ঢালিউড

শারদ সাজে মিম, পূজা, নিশি

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
শারদ সাজে মিম, পূজা, নিশি
শারদ সাজে মিম, পূজা, নিশি
<p>বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পূজার মধ্যে শারদ সাজে তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনয়শিল্পী <strong>বিদ্যা সিনহা মিম</strong>, <strong>পূজা চেরী</strong>, নৃত্যশিল্পী <strong>পূজা সেনগুপ্ত</strong> ও উপস্থাপক <strong>ইন্দ্রাণী নিশি</strong>।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/vucyxr0k/bidyamim17923186864010580752886294372480437758.jpg"><figcaption>অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমকে দুর্গাপূজার সোনালি কাজের লাল শাড়িতে দেখা গেল।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/e7lq60ms/bidyamim17923186864010580760393975165480437758.jpg"><figcaption>ছবি পোস্ট করে মিম লিখেছেন, ‘সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা।’</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/1leyl66fha">রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালোবাসায় ভোলাব...</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/woh5drbb/puja-chery.jpg"><figcaption> ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী পূজা চেরী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/wlory58r/85543693723765345728850827596170610356295589n.jpg"><figcaption>নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত লিখেছেন, ‘আজ সপ্তমীর দ্বিতীয় দিনে পরলাম আগুন লাল রঙের শাড়ি।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/416a575q/85300256614217333968258754386272478695150833n.jpg"><figcaption>ছবিটি পোস্ট করে উপস্থাপক ইন্দ্রাণী নিশি লিখেছেন, ‘পূজায় ছোটবেলায় একাধিক পোশাক উপহার পেলেও মনজুড়ে কোনো একটা নিয়েই প্ল্যান চলতে থাকত। কবে পরব, কীভাবে স্টাইল করব, সাজটা কেমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। এই শাড়িটা আমার এবারের পূজার তেমন একটা পোশাক, যা নিয়ে জল্পনা পরিকল্পনার অন্ত ছিল না।’ </figcaption></figure>

Prothomalo

View more
প্যারিসে দাঙ্গার উত্তাপ, বিমান ওড়ার আগে বার্সেলোনার দুই বাধা
প্যারিসে দাঙ্গার উত্তাপ, বিমান ওড়ার আগে বার্সেলোনার দুই বাধা

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা ও পিএসজি দুই দলই লিগ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে জিতেছে। আগামীকাল তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা তাদের।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
বিশ্বজ্বালানির দুই প্রবেশদ্বারে অস্থিরতা, বাংলাদেশকে যা করতে হবে
বিশ্বজ্বালানির দুই প্রবেশদ্বারে অস্থিরতা, বাংলাদেশকে যা করতে হবে

হরমুজ ও বাব আল–মানদেব প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্বজ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
বাজার ও বৈশ্বিক রাজনীতির সঙ্গে গ্রামীণ নারীর লড়াই
বাজার ও বৈশ্বিক রাজনীতির সঙ্গে গ্রামীণ নারীর লড়াই

জমি হারিয়ে ধুঁকে ধুঁকে জীবন পার করছে অগণিত গ্রামীণ পরিবার। ক্ষতিপূরণের টাকায় দু–এক বছর চলে।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
কানাডার আলবার্টায় গণভোট, হ্যাঁ জিতলে স্বাধীনতার দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবে
কানাডার আলবার্টায় গণভোট, হ্যাঁ জিতলে স্বাধীনতার দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবে

<p>অভিবাসননীতি ও প্রাদেশিক ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রশ্নেও মত দেবেন ভোটাররা আজ ১৯ অক্টোবর। </p><p>মোট ১০টি প্রশ্নের এই গণভোটে অভিবাসননীতি, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুবিধা, নির্বাচনে ভোট দেওয়ার যোগ্যতা এবং প্রাদেশিক ক্ষমতা বাড়ানোর মতো বিষয় রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নটি হলো, আলবার্টা কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকবে, নাকি কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়ে ভবিষ্যতে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে।</p><p>গণভোটের আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ফেডারেল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভ এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ—তিনজনই আলবার্টাকে কানাডার অংশ হিসেবে রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে অভিবাসন ও সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়ে গণভোটের অন্য প্রশ্নগুলোতে তাঁদের অবস্থান এক নয়। </p><p><strong>প্রধানমন্ত্রী কার্নির আহ্বান: কানাডা ঐক্যবদ্ধ থাকলে শক্তিশালী হবে</strong></p><p>প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলবার্টার বাসিন্দাদের কানাডার সঙ্গে থাকার পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। গত ১২ অক্টোবর কানাডার থ্যাংকসগিভিং উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আলবার্টার বাসিন্দাদের সামনে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ এসেছে। কানাডার অংশ হিসেবে থাকা অথবা বিচ্ছিন্নতার দীর্ঘ ও অনিশ্চিত প্রক্রিয়া শুরু করার মধ্যে তাঁদের বেছে নিতে হবে।</p><p>আলবার্টায় বেড়ে ওঠা কার্নি বলেন, কানাডার বিভিন্ন প্রদেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আলবার্টার জ্বালানি খাত এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নতুন প্রকল্প ও পশ্চিম উপকূলে পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিভক্তি তৈরি হলে বড় অর্থনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।</p><p>১৫ ও ১৬ অক্টোবর আলবার্টায় পৃথক সমাবেশ ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কার্নি আবারও ঐক্যবদ্ধ কানাডার পক্ষে প্রচার চালান। তাঁর মতে, বিচ্ছিন্নতার পথে এগোলে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সুযোগ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। </p><p><strong>বিরোধী দলের নেতা পয়লিয়েভের বক্তব্য: বিচ্ছিন্নতা সমস্যার সমাধান নয়</strong></p><p>ফেডারেল কনজারভেটিভ নেতা পিয়েরে পয়লিয়েভও আলবার্টাকে কানাডার অংশ হিসেবে রাখার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন। গত ১৬ অক্টোবর ক্যালগারিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আলবার্টার অনেক বাসিন্দার ক্ষোভ ও হতাশার পেছনে বাস্তব কারণ রয়েছে। তবে কানাডা ছেড়ে যাওয়া এসব সমস্যার সমাধান করবে না।</p><p>পয়লিয়েভের মতে, আলবার্টার অনেক মানুষের অসন্তোষ মূলত অটোয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তকে ঘিরে। জ্বালানি খাতের ওপর বিধিনিষেধ, তেল ও গ্যাসের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগাতে না পারা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে মানুষের উদ্বেগের কথাও তিনি তুলে ধরেন।</p><p>তিনি বলেন, আলবার্টার উচিত কানাডা ছেড়ে যাওয়ার পরিবর্তে দেশের ভেতরেই নিজেদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করা। ফেডারেল সরকারের নীতিতে পরিবর্তন এনে জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি। </p><p>আলবার্টার প্রিমিয়ার স্মিথের : কানাডায় থাকতে চান, তবে প্রাদেশিক ক্ষমতা বাড়ানোর পক্ষে</p><p>আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ গণভোটের উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে তিনি নিজেই কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিপক্ষে। </p><p>১৪ অক্টোবর আগাম ভোট দেওয়ার পর স্মিথ জানান, ১০ নম্বর প্রশ্নে তিনি আলবার্টাকে কানাডার প্রদেশ হিসেবে রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রথম নয়টি প্রশ্নে তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন।</p><p>স্মিথের যুক্তি, আলবার্টার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে মনে করছেন, অটোয়ার নীতিনির্ধারকেরা তাঁদের উদ্বেগ যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তাই অভিবাসন, সামাজিক সেবা এবং সাংবিধানিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রদেশের কর্তৃত্ব বাড়ানো প্রয়োজন।</p><p>তিনি দাবি করেছেন, আলবার্টার জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং প্রাদেশিক স্বার্থ রক্ষায় ফেডারেল সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে অগ্রগতি হচ্ছে। তাঁর মতে, কানাডার ভেতরে থেকেই আলবার্টার স্বার্থ রক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।</p><p>স্মিথের সরকার বলছে, গণভোটের মাধ্যমে প্রদেশের মানুষের মতামত জানা এবং অভিবাসন ও সাংবিধানিক বিষয়ে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের জন্য জনসমর্থন যাচাই করা হবে। </p><p><strong>গণভোটে কী কী বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে?</strong></p><p>ইলেকশনস আলবার্টার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে মোট ১০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রথম নয়টি প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দিয়ে দিতে হবে। দশম প্রশ্নে দুটি বিকল্পের একটি বেছে নিতে হবে। গণভোটের ফলাফল সরকারকে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিলেও প্রশ্নগুলোর ফলাফল আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। </p><p><strong>প্রশ্নগুলো মূলত তিনটি বিষয়ে বিভক্ত:</strong></p><p>১. অভিবাসন ও সামাজিক সুবিধা: অভিবাসনের ওপর প্রাদেশিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত কিছু সেবা পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ, অস্থায়ী অভিবাসন-স্ট্যাটাসধারীদের সামাজিক সহায়তা পাওয়ার আগে ১২ মাস আলবার্টায় বসবাসের শর্ত এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার জন্য ফি বা প্রিমিয়াম নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। প্রাদেশিক নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও রয়েছে।</p><p>২. সাংবিধানিক ও প্রাদেশিক ক্ষমতা: প্রাদেশিক আদালতের বিচারক নিয়োগ, ফেডারেল সিনেট বিলুপ্ত করা, ফেডারেল কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাদেশিক আইনের অগ্রাধিকার বাড়ানোর মতো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।</p><p>৩. কানাডা থেকে বিচ্ছিন্নতার প্রক্রিয়া: আলবার্টা কানাডার প্রদেশ হিসেবে থাকবে, নাকি বিচ্ছিন্নতা নিয়ে ভবিষ্যতে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে—এ বিষয়ে ভোটারদের মতামত নেওয়া হবে।</p><p><strong>১৯ অক্টোবরের ভোটে কি আলবার্টা কানাডা থেকে আলাদা হয়ে যাবে?</strong></p><p>না। এটি সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণা বা কানাডা থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার গণভোট নয়।</p><p>দশম প্রশ্নে বিচ্ছিন্নতার পক্ষে সমর্থন পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে একটি বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়টি সামনে আসবে। এরপরও বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে সাংবিধানিক বিধান, আলোচনা ও আইনি জটিলতা মোকাবিলা করতে হবে।</p><p>কানাডার সংবিধান অনুযায়ী, কোনো প্রদেশ একতরফাভাবে দেশ থেকে বেরিয়ে যেতে পারে না। বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে স্পষ্ট জনসমর্থন পাওয়া গেলেও তা নিজে থেকে স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে না। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর চুক্তিগত অধিকার ও তাদের সঙ্গে পরামর্শের বিষয়টিও এ বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে আলবার্টায় আদালতের রায় ও আইনি বিরোধ হয়েছে। </p><p><strong>ফলাফলের দিকে তাকিয়ে কানাডা</strong></p><p>আলবার্টা কানাডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানিসমৃদ্ধ প্রদেশ। তেল ও গ্যাসশিল্প, কর্মসংস্থান, করনীতি এবং ফেডারেল সরকারের সঙ্গে প্রাদেশিক ক্ষমতার প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরে অটোয়া ও আলবার্টার সরকারের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণ।</p><p>সাম্প্রতিক সময়ে বিচ্ছিন্নতার পক্ষে প্রচারও আলোচনায় এসেছে। তবে গণভোটের ফলাফল যাই হোক, আজ ১৯ অক্টোবরের ভোটের মাধ্যমে আলবার্টা তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।</p><p>গণভোটে ভোটাররা অভিবাসন ও প্রাদেশিক ক্ষমতা নিয়ে সরকারের প্রস্তাবগুলোকে কতটা সমর্থন করেন এবং কানাডার সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বার্তা দেন, এখন সেদিকেই নজর থাকবে। তবে বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন স্বাধীনতার পক্ষে ২০ থেকে ২৫ ভাগের বেশি মানুষ রায় দিবে না । </p>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
৪৫তম বিসিএস: বঞ্চিতদের সম্পূরক গেজেটে নিয়োগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
৪৫তম বিসিএস: বঞ্চিতদের সম্পূরক গেজেটে নিয়োগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

আজ সোমবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন গ্যাজেটবঞ্চিতরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ডিসির মতবিনিময় সভায় ‘এমপির প্রতিনিধি’ হিসেবে বক্তব্য দিলেন অস্ত্র মামলার আসামি, যা জানালেন ইউএনও
ডিসির মতবিনিময় সভায় ‘এমপির প্রতিনিধি’ হিসেবে বক্তব্য দিলেন অস্ত্র মামলার আসামি, যা জানালেন ইউএনও

‘ডিসির মতবিনিময় সভায় “এমপির প্রতিনিধি” হিসেবে বক্তব্য দিলেন অস্ত্র মামলার আসামি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. রাসেল।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় আপিল ও লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি ৮ ডিসেম্বর
বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় আপিল ও লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি ৮ ডিসেম্বর

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ সোমবার এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
সংবাদ সম্মেলনেও অস্ত্র–কাণ্ডের পক্ষেই বললেন ইশরাক
সংবাদ সম্মেলনেও অস্ত্র–কাণ্ডের পক্ষেই বললেন ইশরাক

<p>নাটকীয়তার পর অবশেষে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক হোসেন। সোমবার বেলা ২টার আগেই প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। কী বললেন সংবাদ সম্মেলনে জানুন ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
যানজট এড়াতে উড়ে অফিসে যান তরুণ
যানজট এড়াতে উড়ে অফিসে যান তরুণ

সম্প্রতি নিজের ব্যতিক্রমী যাতায়াতের একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন জ্যাকব। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে বাড়ির কাছ থেকে উড়ে কর্মস্থলে পৌঁছান তিনি।

অক্টোবর ১৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন