জাতীয়

সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জন

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জন
সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জন

সাতক্ষীরায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র রেফার করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলতি বছরে সাতক্ষীরায় মোট ২৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রতিদিনই নতুন রোগী সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকেরা জানান, ডেঙ্গুর সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা। এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো জরুরি।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার জানিয়েছেন, জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে রোগী ভর্তি হচ্ছেন।

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় কোনো ধরনের পানি জমতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আহসানুর রহমান রাজীব/কেজে/জেআইএম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
১৭ বছর যে যেই পদে ছিলেন সবাই পালিয়েছেন: স্পিকার
১৭ বছর যে যেই পদে ছিলেন সবাই পালিয়েছেন: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের কুখ্যাত নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। এমন পালানো দেশের বিচারপতিও পালিয়ে গেছেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ইমামও পালিয়ে গেছেন। যে যেই পদে ছিলেন এই ১৭ বছর, সবাই পালিয়েছেন।  শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলার লালমোহন উপজেলা মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  তিনি আরও বলেন, ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেয় ৬৮৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা। গত ১৭ বছর পুলিশ অত্যাচারী ছিল। সারা বাংলাদেশে অত্যাচার নিপীড়ন করেছে তারা। আওয়ামী লীগ সরকারকে খুশি করার জন্য ও নিজেদের দুই পয়সা বানানোর জন্য। পুলিশের এক আইজির কাহিনি কিছুদিন আগে আপনারা দেখছেন। তার নাম বেনজীর আহমেদ। সে কত বড় চোর। বাংলাদেশের জায়গা জমির একটা বিরাট অংশ সে নিজের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যার নামে লিখে নিয়েছে। বনাঞ্চল নিজের দখলে নিয়ে নিয়েছে। কত যে বাড়ি ঘর তার আছে, তা সীমাহীন।  তিনি আরও বলেন, পবিত্র ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে সীমালঙ্ঘন করো না। সীমালঙ্ঘনকারীর শাস্তি ভয়াবহ। তারা সীমালঙ্ঘন করেছে। যারা ধরা পড়ছে তো পড়ছে, আর যারা পালিয়ে যেতে পারছে তো গেছে। তারা মনে করছে এইভাবেই জীবন কাটবে। তাদের ইহকালেও শাস্তি আছে, পরকালেও আল্লাহ ওই পাপিষ্ঠদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাজিনুর ইসলাম কবির হাওলাদারসহ প্রমুখ। জুয়েল সাহা বিকাশ/এফএ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
দুই দশক ধরে পরিত্যক্ত খাদ্যগুদাম, বিপাকে কৃষক

দুই দশক ধরে পরিত্যক্ত খাদ্যগুদাম, বিপাকে কৃষক

ইরানের প্রশংসায় ভাসছে হুথি বাহিনী

ইরানের প্রশংসায় ভাসছে হুথি বাহিনী

অপবিত্র ব্যক্তির স্পর্শে অন্য কেউ কি অপবিত্র হয়?

অপবিত্র ব্যক্তির স্পর্শে অন্য কেউ কি অপবিত্র হয়?

স্বৈরাচারের সঙ্গে তুলনা পছন্দ নয় এমবাপের
স্বৈরাচারের সঙ্গে তুলনা পছন্দ নয় এমবাপের

ফিফা বিশ্বকাপের সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে একের-পর এক ‘স্বৈরাচার’ মিম তৈরি করা হয় কিলিয়ান এমবাপেকে নিয়ে। তবে বিষয়টি মোটেও পছন্দ করেননি তিনি। সেসব মিমে ফ্রান্সের তারকাকে কখনো সামরিক পোশাকে, কখনো সিংহাসনে বসা অবস্থায় এবং কখনো সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিনসহ ইতিহাসের বিতর্কিত ব্যক্তিদের পাশে দেখা গেছে। সেসব ছবি নিয়ে ফ্রান্সের ফুটবল ম্যাগাজিনের সঙ্গে কথা বলেছেন এমবাপে। রসিকতা হিসেবে নিলেও ইতিহাসের ভয়াবহতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে নিজের তুলনা পছন্দ হয়নি তার। তিনি বলেন, ‘এর একটি অংশ মজার, কারণ বোঝা যায় কিছু মানুষ বিষয়টি নিছক মজা হিসেবেই করছে। তবে আরেকটি অংশ কিছুটা কম মজার। কারণ আমরা জানি, ইতিহাসে ওই ধরনের মানুষ কতটা ক্ষতি করেছে’ ইতিহাসের ঘৃণিত ব্যক্তিদের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেননি এমবাপে। তার ভাষায়, ‘যারা অন্য মানুষকে হত্যা করেছে কিংবা লাখ লাখ মানুষকে দুর্ভোগে ফেলেছে, তাদের সঙ্গে আমার তুলনা করা হচ্ছে। আমি মনে করি না, জীবনে আমি এমন কিছু করেছি। তাই বিষয়টির মধ্যে দুই ধরনের ব্যাপারই আছে।’ বিশ্বকাপে ২২ গোল করে লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক হওয়া এমবাপে আরও বলেন, ‘আমি জানি, বিষয়টি হালকাভাবে করা হয় এবং এত দূর পর্যন্ত যায় না। তবে কখনো কখনো এতে মানুষের রাজনৈতিক ও মানবিক সচেতনতার ঘাটতি প্রকাশ পায়।’ এমবাপেকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, তার ফ্রান্স সতীর্থ উসমান দেম্বেলে তাকে ‘মবুত’ নামে ডাকেন। নামটি সাবেক স্বৈরশাসক মোবুতু সেসে সেকোর নাম থেকে নেওয়া। এ প্রসঙ্গে এমবাপ্পে বলেন, ‘উসমানের বিষয়টি আলাদা। সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেই নামটি নিয়েছে। তার ক্ষেত্রে এটা শুধুই একটি মজা।’ আইএন

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
জাতীয় ঈদগাহ ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় মিললো দুই মরদেহ

জাতীয় ঈদগাহ ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় মিললো দুই মরদেহ

তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি, অন্তত ৮০ শতাংশ আমরা পারব: প্রধানমন্ত্রী

তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি, অন্তত ৮০ শতাংশ আমরা পারব: প্রধানমন্ত্রী

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিল, গ্রেপ্তার ৩২

0 Comments