ব্যাংক

উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের: গভর্নর

অক্টোবর ২, ২০২৬
উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের: গভর্নর
উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের: গভর্নর
<p>উচ্চ সুদহারে উদ্যোক্তাদের ওপর যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কিছুটা হ্রাস করতেই ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকঋণের বিদ্যমান সুদহার প্রায় ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। এ ধরনের উচ্চ ব্যয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে সফল হওয়া উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় স্বল্প সুদে অর্থায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’</p><p>বেসরকারি খাতে গতি ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এসব কথা বলেন। রাজশাহী নগরের ভেড়িপাড়ার মোড়ের প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মিলনায়তনে আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্যবসায়ী, চেম্বার নেতা, সরকারি ও ব্যাংক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার।</p><p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানান, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশের তরুণদের যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণ আমরা দেখেছি, সেই শক্তিকে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই “উদ্যোগ” নামে একটি স্কিমের পরিকল্পনা করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে উদ্যোক্তা বাছাই করে ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে এই স্কিম প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে স্কিমটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। আগামী নভেম্বর থেকে এটির কার্যক্রম শুরু হবে।</p><p>গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের আওতায় যাতে অধিক সংখ্যক প্রকৃত ও প্রান্তিক কৃষক সুবিধা পায়, সে লক্ষ্যে প্রচলিত জমি বা স্থাবর সম্পত্তির পরিবর্তে বিকল্প জামানত ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্যে উত্তরবঙ্গের কৃষিপণ্য উৎপাদন পর্যায় থেকে সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কৃষি-মূল্য-শৃঙ্খলকে কার্যকর ও গতিশীল করতে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন স্কিম ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>

Prothomalo

View more
পালের ছন্দে, বাতাসের গতিতে—এশিয়ান গেমস সেইলিংয়ের ১০ ছবি
পালের ছন্দে, বাতাসের গতিতে—এশিয়ান গেমস সেইলিংয়ের ১০ ছবি

শিয়ান গেমসের সেইলিংয়ে কখনো নৌযান ছুটেছে দিগন্তের দিকে, কখনো বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলেছে গতিপথ। সেই লড়াইয়ের কিছু মুহূর্ত দেখুন রয়টার্সের ক্যামেরায়।

অক্টোবর ২, ২০২৬
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার: ছেলে বললেন, ‘ফেসবুক দেখে জাজ করেন’

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে (অব.) মেজর আখতারুজ্জামানকে

অক্টোবর ২, ২০২৬
ভুল ধরিয়ে দিলে সংশোধনের উদ্যোগ নেবে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ভুল ধরিয়ে দিলে সংশোধনের উদ্যোগ নেবে সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

<p>সরকারি কাজে কোনো ভুল হলে তা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান। তিনি বলেছেন, সরকার গঠনমূলক সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত। ভুল ধরিয়ে দিলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে সমালোচনার নামে মিথ্যা তথ্য বা প্রচারণা না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।</p><p>আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) অডিটোরিয়ামে অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে জবাবদিহি নিশ্চিত করে কাজ করার অঙ্গীকারের কথা জানান।</p><p>আবদুল মঈন খান বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের কাজে কোথাও ভুল হলে সেটি তুলে ধরতে হবে। সরকার সেই ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেবে।</p><p>সরকারের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের মানুষের কল্যাণ এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত ও সম্মানজনক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের সেবা করে যেতে হবে।</p><p><strong>ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমানোর তাগিদ</strong></p><p>সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যক্রম শুধু উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠপর্যায়ের মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে গড়ে তোলা অবকাঠামো ঠিক রাখতে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পৃথক তহবিল ও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থাকা দরকার।</p><p>দেশে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধন করে নিরাপদ পানি সরবরাহ বাড়াতে হবে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে।</p><p><strong>বর্জ্য থেকে জ্বালানি</strong></p><p>বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এলাকাভেদে পৃথক পরিকল্পনার কথাও বলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। বড় শহরগুলোতে বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের উদ্যোগ এবং ছোট পৌরসভা ও উপজেলায় কম খরচে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বর্জ্যকে শুধু সমস্যা হিসেবে না দেখে সম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন প্রতিমন্ত্রী।</p><p>আলোচনা সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য
নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ভিটেবাড়ি না থাকা সেই মিশন আচার্য

<p>নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকা মিশন আচার্য অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পেতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন আজ শুক্রবার রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, মিশন আচার্যকে নিয়ে প্রথম আলো পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সংবাদটি তাঁর ও মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। রাশেদ খাঁনের নিজ এলাকার ছেলে মিশন আচার্য। সংবাদটি দেখামাত্র তিনি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন।</p><p>রাশেদ খাঁন বলেন, অনেকে ঠিকানা গোপন করে চাকরি নেন। পরে বিষয়টি নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দেয়। এ কারণে চাকরি প্রার্থীদের যাচাই–বাছাই করা হয়ে থাকে। মিশন আচার্যের ক্ষেত্রেও সেটি করতে গিয়ে স্থায়ী ঠিকানার বিষয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে।</p><p>ইতিমধ্যে মিশন আচার্যের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বলেন, মিশন আচার্যকে ঢাকায় আসতে বলা হয়েছে। রোববার তাঁকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মন্ত্রণালয়ে যাবেন। সেখানে কিছু প্রক্রিয়া শেষে তাঁর নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।</p><p>প্রসঙ্গত, মিশন আচার্য ঝিনাইদহ শহরের ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন। মা ময়না আচার্য অন্যের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁকে পড়ালেখা করিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শেষ করে মিশন আচার্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেন।</p><p>পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকরির সুপারিশপ্রাপ্ত হন মিশন আচার্য; কিন্তু নিজেদের কোনো ভিটেবাড়ি না থাকায় নিয়োগপত্র পাননি। তাঁর সঙ্গে যে ১৮২ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ১৮০ জন ইতিমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁরা যোগদান করেছেন। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় মিশন আচার্য যোগদান করতে পারেননি। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে প্রথম আলো।</p><p>মিশন আচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁকে ঢাকায় যেতে বলেছেন। তাঁর চাকরি হবে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন। চাকরি পাচ্ছেন জেনে খুশি জানিয়ে সংবাদপত্রকে ধন্যবাদ দেন মিশন আচার্য। তিনি বলেন, জীবনের সবচেয়ে বিপদের সময় সংবাদপত্র তাঁর পাশে ছিল।</p><p>মিশন আচার্যের বড় ভাই শৈলেন আচার্য প্রথম আলো পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি অসহায় পরিবারের পাশে থাকায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/50zw6o4ta3">মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ</a></aside>

অক্টোবর ২, ২০২৬
স্মৃতি ধরে রাখতে জাদুঘর করছে গ্রেগরিয়ান সোসাইটি, থাকবে ’২০–এর দশকের বাস্কেটবল
স্মৃতি ধরে রাখতে জাদুঘর করছে গ্রেগরিয়ান সোসাইটি, থাকবে ’২০–এর দশকের বাস্কেটবল

সেন্ট গ্রেগরির ঐতিহ্যের গল্প করলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক খেলোয়াড় ও গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সহসভাপতি শাকিল কাসেম। ৭৫ বছর বয়সেও যাঁর ‘গ্রেগরিয়ান সত্তা’ এখনো তরতাজা।

অক্টোবর ২, ২০২৬
ইরানের আশপাশে ৩ রণতরি, হাজারো সেনা ও এফ-৩৫ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের আশপাশে ৩ রণতরি, হাজারো সেনা ও এফ-৩৫ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ঘিরে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দিকে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা

অক্টোবর ২, ২০২৬
বিমানবন্দরে কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতের মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ও অন্যান্য খবর
বিমানবন্দরে কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতের মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ও অন্যান্য খবর

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার।

অক্টোবর ২, ২০২৬
সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি হওয়া ঘণ্টা উদ্ধার
সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি হওয়া ঘণ্টা উদ্ধার

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/zsr3x9ey/CHURCH.jpg"><figcaption>মোহাম্মদপুরের সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি হওয়ার ২৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় প্রায় ৭০ কেজি ওজনের পিতলের এই ঘণ্টা। ২ অক্টোবর, ২০২৬</figcaption></figure><p>রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউর সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চ থেকে চুরি হওয়ার ২৬ ঘণ্টা পর প্রায় ৭০ কেজি ওজনের একটি পিতলের ঘণ্টা অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের একটি ডাস্টবিনের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়।</p><p>মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম জানান, আসাদ অ্যাভিনিউয়ে ওয়াসা ভবনের বিপরীতে অবস্থিত সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দ্বিতীয় তলার খোলা জায়গায় ঘণ্টাটি রাখা ছিল। গত বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর কোনো এক সময় অজ্ঞাতপরিচয় চোরেরা সেটি নিয়ে যায়। পরদিন ভোর সাড়ে চারটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে চুরি যাওয়া ঘণ্টা উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নামে।</p><p>ওসি বলেন, পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের মুখে চোরেরা ঘণ্টাটি রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে গভীর রাতে জাকির হোসেন রোডের ডাস্টবিনের পাশে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি পাওয়া যায়।</p><p>চুরির আগে রাত ১২টা ৩ মিনিট থেকে গির্জার সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ ছিল জানিয়ে আবদুল হালিম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা ঘণ্টাটি বর্তমানে মোহাম্মদপুর থানা হেফাজতে আছে এবং এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
জলাশয়ের বর্জ্য তুলবে যন্ত্র, প্রাকৃতিক রঙে রাঙবে কাপড়
জলাশয়ের বর্জ্য তুলবে যন্ত্র, প্রাকৃতিক রঙে রাঙবে কাপড়

কুমিল্লায় আয়োজিত তিন দিনের কারিগরি শিক্ষা ও উদ্ভাবনী মেলায় শিক্ষার্থীদের তৈরি এমন নানা প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে।

অক্টোবর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন