কী রয়েছে মিশনের কাছে জানতে চান। মিশন ডলির মরদেহ থাকার বিষয়টি জানালে তারা নিজদের বাসায় চলে যায়।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যে মিশন ইসলামের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ডলির মরদেহ দ্বিখণ্ডিত করতে ব্যবহার করা বটি, দা, মৃতদেহ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, ডলি আক্তারের জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করে পিবিআই।

গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার বলেন, মরদেহটি পচে যাওয়ায় প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ক্রাইমসিন বিশ্লেষণ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্বস্ত সোর্সের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

শিহাব খান/এফএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

অপরাধ

View more
কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশির সন্ধানে লন্ডন পুলিশ
কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশির সন্ধানে লন্ডন পুলিশ

যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই বাংলাদেশি নাগরিককে খুঁজছে দেশটির পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়ক তথ্যের জন্য ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ঘোষণা করেছে দাতব্য সংস্থা ক্রাইম স্টপার্স।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার

শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, যা বললেন আসিফের স্ত্রী

গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, যা বললেন আসিফের স্ত্রী

ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: মার্কিন জেনারেল
ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: মার্কিন জেনারেল

উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার পক্ষে ইউক্রেন যুদ্ধ অংশ নিয়ে সেনা মোতায়েনের দক্ষতা অর্জন করেছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন ফোর্সেস কোরিয়ার কমান্ডার জেনারেল জেভিয়ার ব্রুনসন।

D HASAN অক্টোবর ১৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে

ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

প্রিজনভ্যানের তালা খুলে ‘পিচ্চি রাজা’কে প্রাইভেটকারে তুলে দেন এসআই প্রবীর
প্রিজনভ্যানের তালা খুলে ‘পিচ্চি রাজা’কে প্রাইভেটকারে তুলে দেন এসআই প্রবীর

ঢাকা থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফেরার পথে শীর্ষ মাদক কারবারি রাজা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’কে প্রিজনভ্যান থেকে বের করে একটি প্রাইভেটকারে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রবীর কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।

D HASAN অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা বারবার, ব্যর্থতা কোথায়?

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা বারবার, ব্যর্থতা কোথায়?

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টার খবর ভিত্তিহীন: টোয়াস

সুন্দরবনে পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টার খবর ভিত্তিহীন: টোয়াস

লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ সিসিটিভির দাবিতে নোটিশ

লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ সিসিটিভির দাবিতে নোটিশ

0 Comments