ছেলের মরদেহ কবরস্থানে নেওয়ার পরপরই প্রাণ গেল মায়ের

পরে দুপুর ১টার দিকে সাইফুল সরকারের মরদেহ বাড়ি থেকে স্থানীয় কবরস্থানে নেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান তার মা তারা বানু। ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
Readysell
Readysell

https://www.youtube.com/watch?v=8tpROnMtdbk

সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সম্পর্ক মজবুত করে যেভাবে
সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সম্পর্ক মজবুত করে যেভাবে

একটি সম্পর্কে ঝগড়া কম হলেই কি দুজন মানুষ সুখী? সম্পর্ক ভালো রাখতে ভালোবাসার পাশাপাশি সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও জরুরি।

স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। একই সঙ্গে রূপার দামও কিছুটা কমানো হয়েছে।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

Follow us

Top week

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’
জাতীয়

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

News অক্টোবর ১১, ২০২৬ 0

Rss feed news

কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে নজরুল-স্মরণ
কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে নজরুল-স্মরণ

<p>ইরানে প্রতিবছর ১২ অক্টোবর ‘হাফিজ দিবস’ বা ‘হাফিজ মেমোরিয়াল ডে’ (Hafez Day) উদ্‌যাপিত হয়। চতুর্দশ শতাব্দীর বিখ্যাত পারস্য কবি হাফিজের সাহিত্যকর্ম, সুফি–দর্শন এবং অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনটি পালন করা হয়। এই বিশেষ দিনটির তাৎপর্য অনুধাবন করে গত ১২ অক্টোবর কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে ছায়ানটের (কলকাতা) উদ্যোগে সোমঋতা মল্লিকের ভাবনায় ‘তরুণ ইরান-কবি কাঁদে নিরজনে’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মূল বিষয়: নজরুল সাহিত্য ও সংগীতে ইরানীয় প্রভাব। আলোচনা, কবিতা পাঠ ও সংগীতে অংশগ্রহণ করেন বিশিষ্ট আলোচক ও ছায়ানটের (কলকাতা) শিল্পীরা।</p><p> অনুষ্ঠান শুরু হয় সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইরান সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ মানসুর আলম এবং ছায়ানটের (কলকাতা) সভাপতি সোমঋতা মল্লিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘পুবের কলম’ পত্রিকার সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আহমদ হাসান ইমরান, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াএজুল হক, বিশিষ্ট লেখক ও সঞ্চালক মনিরুল ইসলাম। তাঁদের সুচিন্তিত বক্তব্য অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করে। ছায়ানটের এ ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পর্কে তাঁরা ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p><p>অনুষ্ঠানে নজরুল-অনূদিত কাব্যগ্রন্থ ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ ও ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’ থেকে রুবাই পাঠ করেন ছায়ানটের (কলকাতা) বাচিকশিল্পীরা। অংশগ্রহণে তিস্তা দে, সোমা রায়, অন্বেষা মুখার্জী, দেবলীনা চৌধুরী, শর্মিষ্ঠা রায়, পারমিতা চৌধুরী, পিয়ালী ঘোষ, মৌমিতা ঘোষ, অনিন্দিতা ঘোষ। সোমঋতা মল্লিকের পরিচালনায় সমবেতভাবে পরিবেশিত হয় দুটি নজরুলসংগীত, যেখানে নজরুল ইরানের প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন অথবা ইরানীয় সুর থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। “পরি’ জাফরানি ঘাগরি” ও ‘বুলবুলি নীরব নার্গিস-বনে’—দুটি নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন চম্পা মিত্র, বিচিত্রা ঘোষ, নন্দিনী নন্দী, স্বাতী ভট্টাচার্য, সোমা রায় বর্মণ, গৌরী ধর, চন্দ্রা মজুমদার এবং সুরূপা মল্লিক। অনুষ্ঠানে সোমঋতার কণ্ঠে শোনা যায় বেশ কয়েকটি নজরুলসংগীত। ‘নাচে ইরানী মেয়ে’, ‘শুকনো পাতার নূপুর পায়ে’, ‘ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি’—অনুষ্ঠানের বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সোমঋতা চমৎকারভাবে গানগুলো নির্বাচন করেছেন।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>প্রাণাধিক প্রিয় পুত্র বুলবুলের মৃত্যুর পর কাজী নজরুল ইসলামের অনূদিত কাব্যগ্রন্থ ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ প্রকাশিত হয়। বইটি নজরুল উৎসর্গ করেছিলেন তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র বুলবুলকে। মুখবন্ধে নজরুল লেখেন—“বাঙলার শাসনকর্ত্তা গিয়াসুদ্দিনের আমন্ত্রণকে ইরানের কবি সম্রাট হাফিজ উপেক্ষা করেছিলেন। আমার আহ্বান উপেক্ষিত হয়নি। যে পথ দিয়ে আমার পুত্রের ‘জানাজা’ (শব-যান) চ’লে গেল, সেই পথ দিয়ে আমার বন্ধু, আমার প্রিয়তম ইরানী কবি আমার দ্বারে এলেন। আমার চোখের জলে তাঁর চরণ অভিষিক্ত হ’ল।” নজরুল মূল ফারসি থেকেই হাফিজের রুবাইয়াৎ অনুবাদ করেন। হাফিজের রুবাইয়াত সম্পর্কে নজরুল লিখেছেন—“সত্যকার হাফিজকে চিনতে হলে তাঁর গজল-গান—প্রায় পঞ্চশতাধিক পড়তে হয়। তাঁর রুবাইয়াত বা চতুষ্পদী কবিতাগুলি প’ড়ে মনে হয়, এ যেন তাঁর অবসর কাটানোর জন্যই লেখা। অবশ্য এতেও তাঁর সেই দর্শন, সেই প্রেম, সেই শারাব, সাকী তেমনি ভাবেই জড়িয়ে আছে। এ যেন তাঁর অতল সমুদ্রের বুদ্বুদ-কণা। তবে এ ক্ষুদ্র বিম্ব হলেও এতে সারা আকাশের গ্রহ-তারার প্রতিবিম্ব প’ড়ে এক রামধনুর কণার মতো রাঙিয়ে তুলেছে। হয়তো ছোট বলেই এ সুন্দর।” ইরানের কবিদের প্রতি নজরুল ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’-এর মুখবন্ধে নজরুল লিখেছেন—“হাফিজকে আমরা—কাব্য-রস-পিপাসুর দল—কবি বলেই সম্মান করি, কবিরূপেই দেখি। তিনি হয়ত বা সূফী দরবেশও ছিলেন। তাঁর কবিতাতেও সে আভাস পাওয়া যায় সত্য। শুনেছি, আমাদের দেশেও মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, কেশব সেন প্রভৃতি হাফিজের কবিতা উপাসনামন্দিরে আবৃত্তি করতেন। তবু তাঁর কবিতা শুধু কবিতাই। তাঁর দর্শন ওমর খৈয়ামের দর্শন প্রায় এক। এঁরা সকলেই আনন্দ-বিলাসী। ভোগের আনন্দকেই এঁরা এই জীবনের চরম আনন্দ বলে স্বীকার করেছেন। ইরানের অধিকাংশ কবিই যে শারাব-সাকী নিয়ে দিন কাটাতেন, এত মিথ্যা নয়। তবে, এও মিথ্যা নয় যে, মদিরাকে এঁরা জীবনে না হোক কাব্যে প্রেমের আনন্দের প্রতীকরূপেই গ্রহণ করেছিলেন!”</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/5sd5ixp5/4.jpeg"></figure><p>শুধু ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ নয়, নজরুল-অনূদিত ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’ বিশেষভাবে সমাদৃত। ‘রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম’-এর সচিত্র প্রথম সংস্করণ ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে (পৌষ, ১৩৬৬ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। ভূমিকা লিখেছিলেন সৈয়দ মুজতবা আলী এবং চিত্রায়ণ করেছিলেন খালেদ চৌধুরী। দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৭০ বঙ্গাব্দের কার্তিকে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে নজরুলের নিজের লেখা ‘ওমরের কাব্য ও দর্শন’ শিরোনামের রচনাটি ভূমিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথিদের হাতে ছায়ানটের (কলকাতা) পক্ষ থেকে নজরুল-অনূদিত ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ’ তুলে দেওয়া হয়।</p><p>আসাদুল হকের লেখা ‘নজরুল যখন বেতারে’ বইটি থেকে জানা যায়, ১৯৪০ সালের ১৬ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বেতারে প্রচারিত হয় সংগীতানুষ্ঠান ‘ইরানের স্বপ্ন’। পারস্যের সুরের ওপর রচিত গান দিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানটি রচনা ও সংগঠনায় ছিলেন কাজী নজরুল, বর্ণনায় ছিলেন অনিল দাস।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/lpepo5fy/5.jpeg"></figure><p>১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার এলবার্ট হলে (বর্তমান কফি হাউস) বাংলার হিন্দু-মুসলমানের পক্ষ থেকে চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিপুল সমারোহে ও আন্তরিকতার সঙ্গে সংবর্ধনা জানানো হয়। সংবর্ধনা সভার সভাপতি বিজ্ঞানাচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের অভিভাষণের পর জাতির পক্ষ থেকে ‘নজরুল-সংবর্ধনা সমিতির সভ্যবৃন্দ’ কবিকে একটি মানপত্র প্রদান করেন। সভায় মানপত্রটি পাঠ করেন মি. এস ওয়াজেদ আলি। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে ইরানীয় সংস্কৃতির অত্যন্ত সার্থক সমন্বয় সাধন করেছিলেন নজরুল। সেই বিষয়টি চমৎকারভাবে মানপত্রে তুলে ধরা হয়—“তুমি বাঙলার মধুবনের শ্যামা কোয়েলার কণ্ঠে ইরানের গুলবাগিচার বুলবুলের বুলি দিয়াছ, রসালের কণ্ঠে সহকার-সাথে আঙুরলতিকার বাহুবন্ধন রচনা করিয়াছ। তুমি বাঙালির শ্যামশান্ত কণ্ঠে ইরানী-সাকীর লাল শিরাজির আবেশ-বিহ্বলতা দান করিয়াছ। আজ তোমার আসন প্রান্তে হাতের বাঁশী রাখিয়া তাহারা তোমার সম্মুখে দাঁড়াইয়াছে। তুমি তাহাদের শ্রদ্ধাসুন্দর চিত্ত-নিবেদন গ্রহণ কর।” নজরুলের বৈচিত্র্যময় সৃষ্টিশীল জীবনের এই বিশেষ দিকটি সম্পর্কে সবাইকে অবগত করার উদ্দেশ্যেই ছায়ানটের (কলকাতা) এই বিশেষ উদ্যোগ। দীর্ঘ ১৯ বছরের পথচলায় ইরান সোসাইটিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানকে ছায়ানটের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই মনে করছেন উপস্থিত দর্শকেরা।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা জানিয়েছে সরকার
যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা জানিয়েছে সরকার

<p>যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানানো হয়েছে।</p><p> বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্থগিত থাকা (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহভাজন একদল অপরাধী নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানির পেছনে রয়েছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’</p><p> পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মিশনকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যেতে বলেছে, যাতে ‘অপরাধীদের’ শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।</p><p>সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে হুইলচেয়ারে করে বের হওয়ার সময় অধ্যাপক ইউনূসকে হেনস্তা করার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, অধ্যাপক ইউনূসের দিকে এগিয়ে গিয়ে কয়েকজন লোক উচ্চ স্বরে স্লোগান দিচ্ছেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা তাঁকে উদ্দেশ করে ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’সহ নানা অপবাদসূচক কথা বলে চিৎকার করছিলেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রবাসী সমর্থকের বিরুদ্ধে তাঁকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
‘বলল, ওপরের খুব চাপ...এই ওপরের চাপ কোন চাপ’
‘বলল, ওপরের খুব চাপ...এই ওপরের চাপ কোন চাপ’

<p> ‘আমরা বলেছিলাম যে আমি ৩ লাখ ৭৫ হাজার ভোটারের এমপি। আমার একজন প্রতিনিধি রাখেন, একজন পেশাদার ব্যবসায়ী রাখেন, সরকারদলীয় একজন রাখেন। উনি আমার কথা রাখলেন না। উনি রাখলেন তার কথা...। সর্বশেষ বলল, ওপরের খুব চাপ। কমিটিতে রাখা যাবে না। এই ওপরের চাপ কোন চাপ? উনি ওই চেয়ার থেকে বলতে পারেন কি না জানি না। কারণ, এই আসনের আমি এমপি।’</p><p> রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সার ডিলার নিয়োগে দলীয় বিবেচনা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে কথাগুলো বলেছেন রংপুর–১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) উদ্দেশে তিনি এ কথাগুলো বলেন।</p><p>গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলা চত্বরে সাংবাদিকদের কাছে সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী এ কথা বলেন। তাঁর এই বক্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা–সমালোচনার সৃষ্টি হয়।</p><p>এই সংসদ সদস্যের বক্তব্য অনুযায়ী, ডিলার নিয়োগের যাচাই–বাছাই কমিটিতে ইউএনও কর্তৃক তিনজন মনোনীত ছিলেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবেল হুসেন বলেন, উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি ছিল আট সদস্যের। এই কমিটি সার ডিলারের আবেদন যাচাই–বাছাইয়ের পরে ইউনিয়নপ্রতি তিনজনের নাম জেলায় পাঠিয়েছে।</p><p>কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত তালিকায় জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অনুমোদিত আবেদনকারীদের অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কমিটির পক্ষে কৃষি অর্থনীতিবিদ শাহনাজ আক্তারের স্বাক্ষর রয়েছে।</p><p>সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী আরও বলেন, নতুন সার ডিলার নিয়োগে (গঙ্গাচড়ায়) পৃথিবীর নিকৃষ্টতম দলীয়করণ হয়েছে। সরকার ঘোষণা দিয়েছিল সবার আগে বাংলাদেশ। কিন্তু এই সার ডিলার নিয়োগে গঙ্গাচড়ায় সবার আগে বিএনপি প্রমাণিত হয়েছে।</p><p>সার ডিলার নিয়োগকে বানরের পিঠা ভাগ করার শামিল বলেও মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে বানরের পিঠা ভাগ হয়েছে।</p><p>সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজীর দাবি, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের তিনটি ওয়ার্ড ও নোহালী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের সার সংগ্রহের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে ওই দুই ইউনিয়নে যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে ডিলার নিয়োগের অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তা উপেক্ষা করা হয়েছে।</p><p>ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে আজ মঙ্গলবার রাতে রায়হান সিরাজী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সার ডিলারের আবেদন যাচাই কমিটি গঠনের সময় আমি দেশের বাইরে ছিলাম। ইউএনও আমার কথা রাখেননি। উনি (ইউএনও) রেখেছেন তার কথা, মানে ওপরের কথা।’</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, ‘এমপি মহোদয় আমাকে উদ্দেশ করে যেসব কথা বলেছেন, এমন কোনো কথা তিনি আমাকে বলেননি।’</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ট্রেনের কোচ সংস্কারে অবহেলা, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রেলমন্ত্রী
ট্রেনের কোচ সংস্কারে অবহেলা, ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রেলমন্ত্রী

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে সংস্কারকাজের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নানা আয়োজনে বিপ্লবী ইলা মিত্রকে স্মরণ, শেষ হলো তিন দিনব্যাপী মেলা
নানা আয়োজনে বিপ্লবী ইলা মিত্রকে স্মরণ, শেষ হলো তিন দিনব্যাপী মেলা

<p> নানা আয়োজনে তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী বিপ্লবী ইলা মিত্রের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মেলার শেষ দিনে আজ মঙ্গলবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলের রাওতাড়ায় ইলা মিত্রের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সিপিবির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন ও ইলা মিত্র মেলা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব রাগিব আহসান মুন্নাসহ অন্যরা এ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।</p><p> পরে বেলা তিনটায় রাগিব আহসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহসীন রেজা সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে খোদা বাবুল, সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এ রশীদ, আমিনুল ফরিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুব্রত রায়, জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্মল চৌধুরী, কৃষক নেতা হাসান আলী, শ্রমিকনেতা আলীমুর রেজা রানা প্রমুখ বক্তব্য দেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9a3ju1zi8u">নাচোলে তিন দিনব্যাপী ইলা মিত্র মেলা শুরু</a></aside><p>আবদুল্লাহ ক্বাফী বলেন, বৈবাহিক সূত্রে কমিউনিস্ট কৃষক নেতা রমেন মিত্রের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রামচন্দ্রপুর গ্রামে আসেন ইলা মিত্র। নিপীড়িত সাঁওতালদের আস্থা অর্জনে তিনি সাঁওতালি ভাষা শিখেছিলেন। তেভাগা লড়াই শুরু করার আগে নিজেদের জমিতে তেভাগা কায়েম করেন। গরিব কৃষকদের একজন হয়ে তাঁদের তেভাগা লড়াইকে নিজের লড়াই হিসেবে গ্রহণ করেন। নিষ্ঠুর নিপীড়ন সহ্য করেও তিনি মেহনতি মানুষের লড়াই ছাড়েননি। তিনি নাচোলে ইলা মিত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। পাশাপাশি ইলা মিত্রের জীবনী ও কৃষকদের সংগ্রাম পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে রাকসুর সাবেক ভিপি রাগিব আহসান বলেন, ইলা মিত্র কৃষকের তেভাগার জন্য লড়েছিলেন। আজ তাঁর উত্তরসূরিরা কৃষকের ফসলের লাভজনক দামের জন্য লড়ছেন। তাঁদের আজকের দিনের লড়াইয়ে অনুপ্রেরণার উৎস ইলা মিত্র।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/plkcu3st/Chapainawabgonj2.jpg"><figcaption>ইলা মিত্রকে নিয়ে কবিতা আবৃত্তি করছেন সেলিনা বানু ও আবু তালেব মোল্লা। নাচোল ডাকবাংলো মাঠ, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ</figcaption></figure><h3>বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি </h3><p>এদিকে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ইলা মিত্রের মৃত্যুবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ইলা মিত্র স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে রাওতাড়ায় সংগ্রহশালার পাশে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদের সভাপতি বিধান সিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রিয়াংকা দাস। অন্যদিকে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) নাচোল শাখার উদ্যোগে বেলা সাড়ে ১১টায় নাচোলে শোক র‍্যালি ও নাচোল বাসস্ট্যান্ডে পথসমাবেশ করা হয়।</p><p>ইলা মিত্রকে স্মরণে নাচোল ডাকবাংলো মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মেলার শেষ দিনে আলোচনা সভার পাশাপাশি ছিল নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। এতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা গানের আয়োজন করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3nnay6k9a7">নৃত্য–গান–আলোচনায় জমে উঠেছে ইলা মিত্র মেলা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/vicw6538/Chapainawabgonj3.jpg"><figcaption>ইলা মিত্র মেলায় মানুষের সমাগম। নাচোল ডাকবাংলো মাঠ, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ</figcaption></figure><h3>মেলায় সাড়া জাগিয়েছে নতুন বই </h3><p>চলতি বছর কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত ঢাকার ওমর তারেক চৌধুরী ও কলকাতার শুভাশিস মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘শতবর্ষে ইলা মিত্র: অন্য চোখে’ বইটি তিন দিনব্যাপী মেলায় বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বইটিতে ইলা মিত্র ও নাচোল কৃষক বিদ্রোহ–বিষয়ক পূর্ব বাংলা ও ভারতের প্রায় অর্ধশত পুরোনো সংবাদের সংকলন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন বইয়ের সংগ্রহকারীরা।</p><p>মেলায় এসেছিলেন ৮৫ বছর বয়সী মো. সাধু। তিনি ইলা মিত্রের বাড়ির পাশের এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইলা মিত্রের স্বামী আমাদের কাছে “হাবু বাবু” নামে পরিচিত ছিলেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনই গরিবের বন্ধু ছিলেন। মাইকে ইলা মিত্রের নাম শুইন্যা ভিতরে ঢুকনু। খুবি ভাল্লাগছে।’</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়েই সফটওয়্যারে দেখাতেন টাকা, ১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ
ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়েই সফটওয়্যারে দেখাতেন টাকা, ১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ

সানজি গ্রুপ অব কোম্পানিজের ১৬ কোটি ৬২ লাখ ৪১ হাজার ২১৫ টাকা আত্মসাৎ করার ঘটনায় গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করে প্রতিষ্ঠানটি।  

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ত্বক উজ্জ্বল করতে ভাইরাল এখন মরক্কোর হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নিলা পাউডার, কতখানি কার্যকর আর কতটা ঝুঁকিপূর্ণ
ত্বক উজ্জ্বল করতে ভাইরাল এখন মরক্কোর হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নিলা পাউডার, কতখানি কার্যকর আর কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

উজ্জ্বল নীল রঙের এই গুঁড়া ত্বকের কালো দাগ, পিগমেন্টেশন ও রোদে পোড়া ভাব কমানোর উপায় হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও ইউটিউবে

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল নবম শ্রেণির ছাত্র
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল নবম শ্রেণির ছাত্র

চুল কাটতে বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ছাত্র শিক্ষকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কলম দিয়ে শিক্ষককে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সৌদি আরবে বাংলাদেশি যাত্রীদের জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ বিমানের
সৌদি আরবে বাংলাদেশি যাত্রীদের জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের পরামর্শ বিমানের

বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তা করার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে রাশিয়া ও চীন ইরানকে সাহায্য করছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর

সৌদি আরবে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে রিয়াদে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন থেকে বড় বড় তেল কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ অতিক্রম করেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩০৭ জন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কওমি মাদ্রাসায় বারবার ছেলেশিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে কীভাবে?
কওমি মাদ্রাসায় বারবার ছেলেশিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে কীভাবে?

"আমার ছেলে সেদিন অনেক কান্না করেছে। এই কাজ হওয়ার পরে আমার ছেলে খুব মুমূর্ষু অবস্থায় বিছানায় শুয়ে ছিল। তার আধাঘণ্টা পরে সে আবার এসে নির্যাতন করেছে। আমার ছেলে ব্যাথায় ফজরের নামাজের জন্য পরে আর উঠতে পারে নাই।"

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
'তালা পড়লো' যন্তর-মন্তরে, কী ছিল সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ইতিহাস?
'তালা পড়লো' যন্তর-মন্তরে, কী ছিল সেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদের ইতিহাস?

দিল্লির যন্তর-মন্তর এখন আর বিক্ষোভ করা যাবে না- নরেন্দ মোদীর সরকারের এই সিদ্ধান্তকে 'অগ্রহণযোগ্য' বলে উল্লেখ করে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি এটিকে "মানুষের প্রতিবাদ করার এবং শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করার মৌলিক অধিকারের ওপর আঘাত" বলে বর্ণনা করেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল

যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বেশ জটিল পরিস্থিতিতে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া থেকে ডিজেল আনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে তার অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। যার প্রভাব আসন্ন নির্বাচনকে বড়ভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পত্রিকা: 'হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ'
পত্রিকা: 'হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ'

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী সংকট তৈরি হতে পারে। হামলার পর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের অর্ধশতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ ২১ জানুয়ারি, শেষ ধাপ ২৭ মে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলো এসব খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

বাদামী রঙের চুল, সাদা গড়নের শিশুটিকে প্রথমবার দেখলে যে কেউই বিদেশি বলে ভুল করবেন। বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটি এখন 'পপুলার নাও' ক্যাটাগরিতে রয়েছে, কেননা সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে ডিএনএ টেস্ট দাবি করেছে। তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে শিশুটির বর্তমান পরিবার। প্রশ্ন হলো, কেউ চাইলেই কী বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্ট করা যায়?

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?

স্থানীয় দু'টি সংগঠনের ডাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: শাহে আলম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: শাহে আলম

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার ও প্রশাসন কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
‘আমাদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে’ 
‘আমাদের ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে’ 

শিক্ষক সঙ্কট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীপূর্ণ শ্রেণিকক্ষ এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবনের মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলোর প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে যখন শিক্ষার্থীরা আবারো বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবার্গ।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
লভ্যাংশের অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে না রাখলে শাস্তি
লভ্যাংশের অর্থ পৃথক ব্যাংক হিসাবে না রাখলে শাস্তি

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ঘোষিত নগদ লভ্যাংশের টাকা পৃথক ব্যাংক হিসাবে জমা রাখার বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) উপস্থাপন করতে হয়।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতায় তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে অনুপস্থিত মমতা
কলকাতায় তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে অনুপস্থিত মমতা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিবাদ মিছিল করেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে নজরুল-স্মরণ
কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে নজরুল-স্মরণ

বিশেষ দিনটির তাৎপর্য অনুধাবন করে গত ১২ অক্টোবর কলকাতায় ইরান সোসাইটিতে ছায়ানট (কলকাতা)-এর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ‘তরুণ ইরান-কবি কাঁদে নিরজনে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
মেলান্দহে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সালিস, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ
মেলান্দহে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সালিস, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

ভুক্তভোগী ওই তরুণী জানান, সোমবার দুপুর থেকে বিয়ের দাবিতে তিনি আলী হোসেনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে রাতে দুই পক্ষের লোকজন আলোচনায় বসেন। আলোচনার একপর্যায়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। এ সময় তার মুঠোফোনের তথ্য মুছে ফেলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
৫০০ উপজেলায় মানসিক স্বাস্থ্য সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
৫০০ উপজেলায় মানসিক স্বাস্থ্য সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৫০০টি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ২০টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পরীক্ষায় অসদুপায়ের অভিযোগে রুয়েটের ১২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
পরীক্ষায় অসদুপায়ের অভিযোগে রুয়েটের ১২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ১২ শিক্ষার্থীকে আগামী দুই শিক্ষাবর্ষের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