জেলা

যুবদল নেতা হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দুই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পদ হারালেন

নভেম্বর ৩, ২০২৬
যুবদল নেতা হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দুই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পদ হারালেন
যুবদল নেতা হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দুই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পদ হারালেন
<p>মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও ১৫০ ভরি স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. গোলাম জাহিদ এবং পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. মারুফ হোসেনকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল।</p><p> আজ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় কমিটির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের দুজনকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।</p><p> স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী আবদুল্লাহ আল-মামুন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গোলাম জাহিদ ও মারুফ হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।</p><p> নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক এই দুটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানান ওই নেতা।</p><p>এর আগে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি এলাকা থেকে গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যা ও স্বর্ণ ডাকাতির অভিযোগে হওয়া মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p><p>গত বৃহস্পতিবার এই দুটি মামলায় গ্রেপ্তার হন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন। তিনি বর্তমানে শাকের হোসেন হত্যা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ডাকাতির পাঁচটি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে। তবে স্বর্ণ ডাকাতি ও হত্যার ঘটনা পরস্পর সম্পর্কিত কি না, সে বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।</p><p>গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা শাকের হোসেন (৩৯)। তিনি রয়েল পরিবহনে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাকের মাগুরা পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা ও অস্ত্র আইনে মামলা করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/9ladgab7/maguradh083020261103magura-saker-hossain.jpg"><figcaption>নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেন</figcaption></figure><p>মাগুরা সদর থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৬ অক্টোবর দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর বাজার এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে স্বর্ণ ডাকাতির একটি ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২৭ অক্টোবর দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বাসিন্দা মো. মজিবর রহমান মামলা করেন।</p><p>মামলার এজাহারে বলা হয়, মজিবর রহমান একজন স্বর্ণের ব্যবসায়ী। ঘটনার দিন তিনি ঢাকার তাঁতীবাজারের পীযূষ নামের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫০ ভরি স্বর্ণ সংগ্রহ করে ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারের (শাকের হোসেন হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন) কাছে পৌঁছে দিতে গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসে সায়েদাবাদ থেকে রওনা হন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে বাসটি মাগুরার রামনগর বাজারে পৌঁছালে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাস থামায়। পরে তাঁকে জোর করে নামিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/eqxxvh7e6z">হত্যা ও ডাকাতির মামলায় মাগুরা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গ্রেপ্তার </a></aside><p>এজাহার অনুযায়ী মজিবর সোনা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তাঁর ডান কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। পরে তাঁর প্যান্টের বেল্টের নিচে তৈরি বিশেষ পকেট থেকে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ১৫০ ভরি স্বর্ণের বার এবং ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, দুটি মামলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা ও ডাকাতি দুটি মামলাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন ও বসির আলী নামে এক ব্যক্তিকে। তাঁদের তিনজনের বাড়ি পৌরসভার পারনান্দুয়ালী এলাকায়। একই এলাকায় বাড়ি নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের।</p><p>শাকের হত্যার পরদিন রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রনি শিকদার (৩৮) ও শামীমা তাবাসসুম (৩১) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৭ অক্টোবর সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় অনিমেষ মজুমদারকে (৫৫)।</p><p>পুলিশ জানিয়েছে, স্বর্ণ ডাকাতির মামলায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন পারনান্দুয়ালী ব্যাপারীপাড়ার বাসিন্দা মো. জুয়েল হোসেন, তৌকির আহমেদ, ফরিদ মণ্ডল (স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মারুফ হোসেনের শ্বশুর), শহরের আনসার কলোনি এলাকার ব্যবসায়ী মিল্টন ও তাঁর স্ত্রী মারুফা আক্তার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ar5aj91vvl">মরদেহ গোসল করানোর সময় দেখা গেল মাথার পেছনে ‘গুলির’ ক্ষত</a></aside>

Prothomalo

View more
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন

মেসি-পরবর্তী যুগে তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে ২৮ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল ঘোষণা করলেন স্কালোনি; বাদ পড়েছেন দি পল ও লো সেলসো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে

ঢাকার লালবাগে সার্ভেয়ার মো. আসাদুল ইসলামকে ঘুষের এক লাখ টাকাসহ দুদক গ্রেপ্তার করেছে। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হতে চায় বাংলাদেশ: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

<p>বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র ও রপ্তানি বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ। এ জন্য দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাকে যুক্ত করে সমন্বিত উৎপাদন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার।</p><p> পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গতকাল সোমবার ২৯তম টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট পলিসি ইনস্টিটিউট (এসডিপিআই) আয়োজিত চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।</p><p>অর্থ মন্ত্রণালয় ঢাকায় আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, এ সম্মেলনে প্রায় ৫০টি অধিবেশনে বিভিন্ন দেশের ৩০০ জনের বেশি উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে শতাধিক নারী রয়েছেন। সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আহসান ইকবাল।</p><p>এ ছাড়া পাকিস্তানের অর্থ ও রাজস্ববিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব, জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক এবং প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও উৎপাদনবিষয়ক উপদেষ্টা হারুন আখতার খানের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এসব বৈঠকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।</p><p>রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সহযোগিতা পুরো অঞ্চলের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে। তিনি দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাকে যুক্ত করে সমন্বিত উৎপাদন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।</p><p>উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর এমন বিনিয়োগ আকর্ষণ করা উচিত, যা স্থানীয় উৎপাদনসক্ষমতা বাড়ায়, প্রযুক্তি হস্তান্তর করে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। ২০৩০ সালের মধ্যে শিক্ষা খাতে বাংলাদেশের ব্যয় বর্তমানের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হার প্রায় ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।</p><p>বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী উৎপাদন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বৈশ্বিক উৎপাদনব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় সুষম উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। যুদ্ধ, জ্বালানিসংকট এবং বিগত সরকারের শাসনামলে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সংকট ও দারিদ্র্য থেকে উত্তরণে এসব কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে।</p><p>সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর ইসলামাবাদে নবনির্মিত বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সেখানে তিনি হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং চত্বরে একটি জামগাছের চারা রোপণ করেন।</p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বই, গাছ আর মানবিকতার বার্তা নিয়ে গ্রামের পথে পথে মামুন
বই, গাছ আর মানবিকতার বার্তা নিয়ে গ্রামের পথে পথে মামুন

সাইকেলের সামনে ঝুড়িভর্তি বই নিয়ে গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে শিশুদের বই পড়ান পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মাহমুদুল ইসলাম মামুন

নভেম্বর ৩, ২০২৬
শহর নয়, গ্রামেই চলছে ১৫০ বছরের পুরোনো আদালত
শহর নয়, গ্রামেই চলছে ১৫০ বছরের পুরোনো আদালত

সাধারণত মানুষ আইনি সহায়তার জন্য গ্রাম থেকে শহরে ছোটে। কিন্তু শরীয়তপুরের একটি গ্রামে রয়েছে ব্যতিক্রমী এক সিনিয়র সিভিল জজ আদালত

নভেম্বর ৩, ২০২৬
এক গ্রামে এতগুলো বিলাসবহুল বাড়ি
এক গ্রামে এতগুলো বিলাসবহুল বাড়ি

প্রবাসী আয়ের হাত ধরে আমূল বদলে যাওয়া মাদারীপুরের প্রত্যন্ত এক গ্রাম এখন ‘ইতালি গ্রাম’ নামে পরিচিত

নভেম্বর ৩, ২০২৬
আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
আবেদন ছিল দুই কোটি টাকার, বড়দিনে তিন কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাস্টের অনুকূলে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। সেখানে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বিশ্বের প্রথম টাইম-ফ্রি জোন কোথায়, যেখানে নেই ঘড়ির কাঁটার শাসন
বিশ্বের প্রথম টাইম-ফ্রি জোন কোথায়, যেখানে নেই ঘড়ির কাঁটার শাসন

পৃথিবীতে এমন এক জায়গা আছে, যেখানে নেই ঘড়ির কাঁটার শাসন। গল্পের মতো শোনালেও বাস্তবে এমনই একটি দ্বীপ আছে নরওয়েতে

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বছর ধরে একসঙ্গে থাকেন ৬ ভাই
বছর ধরে একসঙ্গে থাকেন ৬ ভাই

ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব-কলহের খবর প্রায়ই শোনা যায়। সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়

নভেম্বর ৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।