স্মার্ট টিভিতে অনুষ্ঠান দেখা, গান শোনা কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর নানা তথ্যও সংগ্রহ করা হয়। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এলজির স্মার্ট টিভি নিয়ে সাম্প্রতিক এক তদন্তে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, এলজির কিছু স্মার্ট টিভি ঘরের কথাবার্তা রেকর্ড করতে পারে এবং পরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব তথ্য প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে পাঠাতে পারে। টিভি ‘স্ট্যান্ডবাই মোডে’ থাকা অবস্থাতেও এমনটি ঘটতে পারে বলে দাবি তাঁদের।
ইউটিউব চ্যানেল গেমার্স নেক্সাস ও লেভেল ১ টেকস দুই নিরাপত্তা বিশ্লেষকের সহায়তায় এই তদন্ত চালিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, এলজির স্মার্ট টিভি ব্যবহারকারীর দেখা কনটেন্টের তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি একই নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য যন্ত্র, আশপাশের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক এবং টিভির মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণ করা অডিও সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এসব তথ্য লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হয় বলেও তাঁদের দাবি। গেমার্স নেক্সাসের প্রধান স্টিভ বার্ক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসকে বলেন, একটি টেলিভিশনকে এ ধরনের তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই। তাঁর মতে, এভাবে তথ্য সংগ্রহ করা ব্যবহারকারীর গোপনীয়তার জন্য গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।
তদন্তকারীদের মতে, এলজি টিভির তথ্য সংগ্রহের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হলো অটোমেটিক কনটেন্ট রিকগনিশন বা এসিআর। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি অডিও ও ভিডিওর ছোট অংশ সংগ্রহ করে সেগুলো বিভিন্ন কনটেন্টের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারে। এর মাধ্যমে টিভির পর্দায় কী দেখা হচ্ছে কিংবা স্পিকারে কী শোনা হচ্ছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব। এসিআর প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যবহারকারীর টেলিভিশন দেখার ও অডিও শোনার অভ্যাস সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা যায়। পরে এসব তথ্য ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও আচরণের ভিত্তিতে প্রোফাইল তৈরি করা হতে পারে বলে তদন্তে দাবি করা হয়েছে।
স্মার্ট টিভিতে এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার অবশ্য এলজির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন নির্মাতার স্মার্ট টিভিতে এসিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে দর্শকের দেখার অভ্যাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে এলজি টিভির ভয়েস রিকগনিশন ব্যবস্থা নিয়ে গেমার্স নেক্সাসের তদন্তে আলাদা কিছু অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, টিভি কোনো ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করার পরও আরও ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড পর্যন্ত ‘ট্রিগার উইন্ডো’ সক্রিয় থাকে। এই সময় ঘরে বলা কথাবার্তা টিভি রেকর্ড করতে পারে। পরে রেকর্ড করা কথাগুলো লিখিত রূপে রূপান্তর করে টিভির মেমোরিতে সংরক্ষণ করা হতে পারে বলেও দাবি তাঁদের। তাঁদের আরও দাবি, টিভি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও অডিও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এ সময় সংগৃহীত তথ্য টিভিতে সংরক্ষিত থাকার পর আবার ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হলে সার্ভারে পাঠানো হতে পারে।
তদন্তকারীদের দাবি, এলজি টিভির তথ্য সংগ্রহ শুধু টেলিভিশনে দেখা কনটেন্ট বা ঘরের কথাবার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য যন্ত্র সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে টিভি। তদন্তে বলা হয়েছে, টিভি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্ক্যান করে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচসহ বিভিন্ন যন্ত্র শনাক্ত করতে পারে। এভাবে একটি পরিবারের কোন কোন যন্ত্র রয়েছে, সেগুলো কীভাবে নেটওয়ার্কে যুক্ত আছে এবং পরিবারের প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।
এলজির তথ্য অনুযায়ী, শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই প্রতিষ্ঠানটি ৩৮ কোটি ৬০ লাখ তথাকথিত ‘সেকেন্ডারি ডিভাইস’ শনাক্ত করে। বিশ্বজুড়ে বিক্রি হওয়া স্মার্ট টিভির সংখ্যা ২১ কোটি ৬০ লাখের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। গেমার্স নেক্সাস এলজির কর্মকর্তাদের বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে এসব সক্ষমতা তুলে ধরার কয়েকটি ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেছে। এলজি অ্যাড সলিউশন্সের ডেটা সলিউশন্স বিভাগের প্রধান জুলিয়ান জিলবারব্র্যান্ড একটি বিপণন প্ল্যাটফর্মকে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, একটি পরিবারের সদস্য কারা, সেখানে কোন কোন যন্ত্র রয়েছে এবং টেলিভিশনে ব্যবহারকারীরা কী দেখছেন—এসব তথ্য এলজির জানা থাকে। টেলিভিশনে দেখানো বিজ্ঞাপনের প্রভাব একই পরিবারের মোবাইল ডিভাইসেও ছড়িয়ে দিতে এসব তথ্য কাজে লাগানো যায় বলে তিনি জানান।
এলজি অ্যাড সলিউশন্সের প্রেসিডেন্ট সার্জ মাত্তা এক ভিডিওতে বলেন, টেলিভিশনের পর্দা যেহেতু এলজির নিয়ন্ত্রণে, তাই টিভির ওপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিভাগের প্রধান জাস্টিন ফ্রমও এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এলজির নিজস্ব এসিআর তথ্যের মাধ্যমে টেলিভিশনের পর্দায় কী দেখানো হচ্ছে, তা তারা জানতে পারে।
স্মার্ট যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে যুক্তরাজ্যের ভোক্তা অধিকারবিষয়ক প্রতিষ্ঠান উইচ এক তদন্তে জানিয়েছিল, স্মার্ট টিভি, স্মার্ট স্পিকার এমনকি এয়ার ফ্রায়ারেও ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন ট্র্যাকার রয়েছে।
এলজি বলছে, তাদের টিভিতে তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহারকারীর সম্মতির ভিত্তিতে চালু করা হয়। তবে গেমার্স নেক্সাসের তদন্তকারীদের অভিযোগ, এসব সুবিধার শর্তাবলি এত দীর্ঘ ও জটিল যে সাধারণ ব্যবহারকারীর পক্ষে সেগুলো পুরোপুরি বুঝে সম্মতি দেওয়া কঠিন। তদন্তে বলা হয়েছে, এলজি টিভির এসিআর ট্র্যাকিং ব্যবস্থায় সম্মতি দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে প্রায় ৫০ হাজার শব্দের শর্তাবলি মেনে নিতে হয়। একজন সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কের পুরো নথিটি পড়তে প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
এ ছাড়া টিভিতে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর সামনে ছয়টি আলাদা চুক্তি বা সম্মতির বিষয় আসে। তদন্তকারীদের দাবি, এসব ক্ষেত্রে ‘সিলেক্ট অল’ অপশনটি আগে থেকেই নির্বাচন করা থাকে। ফলে ব্যবহারকারী সব শর্তে সম্মতি দিলে এসিআর ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের অনুমতিও দিয়ে ফেলতে পারেন।
তদন্তকারীরা এলজির স্মার্ট পণ্য ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন। যাঁদের ইতিমধ্যে এলজি স্মার্ট টিভি রয়েছে, তাঁদের টিভিকে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। স্টিভ বার্ক বলেন, এলজির তথ্য সংগ্রহের পরিমাণ অত্যন্ত অনুপ্রবেশমূলক। তাঁর মতে, বিশেষ করে হাজার হাজার ডলার খরচ করে কোনো পণ্য কেনার পর সেটির ওপর ব্যবহারকারীর মালিকানা থাকা উচিত।
তবে তদন্তকারীদের এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে এলজি। ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, সম্প্রতি প্রকাশিত ভিডিওতে এলজি টিভি সম্পর্কে যেসব দাবি করা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয়। এলজির মতে, ব্যবহারকারী রিমোট কন্ট্রোলের ভয়েস বোতাম চেপে ধরে রাখলে অথবা আগে থেকে ফার-ফিল্ড ভয়েস রিকগনিশন সুবিধা চালু করার পর ‘হাই এলজি’–এর মতো ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত হলেই কেবল টিভি ভয়েস ডেটা প্রক্রিয়া করে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এসব পরিস্থিতি ছাড়া টিভি ঘরের স্বাভাবিক কথাবার্তা সংগ্রহ বা রেকর্ড করে না। ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত না হলে কোনো ভয়েস ডেটা সার্ভারে পাঠানো হয় না। ওয়েক ওয়ার্ড শনাক্ত করার কাজটি টিভির ভেতরেই সম্পন্ন হয় এবং এরপর সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলা হয়।
