জাতীয়

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?
সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে কাঁচা ডিমের মতো ইচ্ছেমতো বাইরে রেখে দেওয়া যাবে না। রান্না করা ডিম দ্রুত ঠান্ডা করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখতে হবে।

ঘরের তাপমাত্রায় কতক্ষণ নিরাপদ?

সিদ্ধ ডিম রান্না করার পর ঘরের তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ রেখে দেওয়া নিরাপদ নয়। সাধারণভাবে রান্না করা ডিম দুই ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখতে হবে। আর পরিবেশের তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে এই সময় কমে এক ঘণ্টা হয়। কারণ উষ্ণ পরিবেশে সালমোনেলাসহ খাদ্যবাহিত জীবাণু দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

তাই সকালে ডিম সিদ্ধ করে কয়েক ঘণ্টা রান্নাঘরের টেবিলে রেখে দিয়ে পরে ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়। দুই ঘণ্টার বেশি বাইরে পড়ে থাকলে সেটি না খাওয়াই ভালো।

কীভাবে ফ্রিজে রাখবেন?

ডিম সিদ্ধ করার পর দ্রুত ঠান্ডা করে পরিষ্কার, ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে ফ্রিজে দিন। ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা প্রায় ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকা উচিত।

সম্ভব হলে খোসা না ছাড়িয়েই ডিম সংরক্ষণ করুন। খোসাসহ রাখলে ডিমের ভেতরের অংশ বাইরের পরিবেশের সংস্পর্শ থেকে তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত থাকে। এফডিএ ও ইউএসডিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, সিদ্ধ ডিম খোসাসহ বা খোসা ছাড়ানো অবস্থায় ফ্রিজে সর্বোচ্চ সাত দিন রাখা যায়।

ফ্রিজের দরজার তাকে না রেখে ভেতরের স্থির ঠান্ডা অংশে রাখা ভালো। দরজা বারবার খোলার কারণে সেখানে তাপমাত্রার ওঠানামা তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

ডিপ ফ্রিজে রাখবেন?

সিদ্ধ ডিম ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ না করাই ভালো। ফ্রিজারে রাখলে ডিমের গঠন ও বিশেষ করে সাদা অংশের স্বাদ-টেক্সচারে পরিবর্তন আসতে পারে। এফডিএর খাদ্যনিরাপত্তা নির্দেশনাতেও সিদ্ধ ডিম ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে এক সপ্তাহের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে এবং ফ্রিজারে না রাখার পরামর্শ রয়েছে।

আরও পড়ুন

পেট থেকে গড়গড় শব্দ কেন হয়?

কুসুম ধূসর হয়ে গেলে কি ডিম নষ্ট?

সিদ্ধ ডিমের কুসুমের চারপাশে ধূসর বা সবুজাভ একটি আবরণ দেখা গেলে সবসময় ডিম নষ্ট হয়েছে-এমন নয়। সাধারণত অতিরিক্ত সময় ধরে বা বেশি তাপে ডিম সিদ্ধ করলে কুসুমের চারপাশে এমন রং তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন

পিৎজা খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

কখন ডিম ফেলে দেবেন?

ফ্রিজে রাখা ডিমেও যদি তীব্র দুর্গন্ধ, অস্বাভাবিক পিচ্ছিলতা বা দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়, তাহলে সেটি না খেয়ে ফেলে দিন।

একসঙ্গে ৭-৮টি ডিম সিদ্ধ করে দু-একটি বেঁচে গেলে চিন্তার কিছু নেই। সিদ্ধ করার দুই ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখুন, সাত দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলুন। এভাবেই ব্যস্ত জীবনে আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা ডিমও নিরাপদে খেতে পারবেন।

সূত্র: সাউদার্ন লিভিং, ওয়েব এমডি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

এসএকেওয়াই

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর ও অন্যান্য খবর
সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর ও অন্যান্য খবর

শিল্পকারখানা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আগের মতো গ্যাস-বিদ্যুৎ পাবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া দিনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে…

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের মিছিলে যোগ দিয়ে আরও ৯ জন কারাগারে

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের মিছিলে যোগ দিয়ে আরও ৯ জন কারাগারে

