জেলা

‘পয়সার বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দেবেন, তা হবে না’, বললেন এমপি

অক্টোবর ৯, ২০২৬
‘পয়সার বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দেবেন, তা হবে না’, বললেন এমপি
‘পয়সার বিনিময়ে সারের লাইসেন্স দেবেন, তা হবে না’, বললেন এমপি
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সার ডিলার নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) লুৎফুল্লাহেল মাজেদ।

Prothomalo

View more
মা হওয়ার পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, অবশেষে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা
মা হওয়ার পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, অবশেষে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের নানা মন্তব্য যেন নিজের সম্পর্কে ধারণা কিংবা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত না করে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছেন ক্যাটরিনা।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি, কৌতুক করে বললেন নাভি পিল্লাই
নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি, কৌতুক করে বললেন নাভি পিল্লাই

নাভি পিল্লাই কৌতুক করে বলেন, ‘এটি নিশ্চয়ই একটি কৌতুক!...আপনাদের এই করতালি আমার কাছে অনেক মূল্যবান। আমি বিষয়টি যাচাই করে নিতে চাই।’

অক্টোবর ৯, ২০২৬
চিঠির সঙ্গে কেটে গেল ২৮ বছর, এখনো সাইকেলে ছুটছেন আলী আকবর
চিঠির সঙ্গে কেটে গেল ২৮ বছর, এখনো সাইকেলে ছুটছেন আলী আকবর

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রায় ২৮ বছর ধরে সাইকেলে এক ডাকঘর থেকে আরেক ডাকঘরে চিঠি পৌঁছে দিচ্ছেন আলী আকবর

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যুবকের লাশের কাপড়ে কালো দাগ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ
যুবকের লাশের কাপড়ে কালো দাগ, মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ

গতকাল রাত ১০টার দিকে দোলন নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের একটি বাগানে তাঁর লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ডেঙ্গু নিয়েই পরীক্ষায় বসেছিল সাবরিন, পেয়েছে জিপিএ–৫
ডেঙ্গু নিয়েই পরীক্ষায় বসেছিল সাবরিন, পেয়েছে জিপিএ–৫

<p>এসএসসি পরীক্ষার দুই দিন আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় সাবরিন সুলতানা মিথি। মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান মা–বাবা। শেষ পর্যন্ত জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিয়েই জিপিএ-৫ পেয়েছে সাবরিন। আজ শুক্রবার মাদারীপুরে শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনায় সেই কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতার কথা জানাল সে।</p><p> মেয়েকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলেন বাবা গোলাম রসুল। সাবরিন বলল, ‘এই ফলের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা আমার বাবা। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারব কি না, তা নিয়ে চিন্তা ছিল। মা–বাবা দুজনই আমাকে সাহস দিয়েছেন।’</p><p> প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা। ‘স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো’ স্লোগান নিয়ে সারা দেশে ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।</p><p> আয়োজনটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ এবং সহযোগিতায় থাকছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা–গ্রি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/82hmyrvf/madaripur2.jpg"><figcaption>ক্রেস্ট হাতে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস</figcaption></figure><p>সংবর্ধনার মাদারীপুর পর্ব আয়োজন করা হয় সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণ। সকাল সাড়ে আটটা বাজার আগেই সাবরিনের মতো কৃতী শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। তাদের হইহুল্লোড়ে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। ছোট ছোট দলে চলে আড্ডা। স্কুলজীবনের কাছের বন্ধু ও সহপাঠীদের দেখে কেউ কেউ জড়িয়ে ধরছিল। কেউ আবার মুঠোফোনে সেলফি তুলে ধরে রাখছিল স্মৃতি।</p><p>চতুর্থ শ্রেণি থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা করে আসা দুই বান্ধবী উম্মে হানি ও মিমি রহমান সেলফি তুলছিল। এ সময় মিমি রহমান বলে, ‘আমার দুই বান্ধবী ক্লাস ফোর থেকে একসঙ্গে আছি। এখনো কলেজে একসঙ্গেই। আবার একই সঙ্গে সংবর্ধনা নিতে পারছি। বিষয়টা খুব আনন্দের।’</p><p>মেয়েকে নিয়ে ৪০ কিলোমিটার দূরের শিবচর থেকে সংবর্ধনা নিতে আসেন রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ‘প্রথম আলোর এই সংবর্ধনার আয়োজনের কথা আগেই জানতাম। ইচ্ছে ছিল মেয়েকে নিয়ে এমন একটি অনুষ্ঠানে আসতে পারি। সেই ইচ্ছে আজ পূরণ হয়েছে। খুব সকাল সকাল বাড়ি থেকে বের হয়েছি, যেন মিস না হয়।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/lw8q7olr/madaripur3.jpg"><figcaption>নৃত্য পরিবেশন করছেন শিল্পীরা</figcaption></figure><p>সকাল সোয়া ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। জেলা বন্ধুসভার পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রথম আলোর মাদারীপুর প্রতিনিধি অজয় কুন্ডু।</p><p>অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, ‘এটা তোমাদের জীবনের প্রথম বড় সাফল্য। তবে এই সাফল্য ধরে রাখতে হলে তোমাদের আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে তোমরাই। নিজেদের সেভাবে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো।’</p><p>অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলতে শপথ পড়ান মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নবাবজান। এ সময় তিনি বলেন, ‘তোমরা নিঃসন্দেহে অনেক মেধাবী। তবে একজন মেধাবী মানুষ হওয়ার চেয়ে সৎ মানুষ হওয়াটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তোমাদের আগামী গড়ে উঠুক মেধা ও সততার মিশেলে।’</p><p>ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র রায় শিক্ষার্থীদের ডাক্তার, প্রকৌশলী বা কোনো বিশেষ পেশার প্রতি আলাদা নজর না দিয়ে গুণগত শিক্ষার দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যে পেশাতেই যাওয়া হোক না কেন, সেই পেশায় সফল হলে মা–বাবা ও দেশের মুখ উজ্জ্বল করা সম্ভব।</p><p>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রথম আলোর খুলনার নিজস্ব প্রতিবেদক উত্তম মণ্ডল বলেন, জীবনের নতুন একটি অধ্যায়ে পা রাখার এই সময়ে বন্ধু নির্বাচনে সচেতন থাকতে হবে। সত্যিকারের বন্ধু তাদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলবে, এগিয়ে যাওয়ার সাহস দেবে এবং কঠিন সময়ে পাশে থাকবে। অন্যদিকে ভুল সঙ্গ মনোবল দুর্বল করে দিতে পারে, লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারে এবং স্বপ্নকে ধূসর করে দিতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-09/wwvqwzje/madaripur4.jpg"><figcaption>অতিথিদের সঙ্গে কুইজ বিজয়ী শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure><p>অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন আলমগীর হোসেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মা, মাটি, মানুষকে ভালোবাসতে হবে। সোনার দেশ গড়তে হবে। তোমাদের সেরা অভিভাবক তোমাদের শিক্ষক। তোমরা শিক্ষকদের শ্রদ্ধা ও সম্মান করবে।’</p><p>এরপর কুইজ বিজয়ী ১০ জন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।</p><p>কৃতী শিক্ষার্থী উজ্জয়িনী মজুমদার ও নূর ফাতেমার গান অনুষ্ঠানে অন্য রকম আবহ তৈরি করে। এ ছাড়া কানিজ ফাতিমা দিয়া, জানাত আশু মিম, অর্পা ইসলাম, জয়িতা ও তুবা দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে। স্বাপ্নিক নৃত্য বিকাশের শিক্ষার্থীরাও নৃত্য পরিবেশন করে। সংগীত পরিবেশন করেন পৃথি মণ্ডল, সাইফ, কাজী মাহাবুব ও শান্ত কুমার।</p><p>মাদারীপুর বন্ধুসভার সভাপতি আঞ্জুমান জুলিয়া ও সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাবিবুর রহমানের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে এই মিলনমেলা শেষ হয়।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
আলোর পাঠশালার আঙিনা থেকে চরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন রিয়াজ
আলোর পাঠশালার আঙিনা থেকে চরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন রিয়াজ

<p>প্রতিকূলতা জয় করে নিজের গ্রামকে আলোকিত করার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ভোলার মদনপুরের তরুণ রিয়াজ। চরম সংকট ও সুযোগের অভাবকে পেছনে ফেলে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নিজ গ্রামের অবহেলিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।</p><p>রিয়াজ ২০২২ সালে প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত মদনপুর আলোর পাঠশালা থেকে এসএসসি পাস করেন। বর্তমানে তিনি ভোলা সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অধ্যয়নরত। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবাই মদনপুর আলোর পাঠশালা থেকেই পড়াশোনা করেছেন। তার বড় ভাই মো. সোহেলও একই বিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে বর্তমানে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কর্মরত আছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/lrj6wlyr/WhatsApp_Image_2026_10_06_at_11_42_35_AM.jpeg"><figcaption>নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি চরের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করেন রিয়াজ।</figcaption></figure><p>রিয়াজ তার অতীতের সংগ্রামকে স্মরণ করে জানান, তারা যখন চরের স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, তখন বিদ্যালয়ের কোনো স্থায়ী ভবন ছিল না। ইউনিয়ন পরিষদের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে ক্লাস করতে হতো। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি যাতায়াতের জন্য ভালো রাস্তাঘাটও ছিল না; যা পড়ালেখার অনুকূলে ছিল না। শত প্রতিকূলতার পরও তারা হাল ছাড়েননি। </p><p>বর্তমানে মদনপুরে রাস্তাঘাট ও বিদ্যালয় ভবনসহ শিক্ষার পরিবেশের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তবে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাব রয়েছে বলে মনে করেন রিয়াজ। তাই তিনি নিজে পড়াশোনার পাশাপাশি গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।</p><p>রিয়াজের বিশ্বাস, ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মদনপুর চরের প্রতিটি শিক্ষার্থী শিক্ষিত হবে এবং একদিন পুরো মদনপুর গ্রামটি আলোর পাঠশালার প্রকৃত অর্থে আলোকিত একটি জনপদে রূপ নেবে।</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ক্যানসার জয় করে মাঠে ফিরে ৩৩ বলে শূন্য, ম্যাডিনসনকে নিয়ে নির্বাচকদের নিষ্ঠুর জুয়া
ক্যানসার জয় করে মাঠে ফিরে ৩৩ বলে শূন্য, ম্যাডিনসনকে নিয়ে নির্বাচকদের নিষ্ঠুর জুয়া

নির্বাচকদের জুয়ার ‘বলি’ হয়ে নিক ম্যাডিনসন এখন টেস্ট ইতিহাসে অনাকাঙ্ক্ষিত এক রেকর্ডের পাতায়।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
কেমন ছিল ‘ডিজাইন ইন বাংলাদেশ সপ্তাহ’
কেমন ছিল ‘ডিজাইন ইন বাংলাদেশ সপ্তাহ’

রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে ৬ ও ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হলো ‘ডিজাইন ইন বাংলাদেশ সপ্তাহ ২০২৬’। এ আয়োজনের উল্লেখযোগ্য দিক নিয়ে রইল বিস্তারিত...

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু–অধ্যুষিত ২ আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির জয়
পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু–অধ্যুষিত ২ আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির জয়

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুটি আসনেই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলিম ভোটার রয়েছেন। রেজিনগরে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ শতাংশ এবং নন্দীগ্রামে প্রায় ৩০ শতাংশ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন