ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয়দের হামলা, আহত ৩, গ্রেপ্তার ৯

গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেন। নির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ফলে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা বিলে বেশি ছাড় না দেওয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

চিকিৎসা বিলে কেন বেশি ছাড় দেওয়া হলো না, তা নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী পর...

মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা বিলে বেশি ছাড় না দেওয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর
শেষ মুহূর্তে ভালভের্দের গোলে রিয়ালের নাটকীয় জয়

চ্যাম্পিয়নস লিগে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত গ্রিক ক্লাব এইকে এথেন্সকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দুর্দান...

শেষ মুহূর্তে ভালভের্দের গোলে রিয়ালের নাটকীয় জয়
টেকনাফে পাহাড়ে তুলে নিয়ে দুজনকে হত্যা, আহত আরও ২

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চারজনকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। 

টেকনাফে পাহাড়ে তুলে নিয়ে দুজনকে হত্যা, আহত আরও ২
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯ মিলিয়ন ঘনফুটে, যা স্বাভাবিক...

সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ
সৌদি-সিরিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি, ৪০ কোটি ডলারের ঋণও দিচ্ছে রিয়াদ

সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সিরিয়া। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব যখন নিজেদের নিরাপত্তা...

সৌদি-সিরিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি, ৪০ কোটি ডলারের ঋণও দিচ্ছে রিয়াদ
চুল রপ্তানি করে চার মাসে ১১৭০ কোটি টাকার বেশি আয়

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে মানবচুল ও উইগ শিল্প।  ফেলে দেওয়া চুল সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং তা দিয়ে উইগ তৈরি করে আন্তর্জাতিক বাজারে জায়গা করে নিচ্ছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা। দেশের বিভি...

চুল রপ্তানি করে চার মাসে ১১৭০ কোটি টাকার বেশি আয়

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে, এনটিআরসিএ জানাল সময়
৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে, এনটিআরসিএ জানাল সময়

<p>বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে। চলমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p> এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p>এবারের পরীক্ষায় নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন। এবারই প্রথম নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। এ কারণে আগের ধারাবাহিকতায় এটি ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা না হয়ে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে।</p><p>সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর। এর প্রায় চার মাস পর ২০২৪ সালের মার্চে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন হতে যাচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/xhk2txmvsx">নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন</a></aside>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আমেরিকায় ইসরায়েল লবি যেভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারাল
আমেরিকায় ইসরায়েল লবি যেভাবে গ্রহণযোগ্যতা হারাল

<p>‘যেকোনো লবি বা প্রভাবশালী গোষ্ঠী হলো রাতের ফোটা ফুলের মতো, অন্ধকারে বেড়ে ওঠে আর আলোর মুখ দেখলে ম্লান হয়ে যায়।’—কথাগুলো আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির (আইপ্যাক) সাবেক পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক পরিচালক স্টিভ রোজেনের।</p><p>স্টিভ রোজেন সহকর্মীকে লেখা এক মেমোতে এমন মন্তব্য করেছিলেন। পরবর্তীকালে ইসরায়েলের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন তথ্য ফাঁসের মতো বড় ধরনের এক গুপ্তচরবৃত্তি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে চাকরি হারান রোজেন।</p><p> প্রকাশ্য আলোচনা যে একটি লবিং সংস্থার জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সে বিষয়ে রোজেনের পর্যবেক্ষণ সঠিক ছিল। তবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে আইপ্যাক নিজেই দুটি পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (প্যাক) গঠনের মাধ্যমে সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারণায় যুক্ত হয়ে তাঁর সেই তত্ত্ব পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়।</p><p>ফলাফল পাওয়া গেল মিশ্র। সম্প্রতি আইপ্যাক ঘোষণা করেছে যে তারা প্যাকগুলোর একটি বন্ধ করে দিচ্ছে।</p><p>আইপ্যাক এত দিন ধরে কেবল একটি অ্যাডভোকেসি বা পরামর্শক সংস্থা হিসেবে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করত; তারা সরাসরি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণায় অর্থায়ন করত না, কিংবা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে তহবিল জোগাত না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/yam3tnhgp2">মার্কিন রাজনীতিতে ইসরায়েলবিরোধী শক্তির উত্থান</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/npdm5yquhu">আবারও ইরানের বিরুদ্ধে হামলার ছক, কী চায় ইসরায়েল </a></aside><p>অনেক দিক থেকেই এ কৌশল আইপ্যাকের জন্য বেশি কার্যকর ছিল। এর মাধ্যমে তারা কংগ্রেসে প্রত্যেক সদস্য ইসরায়েলকে কতটা সমর্থন করছেন, সেটির একটি সার্বিক মূল্যায়ন বা ‘রিপোর্ট কার্ড’ তৈরি করতে পারত। এরপর অন্যান্য গোষ্ঠী, যারা মূল প্যাক হিসেবে নিবন্ধিত, তারা সেই রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নিত কোন প্রার্থীকে তহবিল দেওয়া উচিত।</p><p>আইপ্যাকের অলাভজনক সংস্থার মর্যাদা থাকার কারণে তারা ইসরায়েলপন্থী মার্কিনদের ইচ্ছার দোহাই দিয়ে কংগ্রেসে ইসরায়েলের পক্ষে কাজ করতে পারত, অথচ তাদের বিদেশি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নিবন্ধিত হতে হতো না।</p><p>এদিকে আইপ্যাকের সহযোগী সংস্থা আমেরিকান ইসরায়েল এডুকেশন ফান্ড (যা শিক্ষাবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত) সরাসরি লবিং থেকে বিরত থাকলেও ‘শিক্ষা সফর’-এর অজুহাতে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের ইসরায়েলে নিখরচায় ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দিত।</p><p>কয়েক দশক ধরে এ কৌশল দারুণ কাজ করেছে। দুই দলেই (ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান) আইপ্যাকের বলয় ছিল মজবুত। মার্কিন সংবাদমাধ্যমেও প্রায়ই বিস্ময় প্রকাশ করে বলা হতো, ইসরায়েলই নাকি একমাত্র বিষয় যা ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকানদের এক জায়গায় মেলাতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/j813fjaf/NH2HKIQYOBPPBLJUJBQZWSKZ6M.avif"><figcaption>আল-সায়েদ ও বার্নি স্যান্ডার্স </figcaption></figure><h3>পরিবর্তনশীল জনমত </h3><p>তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এ চিত্রে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এর কারণগুলো জটিল হলেও ফলাফল হলো—বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেস পদের প্রার্থীরা হঠাৎ করেই দাবি তুলতে শুরু করেন যে ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের আইন ও নীতির পরিপন্থী কি না, তা শর্তসাপেক্ষে দেখা উচিত।</p><p>আইপ্যাকের প্রভাব কতটা গভীরে ছিল, তা বোঝা যায় এখান থেকেই। স্বাভাবিক এসব শর্ত, যা ইতিমধ্যে মার্কিন আইনেই বিধিবদ্ধ ছিল, সেগুলো নিয়ে কথা বলাকেও একসময় বিতর্কিত মনে করা হতো।</p><p>কিন্তু পশ্চিম তীর ও গাজা ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের মানবেতর জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইসরায়েলের উদারপন্থী সমর্থকদের একটি বড় অংশ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে শুরু করে।</p><p>কংগ্রেসে ফিলিস্তিনের পক্ষে যাতে খুব বেশি কণ্ঠস্বর তৈরি হতে না পারে, সে জন্য শুরুতেই তা দমন করার লক্ষ্যে আইপ্যাক সরাসরি রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা দুটি প্যাক তৈরি করে। একটা হচ্ছে আইপ্যাক-প্যাক, যা প্রার্থীর তহবিলে সরাসরি অর্থ দিতে পারে। </p><p>অন্যটি হচ্ছে ইউনাইটেড ফর ডেমোক্রেসি প্রজেক্ট (ইউডিপি); এটি একটি সুপার প্যাক। এটি সরাসরি প্রার্থীর প্রচারে অর্থ দিতে না পারলেও নিজেদের পছন্দমতো প্রার্থীর সমর্থনে বিজ্ঞাপনে অনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/owomwi9yzi">মধ্যবর্তী নির্বাচনেই কি শেষ হবে ট্রাম্প-যুগ </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/axb73a2tri">মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলেও কি ট্রাম্পের তাণ্ডব থামবে </a></aside><p>আইপ্যাক এত দিন লবিংয়ের জন্য পরিচিত ছিল, কিন্তু এখন থেকে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের প্রতি তাদের সমর্থন পরিমাপ করা সহজ হয়ে গেল। ফলে রাজনীতিতে কালো টাকার যে প্রভাব, তার এক বড় প্রতীকে পরিণত হলো তারা।</p><p>ওয়াশিংটনে প্রভাব খাটানোর জন্য আইপ্যাকের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। অন্যান্য লবিং গ্রুপের চেয়ে একে আক্রমণ করা সহজ ছিল, কারণ এটি একটি বিদেশি রাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করত।</p><p>দীর্ঘদিন ধরে আইপ্যাক দাবি করে আসছিল যে তারা আমেরিকার ইসরায়েলপন্থী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি। এ যুক্তির কারণেই তারা বিদেশি সরকারের এজেন্ট হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার আইনি কড়াকড়ি এড়াতে পেরেছিল।</p><p>কিন্তু জনগণের আদালতে এ কারিগরি যুক্তির কোনো মূল্য ছিল না। মানুষ স্পষ্ট বুঝতে পারছিল যে আইপ্যাক মূলত একটি ভিন্ন দেশের স্বার্থ রক্ষা করছে।</p><p>যেহেতু তারা প্রকাশ্যে নির্বাচনে কোটি কোটি টাকা ঢালছিল এবং প্রার্থীদের অর্থায়ন করছিল, তাই রাজনীতিতে বড় অঙ্কের অর্থের প্রভাব নিয়ে মার্কিন জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভ ছিল, তার মুখে পড়ে তারা।</p><p>ফলস্বরূপ, ‘আইপ্যাক’ নামটি একটি নেতিবাচক বা বিষাক্ত নাম হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে। এতে বড় ভূমিকা রাখেন বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি প্রথম অনুধাবন করেছিলেন যে আইপ্যাককে জনসমক্ষে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সম্ভব।</p><p>নতুন করে অঢেল অর্থ খরচের ক্ষমতা পেলেও তা দিয়ে মার্কিন রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার বদলে আইপ্যাক কেবল যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ভাবমূর্তিকেই আরও ক্ষতিগ্রস্ত করল।</p><p>বিশেষ করে ডেমোক্র্যাটদের ক্ষেত্রে এটি সত্য ছিল। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অধীনে ইসরায়েল বছরের পর বছর ধরে ডেমোক্র্যাটদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল, যদিও অধিকাংশ আমেরিকান ইহুদিই মূলত ডেমোক্র্যাটের সমর্থক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/do6l9yn4/Iran-War-4.jpg"><figcaption>ইমাম হোসেন স্কয়ারে ইরানের জাতীয় পতাকা ও ক্ষেপণাস্ত্রের একটি প্রতীকী কাঠামোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। তেহরান, ইরান, ১২ জুলাই ২০২৬</figcaption></figure><h3>অগ্নিপরীক্ষা</h3><p>ইসরায়েলের ভাবমূর্তির পতন এবং আইপ্যাকের এ গ্রহণযোগ্যতার অভাব সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে এ বছরের মিশিগান রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারণায়।</p><p>আসন্ন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস পুনরুদ্ধারের আশা করছে এবং সিনেটে তাদের জয়ের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ নির্বাচনের অন্যতম নির্ণায়ক রাজ্য হলো মিশিগান।</p><p>মিশিগানের রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স একজন চেনা মুখ। চরম ডানপন্থী ব্যক্তি, তাঁর পেছনে রয়েছে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, উগ্র খ্রিষ্টান গোষ্ঠী এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন।</p><p>অন্যদিকে, সব বাধা টপকে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন আবদুল আল-সায়েদ। একে তো মুসলমান, তাঁর ওপর ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে তাঁর মতামতের কারণে তাঁকে প্রচুর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।</p><p>আবদুল আল-সায়েদ প্রাইমারি নির্বাচনে আইপ্যাকের দীর্ঘদিনের সমর্থিত কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেন্সকে হারিয়ে এক কঠিন জয় ছিনিয়ে নেন।</p><p>এই স্টিভেন্স ২০২২ সালে আইপ্যাকের সহায়তায় অ্যান্ডি লেভিনকে হারিয়েছিলেন। লেভিন মিশিগানের একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের সুপরিচিত নেতা ছিলেন। তিনি নিজেকে উদারপন্থী জায়নবাদী মনে করতেন, যিনি ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’-এ বিশ্বাসী ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/xnyqoiobgw">যুক্তরাজ্য কি ডানপন্থী কর্তৃত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/bxg1zzt0sr">ট্রাম্প কি বিশ্বের সব ডানপন্থী নিয়ে জোট গড়তে চান</a></aside><p>তবে আল-সায়েদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্টিভেন্সকে আইপ্যাক যে পরিমাণ সমর্থন দিয়েছিল, তা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।</p><p>পুরো প্রচারণায় স্টিভেন্স আল-সায়েদের চেয়ে ১২ গুণ বেশি অর্থ খরচ করেন। আইপ্যাক এবং অন্য ইসরায়েলপন্থী গোষ্ঠীগুলো নিজেদের বিজ্ঞাপন ও প্রার্থীর তহবিলে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ঢালে।</p><p>আইপ্যাকসহ স্টিভেন্সের অন্য সমর্থকেরা যেভাবে আল-সায়েদের বিরুদ্ধে মুসলমানবিদ্বেষী প্রচারণা চালিয়েছিল, স্টিভেন্স তার থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন, কিন্তু এর জোরালো কোনো প্রতিবাদ জানাননি। বিষয়টি সবাই লক্ষ করেছিল এবং পরবর্তীকালে তিনি যখন রিপাবলিকানদের মুখোমুখি হন, পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।</p><p>অবশেষে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর আল-সায়েদ স্টিভেন্সকে পরাজিত করেন। আইপ্যাকের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাঁর পরাজয়ের কারণ ছিল না বলে দাবি করলেও, স্টিভেন্স নিজেই পরোক্ষভাবে তা স্বীকার করে নেন।</p><p>স্টিভেন্স বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয়, অনেকেই এটা নিয়ে আলোচনা করছিলেন এবং তাঁরা বিষয়টি পছন্দ করেননি। কারণ, হয়তো তারা বুঝতে পারেনি যে এ গোষ্ঠী কী। আইপ্যাক হলো ৬০ লাখ আমেরিকান ইহুদির একটি সংগঠন... কিন্তু অনেকেই গভীরভাবে হতাশ কারণ নেতানিয়াহু আমাদের শান্তি এনে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’</p><p>সপ্তাহান্তে এক নাটকীয় মোড়ে মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টি স্টিভেন্সকে দল থেকে বহিষ্কার করে, কারণ তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল-সায়েদের বদলে রিপাবলিকান প্রাক্‌–প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন।ই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-05/iemsh2tb/Gaza-city.jpg"><figcaption>ইসরায়েলি হামলায় গাজা শহর যেন ধ্বংসস্তূপ হয়ে আছে। গাজা, ফিলিস্তিন, ৩০ জুলাই</figcaption></figure><h3> ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য </h3><p>এদিকে, আল-সায়েদের রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য আরও বাড়িয়ে দেন। তিনি বারবার মিথ্যা অভিযোগ তুলতে থাকেন যে আল-সায়েদ মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি নাকি বলেছিলেন যে ৯/১১-এর হামলার যোগ্য শাস্তিই পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>কিন্তু এমন স্তরের কাদা–ছোড়াছুড়ির পরও প্রাইমারি শেষ হওয়ার পরপরই রজার্সের নির্বাচনী টিম গোপনে আইপ্যাককে অনুরোধ করে যেন তারা রজার্সকে সমর্থন করা থেকে বিরত থাকে। আইপ্যাক কতটা গ্রহণযোগ্যতাহীন হয়ে পড়েছে, এটি তারই বড় প্রমাণ।</p><p>পরবর্তীকালে অবশ্য রজার্স, যাঁর সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে ইভানজেলিক্যাল খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কিছু উগ্র ইসরায়েল সমর্থক রয়েছেন, প্রকাশ্যে আইপ্যাকের সমর্থন গ্রহণ করেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/tdosovdmy2">ফিলিস্তিন যেভাবে পশ্চিমের রাজনীতি চিরতরে বদলে দিয়েছে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/cj7s87zc8b">বাক্‌স্বাধীনতার ধ্বজাধারী পশ্চিমারা ফিলিস্তিন প্রশ্নে কেন চুপ</a></aside><p>তবে উগ্র ডানপন্থী হওয়া সত্ত্বেও আইপ্যাকের টাকা নিতে রজার্সের এ প্রাথমিক দ্বিধাই প্রমাণ করে যে আইপ্যাকের প্রতি সাধারণ মানুষের বিরূপ মনোভাব কতটা তীব্র।</p><p>আবদুল আল-সায়েদ ও মিশিগানের সিনেট লড়াই আইপ্যাকের ক্ষীয়মান ভাবমূর্তির একটি উদাহরণমাত্র। এ ঘৃণার কারণেই আইপ্যাক রাজনৈতিক প্রার্থীর সরাসরি অর্থায়নের খেলা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে।</p><p>তবে আইপ্যাক ইউডিপি নামক সুপার প্যাকটি চালু রাখবে। তাদের আশা, এর মাধ্যমে তারা গোপনে নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারবে যাতে মানুষ বুঝতে না পারে যে উসকানিমূলক বিজ্ঞাপনের পেছনে আইপ্যাক রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে প্রায়ই ইসরায়েলের কোনো উল্লেখ থাকে না, তবে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের কথা বলা প্রার্থীকে হেয় করতেই এগুলো ব্যবহার করা হয়।</p><p>কিন্তু ‘ইউডিবি’কেও যদি আলোর মুখ দেখানো সম্ভব হয়, তবে ‘আইপ্যাক-প্যাক’-এর মতো এটিও স্তব্ধ হয়ে যাবে। একটি বর্ণবাদী ও গণহত্যা পরিচালনাকারী শাসনব্যবস্থাকে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে উপস্থাপন করার জন্য আইপ্যাক ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে।</p><ul><li><p><strong>মিচেল প্লিটনিক</strong> রাজনৈতিক বিশ্লেষক। <em>মিডল ইস্ট আই</em> থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ছেলের পেছনে এক মায়ের নিঃশব্দ লড়াই
‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ছেলের পেছনে এক মায়ের নিঃশব্দ লড়াই

<p>যে পথে একা হেঁটে স্কুলে যেতেন, যেখানে অন্য কোনো সঙ্গী ছিল না। সেই গ্রাম থেকেই আজ বিসিএস কর্মকর্তা অলোক কুমার মাহাতো। অর্থাভাব আর বাবার শূন্যতাকে সঙ্গী করে শুরু হয়েছিল পথচলা। অলোকের এ সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারের নয়, পুরো এলাকার জন্যই এক নতুন আশার আলো।</p><figure></figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শাড়ি নয়, করসেট আর সাটিন স্কার্টে নুসরাতের নজরকাড়া গ্ল্যামার
শাড়ি নয়, করসেট আর সাটিন স্কার্টে নুসরাতের নজরকাড়া গ্ল্যামার

ফ্যাশনে গ্ল্যামার আর আভিজাত্য একসঙ্গে ফুটিয়ে তুলতে জানেন নুসরাত জাহান। এবার মভ পিঙ্ক রঙের নজরকাড়া সাজে ধরা দিলেন অভিনেত্রী। ভারী কাজের করসেট টপ, ঝলমলে সাটিন স্কার্ট আর পরিমিত মেকআপে তাঁর পুরো লুকেই রয়েছে রাজকীয় আমেজ।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ছেলের পেছনে এক মায়ের নিঃশব্দ লড়াই
‘ম্যাজিস্ট্রেট’ ছেলের পেছনে এক মায়ের নিঃশব্দ লড়াই

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/mzajistret-cheler-pechne-ek-mayer-nisbd-lrai</figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সংকট শুধু পরিকল্পনার নয়, কল্পনারও
সংকট শুধু পরিকল্পনার নয়, কল্পনারও

<p>বাংলাদেশের শহরগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা সাধারণত কিছু পরিচিত সমস্যার মধ্যেই ঘুরপাক খায়—যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ুদূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আবাসনসংকট, ফুটপাত দখল, নাগরিক সেবার অপ্রতুলতা ইত্যাদি। আমরা সমস্যা চিহ্নিত করি, বিশেষজ্ঞদের ডাকি, পরিকল্পনা করি, প্রকল্প হাতে নিই। তারপরও সংকট থেকে যায়। একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে প্রায়ই আরেকটি সমস্যার জন্ম দিই। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি, সমস্যাটি শুধু আমাদের পরিকল্পনার ঘাটতিতে নয়?</p><p>আমার মনে হয়, বাংলাদেশের নগর সংকটের গভীরে রয়েছে নগর-কল্পনার সংকট। আমরা কেমন শহর চাই, সেই শহর কার, কার জীবনকে কেন্দ্র করে তার পরিকল্পনা হবে, প্রকৃতির সঙ্গে তার সম্পর্ক কী হবে—এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমাদের সম্মিলিত কল্পনা অত্যন্ত সীমিত। এই সীমাবদ্ধতার শিকড় রয়েছে আমাদের ইতিহাস ও নগরায়ণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে।</p><p><strong>নদীমাতৃক থেকে নগরসভ্যতা</strong></p><p>আমাদের এই ভূখণ্ডের সভ্যতার ইতিহাস রোমের মতো একক, কেন্দ্রীভূত নগরকে ঘিরে গড়ে ওঠেনি। বাংলার বসতি ও নগরায়ণের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর নদীনির্ভর, বিস্তৃত ও বহুকেন্দ্রিক চরিত্র। নদী, খাল, বিল, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের বসতি ও অর্থনৈতিক জীবন নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ছিল। আমাদের ভূগোল এমন এক সভ্যতার জন্ম দিয়েছে, যেখানে মানুষের জীবন সব সময় কোনো একটি বিশাল নগরের মধ্যে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।</p><p>মোগল আমলে ঢাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। সেই নগরায়ণ ইউরোপীয় আধুনিক নগর-পরিকল্পনার মতো কোনো সর্বব্যাপী নকশার অনুসরণে ঘটেনি। প্রশাসনিক স্থাপনা, দুর্গ, বাজার, মহল্লা, ঘাট, নদীপথ ও সাধারণ মানুষের বসতি মিলিয়ে নগর বিকশিত হয়েছিল। নগরের বিভিন্ন অংশের বিকাশের পেছনে ছিল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেরও বড় ভূমিকা।</p><p>কলকাতায় ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিস্তারে ঢাকার অবস্থান বদলে যায়। শহর ধীরে ধীরে এমন একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যাকে ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, শৃঙ্খলায় আনতে হবে, উন্নত করতে হবে। এই উন্নয়নের ধারণার মধ্যেই নিহিত ছিল এক গভীর রাজনৈতিক প্রশ্ন—কার জন্য উন্নয়ন?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/rb2bnaex/Untitled-1.jpg"></figure><p><strong>ঔপনিবেশিক নগর-কল্পনার দীর্ঘ ছায়া</strong></p><p>ঔপনিবেশিক নগরায়ণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল স্থানিক বিভাজন। একদিকে শাসকগোষ্ঠী ও প্রশাসনিক অভিজাতদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা, উন্নত অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধা; অন্যদিকে সাধারণ মানুষের বসতি, বাজার ও শ্রমজীবী এলাকার জন্য ভিন্ন বাস্তবতা। ঢাকায় রমনা ও মিন্টো রোডকে কেন্দ্র করে ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক আবাসিক এলাকার বিকাশ এই ইতিহাসের একটি উদাহরণ। শহরের ভেতরেই যেন আরেকটি পৃথক শহর, যেখানে পরিকল্পনা, পরিবেশ ও নাগরিক সুবিধার মান আশপাশের অঞ্চল থেকে আলাদা।</p><p>১৯১৭ সালে প্যাট্রিক গেডেস ঢাকার নগর-পরিকল্পনা বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করেন। তাঁর চিন্তার একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল শহরের বিদ্যমান প্রকৃতি, জলাভূমি, সবুজ ও সামাজিক জীবনকে বিবেচনায় নেওয়া। তাঁর কাজকে তাই সরলভাবে ঔপনিবেশিক বিভাজনের সমার্থক বলা যাবে না। কিন্তু যে শাসনব্যবস্থার অধীনে নগর–পরিকল্পনার এই চর্চা চলছিল, তার মধ্যেই প্রশাসনিক ক্ষমতা ও সাধারণ নগরজীবনের মধ্যে সুস্পষ্ট দূরত্ব ছিল।</p><p>পাকিস্তান আমলে ১৯৫৬ সালে ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়; ১৯৫৯ সালে মিনোপ্রিও, স্পেন্সলি ও ম্যাকফারলেনের মহাপরিকল্পনার মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশকে আলাদা আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চল হিসেবে বিন্যস্ত করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী ইত্যাদি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার বিকাশকে এই বৃহত্তর ইতিহাসের মধ্যে দেখতে হবে।</p><p>এসব এলাকার পরিকল্পনা করা ভুল ছিল, এমন নয়। প্রশ্ন হলো, কেন শহরের কিছু নির্দিষ্ট অংশ পরিকল্পিত নাগরিক সুবিধার অধিকারী হবে, আর অন্যান্য অংশের মানুষকে নিজেদের উদ্যোগে বসতি, রাস্তা, পানি কিংবা পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে নিতে হবে?</p><p>ধানমন্ডির পাশে কলাবাগান কিংবা কাঁঠালবাগানের মতো এলাকার বিকাশের দিকে তাকালেই এই পার্থক্য বোঝা যায়। এসব এলাকার মানুষের নিজস্ব উদ্যোগ, স্থানীয় সংগঠন ও দৈনন্দিন প্রয়োজন শহর গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় সব এলাকার মানুষ সমান মনোযোগ বা সম্পদ পায়নি।</p><p>অর্থাৎ আমরা এমন এক নগর-পরিকল্পনার ধারায় অভ্যস্ত হয়েছি, যেখানে শহরের কিছু অংশকে পরিকল্পনার বিষয় হিসেবে দেখা হয়, আর বাকি অংশকে সমস্যা।</p><p><strong>পরিকল্পিত দ্বীপ, অপরিকল্পিত সমুদ্র</strong></p><p>স্বাধীনতার পরও এই চিন্তার মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি। আমরা নতুন নতুন পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা, উপশহর ও নগর সম্প্রসারণ প্রকল্প তৈরি করেছি। পূর্বাচল তার একটি বড় উদাহরণ। বিশাল আয়তনের এই পরিকল্পিত নতুন শহরে রাস্তা, প্লট, আবাসন ও বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু পূর্বাচলকে যদি তার চারপাশের গ্রাম, বিদ্যমান বসতি, কৃষিজমি, জীবিকা, নদী ও জলাভূমির বৃহত্তর বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রকল্প হিসেবে দেখা হয়, তাহলে আমরা আবারও সেই পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি করব।</p><p>আজ যে গ্রামগুলো প্রকল্পের সীমানার বাইরে, নগরায়ণের চাপে সেগুলো আগামী দিনে অপরিকল্পিতভাবে বদলে যাবে। মানুষ সেখানে আরও বসতি গড়বে, আরও দোকান তৈরি করবে, কর্মসংস্থান ও যাতায়াতের নতুন নতুন ব্যবস্থা তৈরি হবে। তারপর একসময় আমরা বলব, পরিকল্পিত শহরের পাশে আবার এত ‘অপরিকল্পিত’ বসতি কেন?</p><p>এভাবে আমরা যেন বারবার পরিকল্পিত কিছু দ্বীপ তৈরি করছি, যার চারপাশে বিশাল এক অপরিকল্পিত সমুদ্র। সমুদ্রকে বাদ দিয়ে দ্বীপগুলোর পরিকল্পনা করছি। এটি কেবল পরিকল্পনার পদ্ধতিগত সমস্যা নয়; শহরকে দেখার একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/mbtdmpzk/20260929-SH0004.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (২০২২) অনুসারে ঢাকা মহানগরে ১ কোটি ৩ লাখ মানুষের বাস। পাখির চোখে ঢাকার এই ছবি গুলশান এলাকার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর। </figcaption></figure><p><strong>শহর আসলে কাদের</strong></p><p>এই প্রশ্ন স্পষ্ট হয় আমাদের নাগরিক সুবিধার বণ্টনের দিকে তাকালে। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো এলাকায় নাগরিক পরিষেবার বিষয়ে যে ধরনের মনোযোগ দেখা যায়, জুরাইন কিংবা শহরের বহু নিম্ন আয়ের এলাকায় আমরা তা দেখি না। যেন শহরের কিছু মানুষ উন্নত নাগরিক জীবন পাওয়ার স্বাভাবিক দাবিদার, আর অন্যদের ভাগ্যে থাকবে জলাবদ্ধতা, দূষণ, অনিরাপদ আবাসন কিংবা অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা।</p><p>অথচ যে মানুষটি সকালে শহরের রাস্তা পরিষ্কার করেন, বাস চালান, নির্মাণশ্রমিক হিসেবে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন, ফুটপাতে খাবার বিক্রি করেন, বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই শহরের অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। শহরের পরিকল্পনায় তাঁরা কোথায়?</p><p>আমরা প্রায়ই শহরের মানুষকে বৈধ ও অবৈধ, আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক, পরিকল্পিত ও অপরিকল্পিত—এ ধরনের বিভাজনে দেখি। অবশ্যই শহর পরিচালনায় নিয়মকানুন প্রয়োজন। কিন্তু কোনো মানুষের বসতি বা জীবিকার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকলেই তাঁর মৌলিক নাগরিক প্রয়োজন অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে না।</p><p>শহরের সাফল্য কি তার সবচেয়ে ধনী বাসিন্দাদের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিচার করা হবে, নাকি সবচেয়ে প্রান্তিক বাসিন্দাদের জীবনের মান দিয়ে? আমাদের নগর–পরিকল্পনার চিন্তা এই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া জরুরি।</p><p><strong>প্রকৃতি কি শহরের বাইরে</strong></p><p>আমাদের নগর-কল্পনার আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, আমরা শহর ও প্রকৃতিকে পরস্পরের বিপরীত হিসেবে ভাবতে শিখেছি। আমাদের প্রচলিত চিন্তায় গ্রাম প্রকৃতির স্থান, আর শহর মানুষের নির্মিত কৃত্রিম পরিবেশ।</p><p>এই বিভাজনে আধুনিক নগরায়ণে প্রকৃতিকে প্রায়ই উন্নয়নের প্রতিবন্ধক কিংবা নিয়ন্ত্রণ করার বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশের মতো নদীমাতৃক বদ্বীপে এই চিন্তা বিপজ্জনক। ঢাকার খাল, জলাভূমি, নদী, গাছপালা, উন্মুক্ত ভূমি এ শহরেরই অংশ। এগুলো ছাড়া শহরের পানি, তাপমাত্রা, জীববৈচিত্র্য, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক জীবনকে টেকসই রাখা সম্ভব নয়।</p><p>জলাভূমি ভরাট করে আবাসন তৈরির সময় আমরা শুধু প্রকৃতিই ধ্বংস করি না, শহরের পানি ধারণের ক্ষমতাও কমিয়ে দিই। খালকে নর্দমায় পরিণত করলে শুধু পরিবেশেরই ক্ষতি হয় না; শহরের জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ে। প্রকৃতির ক্ষতি আর মানুষের ক্ষতি আলাদা নয়।</p><blockquote>গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো এলাকায় নাগরিক পরিষেবার বিষয়ে যে ধরনের মনোযোগ দেখা যায়, জুরাইন কিংবা শহরের বহু নিম্ন আয়ের এলাকায় আমরা তা দেখি না। যেন শহরের কিছু মানুষ উন্নত নাগরিক জীবন পাওয়ার স্বাভাবিক দাবিদার, আর অন্যদের ভাগ্যে থাকবে জলাবদ্ধতা, দূষণ, অনিরাপদ আবাসন কিংবা অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা </blockquote><p>আমাদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি রয়েছে। রয়েছে ভূমিকম্প, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য দুর্যোগের আশঙ্কা। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের কারণে আগামী দিনগুলোতে শহরগুলোর ওপর জনসংখ্যার চাপ বাড়তে পারে।</p><p>এই বাস্তবতায় আমাদের শহরগুলোকে সহনশীল করতে হবে। এটি কেবল শক্তিশালী অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; একটি সামাজিক, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক প্রশ্ন। আমাদের ভাবতে হবে, কীভাবে শহরের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ ও সবচেয়ে বিপন্ন প্রতিবেশব্যবস্থাকে একই সঙ্গে পরিকল্পনার কেন্দ্রে আনা যায়। কারণ, প্রান্তিক মানুষের জীবন ও প্রকৃতির সুরক্ষা শহরের অর্থনীতির বিপরীত কোনো বিষয় নয়; বরং দীর্ঘ মেয়াদে একটি সুস্থ, উৎপাদনশীল ও টেকসই নগর অর্থনীতির পূর্বশর্ত।</p><p><strong>আগে প্রয়োজন নতুন কল্পনা</strong></p><p>আমরা শহরের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রায়ই বিশেষজ্ঞদের দিকে তাকিয়ে থাকি। যানজট হলে সড়কবিশেষজ্ঞ, জলাবদ্ধতা হলে প্রকৌশলী, আবাসনসংকট হলে স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ, দূষণ হলে পরিবেশবিশেষজ্ঞ। প্রত্যেকে নিজের ক্ষেত্রের মধ্যে সমাধান খোঁজেন।</p><p>এসব বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সমস্যা হলো, শহরকে আমরা আলাদা আলাদা সমস্যার সমষ্টি হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। অথচ শহর একটি সম্পর্কের জগৎ। মানুষ, প্রকৃতি, অবকাঠামো, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও রাজনীতি পরস্পরকে প্রভাবিত করে। একটিকে অন্যটি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।</p><p>আমরা হকার উচ্ছেদ করে ফুটপাত পরিষ্কার করতে পারি। কিন্তু হকারদের জীবিকার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যায়। আমরা একটি এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে পানি অন্য এলাকায় ঠেলে দিই। আমাদের তৈরি নতুন পার্ক যদি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য কার্যত সংরক্ষিত থাকে, তাহলে সেটি কতটা সর্বজনীন? এই প্রতিটি সমস্যার পেছনে অভিন্ন প্রশ্ন হলো: শহর আমরা কার জন্য নির্মাণ করছি?</p><p>আমাদের শহরের ভবিষ্যৎ তাই কেবল আরেকটি মহাপরিকল্পনা, নতুন আইন বা উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর নির্ভর করবে না। নির্ভর করবে আমরা শহর সম্পর্কে কতটা নতুনভাবে চিন্তা করতে পারি, তার ওপর। নতুন চিন্তার জন্য প্রয়োজন শহরকে কেবল প্রশাসনিক সীমানা বা উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে না দেখে একটি সম্মিলিত জীবনব্যবস্থা হিসেবে কল্পনা করা দরকার; যেখানে ধনী-দরিদ্র, আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক শ্রমজীবী, নারী-শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী মানুষ—সবাই নগরজীবনের সমান গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যেখানে নদী, জলাভূমি, গাছপালা ও অন্যান্য প্রাণের অস্তিত্বও পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। এ ক্ষেত্রে সরকার নাগরিক সমাজ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, শিল্পী, উদ্যোক্তা—সবারই ভূমিকা আছে। আমাদের পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমারেখাগুলো অতিক্রম করতে হবে। শুধু স্থপতিরা স্থপতিদের সঙ্গে, পরিকল্পনাবিদেরা পরিকল্পনাবিদদের সঙ্গে কিংবা পরিবেশবিদেরা পরিবেশবিদদের সঙ্গে কথা বললে চলবে না। যাঁদের জীবনকে কেন্দ্র করে শহরের পরিকল্পনা, সেই সাধারণ মানুষদেরও এই আলোচনার সক্রিয় অংশীদার করতে হবে।</p><p>আমাদের নগর-ইতিহাসে উত্তরাধিকার হিসেবে যে বিচ্ছিন্নতা ও বৈষম্য এসেছে, তা অনিবার্য ভবিষ্যৎ নয়। আমরা চাইলে অন্যভাবে শহর গড়ার চিন্তা করতে পারি। কিন্তু তার জন্য স্বীকার করতে হবে যে শহর সবার। এটি কোনো অনুগ্রহের বিষয় নয়, বরং নগরজীবনের মৌলিক নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি। আমাদের শহরগুলোর সবচেয়ে বড় সংকট এই যে আমরা এখনো যথেষ্ট গভীরভাবে কল্পনাই করতে পারিনি, একটি শহর সত্যিকার অর্থে সবার হলে সেটি কেমন হতে পারে।</p><p>সেই কল্পনা করার সম্মিলিত সক্ষমতাই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের শহরগুলোর ভবিষ্যৎ।</p> <p>* <strong>তানজিল শফিক:</strong> নগর–গবেষক; শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সুনীল কি বেঁচে আছেন, মার্শালের পরিণতি কী—উত্তর নিয়ে আসছে ‘ফেউ’
সুনীল কি বেঁচে আছেন, মার্শালের পরিণতি কী—উত্তর নিয়ে আসছে ‘ফেউ’

<p>সুনীল কি আদৌ বেঁচে আছেন, নাকি রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়ে মারা গেছেন? সুন্দরবনের মৌয়াল থেকে জলদস্যু দলের সরদার হয়ে ওঠা মার্শাল কি পারবেন মানুষের অধিকার আদায় করতে? ডুমুরঝাঁপির মানুষগুলোর কি শেষ পর্যন্ত আশ্রয় মিলবে? ‘ফেউ’ দেখে যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন দর্শকেরা, এবার সেগুলোর পরিণতি জানা যাবে। ১২ নভেম্বর চরকিতে আসছে ‘ফেউ কমপ্লিট সাগা’।</p><p>তবে এটি ‘ফেউ’–এর দ্বিতীয় মৌসুম নয়। প্রথম মৌসুমের কিছু অংশের সঙ্গে বাকি গল্প যুক্ত করে তৈরি হয়েছে পূর্ণাঙ্গ এই ধারাবাহিক। চরকির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৯ পর্বের ‘ফেউ কমপ্লিট সাগা’ মুক্তি পাবে ১১ নভেম্বর দিবাগত রাত ১২টায়, অর্থাৎ ১২ নভেম্বরের শুরুতে।</p><p><strong>জঙ্গলের নিয়ম ভাঙলে কী হয়</strong></p><p>৩ নভেম্বর রাতে প্রকাশিত হয়েছে ধারাবাহিকটির প্রচার–ঝলক। সেখানে শোনা যায় জঙ্গলের নিজস্ব নিয়মের কথা। একটি সংলাপের বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘আমি তোমাকে আগেই বলেছিলাম, জঙ্গলের নিজস্ব কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। সেগুলো ভাঙলে বিপদে পড়তে হয়।’ এই সতর্কবার্তা আর রহস্যঘন দৃশ্যে আভাস মিলেছে আসন্ন সংঘাতের।</p><p>গল্পে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়ে ওঠেন রহস্যময় মার্শাল। অন্যদিকে তরুণ ড্যানিয়েল জড়িয়ে পড়েন বিদেশি চরদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। সুন্দরবনের দুর্গম জনপদে তাঁদের লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে যায় ইতিহাস, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং মানুষের আশ্রয় ও অধিকার আদায়ের প্রশ্ন।</p><p>বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় কাল্পনিক গল্পটি লিখেছেন সুকর্ণ শাহেদ ধীমান ও রোমেল রহমান। চিত্রনাট্য করেছেন সুকর্ণ শাহেদ ধীমান ও সিদ্দিক আহমেদ। পরিচালনা করেছেন ধীমান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/p03wg748/feu_complete_saga_2.jpg"><figcaption>এটি ‘ফেউ’–এর দ্বিতীয় মৌসুম নয়। প্রথম মৌসুমের কিছু অংশের সঙ্গে বাকি গল্প যুক্ত করে তৈরি হয়েছে পূর্ণাঙ্গ এই ধারাবাহিক</figcaption></figure><p><strong>দ্বিতীয় মৌসুম নয়, পূর্ণাঙ্গ গল্প</strong></p><p>নির্মাতা জানান, প্রথম মৌসুমে ইতিহাস, জনপদ, সেখানকার মানুষের সংকট ও রাজনীতির পটভূমি বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। এবার সেই ঘটনাপ্রবাহ এসে মিলবে এক বিন্দুতে। ড্যানিয়েলের বাবাকে খুঁজে পাওয়ার অভিযানের পরিণতি এবং মার্শালের রাজনৈতিক পরিচয় ও সংগ্রামের শেষটাও উঠে আসবে। পাশাপাশি গল্পের জনপদটির ভূরাজনীতির নানা দিক পরিষ্কার হবে।</p><p>সুকর্ণ শাহেদ ধীমান বলেন, ‘প্রথম মৌসুমে আমরা গল্পটির ভিত্তি ও ইতিহাস খুব বিশদভাবে তৈরি করেছিলাম। এবার গল্পটি একটি পূর্ণাঙ্গ অবয়ব পাচ্ছে। “ফেউ কমপ্লিট সাগা” দেখলে দর্শক পুরো গল্পটি একেবারে স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন। এমনকি যাঁরা প্রথম মৌসুমটি দেখেননি, তাঁরাও এটি দেখলে কোনো অসম্পূর্ণতা বোধ করবেন না। বলতে গেলে, আলাদা করে প্রথম মৌসুম বলে আর কিছু থাকছে না; “ফেউ কমপ্লিট সাগা”ই “ফেউ”–এর আসল ও পূর্ণাঙ্গ গল্প।’</p><p>নির্মাতার ভাষ্যে, ‘এটি শতভাগ দেশি গল্পের ধারাবাহিক। এ গল্পে দক্ষিণবঙ্গের বীরত্বগাথা ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়েছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/u6o5fatp/feu_complete_saga_7.jpg"><figcaption>ফেউ কমপ্লিট সাগা’ ’-এর দৃশ্যে </figcaption></figure><p><strong>মার্শাল একজন সংগ্রামীর প্রতিচ্ছবি</strong></p><p>‘ফেউ কমপ্লিট সাগা’য় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে সুনীল ও মার্শালের পরিণতি। চরিত্র দুটিতে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে চঞ্চল চৌধুরী ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান।</p><p>মার্শালকে নিয়ে ইমরান বলেন, ‘মার্শাল চরিত্রটি একজন প্রকৃত সংগ্রামীর প্রতিচ্ছবি। তার বেশভূষা, পোশাক, শারীরিক ভাষা ও আচরণে দারুণ একটি গভীরতা রয়েছে। পুরো কাজটির অভিজ্ঞতা ছিল দারুণ। অবশেষে দর্শক পুরো গল্পটা দেখতে পাবেন এবং এটি দেখার পর তাঁরা আসল রোমাঞ্চটা উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করছি।’</p><p>মৌয়াল থেকে জলদস্যু দলের সর্দার হয়ে ওঠা মার্শালের লড়াই কোথায় গিয়ে থামবে, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি কতটা এগোতে পারবেন—পূর্ণাঙ্গ গল্পে সেসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।</p> <p><strong>প্রায় এক বছর ধরে চিত্রধারণ</strong></p><p>২০২৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় এক বছর ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিকটির চিত্রধারণ হয়েছে। নির্মাতা জানিয়েছেন, চালনা, বটিয়াঘাটা, বাজুয়া, মোংলা এবং খুলনা ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় কাজ করেছেন তাঁরা। সুন্দরবনের দুর্গম স্থানেও দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে।</p><p>প্রধান অভিনয়শিল্পীদের পাশাপাশি এতে অভিনয় করেছেন খুলনা, বাগেরহাট ও বটিয়াঘাটার শতাধিক শিল্পী। অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে আরও আছেন তারিক আনাম খান, তানভীর অপূর্ব, হোসাইন জীবন, তাহমিনা অথৈ, রিজভি রিজু, ফাদার জোয়া, বাবলু বোস, এ কে আজাদ সেতু, আনোয়ার হোসেন, রন্তিক দীপু, আমিরুল ইসলাম ও আবিদ মল্লিক।</p><p>চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘“ফেউ”–এর প্রথম মৌসুম মুক্তির পর এর গল্প, চিত্রধারণের স্থান ও দৃশ্যায়ন নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। গল্পের সঙ্গে ইতিহাস, রাজনীতি ও বাবাকে খুঁজে পাওয়ার যাত্রা আছে। সুন্দরবনের খুবই দুর্গম জায়গায় চিত্রধারণ হয়েছিল। বিষয়গুলো দর্শকেরা পর্দায় অনুধাবন করতে পেরেছেন। আশা করছি, দারুণ সব দৃশ্যায়ন এবং নবীন–প্রবীণদের অভিনয়ে ইতিহাস ও সংগ্রামের যাত্রাটা দর্শকদের কাছে আরও উপভোগ্য হয়ে উঠবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/2tiosnre/feu-complete-saga-5.jpg"><figcaption>ধারাবাহিকটির নামেও রয়েছে গল্পের রাজনৈতিক ইঙ্গিত</figcaption></figure><p><strong>কেন নাম ‘ফেউ’</strong></p><p>ধারাবাহিকটির নামেও রয়েছে গল্পের রাজনৈতিক ইঙ্গিত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ‘ফেউ’ শব্দের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বাঘের পেছনে থেকে ডেকে তার আগমন জানান দেয় যে শৃগাল, তাকে বলা হয় ফেউ। আবার ‘ফেউ লাগা’ বলতে কারও পেছনে লেগে ক্রমাগত উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত করাও বোঝায়।</p><p>নামটি বেছে নেওয়ার কারণ জানিয়ে ধীমান বলেন, ‘গল্পের রাজনৈতিক বর্ণনায় ফেউ প্রাসঙ্গিক। মানুষের স্বভাবজাত আতঙ্ক, ভয় যখন দৈনন্দিন হয়ে যায়, তখনো সেটা ফেউ শব্দ দিয়ে বোঝানো সম্ভব। সে কারণেই ধারাবাহিকের নামে ফেউ শব্দটা আছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-27/nknxog5u/Noor-imran-as-marshal-1.jpg"><figcaption>‘ফেউ’-এর দৃশ্যে মোস্তাফিজুর নূর ইমরান </figcaption></figure><p>নির্মাতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের মরিচঝাঁপিতে উদ্বাস্তুদের ওপর সংঘটিত নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ডের ছায়া রয়েছে গল্পে। দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় নেওয়া মানুষের একটি অংশ নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে মরিচঝাঁপিতে বসতি গড়েছিলেন। পরে তাঁদের উচ্ছেদকে ঘিরে ঘটে মর্মান্তিক ঘটনা। সেই ইতিহাসের অনুপ্রেরণায় নির্মিত কাল্পনিক আখ্যানে মানুষের আশ্রয়, অধিকার ও রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রশ্ন তুলে ধরেছে ‘ফেউ’।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মুক্ত পে ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করল বাংলালিংক
মুক্ত পে ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করল বাংলালিংক

দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও দ্রুত করতে ‘মুক্ত পে’ নামের ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে বাংলালিংক।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স

সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের

পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের

পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস

ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প

ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?

পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন
উদযাপন ও সেলফি: ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন

রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?
কে এই আবদুল এল-সাইয়েদ, যিনি প্রথম মুসলিম মার্কিন সেনেটর হচ্ছেন?

মিশিগান রাজ্যে জনমত জরিপগুলোও ইঙ্গিত দিচ্ছিলো, ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর হতে যাচ্ছেন।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজন মুন্সীকে আটক করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি
আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজকে বলা হয় বেহেশতের চাবি, কেননা বান্দার নামাজ যথাযথ হলে তার বেহেশতে যাওয়ার পথ সহজ হয়ে যায়। কোরআনের অনেক জায়গায় নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নামাজের আদেশ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদেরও।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শসার খোসা ফেলে দিয়ে হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ
শসার খোসা ফেলে দিয়ে হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ

একটি মাঝারি শসা থেকে প্রায় ৪১ শতাংশ দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ ভিটামিন কে পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। কিন্তু শসার খোসা ফেলে দিয়ে শসা খাওয়া মানে এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটিই ফেলে দেওয়া। খোসা ছাড়িয়ে নিলে শসার ভেতরে কেবল পানি ছাড়া তেমন কোনো খাদ্যআঁশ বা পুষ্টি উপাদান অবশিষ্ট থাকে না। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, কমেছে গ্যাস সরবরাহ

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯ মিলিয়ন ঘনফুটে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট কম।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
টেকনাফে পাহাড়ে তুলে নিয়ে দুজনকে হত্যা, আহত আরও ২
টেকনাফে পাহাড়ে তুলে নিয়ে দুজনকে হত্যা, আহত আরও ২

কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চারজনকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শেষ মুহূর্তে ভালভের্দের গোলে রিয়ালের নাটকীয় জয়
শেষ মুহূর্তে ভালভের্দের গোলে রিয়ালের নাটকীয় জয়

চ্যাম্পিয়নস লিগে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত গ্রিক ক্লাব এইকে এথেন্সকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন ফেদে ভালভের্দে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা বিলে বেশি ছাড় না দেওয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর
মোহাম্মদপুরে চিকিৎসা বিলে বেশি ছাড় না দেওয়ায় হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

চিকিৎসা বিলে কেন বেশি ছাড় দেওয়া হলো না, তা নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে একদল তরুণ এই হামলা চালিয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয়দের হামলা, আহত ৩, গ্রেপ্তার ৯
ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয়দের হামলা, আহত ৩, গ্রেপ্তার ৯

গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেন। নির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ফলে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