সাভারে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় সংঘর্ষ
বাংলাদেশ সফরে এসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।
নওগাঁ-৩ আসনের বিএনপির সাংসদ ফজলে হুদা বাবুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন নিজ দলেরই স্থানীয় শীর্ষ নেতা।
ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধসহ তিন দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করা পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
নাট্যব্যক্তিত্ব, অভিনেতা ও নির্দেশক মাহমুদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ।
বুধবার সকালে বাড়ির পাশে সুপারি গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে হাসানুর শেখের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই হাসদেল শেখের কথা-কাটাকাটি হয়।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্মা এইডসের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>মারজুক রাসেল লিখেছিলেন—</p><p> ‘আমি তো প্রেমে পড়িনি</p><p> প্রেম আমার উপরে পড়েছে’</p><p> সারা জীবন প্রেম–ভালোবাসা থেকে নিজেকে সংগত কারণেই সরিয়ে রাখতে হয়েছিল। কৈশোরের যে বয়সে মনের পাতায় রং লাগে, চোখে লাগে ঘোর, আর বিপরীত লিঙ্গের মানুষের প্রতি তৈরি হয় কুসুম কুসুম ভালোলাগা, তখন আমাকে জোর করে এসব অনুভূতি সরিয়ে রাখতে হয়েছিল। কারণ, আমার দাদির একটা প্রবাদ ছিল— ‘ভাতের কুড়কুড়ি কি যৌবনের কুড়কুড়ি।’ সহজ কথায়, পেটে ভাত থাকলে সবই ভালো লাগে, কিন্তু পেটে ক্ষুধা থাকলে আর কিছুই ভালো লাগে না।</p><p> পদ্মার পাড়ে জন্ম নেওয়া আমার জীবনটাও যেন নদীরই প্রতিচ্ছবি। পদ্মা যেমন শীতকালে শুকিয়ে যায়, আমার জীবনটাও কৈশোরের সময়ে একেবারে শুকিয়ে গিয়েছিল। পেটে ভাতের সংস্থান নেই। পরনের কাপড়ে শত তালি। এক পোশাকেই বছর পার করতে হয়। এর পাশাপাশি পড়াশোনাটা ছিল গরিবের ‘ঘোড়া রোগ’। তবু কোনো রকম চালিয়ে নিচ্ছিলাম। পাড়ার বন্ধুরা বিভিন্ন মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে শুরু করল এবং নগদে ‘ছ্যাঁকামাইসিন’ খেয়ে ‘ব্যাকা’ হয়ে গেল। পাশাপাশি পড়াশোনা উঠল চাঙে। কিন্তু আমাকে জোর করে এই বিলাসিতা থেকে মুক্ত রাখতে হলো। কারণ, পড়াশোনা করে নিজের এবং পরিবারের অভাব দূর করতে হবে। আমি তাই পাড়ার মোড়ের দোকানে বসে নচিকেতার গান শুনি আর নিজেকে নিজেই প্রেরণা জোগাই—</p><p> ‘এই তুমি কি আমায় ভালোবাসো?</p><p> যদি না বাসো, তবে পরোয়া করি না’</p><p>কলেজে ভর্তি হওয়ার পর যখন মনের রং আরও একটু গাঢ় হলো, তখন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আরও বেশি ভালোলাগা তৈরি হলো। কিন্তু বাস্তবতা বিবেচনায় সেটাকেও চেপে রাখতে হলো। এরপর বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর বন্ধুরা সবাই মোটামুটি প্রেম করতে শুরু করল। অবস্থা এমন দাঁড়াল যে আমরা তখন চাইলেই রাজত্বসহ রাজকন্যার বাবা রাজি। কিন্তু আত্মসম্মানের গর্বে সেদিকে আর পা বাড়ালাম না। বন্ধুরা যখন বিকেলে নিজেদের প্রেয়সীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়, আমি তখন ঢাকা শহরের এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত হেঁটে টিউশনি করে ক্লান্ত হয়ে হলে ফিরি। নিজের পড়াশোনার খরচ, ছোট ভাইদের পড়াশোনার খরচের পাশাপাশি সংসারেও কিছুটা সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। তাই প্রেম বিষয়টা ঠিক যেন আমার করে ওঠা হলো না।