জাতীয়

সাতসকালে বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী, হতে পারে আবার

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এক যুগেও চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এক যুগেও চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

পটুয়াখালীর মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবার জন্য ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে ৫০০ শয্যার আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প। ২০১৬ সালে প্রায় ৫৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় হাসপাতালটির নির্মাণকাজ। তিন দফা মেয়াদ বাড়ানোর পর সর্বশেষ সময়সীমা ছিল চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। সেই সময়ও পেরিয়ে গেছে, এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি হাসপাতালটি। ফলে দীর্ঘ এক যুগ পরও উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত পটুয়াখালীসহ আশপাশের জেলার মানুষ। পুরোনো ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালেই অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক-নার্সরা। এতে চিকিৎসা নিতে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সংশোধনের পর প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬৫১ কোটি টাকা। দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ চলার মধ্যেই হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও দেয়ালে স্যাঁতসেঁতে সমস্যার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, ২৫০ শয্যার পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি রোগীর চাপ থাকায় বিশেষ করে শিশু ওয়ার্ডে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। কোথাও একটি বেডে দুই শিশুকে থাকতে হচ্ছে, আবার তাদের সঙ্গে থাকছেন একাধিক স্বজন। এতে এক রোগীর সংক্রমণ অন্য রোগীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বাউফল থেকে দুই বছরের শিশুকে চিকিৎসা করাতে আসা এক রোগীর স্বজন বলেন, শিশুটির অনেক জ্বর। কিন্তু শিশু ওয়ার্ডে একটি বেডে তিনজনকে থাকতে হচ্ছে। এতে একজনের রোগ অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিশু ওয়ার্ডের অবস্থাও খুব খারাপ। কমলাপুর ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শেফালী বেগম বলেন, হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। চিকিৎসা নিতে অনেক সময় লাগে। ডাক্তার সংকট থাকায় ঠিকমতো সেবা পাওয়া যায় না। পুরোনো ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীর চাপ আমতলী থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজন নাজমা বেগম বলেন, ‘অনেক দূর থেকে ডেঙ্গু রোগী নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। আজ সাত দিন হয়ে গেছে। রোগী মোটামুটি সুস্থ। কিন্তু তাকে সুস্থ করতে গিয়ে আমরাও এখন অসুস্থ হয়ে গেছি। এখানে টয়লেটের অবস্থা খুব খারাপ। এত দুর্গন্ধ যে টয়লেটের কাছাকাছি যাওয়া যায় না।’ রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, অতিরিক্ত রোগীর চাপে বেডের সংকটের পাশাপাশি ওয়ার্ড ও শৌচাগারের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একটি বেডে একাধিক রোগী থাকায় চিকিৎসার পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে। পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, শুধু নির্মাণকাজ শেষ না হওয়াই নয়, নতুন হাসপাতাল চালুর ক্ষেত্রে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রয়োজনীয় জনবল। হাসপাতালের জন্য চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে অবকাঠামোর কাজ শেষ হলেও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ ছাড়া পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু করা কঠিন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্প পরিচালক ডা. এসএম কবির হাসান বলেন, প্রায় ৬৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই হাসপাতালে ১৩টি লিফটসহ আধুনিক বিভিন্ন চিকিৎসা সুবিধা থাকছে। হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে পটুয়াখালীসহ আশপাশের জেলার মানুষের চিকিৎসাসেবার চাপ অনেকটাই কমবে, প্রকল্পের সিংহভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে জনবল নিয়োগের বিষয়টি এখনো অগ্রগতি পায়নি। মাহমুদ হাসান রায়হান/কেজে/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
রাগে র‍্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা, বল ছুড়ে মারলেন দর্শকের দিকে

রাগে র‍্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা, বল ছুড়ে মারলেন দর্শকের দিকে

বেতন-ভিসা-নিয়োগে বিপাকে বাংলাদেশিরা, সমাধান ৩৩০ অভিযোগ

বেতন-ভিসা-নিয়োগে বিপাকে বাংলাদেশিরা, সমাধান ৩৩০ অভিযোগ

সরকারের কেনাকাটায় আসছে একক দরতালিকা 

সরকারের কেনাকাটায় আসছে একক দরতালিকা 

ইসলামী ব্যাংকের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ
ইসলামী ব্যাংকের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দুই পক্ষ

রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছেন ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম এবং বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা ব্যাংকটিকে এস আলম গ্রুপের প্রভাবমুক্ত রাখা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন এবং বক্তব্য রাখছেন ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার ব্যবসায়ী ও গ্রাহকরা। অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের দাবি, এস আলম গ্রুপের সময়ে নিয়োগ পাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ও সনদ যাচাইয়ের পর চাকরিচ্যুত হওয়া কর্মীদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা জানান, প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে চাকরি হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের এক দফা দাবি বকেয়া বেতন-ভাতাদিসহ কোনো শর্ত ছাড়াই চাকরিতে পুনর্বহাল। এর আগে গ্রাহক ফোরাম ব্যাংক খাতের সুশাসন ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। আজকের কর্মসূচিতেও তারা ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন। এদিকে দুই পক্ষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মতিঝিল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাজোয়া যানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইএআর/জেএইচ  

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
স্থগিতের ১০ মাস পর ঢাকায় হচ্ছে পাকিস্তানি ব্যান্ডের কনসার্ট

স্থগিতের ১০ মাস পর ঢাকায় হচ্ছে পাকিস্তানি ব্যান্ডের কনসার্ট

হুতিদের নিয়ন্ত্রণে মানদেব, কী প্রভাব দেশের বাণিজ্যে

হুতিদের নিয়ন্ত্রণে মানদেব, কী প্রভাব দেশের বাণিজ্যে

এশিয়ান গেমসের পরই নারী দলের দায়িত্বে আসছেন নতুন হেড কোচ

এশিয়ান গেমসের পরই নারী দলের দায়িত্বে আসছেন নতুন হেড কোচ

খালি পায়ে ৬,৮০৫ কিমি হেঁটে...
খালি পায়ে ৬,৮০৫ কিমি হেঁটে...

পায়ের তলা ফেটে রক্ত বেরিয়েছে। কাঁটা ও কাচের টুকরাও বিঁধেছে। এমনকি কাঁটাঝোপের আঘাতে সংক্রমণ হয়ে এক সপ্তাহ হাঁটাও বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবু থামেননি। আয়ারল্যান্ডের ইমন কেভেনি এমন কষ্ট সয়েই খালি পায়ে ৩৬৯ দিনে পাড়ি দিয়েছেন ৬ হাজার ৮০৫ কিলোমিটার পথ।এভাবে সবচেয়ে বেশি পথ হাঁটার নিজের আগে রেকর্ডটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন কেভেনি।নিজের রেকর্ড পুনরুদ্ধারে কেভেনি এবার তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে হাঁটা শুরু করেছিলেন। ৩৬৯ দিন পর গত ৭ মার্চ আয়ারল্যান্ডের মায়ো কাউন্টির নিজ শহর ক্ল্যারিমরিসে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ এ পথে কেভেনিকে নানা চড়াই-উতরাই ভূখণ্ড পাড়ি দিতে হয়েছে, প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে।২০১৬ সালে আয়ারল্যান্ডজুড়ে ২ হাজার ৮০ কিলোমিটার খালি পায়ে হেঁটে প্রথমবার এই রেকর্ড গড়েছিলেন কেভেনি। ২০২৪ সালে তাঁর সেই রেকর্ড ভাঙেন পোল্যান্ডের পাওয়েল দুরাকিয়েভিচ। তিনি ৩ হাজার ৪০৯ কিলোমিটার খালি পায়ে হেঁটেছিলেন।কেভেনি এবার দুরাকিয়েভিচের রেকর্ডের প্রায় দ্বিগুণ পথ হেঁটেছেন। অবশ্য এটাই কেভেনির একমাত্র দুঃসাহসিক যাত্রার রেকর্ড নয়। ২০২৩ সালে মাত্র ৫ দিন ৫ ঘণ্টা ২৩ মিনিটে ইউনিসাইকেলে (এক চাকার সাইকেল) আয়ারল্যান্ড পাড়ি দিয়ে আরেকটি রেকর্ড গড়েন তিনি।৩৪ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা ইমন কেভেনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে বলেন, ‘খালি পায়ে দীর্ঘ পথ হাঁটার রেকর্ডটি প্রথমবার গড়ার পর থেকেই আমি আবার বড় কোনো যাত্রায় বের হওয়ার কথা ভাবছিলাম। একটি দেশ পায়ে হেঁটে পাড়ি দেওয়ার পর একটি মহাদেশ অতিক্রম করাই পরবর্তী পদক্ষেপ বলে আমার মনে হয়েছিল। তাই ইস্তাম্বুল থেকে হেঁটে নিজ দেশ আয়ারল্যান্ডে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জগদীশপুরের তেঁতুলগাছ

জগদীশপুরের তেঁতুলগাছ

সন্তান অন্তর্মুখী হলে কীভাবে তার মন বুঝবেন

সন্তান অন্তর্মুখী হলে কীভাবে তার মন বুঝবেন

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

0 Comments