আইসিটি সচিব জানান, এনআইডি, পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, কর ফাইলসহ নাগরিকদের বিচ্ছিন্ন ডেটাবেজগুলোকে এক জায়গায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে করে তথ্যের অপব্যবহার ও জালিয়াতি রোধ করা সম্ভব হবে।
<p>চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরির ধাক্কায় উল্টে যাওয়া একটি মিনিবাসের নিচে চাপা পড়ে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের এক ছাত্রী নিহত হয়েছেন। ৩ নভেম্বর সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<p>ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে মঙ্গলবারও পুলিশের সংঘর্ষ। এদিকে ডিএমপি বলছে, ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেপ্তার। এ ছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে...</p><figure></figure>
<p>মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও ১৫০ ভরি স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ এবং পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেনকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল।</p><p> আজ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কমিটির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের দুজনকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।</p><p> স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আবদুল্লাহ আল-মামুন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গোলাম জাহিদ ও মারুফ হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।</p><p> নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান ওই নেতা।</p><p>এর আগে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি এলাকা থেকে গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির অভিযোগে হওয়া মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><p>গত বৃহস্পতিবার এই দুটি মামলায় গ্রেপ্তার হন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন। তিনি বর্তমানে শাকের হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ডাকাতির পাঁচটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে। তবে স্বর্ণ ডাকাতি ও হত্যার ঘটনা পরস্পর সম্পর্কিত কি না, সে বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।</p><p>গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা শাকের হোসেন (৩৯)। তিনি রয়েল পরিবহনে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাকের মাগুরা পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/9ladgab7/maguradh083020261103magura-saker-hossain.jpg"><figcaption>নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেন</figcaption></figure><p>মাগুরা সদর থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৬ অক্টোবর দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর বাজার এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে স্বর্ণ ডাকাতির একটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৭ অক্টোবর দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বাসিন্দা মো. মজিবর রহমান মামলা করেন।</p><p>মামলার এজাহারে বলা হয়, মজিবর রহমান একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন তিনি ঢাকার তাঁতীবাজারের পীযূষ নামের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫০ ভরি স্বর্ণ সংগ্রহ করে ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারের (শাকের হোসেন হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন) কাছে পৌঁছে দিতে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসে সায়েদাবাদ থেকে রওনা হন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে বাসটি মাগুরার রামনগর বাজারে পৌঁছালে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাস থামায়। পরে তাঁকে জোর করে নামিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/eqxxvh7e6z">হত্যা ও ডাকাতির মামলায় মাগুরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার </a></aside><p>এজাহার অনুযায়ী মজিবর সোনা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তাঁর ডান কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। পরে তাঁর প্যান্টের বেল্টের নিচে তৈরি বিশেষ পকেট থেকে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ১৫০ ভরি স্বর্ণের বার এবং ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, দুটি মামলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা ও ডাকাতি দুটি মামলাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন ও বসির আলী নামে এক ব্যক্তিকে। তাঁদের তিনজনের বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। একই এলাকায় বাড়ি নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের।</p><p>শাকের হত্যার পরদিন রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রনি শিকদার (৩৮) ও শামীমা তাবাসসুম (৩১) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৭ অক্টোবর সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় অনিমেষ মজুমদারকে (৫৫)।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন পারনান্দুয়ালী ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা মো. জুয়েল হোসেন, তৌকির আহমেদ, ফরিদ মণ্ডল (স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মারুফ হোসেনের শ্বশুর), শহরের আনসার কলোনি এলাকার ব্যবসায়ী মিল্টন ও তাঁর স্ত্রী মারুফা আক্তার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ar5aj91vvl">মরদেহ গোসল করানোর সময় দেখা গেল মাথার পেছনে ‘গুলির’ ক্ষত</a></aside>
আসামিরা হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠান বিচারক।
বিকাশ অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে ‘পে বিল’ আইকনে গিয়ে ‘সরকারি ফি’ অপশনে অথবা ‘সার্চ’ বারে ‘ট্রাফিক ফাইন’ লিখে সার্চ করে সেবাটি নির্বাচন করতে হবে।
<p>দরিদ্র এলাকার বায়ুদূষণের মাত্রা ও এসব এলাকার বাসিন্দাদের ওপর বায়ুদূষণের প্রভাব কেমন পড়ছে সেটা জানতে ঢাকার ৮টি স্থানে বায়ুদূষণ মাপার যন্ত্র বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন। এ উদ্যোগে কারিগরি সহায়তা দেবে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস)।</p><p> আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সেমিনার হলে এ–সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে। ‘ব্রিদিং ঢাকা’ নামের এ প্রকল্পে সহযোগী হিসেবে থাকবে পরিবেশ অধিদপ্তর।</p><p> প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর এনার্জি পলিসি ইনস্টিটিউট। ইনস্টিটিউটের ‘এয়ার কোয়ালিটি ফান্ড–২০২৬’–এর আওতায় এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। </p><p>প্রকল্পের আওতায় তুরাগ অঞ্চলের কামারপাড়া, উত্তরখান, কড়াইল, খিলগাঁওয়ের সিপাইবাবাগ, হাজারীবাগ, ভাটারা, কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জে এ যন্ত্রগুলো বসবে। নভেম্বরে এসব যন্ত্রের পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে ডিসেম্বর থেকে স্থাপন করার কাজ শুরু হবে।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘ব্রিদিং ঢাকা’র মতো উদ্যোগ বায়ুদূষণ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ সরবরাহ করবে এবং ঢাকার বায়ুমানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><p>এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি সহায়তা দেবে ক্যাপস। ক্যাপসের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এবং স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, বায়ুদূষণ মাপার ক্ষেত্রে এর আগে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে নগরীর সড়কের চৌরাস্তার মোড়গুলোকে। মূলত ট্রাফিক চলাচল বায়ুদূষণে কতটা ভূমিকা রাখছে, সেটাকে বিবেচনায় নেওয়া হতো।</p><p>ক্যাপসের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, আমরা প্রথমবারের মতো দরিদ্র এলাকার জনগোষ্ঠীর জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে বায়ুদূষণ মাপার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এসব এলাকার বায়ুদূষণের উৎস কী, তাদের স্বাস্থ্যে বায়ুদূষণের প্রভাব কেমন পড়ছে, সেসব বিষয় আমরা তুলে আনব যাতে বায়ু ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায়।</p><p>ডিসেম্বর ২০২৬ সাল থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত বায়ুর মানের পর্যবেক্ষণ চলবে জানান কামরুজ্জামান মজুমদার।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এআইটি) পরিবেশবিজ্ঞানের ইমেরিটাস অধ্যাপক এ টি এম নুরুল আমিন বলেন, বৈজ্ঞানিকভাবে তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে অর্থবহ গবেষণা শুধু পর্যবেক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্যকে কার্যকর নীতিমালায় রূপান্তর করতে হবে।</p><p>তথ্য সংগ্রহের পর সেগুলোর যথাযথভাবে যাচাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে পরিবেশ অধিদপ্তরের বায়ুমান ব্যবস্থাপনা শাখার উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মোতালিব বলেন, প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে যন্ত্রপাতির যথাযথ ক্যালিব্রেশন, তথ্য সংগ্রহ-পরবর্তী উপাত্ত যাচাই এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা জরুরি।</p><p>অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহমেদ ইমতিয়াজ জামি বলেন, ‘ব্রিদিং ঢাকা’ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা কমিউনিটি পর্যায়ে বায়ুমানের তথ্য সংগ্রহ ও সহজলভ্য করার পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, নির্ভরযোগ্য তথ্য, জনসচেতনতা, জনগণের অংশগ্রহণ এবং আচরণগত পরিবর্তনই সুস্থ ও সহনশীল জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি।</p><p>উদ্বোধনী সভা শেষে প্রকল্পটির বাস্তবায়নে কারিগরি সহযোগিতা ও যৌথ কার্যক্রমের কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন ও ক্যাপসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।</p><p>বায়ুদূষণে পৃথিবীর শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা প্রায়ই শীর্ষে অবস্থান করে। বিশ্বব্যাংকের ‘দ্য বাংলাদেশ কান্ট্রি এনভায়রনমেন্ট অ্যানালাইসিস (সিইএ)’ ২০২৩ প্রতিবেদন অনুযায়ী বায়ুদূষণে বাংলাদেশে মারা গেছে ১ লাখ ৫৯ হাজার মানুষ।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বায়ুমান ব্যবস্থাপনা শাখার উপপরিচালক বেগম শাহনাজ রহমান, সহকারী পরিচালক তানজিনা আক্তার, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব তপন কুমার নাথ, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী রুহুল আমিন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ সাফিউর রহমান ও ক্যাপসের লিড রিসার্চার (দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন) মারজিয়াত রহমান।</p>
নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার বিরুদ্ধে অনিয়ম–দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ করেছেন মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ami-griber-chele-takar-lov-samlate-parini-smnwyk-riyad</figure>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।