</p><p>অবশ্য বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে প্রেম নিয়ে আমার কিছু তত্ত্বও ছিল। আমি প্রেমিকদের বলতাম, পোষা কুকুর। আর কুকুরের মালিক হচ্ছে প্রেমিকা। পোষা কুকুর যেমন মনিবভক্ত হয়, প্রেমিকও ঠিক তেমন। মালিকের দরকারের সময় তুতু করে ডাকলেই লেজ নাড়তে নাড়তে বেচারা কুকুর হাজির। আবার কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে গেলেই মালিক কষে পেছনে একটা লাথি দেন। লাথি খেয়ে ব্যথায় কুঁই কুঁই করতে করতে ফিরে আসে। এরপর আবারও মালিক তুতু করে ডাকলে আবারও হাজির হয়। এমন একটা অশোভন কাজ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে তাই সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল। উপরন্তু হলের রুমমেট তানভীরের এহেন কুকুর স্বভাবের কর্মকাণ্ড প্রেম সম্বন্ধে মনে আরও বিতৃষ্ণা তৈরি করেছিল। আমাদের সহপাঠী এক মেয়ে তার কাছ থেকে সর্বোচ্চ সুযোগ–সুবিধা নিয়েছিল। এরপর যখন সে সেই মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল, মেয়েটা তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দিয়েছিল—</p><p>‘আমি তোমাকে ভালো বন্ধু বলেই জানতাম, সেই তুমিও আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে!’</p><p>প্রেম নিয়ে আরও যেসব অভিজ্ঞতা হয়েছিল, সেগুলোও প্রেম করা থেকে আমাকে নিরুৎসাহিত করত। বন্ধুরা টিউশনি করে টাকা কামিয়ে প্রেমিকাকে দামি উপহার কিনে দিয়ে সেই টাকার শ্রাদ্ধ করত, যেটা আমার পক্ষে কোনোকালেই সম্ভবপর ছিল না। তখন সবে মুঠোফোন মানুষের হাতে আসছে। মুঠোফোনের দাম যেমন অনেক, তেমনি এক মিনিট কথা বলতে গেলেও অনেক টাকা খরচ করতে হয়। বন্ধুরা তাদের প্রেমিকাদের মুঠোফোন কিনে দিয়েই ক্ষান্ত হতো না। প্রেমিকা মিস কল দিলেই সাথে সাথে কল ব্যাক করা ছিল বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অনেককেই দেখলাম ছ্যাঁকা খেতে। আমার খুব কাছের এক বন্ধুকে একদিন দেখলাম, ছ্যাঁকা খেয়ে আনাড়িভাবে দামি সিগারেট ফুঁকছে। এসব দেখেশুনে নিজে তো প্রেম করলামই না, পরিচিত যারা প্রেম করত তাদেরও চরমভাবে নিরুৎসাহিত করা নিজের নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করতাম।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>আমি যেহেতু মানুষকে প্রেম করতে শুধু নিরুৎসাহিতই করি না, বরং ভুজুং ভাজুং দিয়ে তাই পরিচিতজনেরা একসময় আমাকে আর তাদের সম্পর্কের বিষয়গুলো বলত না। তাদের একসময় প্রকট ধারণা হলো এই ছেলে জীবনেও প্রেম বা বিয়ে থা করবে না। তারপরও মানুষের মন বলে কথা। অবচেতন মন নিশ্চয়ই চাইত একটা অন্তত প্রেম হোক। দুজন মুখোমুখি বসে গোধূলির মায়াবী আলোয় একে অপরের চোখে স্বপ্ন আঁকি। সেই সুযোগও এল। আমার নিজ জেলার প্রাক্তন এক ছাত্রী, যে আমারই সমবয়সী ছিল। আমরা প্রথমবারেই ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু সে না পাওয়ায় তাকে প্রাইভেট পড়াতে হয়েছিল। সে নাকি আমাকে মনে মনে পছন্দ করত। তত দিনে সে–ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার করে লাক্স চ্যানেল আই ফটোসুন্দরীর প্রথম ২০ জনের ১ জন ও হয়েছিল। কিন্তু পরিবারের বাধার কারণে আর এগোতে পারেনি। তার সঙ্গে যোগাযোগ হলো। এক ছুটির দিনে সকালে সে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলল, কিন্তু তখন আমার কাছে ঘুমটাই মুখ্য। তাই মোবাইল বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লাম। এরপর বুঝলাম, আমি আসলে সবেচেয়ে বেশি নিজেকেই ভালোবাসি। অন্য মানুষের ইচ্ছাপূরণের মতো ন্যূনতম ইচ্ছা আমার নেই।</p><p>এই পর্যন্ত বলে হাসান সাহেব আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসলেন। আমি বললাম, এই তাহলে আপনার প্রেমের আখ্যান। উনি বললেন, ইয়াকুব সাহেব গল্প এখনো শেষ হয়নি। আমি বললাম, বলেন কী! এখানে হাসান সাহেবের একটু পরিচয় দিয়ে রাখি। আমি অনেক হাঁটাহাঁটি করি এবং পথেঘাটে যেকোনো মানুষের সঙ্গে গল্প জুড়ে দিই। এভাবেই ওনার সঙ্গে পরিচয়। দুজনের মানসিকতা মিলে বলেই যোগাযোগটা বন্ধুত্বে রূপ নিয়েছে। যাহোক, এরপর উনি যেটা বললেন, আমি তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। উনি বললেন, সংসারের দায়িত্ব পালন করেও অনলাইনে এক মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয়। শুরুতেই দুজন সম্পর্কটাকে বন্ধুত্বের মধ্যে রাখার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। সবই ঠিকঠাক চলছিল। এর মধ্যে একদিন দেখি, ওনার মুখটা শুকনো। বললাম, ‘ঘটনা কী, ভাবির সাথে ঝামেলা হয়েছে বুঝি।’</p><p>উত্তরে উনি বললেন, ‘না ভাই, বুড়ো বয়সে ছ্যাঁকামাইসিন খেয়েছি। তরুণ বয়সে খেলে হয়তোবা তেমন কিছু হতো না, কিন্তু বুড়ো বয়সে হাড়গোড় ভেঙে গেছে।’ উনি বলে চললেন, ‘মহিলার সাথে আমার আলাপ চলছিল ঠিকঠাক। এর মধ্যে একদিন মহিলা বললেন, তার নাকি একজনকে ভালো লাগে।’ হাসান সাহেব বললেন, তা লাগতেই পারে। এরপর বললেন, অনলাইনে এক লোকের লেখা পড়ে তাকে ভালো লেগে গেছে। এরপর হাসান সাহেব অবাক হয়ে আবিষ্কার করলেন, তার মন খারাপ হচ্ছে। এর পর থেকে তার আর মন খারাপ ভাব যাচ্ছেই না। উনি বললেন, ‘ভাই বিশ্বাস করেন, আমি কস্মিনকালেও সম্পর্কটাকে অন্যকিছু ভাবিনি, কিন্তু তবু এমন কেন হচ্ছে?’ আমি বললাম, ‘আমি আপনাকে চিনি এবং বিশ্বাস করি। কিন্তু মানুষের মন বলে কথা। সে যে কখন কার বাঁধনে আটকা পড়বে, কেউই সেটা আগে থেকে বুঝতে পারে না ভাই।’</p><p>উত্তর শুনে উনি বললেন, ‘এটা কাটিয়ে উঠতে কত দিন লাগতে পারে?’ আমি বললাম, ‘হয়তোবা বাকি জীবন আপনাকে এই স্মৃতি আঁকড়েই বাঁচতে হবে, যেহেতু আপনি এর আগে কখনো প্রেম করেননি, অথবা আপনি ধুর ছাই বলে সবকিছু কাটিয়ে উঠবেন। সময়ই আপনাকে বলে দেবে, আপনার ক্ষেত্রে কোনটা ঘটবে। তবে আমার উপদেশ হলো মনের ওপর জোর করবেন না।’ উনি বললেন, ‘জোর করছি না, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, ওনার সাথে কথা না বললে ভালো লাগে না, আবার কথা বললেও অশান্তি লাগে। আমি কী করব!’ আমি বললাম, ‘কবি এখানে নীরব।’ আমার মনে তখন কবিগুরুর গানের একটা চরণ ঘুরপাক খাচ্ছে—</p><p>‘সখী, ভালোবাসা কারে কয়! সে কি কেবলই যাতনাময়।’</p>
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/yorkar-naki-baunsar-nahider-pchnd</figure>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী আবদুল আল–সাইদ ও রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। সর্বশেষ ৬০ শতাংশের বেশি ভোট গণনায় আল–সাইদ এক লাখের কাছাকাছি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।</p><p>আল–সাইদ এ পর্যন্ত ১৬ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকানপ্রার্থী রজার্স পেয়েছেন ১৫ লাখ ২২ হাজার ২১৮ ভোট।</p><p>সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডেমোক্র্যাট আবদুল আল-সাইদ এবং সাবেক কংগ্রেস সদস্য রিপাবলিকান মাইক রজার্স মিশিগানের এই সিনেট আসনে লড়ছেন। ডেমোক্র্যাক নেতা হ্যালি স্টিভেন্স রিপাবলিকানপ্রার্থীকে সমর্থন করেন। তাঁর এই দলবিরোধী অবস্থানের কারণে তিনি দলের ভেতর ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছেন।</p><p>বাইরের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীসহ রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা এই লড়াইয়ে কোটি কোটি ডলার ঢেলেছেন। এই সিনেট আসনটি ডেমোক্র্যাটদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরই মধ্যে তাদের কাছে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় এই আসনে আল–সাইদের জয়ের অর্থ সিনেটে নিয়ন্ত্রণ আরও পোক্ত করা।</p><p>এল-সায়েদ এবং রজার্স—উভয়েই এমন ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করেছেন যারা সাধারণত প্রতিপক্ষের জোটকে সমর্থন করে থাকেন। ডেমোক্রেটিক প্রাইমারিতে আল-সাইদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিনিধি পরিষেদর সদস্য হ্যালি স্টিভেন্স মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে নিজ দলের গণ্ডি পেরিয়ে রজার্সকে সমর্থন দিলে এই নির্বাচনের উত্তাপ চরম রূপ নেয়।</p><p>ইসরায়েল ইরান যুদ্ধ নিয়ে আল-সাইদের বক্তব্য এবং তাঁর সাথে ব্যক্তিগত বিরোধকে হ্যালি নিজের এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে হ্যালির এই দলত্যাগ হয়তো শেষ পর্যন্ত আল-সাইদকেই বেশি সাহায্য করেছে। কারণ, এতে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁর সমর্থনে লাখ লাখ ডলার তহবিল আসতে শুরু করে। </p><p>অন্যদিকে রজার্স ও তাঁর দলও নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে সমান আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তাঁরা বিশ্বাস করেছিলেন, হ্যালির সমর্থন মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাট, স্বতন্ত্র ভোটার এবং ইহুদি ভোটারদের তাঁর শিবিরে নিয়ে আসবে।</p><p>আল-সাইদ তাঁর আগ্রাসী রাজনৈতিক কৌশল এবং ওয়াশিংটন ডিসির প্রচলিত রাজনীতির ধারা পাল্টে দেওয়ার অঙ্গীকার করে নিজ দলের অনেককে অসন্তুষ্ট করে তুলেছিলেন। তিনি তাঁর প্রচারকে অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে অর্থনৈতিক গণমুখী নীতি, নির্বাচনী অর্থায়ন সংস্কার এবং ‘সবার জন্য মেডিকেয়ার’ ইস্যু সামনে নিয়ে এসেছিলেন।</p><p>রজার্স এমন এক রিপাবলিকান ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনার জন্য সব সম্পদ ঢেলে দিয়েছিলেন, যারা ট্রাম্পকে দুইবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করতে সাহায্য করেছিলেন। একইসঙ্গে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন। </p><p>রজার্স প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান সহযোগীরা জোর দিয়ে প্রচার চালিয়েছেন, আল-সাইদের মুসলিম পরিচয়, ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান এবং প্রগতিশীল নীতিগুলো তাদের সম্প্রদায়গুলোকে ঝুঁকিতে ফেলবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেবে।</p><p>কয়েক মাস ধরে চলা জনমত জরিপে আল-সাইদকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/4q0y83ilvc">সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প</a></aside>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/test-ovisheker-smrriticarna</figure>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ami-shje-klant-hi-na</figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/g9dyo4p5/China_BNP.jpeg"><figcaption>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ অন্যরাও ছিলেন। ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। লিউ হাইসিংয়ের নেতৃত্বে ঢাকা সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধিদলটি আজ বুধবার সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে ওই সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। </p><p>এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও আব্দুস সালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>তিন দিনের সফরে সিপিসির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিং গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় এসেছেন।</p>
<p>শুধু ‘ইগো’ বা অহংয়ের কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। ‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। স্যরি’র শক্তি নিয়ে লিখেছেন <em>প্রথম আলো</em>র যুগ্ম সম্পাদক ও কথাসাহিত্যিক <strong>বিশ্বজিৎ চৌধুরী</strong></p><p>রাতে খেতে বসে গজগজ করছিলেন আকরাম। নিজে নিজেই বিড়বিড় করছিলেন, ‘লোকটা কী মনে করে আমাদের, আমরা সবাই গরু–ছাগল?’</p><p>স্বামীর এই স্বভাব জানেন নাসরিন, ভেতরে–ভেতরে কোনো বিষয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়লে এ রকম আপন মনে কথা বলেন। নিচু স্বরে জানতে চাইলেন, ‘কার কথা বলছ?’</p><p>‘কার কথা আবার, দ্য গ্রেট মোস্তাফিজুর রহমান, আমাদের মহামান্য বস। কাল থেকে আর চাকরিতে যাব না নাসরিন, এই চাকরি আর সম্ভব না। পড়াশোনা করেছি, ডাল-ভাত যাহোক, জোগাড় হয়ে যাবে...।’</p><p>নাসরিনের চেহারায় শঙ্কার ছায়া পড়ে। আর কোনো কথা না বাড়িয়ে নিঃশব্দে সে উঠে পড়েন খাবার টেবিল থেকে।</p><p>এর কিছুক্ষণ পরই একটা ফোন এল। স্ক্রিনে নামটি দেখে প্রথম দিকে ফোন ধরবেন কি না, গড়িমসি করছিলেন আকরাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফোনে কথা হলো বেশ কিছুক্ষণ ধরে। নাসরিনের মনে হলো, আপাতত কেটে গেল শঙ্কার মেঘ।</p><p>পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করার সময় আকরামকে আগের রাতের সিদ্ধান্তের কথা মনে করিয়ে দিলেন নাসরিন, ‘আজ থেকে অফিসে যাবে না বলেছিলে...?’</p><p>হেসে তাঁর স্বামী বললেন, ‘ওটা তো রাগের কথা। আফটার অল মোস্তাফিজ সাহেব আমার বাবার মতো মানুষ। নিজের হাত ধরে কাজ শিখিয়েছেন, দুটো কথা বলার অধিকার তো তাঁর আছেই।’</p><p>দিব্যি ফুরফুরে মেজাজে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে অফিসে ছুটলেন আকরাম। আর নাসরিন ভাবছেন, কাল রাতে ফোনে কী এমন কথা হলো যে এত জমাট বরফ গলে জল হয়ে গেল!</p><p>মোস্তাফিজুর রহমান ‘স্যরি’ বলেছিলেন আকরামকে। দুর্ব্যবহারের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি একজন অধঃস্তন কর্মীর কাছে। আন্তরিকভাবে উচ্চারিত সেই শব্দ স্পর্শ করেছিল আকরামকে। হৃদয় আদ্র৴ হয়েছিল, চোখও সিক্ত হয়ে পড়েছিল। যেটুকু ক্ষত তৈরি হয়েছিল মনে, মুহূর্তেই যেন নিরাময় হয়ে গেল তাঁর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/oke484qsyz">ছিল ঘিয়ের ব্যবসা, এখন তৈরি করে ১৮৫ রকম মিষ্টি, চার প্রজন্মের গল্পে বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার</a></aside><h3>একটি শব্দই পাল্টে দেয় পরিস্থিতি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/71vxlpda/_MG_8822.jpg"><figcaption>স্যরি, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না</figcaption></figure><p>আসলে এই ক্ষমাপ্রার্থনার ভাষা, ‘দুঃখিত’ বা ‘স্যরি’র মতো একটি শব্দ পাল্টে দিতে পারে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অনেক কিছুই। একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও তাঁর অধস্তন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর ক্ষেত্রে শুধু নয়, শিক্ষক-ছাত্র, পিতা-মাতা-সন্তান, বন্ধু-প্রিয়জন, স্বামী-স্ত্রী—সব ক্ষেত্রেই মন্ত্রের মতো কাজ করতে পারে। </p><p>পৃথিবীখ্যাত কানাডীয় কার্টুনিস্ট লিন জনস্টোন মজার ছলে এক অসাধারণ আপ্তবাক্য উচ্চারণ করেছিলেন, ক্ষমাপ্রার্থনা (পড়ুন, স্যরি বলা) হচ্ছে সুপার গ্লুর মতো একটা বিষয়, এটা জীবনের যেকোনো বিষয়কে মেরামত করে দিতে পারে। এরিখ সেগালের বহুল জনপ্রিয় উপন্যাস লভ স্টোরির কথা অনেকের মনে থাকতে পারে। এ উপন্যাসের একটি সংলাপ সত্তরের দশকে তরুণ পাঠকদের আবেগাপ্লুত করে তুলেছিল, ‘লাভ মিনস নেভার হ্যাভিং সে ইউ আর স্যরি।’ </p><p>বাংলা অর্থ করলে মোটামুটি দাঁড়ায়, ‘ভালোবাসা মানে তুমি কখনোই স্যরি বলবে না।’ অথচ দুঃখিত পিতার ক্ষমাপ্রার্থনার উত্তরে এই সংলাপ উচ্চারণ করেছিল সন্তান। তার মানে, ‘স্যরি’ বলেছিল বলেই পিতার প্রতি সমস্ত ক্ষোভ ভুলে এই কথা বলতে পেরেছিল ছেলেটি। সত্যি বলতে কি, স্যরি বা ‘দুঃখিত’, এই সামান্য কথা বলার মতো মনের জোর সবার থাকে না। কাউকে আঘাত দিয়ে ভুল বুঝতে পারলেও অনুতপ্ত বোধ করে দুঃখ প্রকাশ করার মতো চারিত্রিক দৃঢ়তা সবার থাকে না। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><h3>স্যরি বলার তিন বাধা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/ixl5azjw/_MG_8905.jpg"><figcaption>‘ইগো’র কারণে অনেকে নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করেন</figcaption></figure><p>সাধারণত স্যরি বলার জন্য তিনটি বাধার সম্মুখীন হতে হয়— </p><p><strong>১.</strong> যাকে আঘাত দেওয়া হয়েছে তার সম্পর্কে একটা অবজ্ঞা-উপেক্ষার ভাব থাকা বা তাকে তত গুরুত্বপূর্ণ মনে না করা। </p><p><strong>২.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করলে নিজের ভাবমূর্তির ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করা। </p><p><strong>৩.</strong> ক্ষমা প্রার্থনা করেও কোনো কাজ হবে না বলে ধারণা করা। </p><p>কিন্তু এই দ্বিধা ঝেড়ে ফেলতে হবে। যদি আমি মনে করি আমার আচরণ কারও মনঃকষ্টের কারণ হয়েছে, যদি আমি সম্পর্কটা মেরামত করতে চাই এবং যদি সত্যিই মনে করি যে একটা ভুল করে ফেলেছি, তাহলে অকপটে ক্ষমাপ্রার্থনা বা স্যরি বলার মতো কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। </p><p>তবে মনে রাখতে হবে, দুঃখ প্রকাশটা যেন কথার কথা না হয়, এর আন্তরিকতা সম্পর্কে যেন উদ্দিষ্ট ব্যক্তির মনে কোনো সন্দেহ না জাগে। তবে কোনো একটি কারণ দেখিয়ে, অন্য কাউকে দোষারোপ করে স্যরি বললে পুরো ব্যাপারটি জোলো হয়ে পড়বে। </p><p>মার্কিন বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছেন, ‘কোনো একটি অজুহাত দেখাতে গিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনার ব্যাপারটিকে বরবাদ করে দিয়ো না।’ শুধু ইগো বা ‘অহং’–এর কারণে আমরা নিজেদের ভুল আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে বিব্রত বোধ করি। </p><p>‘স্যরি’ বললে আমি ছোট হয়ে যাব, এই দ্বিধা আমাদেরকে মনের কথাটি মুখে উচ্চারণ করতে বাধা দেয়। অথচ পিঠে একবার হাত রেখে আন্তরিকভাবে উচ্চারণ করুন, ‘স্যরি, আমাকে ক্ষমা করো।’ মুহূর্তে প্রিয়জন, সহকর্মী বন্ধু বা আত্মীয় আপনাকে বুকে টেনে নেবেন। তখনই বুঝবেন এই একটি শব্দের কত শক্তি! আর কিছু নয়, শুধু দরকার কথাটি উচ্চারণ করার মতো মনের জোর। </p><p><sup>লেখাটি ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর </sup><em><sup>প্রথম আলো</sup></em><sup>র সাপ্তাহিক ফিচার পাতা ‘অধুনা’য় ছাপা হয়েছিল </sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC">আমি কেন সরি বলব?</a></aside>
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বুথ ফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি নিয়ে অধিকাংশ ভোটার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
এক বছর আগে যে দুটি সিনেট আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ক্ষেত্র বলে মনে করা হচ্ছিল, সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের জন্য নিশ্চিত জয়ে পরিণত হয়েছে।
ভোটকেন্দ্রের সারি থেকে শুরু করে উৎসাহী সমর্থক পর্যন্ত, ছবিতে তুলে ধরা হলো প্রচারণার শেষ দিনগুলোর এক ঝলক।
আজ বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে গার্মেন্ট কারখানাগুলোয় আন্দোলন – সহিংসতার খবর। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের খবরও গুরুত্ব পেয়েছে।
মোটা দাগে বলতে গেলে, আমেরিকানদের মতামত জানানোর পর তিনটি সম্ভাব্য ফলাফল রয়েছে। সেগুলো কী হতে পারে, ফলাফল আসতে শুরু করলে প্রাথমিক লক্ষণগুলো কী হতে পারে এবং সেদেশের জন্য এর অর্থ কী হতে পারে, তা এখানে তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তেসরা নভেম্বর মার্কিন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, যে নির্বাচন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ভেঙে গেল ‘বেবি ডল’খ্যাত জনপ্রিয় গায়িকা কনিকা কাপুরের দ্বিতীয় সংসার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে অভয়নগরের ভৈরব ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি পরিবহনের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী আব্দুল সমাদ বিশ্বাস ও আব্দুল ওহাব গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলার সদর উপজেলার ইলিশায় পাচার সন্দেহে ২৯০ বস্তা সরকারি সার জব্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে এসব সার উদ্ধারের পর স্থানীয় একটি গোডাউনে রেখে তা সিলগালা করে দেয়।
গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গণপরিবহণ সংকট দেখা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন জেটি নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গত ১০ অক্টোবর স্বাক্ষরিত চুক্তির ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মোট ব্যয় ৪ হাজার ৬৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে চীনের অর্থায়ন ৩ হাজার ৫৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার দেবে ৪৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকজয়ী খেলোয়াড় ও সংগঠক মাহফুজ হাসানকে।
অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে প্রথমবারের মতো নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশি তারকা মুস্তাফিজুর রহমান। শুধু মাঠের লড়াই নয়, মুস্তাফিজকে ঘিরে মেলবোর্নের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও থাকছে বিশেষ চমক।