একই নেটওয়ার্কে থাকা কাছাকাছি ডিভাইস শনাক্ত করার বিষয়েও এলজি বলেছে, স্মার্ট টিভির বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্মার্ট টিভি ও অন্যান্য স্মার্ট হোম ডিভাইসে এই সুবিধা সাধারণভাবেই ব্যবহৃত হয়। এলজির দাবি, এসিআর সুবিধা ব্যবহারকারীর সম্মতির ভিত্তিতে চালু করা হয়। ব্যক্তিগতকৃত কনটেন্টের সুপারিশ, বিভিন্ন সেবা ও বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য এই তথ্য ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারী সংশ্লিষ্ট ঐচ্ছিক চুক্তিতে সম্মতি না দিলে বিজ্ঞাপনের কাজে এসিআর তথ্য ব্যবহার করা হয় না।
সূত্র: ডেইলি মেইল
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন
প্রায় দুই দশক ধরে অভিনয় দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী ও মডেল নুসরাত ইমরোজ তিশা। সাবলীল অভিনয়ের পাশাপাশি তার সৌন্দর্য ও নিজস্ব ফ্যাশন স্টাইলও বরাবরই প্রশংসিত হয়েছে। এবার শাড়িতে তিশার মিষ্টি ও লাজুক হাসির ছবি নজর কেড়েছে ভক্তদের। মডেলিংয়ের চেয়ে অভিনয়কেই বরাবর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিশা। ফ্যাশন স্টেটমেন্টেও তিনি প্রশংসিত হলেও সাধারণ ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই অভিনেত্রী। বিশেষ করে শাড়িতে তার উপস্থিতি বরাবরই আলাদা নজর কাড়ে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন তিশা। ছবিগুলোতে তাকে দেখা গেছে লাল শাড়িতে। সঙ্গে ছিল কাচের চুড়ি ও মানানসই অলংকার। কখনো ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি, আবার কখনো মুখ আড়াল করে লাজুক ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন অভিনেত্রী। তিশার এমন মায়াবী লুক ও লাজুক হাসি যে ভক্তদের নজর কেড়েছে, তা তাদের মন্তব্য দেখলেই বোঝা যায়। ছবি প্রকাশের পরপরই তার অনুসারীরা নানা প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছেন। তবে শুধু ছবিই নয়, পোস্টের ক্যাপশনেও ছিল রহস্যের আভাস। ছবিগুলোর সঙ্গে তিশা লিখেছেন ‘কোয়ায়েটলি বিকামিং!’ অর্থাৎ নীরবে নিজেকে বদলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ে তার উপস্থিতি কিছুটা কমলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজ, পরিবার ও জীবনের নানা বিশেষ মুহূর্ত নিয়মিতই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী। এলআইএ
নতুন ওয়েব ফিকশনের শুটিং শুরু করলেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি। ‘সেপারেশন’ নামের এই ওয়েব ফিকশনটি পরিচালনা করছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। এতে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়ক নিরবকে। রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বর্তমানে চলছে ‘সেপারেশন’র শুটিং। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শুটিংয়ের একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে নতুন কাজটির খবর জানান পরীমনি। ছবিতে ‘বিসমিল্লাহ’ লিখে ফিকশনটির নাম ও পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নাম উল্লেখ করেন তিনি। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের সঙ্গে পরীমনির এটি দ্বিতীয় কাজ। এর আগে এই নির্মাতার ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পরীমনি। এবার ওয়েব ফিকশনে নতুন চরিত্রে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। আরও পড়ুন জেমসের সঙ্গে দেখা হতেই পা ছুঁয়ে সালাম রূপমের ‘সেপারেশন’সিনেমায় পরীমনি ও ইমতিয়াজ বর্ষণের জুটি নিয়েও তৈরি হয়েছে আগ্রহ। তবে ফিকশনটির গল্প বা তাদের চরিত্র সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। বিশেষ চরিত্রে নিরবের উপস্থিতিও নতুন এই কাজকে ঘিরে কৌতূহল বাড়িয়েছে। আইসক্রিন প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে ‘সেপারেশন’। তবে মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। রাজধানীর ৩০০ ফিটসহ বিভিন্ন লোকেশনে পর্যায়ক্রমে চলছে ওয়েব ফিকশনটির শুটিং। আরও পড়ুন রুমি কারিমকে ঘিরে জয়ের মন্তব্য, বললেন ‘হিরো আলমই ভালো ছিল’ নতুন এই কাজ নিয়ে পরীমনির ভক্তদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ‘সেপারেশন’-এ পরীমনিকে কেমন চরিত্রে দেখা যায় এবং ইমতিয়াজ বর্ষণের সঙ্গে তার নতুন জুটি দর্শকদের কতটা টানে। এমআই/এমএমএফ