পরিবেশ

তিন পরিযায়ীর মহাবিপদ

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
তিন পরিযায়ীর মহাবিপদ
তিন পরিযায়ীর মহাবিপদ
একসময় সোনাদিয়ায় পাঁচ শর মতো বড় নট দেখা যেত, এখন তা অর্ধেকে নেমে এসেছে। পাখিটি থাকে সোনাদিয়ার কাদাচরে।

Prothomalo

View more
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং রাজধানীর নাগরিক পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
নিজেই গাড়ি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ চালককে হাসপাতালে নিলেন আহত টাইগার
নিজেই গাড়ি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ চালককে হাসপাতালে নিলেন আহত টাইগার

<p>বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনায় অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ। হামলাকারীদের ধরতে গঠন করা হয়েছে ১৫টি দল। তাঁদের পালানোর কাজে ব্যবহৃত বলে সন্দেহ করা একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের নামে হামলার দায় স্বীকার করে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি পোস্ট যাচাই করছেন তদন্তকারীরা। তবে হামলার সঙ্গে এই চক্রের যোগসূত্র এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।</p><p>গতকাল রোববার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় ফুটবল খেলে ফেরার সময় হামলার মুখে পড়েন টাইগার। পুলিশের সূত্রে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, তাঁর গাড়িতে পাঁচটি গুলি ছোড়া হয়। অভিনেতার শরীরে গুলি লাগেনি। তবে তাঁর গাড়িচালক ফেরদৌস ও ঘটনাস্থলে থাকা উমেশ চবন নামের আরেক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুজনই শঙ্কামুক্ত।</p><p><strong>চালক গুলিবিদ্ধ, নিজেই স্টিয়ারিং ধরেন টাইগার</strong><br>ফুটবল খেলে বেরিয়ে গাড়িতে বসেছিলেন টাইগার। আশপাশে ভক্তদের ভিড়। গাড়ি থেকে তাঁদের উদ্দেশে হাতও নাড়ছিলেন অভিনেতা। এর মধ্যেই শুরু হয় গুলি। এনডিটিভির প্রকাশিত ভিডিওর বিবরণ অনুযায়ী, গাড়ির কাছে এসে গুলি চালান হামলাকারীরা। গুলিবিদ্ধ হন চালক ফেরদৌস। মুহূর্তেই ভক্তদের উচ্ছ্বাস আতঙ্কে পরিণত হয়।</p><p>এনডিটিভি জানিয়েছে, দুই হামলাকারী গাড়িতে গুলি চালাচ্ছিলেন। তাঁদের তৃতীয় সহযোগী মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ভিডিওতে গুলি চালানোর একপর্যায়ে একজনের অস্ত্র আটকে যেতে দেখা যায় বলেও সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে। এরপর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে উঠে পালিয়ে যান।<br>হামলার পরের আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, টাইগার চালকের আসনে গিয়ে বসছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তখন এক নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘তাড়াতাড়ি নিয়ে যাও, টাইগার।’ আহত চালককে নিয়ে অভিনেতা নিজেই তাঁর বিএমডব্লিউ চালিয়ে নানাবতী হাসপাতালে যান। গাড়িটি সরে যাওয়ার পর রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/72x1p4fwvx">বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, ঘটনাস্থলে আহত ২</a></aside><p><strong>মোটরসাইকেল ফেলে পালান হামলাকারীরা</strong><br>দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, হামলার পর আন্ধেরি রেলস্টেশনের কাছে মোটরসাইকেলটি ফেলে যান হামলাকারীরা। সেটি জব্দ করেছে পুলিশ। মুম্বাই পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ ঘটনার তদন্ত করছে। আহত গাড়িচালক ফেরদৌসের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লেগেছে। হত্যাচেষ্টাসহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হয়েছে।</p><p>এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নম্বরপ্লেট ও চেসিস নম্বর ধরে উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটির মালিকানার তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করে হামলাকারীদের পালানোর পথ শনাক্তের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।</p><p><strong>বিষ্ণোই চক্রের নামে দায় স্বীকার</strong><br>হামলার পর অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধুর নাম উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকারের একটি পোস্ট ছড়ায়। লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের নামে দেওয়া ওই পোস্টে দাবি করা হয়, টাইগারকে আগে ফোন করে সতর্ক করা হয়েছিল। তা উপেক্ষা করায় তাঁকে নিশানা করা হয়েছে। সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা ব্যক্তিদেরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, অনিল পণ্ডিতের নামে ছড়ানো একটি অডিও বার্তায় সালমানকে লরেন্স বিষ্ণোই ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতেও বলা হয়েছে। তবে পোস্ট ও অডিও বার্তার সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি।<br>সালমানের প্রতি বিষ্ণোইয়ের এই বৈরিতার পেছনে রয়েছে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনা। রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের সময় সালমানের বিরুদ্ধে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে। বন্য প্রাণী রক্ষায় পরিচিত বিষ্ণোই সম্প্রদায় এই প্রাণীকে পবিত্র মনে করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালমানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলে আসছেন লরেন্স বিষ্ণোই। ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে অভিনেতাকে হত্যার হুমকিও দেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-10/d6160dc2-3026-4c86-87f3-2d4e3dff66b0/DSC7719.jpg"><figcaption>টাইগার শ্রফ</figcaption></figure><p>২০২৪ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সালমানের বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টসের বাইরে গুলি চালান মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার সঙ্গে বিষ্ণোই চক্রের যোগসূত্র পাওয়া যায়। একই বছরের অক্টোবরে সালমানের ঘনিষ্ঠ রাজনীতিক বাবা সিদ্দিকিকে মুম্বাইয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই হত্যারও দায় দাবি করেন বিষ্ণোই চক্রের সদস্য পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি।</p><p>টাইগারের গাড়িতে হামলার পর নতুন করে এই চক্রের নাম সামনে এলেও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, পুলিশ দায় স্বীকারের পোস্টটি পরীক্ষা করছে।<br><strong>পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের</strong><br>হামলার পর টাইগারের বাবা জ্যাকি শ্রফের টিম ইন্ডিয়া টুডেকে জানিয়েছে, অভিনেতা ভালো আছেন। ছেলের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁর মা আয়েশা শ্রফও স্বস্তি প্রকাশ করেন।<br>মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ ফোনে টাইগারের সঙ্গে কথা বলেছেন। হামলাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে রোববার রাতে টাইগারের বাড়িতে গিয়ে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। সে সময় অভিনেতার মা আয়েশাও উপস্থিত ছিলেন।<br>সাক্ষাতের ছবিতে টাইগারের হাতে ব্যান্ডেজ এবং শরীরের কয়েকটি স্থানে ড্রেসিং দেখা গেছে। শিন্ডে সাংবাদিকদের জানান, গুলি না লাগলেও বারুদ ও ভাঙা কাচের টুকরায় সামান্য আঘাত পেয়েছেন অভিনেতা। ঘটনায় টাইগার ও তাঁর মা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলেও জানান তিনি।<br>পরিবারকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে শিন্ডে বলেন, মুম্বাইয়ে হুমকি বা সহিংসতার মাধ্যমে কাউকে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া হবে না। কোনো ধরনের হুমকিই সরকার সহ্য করবে না।<br>সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এনডিটিভি ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।</p>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে বড় সম্ভাবনা দেখছে আজিয়াটা
ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে বড় সম্ভাবনা দেখছে আজিয়াটা

দুই বাজারের মধ্যে মৌলিকভাবে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার, জনসংখ্যা, মানুষের ব্যয়ের সক্ষমতা এবং বাজারের পরিপক্বতা এক নয়।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
সৌরভ–রাঙ্কাকে জামিন দিতে ম্যাজিস্ট্রেটকে কি আসলেই হুমকি দেওয়া হয়েছে, কী বলছে সিজেপি
সৌরভ–রাঙ্কাকে জামিন দিতে ম্যাজিস্ট্রেটকে কি আসলেই হুমকি দেওয়া হয়েছে, কী বলছে সিজেপি

সিজেপির নেতারা অভিযোগ করেছেন, দুপুর ১২টায় শুনানির সময় নির্ধারিত থাকলেও বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সরকারি কৌঁসুলি এজলাসে পৌঁছেন বিকেল পাঁচটায়।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
শিশুদের হাতে দুর্গাপূজার উপহার তুলে দিলেন বন্ধুরা
শিশুদের হাতে দুর্গাপূজার উপহার তুলে দিলেন বন্ধুরা

উৎসবের প্রকৃত আনন্দ কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই নিহিত। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির চর্চার মাধ্যমে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে ২১ ক্যাটাগরির নিয়োগ পরীক্ষার সূচি, তিন বছর পর পরীক্ষা
মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে ২১ ক্যাটাগরির নিয়োগ পরীক্ষার সূচি, তিন বছর পর পরীক্ষা

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
কোহলিকে প্রথম দেখায় কেন ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে হয়েছিল ডি ভিলিয়ার্সের
কোহলিকে প্রথম দেখায় কেন ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে হয়েছিল ডি ভিলিয়ার্সের

<p>বিরাট কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। একজন ভারতের ক্রিকেটের মহাতারকা, অন্যজন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি। ক্রিকেট মাঠে দুজনের রসায়ন ছিল দেখার মতো। মাঠের বাইরেও তাঁদের বন্ধুত্বের গল্প কম মধুর নয়। অথচ এই ডি ভিলিয়ার্সই কিনা প্রথম দেখায় কোহলিকে মনে করেছিলেন ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’!</p><p>শুনে অবাক হচ্ছেন? হওয়ারই কথা। তবে কথাটা ডি ভিলিয়ার্স নিজেই বলেছেন। শুধু তা-ই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়কের বিশ্বাস, কোহলিও তাঁর এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত হবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/g01hhkh3o4">ইনস্টাগ্রাম থেকে যেভাবে শুরু কোহলি-জোকোভিচের ‘ডিজিটাল’ বন্ধুত্ব</a></aside><p>সম্প্রতি প্রখর গুপ্তর একটি পডকাস্টে কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতিচারণা করেছেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানেই উঠে এসেছে ভারতীয় তারকাকে নিয়ে তাঁর প্রথম ধারণার কথা।</p><p>ডি ভিলিয়ার্সকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কোহলিকে প্রথম দেখায় সত্যিই কি তাঁর অহংকারী ও দাম্ভিক মনে হয়েছিল? উত্তরে কোনো রাখঢাক করেননি তিনি, ‘হ্যাঁ। আমার মনে হয়, সে–‍ও (কোহলি) এ ব্যাপারে একমত হবে।’</p><p>কিন্তু কোহলিকে কেন এমন মনে হয়েছিল ডি ভিলিয়ার্সের?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-06/vls30g8j/Kohli-AB-De-Villiers-1.webp"><figcaption>এবি ডি ভিলিয়ার্স ও বিরাট কোহলি</figcaption></figure><p>আসলে অহংকার আর আত্মবিশ্বাসের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। কখনো কখনো প্রবল আত্মবিশ্বাসকেও অহংকার বলে ভুল হয়। কোহলির বেলায় ডি ভিলিয়ার্সেরও সেটাই হয়েছিল।<br>সেই সময়ের কোহলিকে নিয়ে ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘ওর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ছিল প্রচুর। ও সব সময় এভাবেই ক্রিকেট খেলেছে। কখনো কখনো মানুষ সেটাকে ভুল বোঝে। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। প্রথম দেখায় ওকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল।’</p><p>কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের সেই স্মৃতি অবশ্য এখন কিছুটা রসিকতার সুরেই বলেন ডি ভিলিয়ার্স। তাঁর কথায়, ‘এটা ছিল আমার প্রথম ধারণা। আমি যখন কথাটা বলি, তখন একটু মজা করেই বলি। তবে আমার মনে হয়, কোহলিও এতে একমত হবে। ১৯, ২০ কিংবা ২১ বছর বয়সে ও ছিল প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী এক তরুণ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কথা বলছি।’</p><p>ডি ভিলিয়ার্স অবশ্য কোহলির সেই আত্মবিশ্বাসের মধ্যে খারাপ কিছু দেখেন না। বরং তাঁর মতে, বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠার জন্য এমন আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন।</p><p>দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘বড় সাফল্য পেতে হলে এমন আত্মবিশ্বাস দরকার। নিজের সামর্থ্যের ওপর প্রবল বিশ্বাস থাকতে হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শুধু শেখে, কীভাবে সেই আত্মবিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-04/81eb454b-67c5-4e94-956b-238c5c7666b4/298967.jpg"><figcaption>রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে সতীর্থ ছিলেন বিরাট কোহলি ও এবি ডি ভিলিয়ার্স</figcaption></figure><p><br>কোহলির ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটেছে বলে মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। বয়স বেড়েছে, অভিজ্ঞতা বেড়েছে, ক্রিকেটে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে অনেক ওপরে উঠেছেন। সেই সঙ্গে বদলেছে তাঁর ব্যক্তিত্বও।<br>ডি ভিলিয়ার্স বলেছেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর সেই ব্যাপারটা কমে এসেছে। মানুষ ও ক্রিকেটার হিসেবে ও আরও পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয়, তরুণ বয়সে ওর অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তাগিদও কমেছে। অন্যদের সামনে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখানোর প্রয়োজনীয়তাও আর অনুভব করেনি। এভাবেই ও বদলে গেছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/e7pnbiuqsi">কোহলি নিজেকে বাইরে রেখে বানালেন ওয়ানডের ‘সেরা’ ব্যাটসম্যান</a></aside><p>কোহলি আর ডি ভিলিয়ার্সের বন্ধুত্বের শুরু ক্রিকেট মাঠে প্রথম পরিচয়ের পর থেকেই। তবে সেই সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে গভীর হয় আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে একসঙ্গে খেলার সময়। একই দলের হয়ে বছরের পর বছর খেলতে খেলতে একে অন্যকে আরও ভালোভাবে চিনেছেন। মাঠে গড়ে উঠেছে অসাধারণ বোঝাপড়া, মাঠের বাইরে গভীর বন্ধুত্ব।</p><p>সময়ের সঙ্গে কোহলির ক্রিকেটীয় সামর্থ্যের পাশাপাশি মানুষ কোহলির প্রতিও ডি ভিলিয়ার্সের শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা বেড়েছে।</p><p>প্রথম দেখায় যাঁকে অহংকারী মনে হয়েছিল, সেই কোহলিই এখন ডি ভিলিয়ার্সের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের একজন। প্রথম ধারণা যে সব সময় শেষ কথা নয়, তাঁদের বন্ধুত্বই তার বড় প্রমাণ।</p>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
মেহজাবীনের লাইভ এবং অধ্যাপক ইউনূসের ওপর ময়দা নিক্ষেপের নেপথ্যে কী
মেহজাবীনের লাইভ এবং অধ্যাপক ইউনূসের ওপর ময়দা নিক্ষেপের নেপথ্যে কী

<p>আমরা যা দেখি, তার সবটুকু সত্য নয়। স্যাটায়ার বা কৌতুক অনেক সময় ভুয়া খবরের রূপ নেয়, আবার ব্যক্তিগত বিবাদকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। বিস্তারিত ভিডিওতে... </p><figure></figure>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে জিরো-ক্লিক স্পাইওয়্যার
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে জিরো-ক্লিক স্পাইওয়্যার

স্মার্টফোনে আড়ি পাততে সক্ষম স্পাইওয়্যারের সাহায্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির অনলাইন বা দৈনন্দিন কার্যক্রমে নজরদারি করে থাকে সাইবার অপরাধীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন