জীবনযাপন

যতটা ভাবছেন, আপনি হয়তো তার চেয়েও বেশি মানসিকভাবে শক্তিশালী, মিলিয়ে নিন ১০টি লক্ষণ

অক্টোবর ৮, ২০২৬
যতটা ভাবছেন, আপনি হয়তো তার চেয়েও বেশি মানসিকভাবে শক্তিশালী, মিলিয়ে নিন ১০টি লক্ষণ
যতটা ভাবছেন, আপনি হয়তো তার চেয়েও বেশি মানসিকভাবে শক্তিশালী, মিলিয়ে নিন ১০টি লক্ষণ
<p>অনেক সময় মনে হয়, কোনোভাবে কেবল দিনটা পার করে দিচ্ছি। চাপ, দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি কিংবা হতাশার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। তখন নিজেকে হয়তো খুব একটা শক্তিশালী মনে হয় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকে থাকাটাই হতে পারে আপনার মানসিক দৃঢ়তা বা রেজিলিয়েন্সের লক্ষণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/ooghkug4/pexels-photo-7580707.avif"><figcaption>রেজিলিয়েন্স মানে সব পরিস্থিতিতে শক্ত থাকার চেষ্টা করা কিংবা কোনো কিছুতেই ভেঙে না পড়া নয়</figcaption></figure><h3>মানসিক দৃঢ়তা বা রেজিলিয়েন্স কী? </h3><p>রেজিলিয়েন্স মানে সব পরিস্থিতিতে শক্ত থাকার চেষ্টা করা কিংবা কোনো কিছুতেই ভেঙে না পড়া নয়। নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির মনোবিজ্ঞান ও কাউন্সেলিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রবার্ট আলেকজান্ডারের মতে, এটি মূলত মানসিকভাবে নমনীয় থাকা। আর অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যেও সামনে এগিয়ে যেতে পারা।</p><p>চাপ আসবেই। গুরুত্বপূর্ণ হলো, সেই চাপ থেকে আপনি কতটা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারছেন। দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত চাপ শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে মানসিক দৃঢ়তা চাপ সামলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করে।</p><p>আপনার মধ্যেও হয়তো এমন কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলোকে আপনি রেজিলিয়েন্স হিসেবে কখনো ভাবেননি।</p><h3>১. কঠিন সময়েও দায়িত্ব পালন করেন</h3><p>দুশ্চিন্তা, হতাশা বা অতিরিক্ত চাপের মধ্যেও প্রয়োজনীয় কাজ করে যাওয়া মানসিক দৃঢ়তার লক্ষণ। চাপ অনুভব করেও সিদ্ধান্ত নিতে ও দায়িত্ব পালন করতে পারাটাই গুরুত্বপূর্ণ।</p><h3>২. চাপের মধ্যে আটকে থাকেন না</h3><p>চাপ অনুভব করার পর ধীরে ধীরে নিজেকে সামলে আবার কাজে ফিরতে পারা রেজিলিয়েন্সের ইঙ্গিত।</p><h3>৩. প্রয়োজন হলে সাহায্য চান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-23/krvdmvw5/Thumb.jpg"><figcaption>কখন সাহায্য প্রয়োজন, তা বুঝতে পারা এবং অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করাও মানসিক দৃঢ়তার অংশ</figcaption></figure><p>সবকিছু একা সামলানোই শক্তির পরিচয় নয়। কখন সাহায্য প্রয়োজন, তা বুঝতে পারা এবং অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করাও মানসিক দৃঢ়তার অংশ।</p><h3>৪. নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন</h3><p>সব সময় ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করাই শক্ত হওয়ার প্রমাণ নয়। মনোবিজ্ঞানী অ্যাডাম বোরল্যান্ডের মতে, নেতিবাচক আবেগ অনুভব করার সুযোগ দেওয়াও রেজিলিয়েন্সের অংশ। কথা বলা, ডায়েরি লেখা কিংবা নিজের অনুভূতিকে স্বীকার করে নেওয়া এতে সাহায্য করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/eyb7wvywjb">এআইয়ের চোখে মানুষের সেরা ২৫ অনুভূতি</a></aside><h3>৫. কোন বিষয় আপনার নিয়ন্ত্রণে, তা বোঝেন</h3><p>ভয়, রাগ বা হতাশার বদলে পরিস্থিতিতে আপনি কী করতে পারেন, সেদিকে মনোযোগ দেওয়া মানসিক দৃঢ়তার লক্ষণ। নিজের ভূমিকা স্বীকার করে সমাধানের দিকে এগোনোও এর অংশ।</p><h3>৬. পরিকল্পনা বদলাতে পারেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-29/bu5crdl4/160.jpg"><figcaption>পরিস্থিতি বদলে গেলে নিজের প্রত্যাশা বা পদ্ধতিও বদলাতে পারা মানসিক নমনীয়তার পরিচয়</figcaption></figure><p>সব পরিকল্পনা অনুযায়ী জীবন চলে না। পরিস্থিতি বদলে গেলে নিজের প্রত্যাশা বা পদ্ধতিও বদলাতে পারা মানসিক নমনীয়তার পরিচয়।</p><h3>৭. নিজেকে শান্ত করতে পারেন</h3><p>চাপের মুহূর্তে গভীর শ্বাস নেওয়া, কিছুক্ষণ বিরতি নেওয়া, হাঁটাহাঁটি করা কিংবা ইতিবাচকভাবে নিজের সঙ্গে কথা বলা—এসব ছোট অভ্যাস নিজেকে সামলাতে সাহায্য করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/81pspz0xsp">পরীক্ষার সময় সন্তানকে যেভাবে শান্ত রাখবেন</a></aside><h3>৮. মন না চাইলেও ছোট কাজগুলো করেন</h3><p>মানসিকভাবে ক্লান্ত থাকলেও খাওয়া, গোসল, ঘর গোছানো বা প্রয়োজনীয় কাজগুলো করে যাওয়া রেজিলিয়েন্সের লক্ষণ। ছোট, বাস্তবসম্মত লক্ষ্য পূরণের অভ্যাসও মানসিক দৃঢ়তা বাড়ায়।</p><h3>৯. বিশ্রামকে গুরুত্ব দেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-06/42bb3739-72ab-43b7-b3c5-b099cb939375/539A0628.JPG"><figcaption>পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক সক্রিয়তা, পুষ্টিকর খাবার ও সামাজিক যোগাযোগ চাপ সামলাতে সাহায্য করে</figcaption></figure><p>মানসিক দৃঢ়তা মানেই সব সময় চাপের মধ্যে থাকা নয়। কখন থামতে হবে, কখন বিশ্রাম নিতে হবে, তা বুঝতে পারাও জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুম, শারীরিক সক্রিয়তা, পুষ্টিকর খাবার ও সামাজিক যোগাযোগ চাপ সামলাতে সাহায্য করে।</p><h3>১০. ‘কোনোমতে দিনটা পার করছি’ এমন দিনে</h3><p>কখনো মনে হতে পারে, আজ শুধু দিনটা পার করাই কঠিন। তবু আপনি উঠে দাঁড়ান, প্রয়োজনীয় কাজ করেন এবং পরদিন আবার চেষ্টা করেন। এটিও মানসিক দৃঢ়তা। বোরল্যান্ডের মতে, সবকিছু নিখুঁত করার চেষ্টা না করে কখনো কখনো ‘চলার মতো’ কিছুকে মেনে নেওয়াও জরুরি। বিশেষ করে ক্লান্ত সময়ে ছোট ছোট সাফল্যগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার।</p><p><sup>সূত্র: দ্য হেলদি</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/49g00g6xlc">বিবলিওথেরাপি বা বইয়ের মাধ্যমে কি আসলেই মানসিক চিকিৎসা সম্ভব?</a></aside>

