ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। জেলেরা নৌকা ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরছে ।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

তেল-চিনিতে বাড়তি দাম, সবজিতেও স্বস্তি নেই
জাতীয়

তেল-চিনিতে বাড়তি দাম, সবজিতেও স্বস্তি নেই

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0

Rss feed news

যে রকেট সায়েন্সে ভ্রমণ ম্যাপ রঙিন করতে পারবেন আপনিও
যে রকেট সায়েন্সে ভ্রমণ ম্যাপ রঙিন করতে পারবেন আপনিও

<p>সাররাজ আজকাল ফেসবুকে ঢুকতেই পারছে না। ঢুকলেই তার নিজেকে গৃহবন্দী লাগছে। নিউজ ফিডজুড়ে শুধু সবুজ-কমলা-নীল রঙের বাংলাদেশ। ঘটনা কী? ঘটনা হলো, সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন নতুন ট্রেন্ড, ‘বাংলাদেশ ভ্রমণ ম্যাপ’। কে কত জেলা ঘুরেছে, তা–ই দেখা যাচ্ছে এ ম্যাপে। এ জায়গায় সাররাজ বড্ড নিরুপায়। সে মাত্র দুটো জেলা দেখেছে, নিজের বাসা ঢাকা আর কোনো এক আদিকালে পরিবার তাকে কক্সবাজারে নিয়ে গিয়েছিল সঙ্গে করে।</p><p>নাহ! এটা সাররাজের জন্যে বড়ই অপমানজনক। কোনোভাবেই এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা যাবে না, এ রকম দুরবস্থা দেখলে তার যা ফ্যান–ফলোয়ার আছে, সেগুলোও ছি! ছি! করে আনফলো করে দেবে। এখন আবার ট্রেন্ডিংয়ের সাথে তাল না মেলালে তার এত সুন্দর আইডির রিচ কমে যাওয়ার ভয়। কী করা যায় ভাবতে ভাবতে তার যথারীতি ৬৯টা উপায় মাথায় এল, যেগুলোর মাধ্যমে জেলার সংখ্যা সে বাড়াতে পারবে।</p><p>এর মধ্যে কয়েকটাকে সাররাজ বেশি প্রাধান্য দিল:</p><p>১। হাইওয়ে নীতি</p><p>এ নীতিতে সাররাজের বাস ঢাকা থেকে কক্সবাজারে যাওয়ার পথে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম হয়ে গেছে অর্থাৎ এ সুযোগে সেসব জেলাও সুযোগ পেয়ে যাবে ম্যাপের মধ্যে। সহজ বাংলায় ‘বাস তো ওখান দিয়েই এসেছে’।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/opoz47soeu">এত দিন যাত্রী আমাকে খুঁজত। এখন শুনছি সরকারও আমাকে খুঁজবে! —বাংলার টেসলা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/i81ladl0cs">আমারও একটা ডিভোর্স হয়েছে</a></aside><p>২। হাইওয়ে নীতি নিয়ে একটু বিতর্ক হতেই পারে। তাই সাররাজ ঠিক করল যে তার বাসকে প্রতিটি জেলায় দাঁড় করাবে। নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজের যানজটে বাসটাকে আটকে দিল। এতে সেখানে সে বাস থেকে ব্রিজের ওপর হাঁটাহাঁটি করল, মানে তার পদধূলি ওই জেলায় পড়েছে। অর্থাৎ তালিকায় নারায়ণগঞ্জ যুক্ত হলো। এরপর বাসটাকে মুন্সিগঞ্জ জেলায় মানাবে অ্যামিউজমেন্ট পার্কের সামনে আটকে দিল যানজটে। তবে প্রতিবার যানজটে আটকানো যায় নাকি? একটু তো ভিন্নতা থাকতে হবে যাতে ফ্যান–ফলোয়াররা সন্দেহ না করে। তাই এবার বরাবরের মতো যাত্রাবিরতি কুমিল্লায় দিয়ে তালিকায় কুমিল্লাও যুক্ত করল।</p><p>৩। ২–এর মতো একই উপায়, তবে কৌশল একটু ভিন্ন থাকায় সাররাজ একে নাম দিল ইকোরুম থিওরি। যাকে ভাঙলে শব্দ দুটো এমন হয়—ইকোনমি ও ওয়াশরুম; একসঙ্গে ইকোরুম থিওরি। এ আবার কেমন থিওরি? সে এ যাত্রায় বাসকে ফেনী জেলার একটা ফিলিং স্টেশনে ঢুকিয়ে দিল, ডিজেল নিতে হবে। এ সুযোগে সে ফেনীতে নেমে তার পদধূলি দিয়ে সেখানকার ওয়াশরুম ব্যবহার শেষে দোকান থেকে এক কাপ কড়া রং–চা নিল যার মাধ্যমে সেখানকার স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রেখেছে এবং পানি ব্যবহার করেছে। একে তার ভাষায় ‘ভ্রমণ’ না বলাটা চরম অকৃতজ্ঞতা হবে। একই থিওরি সে চট্টগ্রামেও খাটাল। তবে এবার আর তার বাস থামাতে হয়নি। চট্টগ্রামে এসে বাস নিজে থেকেই কাউন্টারে থামে এবং যথারীতি সাররাজ তার ইকোরুম থিওরি প্রয়োগ করল।</p><p>এভাবে সাররাজের ম্যাপে ২টা জেলার সঙ্গে আরও ৫টা জেলা যুক্ত হয়ে মোট ৭টা হলো—ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার। তারপরও তো ১০টা পূরণ হচ্ছে না। তাই এবার তার ৪ নম্বর উপায়টা দেখে আসি।</p><p>৪। এ উপায়ে সাররাজ তার দূরসম্পর্কের আত্মীয়দের বাড়ি কোন কোন জেলায় আছে, তা খুঁজে বের করল। ঠিক এভাবে যে আমার দূরসম্পর্কের চাচাতো বোনের মেয়ে আমাকে মামা ডাকবে আর তার শ্বশুরবাড়ি নোয়াখালী এবং মামা হিসেবে আমাকে তার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের মানুষই বলা যায় (কারণ, আত্মীয়তা মানেই পরিবারের অংশ)। তো মনস্তাত্ত্বিকভাবে আমি নোয়াখালীরও বাসিন্দা। এভাবে সে আরও ৩টা জেলা খুঁজে বের করে ১০টা পূরণ করল।</p><p>এবার সাররাজের মনে হলো, হ্যাঁ, ঠিক আছে। এবার কোনোরকমে এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেওয়া যায়। তবে তার একটু আফসোসও হলো যে এত সুন্দর দেশটা সে কখনো দেখার জন্য বেরও হয়নি। তাই এবার সে পণ করল, ধনধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা দেখতে সে আসলেই ভ্রমণের জন্যে বের হবে।</p>

অক্টোবর ৮, ২০২৬
যতটা ভাবছেন, আপনি হয়তো তার চেয়েও বেশি মানসিকভাবে শক্তিশালী, মিলিয়ে নিন ১০টি লক্ষণ
যতটা ভাবছেন, আপনি হয়তো তার চেয়েও বেশি মানসিকভাবে শক্তিশালী, মিলিয়ে নিন ১০টি লক্ষণ

<p>অনেক সময় মনে হয়, কোনোভাবে কেবল দিনটা পার করে দিচ্ছি। চাপ, দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি কিংবা হতাশার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। তখন নিজেকে হয়তো খুব একটা শক্তিশালী মনে হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকে থাকাটাই হতে পারে আপনার মানসিক দৃঢ়তা বা রেজিলিয়েন্সের লক্ষণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/ooghkug4/pexels-photo-7580707.avif"><figcaption>রেজিলিয়েন্স মানে সব পরিস্থিতিতে শক্ত থাকার চেষ্টা করা কিংবা কোনো কিছুতেই ভেঙে না পড়া নয়</figcaption></figure><h3>মানসিক দৃঢ়তা বা রেজিলিয়েন্স কী? </h3><p>রেজিলিয়েন্স মানে সব পরিস্থিতিতে শক্ত থাকার চেষ্টা করা কিংবা কোনো কিছুতেই ভেঙে না পড়া নয়। নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মনোবিজ্ঞান ও কাউন্সেলিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রবার্ট আলেকজান্ডারের মতে, এটি মূলত মানসিকভাবে নমনীয় থাকা। আর অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যেও সামনে এগিয়ে যেতে পারা।</p><p>চাপ আসবেই। গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেই চাপ থেকে আপনি কতটা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন। দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত চাপ শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে মানসিক দৃঢ়তা চাপ সামলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করে।</p><p>আপনার মধ্যেও হয়তো এমন কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলোকে আপনি রেজিলিয়েন্স হিসেবে কখনো ভাবেননি।</p><h3>১. কঠিন সময়েও দায়িত্ব পালন করেন</h3><p>দুশ্চিন্তা, হতাশা বা অতিরিক্ত চাপের মধ্যেও প্রয়োজনীয় কাজ করে যাওয়া মানসিক দৃঢ়তার লক্ষণ। চাপ অনুভব করেও সিদ্ধান্ত নিতে ও দায়িত্ব পালন করতে পারাটাই গুরুত্বপূর্ণ।</p><h3>২. চাপের মধ্যে আটকে থাকেন না</h3><p>চাপ অনুভব করার পর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে আবার কাজে ফিরতে পারা রেজিলিয়েন্সের ইঙ্গিত।</p><h3>৩. প্রয়োজন হলে সাহায্য চান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-23/krvdmvw5/Thumb.jpg"><figcaption>কখন সাহায্য প্রয়োজন, তা বুঝতে পারা এবং অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করাও মানসিক দৃঢ়তার অংশ</figcaption></figure><p>সবকিছু একা সামলানোই শক্তির পরিচয় নয়। কখন সাহায্য প্রয়োজন, তা বুঝতে পারা এবং অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করাও মানসিক দৃঢ়তার অংশ।</p><h3>৪. নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন</h3><p>সব সময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করাই শক্ত হওয়ার প্রমাণ নয়। মনোবিজ্ঞানী অ্যাডাম বোরল্যান্ডের মতে, নেতিবাচক আবেগ অনুভব করার সুযোগ দেওয়াও রেজিলিয়েন্সের অংশ। কথা বলা, ডায়েরি লেখা কিংবা নিজের অনুভূতিকে স্বীকার করে নেওয়া এতে সাহায্য করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/eyb7wvywjb">এআইয়ের চোখে মানুষের সেরা ২৫ অনুভূতি</a></aside><h3>৫. কোন বিষয় আপনার নিয়ন্ত্রণে, তা বোঝেন</h3><p>ভয়, রাগ বা হতাশার বদলে পরিস্থিতিতে আপনি কী করতে পারেন, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া মানসিক দৃঢ়তার লক্ষণ। নিজের ভূমিকা স্বীকার করে সমাধানের দিকে এগোনোও এর অংশ।</p><h3>৬. পরিকল্পনা বদলাতে পারেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-29/bu5crdl4/160.jpg"><figcaption>পরিস্থিতি বদলে গেলে নিজের প্রত্যাশা বা পদ্ধতিও বদলাতে পারা মানসিক নমনীয়তার পরিচয়</figcaption></figure><p>সব পরিকল্পনা অনুযায়ী জীবন চলে না। পরিস্থিতি বদলে গেলে নিজের প্রত্যাশা বা পদ্ধতিও বদলাতে পারা মানসিক নমনীয়তার পরিচয়।</p><h3>৭. নিজেকে শান্ত করতে পারেন</h3><p>চাপের মুহূর্তে গভীর শ্বাস নেওয়া, কিছুক্ষণ বিরতি নেওয়া, হাঁটাহাঁটি করা কিংবা ইতিবাচকভাবে নিজের সঙ্গে কথা বলা—এসব ছোট অভ্যাস নিজেকে সামলাতে সাহায্য করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/81pspz0xsp">পরীক্ষার সময় সন্তানকে যেভাবে শান্ত রাখবেন</a></aside><h3>৮. মন না চাইলেও ছোট কাজগুলো করেন</h3><p>মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকলেও খাওয়া, গোসল, ঘর গোছানো বা প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে যাওয়া রেজিলিয়েন্সের লক্ষণ। ছোট, বাস্তবসম্মত লক্ষ্য পূরণের অভ্যাসও মানসিক দৃঢ়তা বাড়ায়।</p><h3>৯. বিশ্রামকে গুরুত্ব দেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-06/42bb3739-72ab-43b7-b3c5-b099cb939375/539A0628.JPG"><figcaption>পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক সক্রিয়তা, পুষ্টিকর খাবার ও সামাজিক যোগাযোগ চাপ সামলাতে সাহায্য করে</figcaption></figure><p>মানসিক দৃঢ়তা মানেই সব সময় চাপের মধ্যে থাকা নয়। কখন থামতে হবে, কখন বিশ্রাম নিতে হবে, তা বুঝতে পারাও জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক সক্রিয়তা, পুষ্টিকর খাবার ও সামাজিক যোগাযোগ চাপ সামলাতে সাহায্য করে।</p><h3>১০. ‘কোনোমতে দিনটা পার করছি’ এমন দিনে</h3><p>কখনো মনে হতে পারে, আজ শুধু দিনটা পার করাই কঠিন। তবু আপনি উঠে দাঁড়ান, প্রয়োজনীয় কাজ করেন এবং পরদিন আবার চেষ্টা করেন। এটিও মানসিক দৃঢ়তা। বোরল্যান্ডের মতে, সবকিছু নিখুঁত করার চেষ্টা না করে কখনো কখনো ‘চলার মতো’ কিছুকে মেনে নেওয়াও জরুরি। বিশেষ করে ক্লান্ত সময়ে ছোট ছোট সাফল্যগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার।</p><p><sup>সূত্র: দ্য হেলদি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/49g00g6xlc">বিবলিওথেরাপি বা বইয়ের মাধ্যমে কি আসলেই মানসিক চিকিৎসা সম্ভব?</a></aside>

অক্টোবর ৮, ২০২৬
চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখা শনাক্তে নতুন সুবিধা চালু করছে ওপেনএআই
চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখা শনাক্তে নতুন সুবিধা চালু করছে ওপেনএআই

<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত লেখা যায়। আর তাই বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট, প্রবন্ধ, ই–মেইল থেকে শুরু করে গবেষণাপত্র ও পত্রিকার কলাম লেখায় এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে অনেক এআই মডেল মানুষের লেখার মতোই সাবলীলভাবে লিখতে পারায় সেগুলো মানুষ না এআই লিখেছে, তা সহজে বোঝা যায় না। আর তাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন এআই আইন মেনে চলতে চ্যাটজিপিটি দিয়ে লেখা বার্তা, ব্লগ পোস্ট, প্রবন্ধ, ই–মেইল থেকে শুরু করে গবেষণাপত্রে অদৃশ্য জলছাপ যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ওপেনএআই।</p><p>ওপেনএআই জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় বসবাসকারীদের জন্য নতুন এ সুবিধা চালু করা হবে। সুবিধাটি চালু হলে চ্যাটজিপিটি ও কোডেক্স এআই মডেলের মাধ্যমে কোনো বার্তা লেখার সময়ই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অদৃশ্য জলছাপ যুক্ত হয়ে যাবে। এই জলছাপ চোখে দেখা না গেলেও বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব। ফলে এআই দিয়ে লেখা আধেয় বা কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত করা যাবে।</p><p>ওপেনএআইয়ের তথ্যমতে, ‘টেক্সটগ্রেইন’ প্রযুক্তির মাধ্যমে এআই দিয়ে লেখা সব তথ্যে অদৃশ্য জলছাপ যুক্ত করা হবে। এ জন্য এআই মডেলের শব্দ ও বাক্যের মধ্যে বিশেষ ধরনের পরিসংখ্যানগত সংকেত তৈরি করা হবে। সাধারণভাবে লেখা পড়ার সময় এসব সংকেত শনাক্ত করা যাবে না। তবে বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংকেতগুলো বিশ্লেষণ করে কোনো লেখায় অদৃশ্য জলছাপ রয়েছে কি না, তা শনাক্ত করতে পারবে ওপেনএআই। প্রযুক্তিটি এখনো উন্নয়নের পর্যায়ে থাকায় নতুন এ সুবিধা চালু হতে কয়েক সপ্তাহ দেরি হতে পারে।</p><p>প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এআই আইনে নির্দিষ্ট ধরনের এআই–নির্মিত ও পরিবর্তিত কনটেন্টকে মেশিনের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়—এমন ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং অনলাইনে তথ্যের উৎস সম্পর্কে ব্যবহারকারী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সচেতন করা। এই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ইউরোপে চ্যাটজিপিটির লেখায় অদৃশ্য জলছাপ যুক্ত করার সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে ওপেনএআই।</p>

অক্টোবর ৮, ২০২৬
পাঁচ হাজার বছরের নীরবতা পেরিয়ে
পাঁচ হাজার বছরের নীরবতা পেরিয়ে

পথ কখনো শেষ হয় না; বরং ভ্রমণস্মৃতি নিয়ে চেনা পথে ফিরে আসাই প্রেরণা হয়ে ওঠে নতুন কোনো পথ–সন্ধানের। এ–ও যেন ঠিক তেমনই এক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা; যেখানে গল্প বলে পাহাড়, পাখির কূজনে ঘুম ভাঙে আর হৃদয় মাতে প্রকৃতির নানা রঙে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
তেল-কয়লার চেয়ে ব্যয় কম, সৌরবিদ্যুতে জোর
তেল-কয়লার চেয়ে ব্যয় কম, সৌরবিদ্যুতে জোর

বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার মাত্র ৫% নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক। বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। তবে জোর দিচ্ছে নতুন সরকার।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নেতৃত্ব নিয়ে গুরু–শিষ্যের দ্বন্দ্ব
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নেতৃত্ব নিয়ে গুরু–শিষ্যের দ্বন্দ্ব

এই টানাপোড়েনের মধ্যেই গত মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
গাড়ি থামতেই তেড়ে আসে ভালুক, কী ঘটেছিল তারপর
গাড়ি থামতেই তেড়ে আসে ভালুক, কী ঘটেছিল তারপর

জাপানের বিফুকায় গাড়ির দিকে তেড়ে এসে বনেটে হামলা চালায় এক ভালুক।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ব্র্যাকের মেধাবিকাশ বৃত্তি কলেজশিক্ষার্থীদের জন্য, মাসে পাবে ৫,০০০ টাকা
ব্র্যাকের মেধাবিকাশ বৃত্তি কলেজশিক্ষার্থীদের জন্য, মাসে পাবে ৫,০০০ টাকা

বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এককালীন ৮ হাজার টাকা এবং মাসে ৫ হাজার টাকা বৃত্তি পাবে। আবেদনের শেষ সময় ২০ অক্টোবর ২০২৬।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করলো বাংলাদেশ
এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করলো বাংলাদেশ

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। এদিকে, বাংলাদেশে আসন্ন দুর্গাপূজায় টানা তিনদিন সরকারি ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা, তবে তাদের এক দিনের সপ্তাহিক ছুটি কমছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে কেন?
ইসরায়েলে সাত অক্টোবর হামলা নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠছে কেন?

ইসরায়েলে তিন বছর আগে যা ঘটেছে তার জন্য কোনো ব্যক্তিগত দায়িত্ব নিতে বা রাষ্ট্রীয় তদন্তের নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন

বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়া রাজ্যে তার মৃত্যু হয়।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তাসহ একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিবেদী'
পত্রিকা: 'প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিরাপত্তাসহ একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লিতে ত্রিবেদী'

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে সামনে রেখেই একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে দিল্লি গেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী; চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে ২৯ শতাংশ; এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করলেও তা মানছেন না বিক্রেতারা— এ সংক্রান্ত খবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বিরোধী দলগুলো ও তরুণরা কেন আন্দোলনে?
ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বিরোধী দলগুলো ও তরুণরা কেন আন্দোলনে?

ককরোচ জনতা পার্টি, বামপন্থি দল ও সংগঠনগুলোর যে বিক্ষোভ ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে গত সপ্তাহ ধরে শুরু হয়েছে, তাদের সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের দলগুলোও যুক্ত হয়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
প্লেগ রোগ কী এবং এটি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা কেন?
প্লেগ রোগ কী এবং এটি নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা কেন?

একটি প্লেগ গবেষণা কেন্দ্রে একজন রুশ টেকনিশিয়ানের মৃত্যু নিয়ে কী জানা যাচ্ছে? তিনি ঠিক কীভাবে মারা গেলেন? আর প্লেগ নিয়ে মানুষের আসলে কতটা চিন্তিত হওয়া উচিত?

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ছয় কোটি বাংলাদেশি যে ছয় কারণে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে
ছয় কোটি বাংলাদেশি যে ছয় কারণে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, গত চার বছরে দেশটিতে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে গত এক বছরেই প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছেন। আরও প্রায় ছয় কোটি ২০ লাখ মানুষ, যারা এখন নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে অবস্থান করছেন, তারাও দরিদ্র শ্রেণিতে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনায় বারবার আক্রমণ কেন?
মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনায় বারবার আক্রমণ কেন?

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাষ্কর্যে জুতার মালা পরানোর ঘটনা সামনে আসার পর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভাঙচুরের শিকার মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ও ভাষ্কর্যের রক্ষা বা সংস্কারে বর্তমান সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মা-বোনকে মারধর, মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড
মা-বোনকে মারধর, মাদকসেবীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

বরগুনা পৌর শহরের ফায়ার সার্ভিস এলাকায় মাদকের টাকার জন্য মা ও দুই বোনকে মারধরের দায়ে সুমন খলিফা (৩৫) নামের এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

অক্টোবর ৮, ২০২৬
পিরোজপুরে নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহূর্তে ইলিশের দাম চড়া, ক্রেতাদের ক্ষোভ
পিরোজপুরে নিষেধাজ্ঞার শেষ মুহূর্তে ইলিশের দাম চড়া, ক্রেতাদের ক্ষোভ

সরেজমিনে দেখা যায়- ইলিশ, রূপচাঁদা, মরমা, চিতল, বেজি, চরবাইলা, তুলার ডাডি, খটক, ছুরি, নারিকেল, রাসসহ নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ কিনতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও দূর-দূরান্ত থেকে খুচরা ও পাইকারি ক্রেতা-বিক্রেতারা আসছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাধারণ ক্রেতারাও মাছ কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। এখানে ডাকের মাধ্যমে এবং হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা দিয়েও মাছ বিক্রি করতে দেখা যায়। পাশাপাশি অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষদের মাছ নেওয়ার জন্য হাত পাততেও দেখা গেছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
নভেম্বর নয়, জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা
নভেম্বর নয়, জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নভেম্বরে শুরুর পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
এক বকুলগাছে হাজারো চড়ুইয়ের বসবাস
এক বকুলগাছে হাজারো চড়ুইয়ের বসবাস

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যা হলে অনেক লোকই পাখিগুলো দেখতে আসেন। ঝড় বা বৃষ্টি হলেও পাখি গাছেই থাকে, অন্য কোথাও যায় না। তিন হাজারের বেশি পাখি রয়েছে। সন্ধ্যায় পাখিগুলো গাছে আসে, আবার ভোরে খাবারের সন্ধানে বিভিন্ন দিকে চলে যায়।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
পেটে গজ রেখেই সেলাই, চিকিৎসকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
পেটে গজ রেখেই সেলাই, চিকিৎসকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

নওগাঁর একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় পেটে গজ কাপড় রেখে সেলাই করে দেওয়ায় প্রসূতি রাহী মুনীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
২ লাখ টাকায় বিনিময়ে শিশুকে বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫
২ লাখ টাকায় বিনিময়ে শিশুকে বিক্রি, দাদা-দাদিসহ গ্রেপ্তার ৫

পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে পাচারের উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে এ ঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
এমসি বাজারে ফুটওভার ব্রিজ, তিন মাসের মধ্যে চালুর আশা
এমসি বাজারে ফুটওভার ব্রিজ, তিন মাসের মধ্যে চালুর আশা

এক পাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অন্য পাশে শিল্পকারখানা ও বাজার। মাঝখানে ব্যস্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। প্রতিদিন এই মহাসড়ক পার হতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়তেন শ্রীপুরের এমসি বাজার এলাকার শিক্ষার্থী, শ্রমিক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিনের সেই দুর্ভোগ কাটাতে অবশেষে শুরু হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের কাজ।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
১৫ বছর পূর্তিতে নতুন কারখানা উদ্বোধন করল লোটো
১৫ বছর পূর্তিতে নতুন কারখানা উদ্বোধন করল লোটো

বাংলাদেশে কার্যক্রমের ১৫ বছর পূর্ণ করেছে স্পোর্টস ও জীবনধারাভিত্তিক পণ্য ব্র্যান্ড লোটো। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই সময় গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নতুন কারখানার উদ্বোধন করা হয়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