মা হওয়ার অপেক্ষায় মৌসুমী হামিদ, ঘরোয়া আয়োজনে বেবি শাওয়ার

মা হওয়ার অপেক্ষায় মৌসুমী হামিদ, ঘরোয়া আয়োজনে বেবি শাওয়ার

নিজের ১২ বছরের মেয়েকে ছয়মাস ধরে ধর্ষণ, বাবা আটক

নিজের ১২ বছরের মেয়েকে ছয়মাস ধরে ধর্ষণ, বাবা আটক

হাতকড়াসহ পুলিশের কাছ থেকে পালালেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা, ধরে নেওয়া হলো ৭ স্বজনকে
হাতকড়াসহ পুলিশের কাছ থেকে পালালেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা, ধরে নেওয়া হলো ৭ স্বজনকে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতা। পরে ওই নেতার সাত স্বজনকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ।আজ সোমবার দুপুরে কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া রেনু মিয়া ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্রেপ্তার করার পর রেনু মিয়াকে দেখতে ভিড় জমে যায়। সেই সুযোগে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি পালিয়ে যান। হাতকড়াসহ তাঁর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মোবারক হোসেন, পরিদর্শক (তদন্ত), কুলিয়ারচর থানারেনু মিয়ার আটক সাত স্বজনকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রেনুকে গ্রেপ্তার করা না গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুলিয়ারচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোবারক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার এবং হাতকড়া উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় পোড়ানোর অভিযোগে করা একটি মামলার আসামি রেনু মিয়া। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর আগে পুলিশ তাঁকে ধরার চেষ্টা করেছিল। কয়েক দিন ধরে রেনু মিয়া এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এই তথ্য জানার পর আজ দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের পাঁচ-ছয়জন সদস্য তাঁর বাড়িতে অভিযান চালান।একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে জানা যায়, ঘরের ভেতর রেনু মিয়াকে ধরেই হাতকড়া পরানো হয়। পরে তাঁকে বাইরে উঠানে আনা হলে লোকজন জড়ো হতে শুরু করেন। তাঁদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি ছিল। ২০ থেকে ২৫ জন নারীসহ লোকজন রেনু মিয়াকে ঘিরে ফেলেন। পুলিশ ভিড় এড়িয়ে তাঁকে নিয়ে সামনে আগানোর চেষ্টা করে। এ সময় কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্যদের পথ আটকানোর চেষ্টা করেন। তাঁরা রেনু মিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটিও হয়। সুযোগ পেয়ে রেনু মিয়া হাতকড়াসহ পালিয়ে যান।রেনু মিয়াপুলিশ রেনু মিয়ার পিছু নিলেও তিনি মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির পেছনে গিয়ে চোখের আড়ালে চলে যান। পরে পুলিশ রেনু মিয়ার কয়েকজন নারী আত্মীয়সহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। এ ছাড়া তাঁর একটি মোটরসাইকেলও থানায় নেওয়া হয়েছে। রাত ৯টা ৪০ মিনিটের সময় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আটক সাতজনের সবাই থানাতেই ছিলেন। তাঁদের বিষয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোবারক হোসেন প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, রেনু মিয়ার আটক সাত স্বজনকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রেনুকে গ্রেপ্তার করা না গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রেনু মিয়া ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা হলেও উপজেলা পর্যায়েও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। গণ–অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর তিনি আড়ালে চলে যান।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান: এনসিপি বলল দুদকের দলীয়করণ স্পষ্ট

আসিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান: এনসিপি বলল দুদকের দলীয়করণ স্পষ্ট

ব্রাজিলের হয়ে আর খেলবেন না নেইমার, জানিয়ে দিলেন আনচেলত্তিও

ব্রাজিলের হয়ে আর খেলবেন না নেইমার, জানিয়ে দিলেন আনচেলত্তিও

বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে যেতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে

বৈশ্বিক র‍্যাংকিংয়ে যেতে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে

এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমাতে নারাজ ট্রাম্প
এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমাতে নারাজ ট্রাম্প

এআই যত দ্রুত এগোচ্ছে, এর ঝুঁকি নিয়ে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। তবে, এ উদ্বেগকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে নারাজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান নাকচ করে তিনি বলেছেন, প্রযুক্তিটির ঝুঁকি নিয়ে কিছু পক্ষ বাড়াবাড়ি করছে। গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) এআইয়ের উন্নয়ন ধীর করার বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত দেশ। এআইয়েও চীনের চেয়ে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই এআইয়ে যে দেশ এগিয়ে থাকবে, সেই দেশই শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে। একই সঙ্গে এআইয়ের ক্ষেত্রে কিছু নিরাপত্তাবিধি বা নিয়ন্ত্রণ রাখা যেতে পারে বলেও জানান তিনি। ট্রাম্প বলেন, এআই নিয়ে কিছু পক্ষ অযথা ভয় ছড়াচ্ছে এবং এমন সব ঝুঁকির কথা বলছে, যেগুলো বাস্তবে ঘটবে না। এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর জন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি নতুন করে আহ্বান জানানোর পরই এমন মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন ৯০ বছরের পুরোনো গণিতের সমস্যা ৮৮ ঘণ্টায় সমাধান করল এআই! এর আগে, গত শনিবার অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও অ্যামোডেই এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানান। তিনি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করার পাশাপাশি এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কাজ করার পরামর্শ দেন। এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর পক্ষে অ্যামোডেইয়ের সঙ্গে একমত হয়েছেন ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান, গুগল ডিপমাইন্ডের চেয়ারম্যান স্যার ডেমিস হাসাবিস এবং প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। অ্যামোডেই বলেন, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনুমোদন দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন এ বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে পরস্পরের সঙ্গে গোপনে একমত হয়ে কাজ করার অভিযোগে আইনি ঝুঁকিতে না পড়ে, সে জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আরও পড়ুন ইয়েমেনে অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা পাশাপাশি চীনকেও একই পথে আসতে উৎসাহিত করতে হোয়াইট হাউজের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। চীন এতে রাজি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের এআই চিপ রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণেরও পরামর্শ দেন অ্যামোডেই। এদিকে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমে গেলে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগেও প্রভাব পড়তে পারে। এআই প্রযুক্তির প্রসারের কারণে ডেটা সেন্টার নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ফলে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও সম্প্রতি রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এ পরিস্থিতিতে সোমবারের শেয়ারবাজার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সপ্তাহান্তের লেনদেনে প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিক্রির চাপ দেখা গেছে। স্প্রেড-বেটিং প্রতিষ্ঠান আইজির টেক ১০০ সূচক রোববার প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি চিপ নির্মাতা মাইক্রন, মারভেল ও এসকে হাইনিক্সের শেয়ারের দামও ৩ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। আরও পড়ুন এআই কি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে? নিউইয়র্কভিত্তিক ফ্রিডম ক্যাপিটাল মার্কেটসের প্রযুক্তি গবেষণা বিভাগের প্রধান পল মিকস বলেন, বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। তার মতে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমে গেলে প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি দ্রুত বাড়ছে। আর এআই অবকাঠামো তৈরিতে বিনিয়োগ এই প্রবৃদ্ধির অন্যতম বড় কারণ। অন্যদিকে, ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে ওপেনএআইয়ের প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির উদ্যোগ বা আইপিও আগামী বছর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এখনই শেয়ারবাজারে আসা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অ্যানথ্রপিক অবশ্য আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক অলস্প্রিং গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্টসের গ্যারি ট্যান মনে করেন, এআই নিয়ে সম্প্রতি বিতর্কে স্বল্পমেয়াদে বাজারে চাপ তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে এআই খাতে বিনিয়োগের ধারা থেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফএমডিআরএইচ/

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে স্মিথ বললেন, ‘জানি না অ্যাশেজে থাকব কি না’

অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে স্মিথ বললেন, ‘জানি না অ্যাশেজে থাকব কি না’

শিক্ষক মূল্যায়ন ও জিন্নাহর ছবি বিতর্কে ডাকসু

শিক্ষক মূল্যায়ন ও জিন্নাহর ছবি বিতর্কে ডাকসু

ঢাকা ইপিজেডে চালু হলো ‘স্মার্ট ওয়্যারহাউস’

ঢাকা ইপিজেডে চালু হলো ‘স্মার্ট ওয়্যারহাউস’

0 Comments