Prothomalo

View more
ঢাকঢোল পিটিয়ে শুরু হয়েছিল আনারসের চিপসের কারখানা, যে কারণে এখন বন্ধ
ঢাকঢোল পিটিয়ে শুরু হয়েছিল আনারসের চিপসের কারখানা, যে কারণে এখন বন্ধ

প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রটিতে তালা ঝুলছে। কর্মচারীদের সহায়তায় তালা খুলে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, সেখানে বেশ কিছু যন্ত্রপাতি পড়ে আছে। এসব যন্ত্রপাতিতে জমেছে ধুলার আস্তরণ।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
তিন বছরের ইসরায়েলি নৃশংসতা কীভাবে গাজাকে ‘নরকে’ পরিণত করেছে
তিন বছরের ইসরায়েলি নৃশংসতা কীভাবে গাজাকে ‘নরকে’ পরিণত করেছে

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ২০ লাখ মানুষের জীবন ওলট–পালট হয়েছে। বাস্তুচ্যুতির পাশাপাশি নিহত হয়েছেন ৭৪ হাজার ২৪৫ জনের বেশি ফিলিস্তিনি, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
একঝলক (৮ অক্টোবর ২০২৬)
একঝলক (৮ অক্টোবর ২০২৬)

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/90lo5gmw/1.-Bogura-flower.jpg"><figcaption>ফুলে মধু খেতে বসেছে প্রজাপতি। কালুডাঙ্গা, গাবতলী, বগুড়া, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/chc81brz/2.-Khulna-postman.JPG"><figcaption>ইলেকট্রিক বাইকে চড়ে গ্রাহকের বাড়ি চিঠি পৌঁছে দিচ্ছেন এই ডাকপিয়ন। বৈকালি, খুলনা, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/0j49serk/3.-Bogura-bird.jpg"><figcaption> ৩. দলছুট ঘুঘুর ছানাটি সঙ্গীর খোঁজে এদিক-ওদিক তাকিয়ে আছে। উঞ্চুরকি, গাবতলী, বগুড়া, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/2ph74hvt/4.-Khulna-bird.JPG"><figcaption>খাবারের সন্ধানে দেয়ালের পাশে ঘোরাঘুরি করছে জোড়া শালিক। মদিনাবাগ, খুলনা, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/w9sctijw/5.-Faridpur-jute.jpg"><figcaption>গড়াই সেতুর রেলিংয়ে পাটের আঁশ শুকাতে দিচ্ছেন তিনি। কামারখালী, মধুখালী, ফরিদপুর, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/sj4sy23p/6.-Faridpur-farmer.jpg"><figcaption>কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে বাড়ির গাছের লাউ বিক্রি করতে যাচ্ছেন তিনি। বোয়ালিয়া, মধুখালী, ফরিদপুর, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/s5jhk241/7.-Rangamati-bird.jpg"><figcaption>বসে আছে জোড়া তিলাঘুঘু। মোনতলা আদাম, রাঙামাটি, </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/j4otk44l/8.-Rangamati-flower.jpg"><figcaption>ফুটে আছে গোলাপি জবা। মনোঘর আবাসিক উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, রাঙামাটি, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/7xm9jamm/9.-Gazipur-vegetable.JPG"><figcaption>কৃষকের মাচায় ঝুলছে করলা। টেংরা, শ্রীপুর, গাজীপুর, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/men40tev/10.-Gazipur-bird.JPG"><figcaption>একলা কানি বক। বারতোপা, শ্রীপুর, গাজীপুর, ৮ অক্টোবর</figcaption></figure>

অক্টোবর ৮, ২০২৬
সালমান বাদ, দুই দিনে বেক্সিমকোর শেয়ারের দাম বাড়ল ১৪%
সালমান বাদ, দুই দিনে বেক্সিমকোর শেয়ারের দাম বাড়ল ১৪%

একই অবস্থা শাইনপুকুর সিরামিকসের শেয়ারেরও। গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ বা ৯০ পয়সা।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
সিলেট পর্বের জমজমাট উদ্বোধন, ঢাকার টিকিট পেতে ৬ দলের লড়াই শুরু
সিলেট পর্বের জমজমাট উদ্বোধন, ঢাকার টিকিট পেতে ৬ দলের লড়াই শুরু

সিলেট অঞ্চল থেকে আগামীকাল ফাইনালে জয়ী দলটি ঢাকার চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। সব মিলিয়ে আগামীকাল পর্যন্ত পাঁচটি দল চূড়ান্ত হবে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
শিশুপুত্রের ট্র্যাজিক মৃত্যু আর দুই তারকার সঙ্গে প্রেমের টানাপোড়েনে ৩৫ বছর আলাদা থেকেও কেন স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি নানা পাটেকর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত
শিশুপুত্রের ট্র্যাজিক মৃত্যু আর দুই তারকার সঙ্গে প্রেমের টানাপোড়েনে ৩৫ বছর আলাদা থেকেও কেন স্ত্রীকে ডিভোর্স দেননি নানা পাটেকর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত

বিচ্ছিন্ন দাম্পত্য,পারিবারিক ট্র্যাজেডি, আলাদা থাকা ও বলিউডের একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনে ঘটনাবহুল ও আলোচিত ছিল প্রয়াত বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের জীবন।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
কোনিগসবার্গের সাত সেতু: যে ধাঁধা থেকে জন্ম
কোনিগসবার্গের সাত সেতু: যে ধাঁধা থেকে জন্ম

১৭৩৬ সালে সুইস গণিতবিদ লিওনার্ড অয়লার এই সমস্যার সমাধান দেন। আর সমাধানের পদ্ধতিটাই ছিল আসল চমক।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কেয়ার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কেয়ার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কেয়ার বাংলাদেশের সিনিয়র স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার ও বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার এবং কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে হামলা,  তেলের দাম বেড়ে ১০২ ডলার
হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে হামলা, তেলের দাম বেড়ে ১০২ ডলার

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত অষ্টম মাসে প্রবেশ করার পর অক্টোবর মাসে এই পথে জাহাজে হামলা বেড়েছে।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন