টেলিভিশন

প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত

নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত
<p>প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু খেতেই হবে। তা না হলে পরের দিন আর আসবে না। এমন অদ্ভুত শর্ত নিয়ে তৈরি হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘কিস ফর টুমরো’। ছবিতে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন সন সুক-কু ও পার্ক বো-ইয়ং।</p><p>সোমবার ছবিটির পরিবেশক নেক্সট এন্টারটেইনমেন্ট ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, পরিচালক কাং হিয়ং-চলের ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে গত শনিবার।</p><p>ছবিটির গল্পে দেখা যাবে, প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু না খেলে পরের দিনে যেতে পারে না এক দম্পতি। একবার ছুটি কাটাতে ক্রুজ জাহাজে গিয়ে দুজন আলাদা হয়ে যান।</p><p> এরপর একে অপরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন তাঁরা। এভাবেই গল্পে যুক্ত হয় টাইম লুপ বা সময়ের চক্রে আটকে যাওয়ার ঘটনা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/vb746eir5w">মাঠেই চুমু, একসঙ্গে খেলা দেখলেন কেটি পেরি–ট্রুডো</a></aside><p>সন সুক-কুকে সর্বশেষ ২০২৪ সালে ‘ট্রল ফ্যাক্টরি’ ছবিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে ডিজনি প্লাসের সিরিজ ‘নাইন পাজলস’-এ অভিনয় করেন তিনি। অন্যদিকে পার্ক বো-ইয়ংকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ২০২৩ সালের ‘কংক্রিট ইউটোপিয়া’ ছবিতে। </p><p>২০২৫ সালে টিভিএনের সিরিজ ‘আওয়ার আনরিটেন সিউল’-এ অভিনয় করেছেন তিনি। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁদের একসঙ্গে প্রথম কাজ।</p><p>তবে পরিচালক কাং হিয়ং-চলের সঙ্গে পার্ক বো-ইয়ংয়ের আগেও কাজের অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৮ সালে পরিচালকের ‘স্ক্যান্ডাল মেকার্স’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান পার্ক। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। ১৮ বছর পর আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা।</p><p>কাং হিয়ং-চল এর আগে ‘সানি’ (২০১১), ‘তাজা: দ্য হিডেন কার্ড’ (২০১৪), ‘সুইং কিডস’ (২০১৮) ও ‘হাই-ফাইভ’ (২০২৫) পরিচালনা করেছেন। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁর পরিচালিত প্রথম রোমান্টিক ছবি।</p><p>ছবিটির শুটিং হবে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে। তবে মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।</p><p><sup>কোরিয়া হেরাল্ড টুডে</sup></p>

Prothomalo

View more
তৃতীয় ভাষা চালুর আগে প্রস্তুতি কতটুকু
তৃতীয় ভাষা চালুর আগে প্রস্তুতি কতটুকু

সরকার নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরেকটি বিদেশি ভাষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উদ্যোগটি ভালো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কোচের চোখ ট্রফিতে, হামজাকে উপহার দিয়ে শুরু করতে চান তপু
কোচের চোখ ট্রফিতে, হামজাকে উপহার দিয়ে শুরু করতে চান তপু

<p>২৩ বছর। সময়টা কম নয়। বাংলাদেশের ফুটবলে এই সময়ের মধ্যে কত পরিবর্তন এসেছে। কত খেলোয়াড় এসেছেন, গেছেন। বদলেছে কোচ, বদলেছে অধিনায়ক। কিন্তু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফিটা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি বাংলাদেশের।</p><p>সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর স্বপ্ন এবার ঘরের মাঠে। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সেই স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি। তাঁর বিশ্বাস, বাংলাদেশ এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। শুধু অংশ নিতে নয়, শিরোপা জিততেই মাঠে নামবে দল।</p> <p>আগামীকাল ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম দিনেই মাঠে নামবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ম্যাচে বিকেল সাড়ে তিনটায় মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। রাত ৮টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন কোচ ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/7lr6gdp0/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.50.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি।</figcaption></figure> <p>বাংলাদেশ সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে, ঢাকাতেই। এবার আবারও ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট। শিরোপা জয়ের সুযোগটাও এবার বাস্তব বলে মনে করছেন ডুলি, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে আমরা খেলতে পারব, লড়াই করতে পারব এবং লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। আমার মনে হয়, এই টুর্নামেন্টে আমাদের জেতার বাস্তবসম্মত সুযোগ আছে। ২৩ বছর পর এটা সম্ভব। তবে এর জন্য কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলা এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হবে।’</p><p>শুধু স্বপ্ন দেখানো নয়, শিরোপা জয়ের পথে চ্যালেঞ্জটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন কোচ, ‘আমরা জিততে এসেছি। প্রতিটি দলের বিপক্ষেই আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমরা এই টুর্নামেন্ট জিততে চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/hxdtfl2rgt">‘এবার আমাদেরই জেতা উচিত’, সাফে ২৩ বছরের খরা কাটানো নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ডুলি</a></aside> <p>ঘরের মাঠে খেলা। গ্যালারিতে থাকবে সমর্থকদের প্রত্যাশা। অন্য দলগুলোর চোখেও বাংলাদেশ শিরোপার অন্যতম দাবিদার। ডুলিও দর্শকদের সমর্থনকে চাপ নয়, বরং বাড়তি শক্তি হিসেবে দেখতে চান।</p><p>চাপের বিষয়টি মানছেন অধিনায়ক তপুও। তবে চাপকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখছেন না তিনি। বরং এই চাপ থেকেই ভালো ফল আসতে পারে বলে বিশ্বাস তাঁর, ‘অবশ্যই চাপ আছে। তবে আমার মনে হয়, যেখানে চাপ থাকবে, সেখান থেকেই ভালো ফল আসবে। আমাদের ফুটবলপ্রেমীরা কী চান, সেটা বুঝতে হবে। তাঁরা চান আমরা ম্যাচ জিতি, ট্রফি জিতি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/t8zyns95/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.43-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ। </figcaption></figure> <p>তপুর কাছে আপাতত সেই ট্রফির পথে প্রথম ধাপ ভুটানকে হারানো। সমর্থকদের জয় উপহার দেওয়ার পাশাপাশি এই ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হামজা চৌধুরীর নামও।</p><p>ফিফা উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। তাই ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের তারকা মিডফিল্ডার হামজা। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, মাঠে সতীর্থদের দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা জোগানোর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি জানেন তপু। হামজাকে মিস করবেন, তবে জয় দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় অধিনায়ক, ‘হামজাকে অনেক মিস করব। তার মতো নেতৃত্ব আমাদের দলে খুবই প্রয়োজন। সে যেভাবে আমাদের গাইড করে, সেটা বিশেষ কিছু। তবে আমরা আগে থেকেই জানি, সূচির কারণে প্রথম ম্যাচে তাকে পাব না। আমাদের কাজ হবে পথটা তার জন্য সহজ করে দেওয়া, অর্থাৎ ভুটানের বিপক্ষে জেতা। সে যেন জয়ী দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারে, আমরা সেটাই চাই।’</p> <p>হামজা না থাকায় নেতৃত্বের ভারও থাকবে তপুর কাঁধে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর দায়িত্ব তাঁর। জামাল ভূঁইয়ার বদলে তপুকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নও উঠেছে। ডুলির ব্যাখ্যা, রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড় অধিনায়ক হলে পেছন থেকে পুরো দলকে সংগঠিত করা সহজ হয়। সেন্টারব্যাক হিসেবে তপুর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের ওপরও আস্থা আছে তাঁর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/njueptw9/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.48-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ। রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে।</figcaption></figure> <p>তবে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডকেই নেতৃত্বের একমাত্র মাপকাঠি মনে করেন না ডুলি। তাঁর মতে, দলে একাধিক নেতা থাকা জরুরি। হামজাও নেতৃত্ব দিতে পারেন। কেউ চোটে পড়লে অন্য কেউ দায়িত্ব নেবেন, এটাই চান কোচ।</p><p>তপুকে দলে ফিরে পেয়ে স্বস্তিতে ডুলি। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে তাঁকে মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন কোচ। এবার অনুশীলনে পুরোপুরি প্রস্তুত তপু। ভুটান ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/4tf0a4dkdv">বাংলাদেশকে ‘সেরা’ মেনেও শিরোপা চান ভারতের কোচ</a></aside> <p>আগের ম্যাচগুলোতে করা ভুলগুলোও শুধরে নিতে কাজ করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পাস দেওয়া ও বল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল কমানোর চেষ্টা করেছেন ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টের আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ডুলি। তাঁর দাবি, উপযুক্ত প্রতিপক্ষ দল পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট ও ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ঝুঁকি নিতে চাননি তাঁরা। তখন তপুও পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিট ছিলেন না।</p><p>এখন অবশ্য সেসব সমস্যা পেছনে ফেলে সামনে তাকাতে চায় বাংলাদেশ। কোচের চোখে শিরোপা, অধিনায়কের চাওয়া জয় দিয়ে শুরু। ২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর স্বপ্নটা পূরণ করতে হলে শুরুটা যে জয় দিয়েই হওয়া চাই!</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর
এইচএসসিতে সর্বোচ্চ ২ বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর

<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত দুই ধরনের পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p><p>আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয় পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে।</p><p>বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে এক বছর পর, অর্থাৎ পরের বছরের পরীক্ষায় আবার বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।</p><p>এবার এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবারও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।</p><p>গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। আর এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh">এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে
ডিবিসি কার্যালয় থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে

ইকবাল সোবহান চৌধুরী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
একই গলির তিন বাসা: বেতন বাড়বে কোথা থেকে?
একই গলির তিন বাসা: বেতন বাড়বে কোথা থেকে?

পোশাকশ্রমিকের ন্যূনতম মোট মজুরি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ১২,৫০০ টাকা; মিরপুরের এক শ্রমিক জানালেন, ওভারটাইম মিলিয়ে মাসে আসে ১৮ থেকে ২০ হাজার। শ্রমিকের মজুরি না বাড়লে নতুন পে স্কেল পুরো বাস্তবায়নের পর এই দুই প্রতিবেশীর বার্ষিক আয়ের ব্যবধান দাঁড়াবে প্রায় তিন গুণ।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বাংলাদেশের সংবিধানের গণতন্ত্র প্রতিবন্ধক বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশের সংবিধানের গণতন্ত্র প্রতিবন্ধক বৈশিষ্ট্য

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের সংবিধান: ইতিহাস, বৈশিষ্ট্য ও ভবিষ্যৎ বই লিখেছেন আলী রীয়াজ। সংবিধান দিবস উপলক্ষে সেই বইয়ের কিছু চুম্বক অংশ প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
হল্টারনেক স্টেটমেন্ট ব্লাউজে দিওয়ালি লুকে আলিয়া
হল্টারনেক স্টেটমেন্ট ব্লাউজে দিওয়ালি লুকে আলিয়া

<p>যেকোনো উৎসবে নিজের লুক দিয়ে ভক্তদের তাক লাগান বলিউড সুইটহার্ট আলিয়া ভাট। দুর্গাপূজার শাড়ির লুকের পর আবারও নজর কাড়লেন দিওয়ালির লুকে। এবারও উৎসবের লুকে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়েছেন এই অভিনেত্রী। নতুন লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার স্টেটমেন্ট ধাতব ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ। সঙ্গে বেছে নিয়েছেন হ্যান্ডলুম শাড়ি। খোলা চুল, মিনিমাল মেকআপ আর ছোট্ট নীল টিপে তাঁর সাজে ফুটে উঠেছে আভিজাত্য ও নিজস্ব স্টাইলের ছাপ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/uwfiunas/aliaabhatt17937158464022301447800727576259925762.jpg"><figcaption>আলিয়া ভাট মেটালিক হল্টার-নেক ব্লাউজটির সাথে একটি ট্র্যাডিশনাল টিন্ট বা সি-গ্রিন শেডের বর্ডারযুক্ত ধূসর-সবুজ রঙের ক্লাসিক শাড়ি পরেছেন। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/safklmog/aliaabhatt17937158464022301463260906905259925762.jpg"><figcaption>এই লুকের সবটুকু আলো কেড়ে নিয়েছে তার মেটালিক স্টেটমেন্ট ব্যাকলেস হল্টারনেক ব্লাউজ।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/aslvgvrl/aliaabhatt17937158464022301435452628928259925762.jpg"><figcaption>ব্লাউজের কারুকাজের সঙ্গে মিলিয়ে গয়না বেছে নিয়েছেন আলিয়া। হাত খালি রেখে, কানে পরেছেন ফিরোজা পাথরের দুল।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/5kc6mopi/aliaabhatt17937158464022301453437890195259925762.jpg"><figcaption>মেকআপ মিনিমাল রেখেছেন এই লুকে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/glzfo0ad/aliaabhatt17937158464022301468755240242259925762.jpg"><figcaption>কাজল আর টিপে ছড়াচ্ছেন মুগ্ধতা</figcaption></figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান
কারও সঙ্গে যুদ্ধ নয়, নিজেদের ঐতিহ্য নিয়েই এগোতে হবে: মাহিন খান

<p>বাংলাদেশের ফ্যাশন এখন শুধু দেশের বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন দেশের ডিজাইনাররা। দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের পরিবর্তন, বড় বিনিয়োগের প্রভাব, তাঁত ও কারুশিল্পের ভবিষ্যৎ এবং জামদানি নিয়ে ডিজাইনার<strong> মাহীন খানের </strong>সঙ্গে<strong> </strong>কথা বলেছেন <strong>হুমায়রা মেহজাবীন</strong></p><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে এখন কোথায় দেখেন</strong></p><p>বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি অনেকখানি উন্নত হয়েছে। নতুন মানুষ নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করছেন। তবে একটি বড় সমস্যা এখনো রয়েছে—পুঁজি। ব্যবসা শুরু করা এবং দীর্ঘ সময় চালিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা বিশেষ করে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।</p><p>করোনার সময় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির সবাই বড় ধাক্কা খেয়েছিল। অনেকের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেকে ভাড়া দিতে পারেননি বা কাজ বন্ধ করতে হয়েছে। পরে অনলাইনে নতুনভাবে কাজ শুরু হয়। ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের ফ্যাশনকে আবার মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এখন অনেকেই সুন্দর কাজ করছেন।</p><div><div><p><strong>বড় বিনিয়োগ দেশীয় ফ্যাশনে কী প্রভাব ফেলছে?</strong></p></div><div><p>বড় পোশাক কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান এখন দেশীয় খুচরা বাজারে বড় বিনিয়োগ করছে। বড় পরিসরে দোকান ও বাজার তৈরি হচ্ছে। তবে এর মধ্যে আমাদের কিছু দেশীয় কারুশিল্প আঘাত পাচ্ছে। তাঁত, নকশিকাঁথা ও হাতের তৈরি কাজ ছোট উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে রেখেছেন। তাঁরা গবেষণা করে দেশীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে কাজে লাগান। কিন্তু বড় বাজারে দ্রুত উৎপাদনের প্রয়োজন হয়। মেশিন ও ডিজিটাল সূচিশিল্পের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন সম্ভব। এটি মূলত দ্রুতগতির ফ্যাশনের বাজার। তাই ছোট পরিসরে গবেষণামূলক ও হাতে তৈরি কাজকে টিকিয়ে রাখা জরুরি। </p></div></div><p><strong>দেশীয় কারুশিল্পকে এগিয়ে নিতে তাহলে কী প্রয়োজন</strong></p><p>শুধু ভালো নকশা থাকলেই হবে না। উৎপাদন, মান, নকশা ও বিপণন—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন। উৎপাদন কোথায় হবে, কারা তৈরি করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ কেমন হবে—প্রতিটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অনেক নারী নিজের বাড়িতে বসেই কাজ করতে পারেন। এ ধরনের আরও উদ্যোগ হলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বাড়বে, পাশাপাশি আমাদের কারুশিল্পও শক্তিশালী হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/gfgssqf4/KBRH3723.JPG"><figcaption>ডিজাইনার মাহিন খান</figcaption></figure><div><div><p><strong>জামদানি ও দেশীয় ঐতিহ্য নিয়ে নানা ধরনের দাবির কথা শোনা যায়</strong></p></div><div><p>জিআই বা ভৌগোলিক পরিচয়ের বিষয়টি বুঝতে হবে। একটি শিল্পের সঙ্গে তার ভৌগোলিক পরিচয়ের সম্পর্ক রয়েছে। রাজস্থান, কাঞ্জিপুরাম বা কাশ্মীর—প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। আমাদেরও রয়েছে। আমাদের ঐতিহ্য নিয়ে অনেক সময় টানাটানি হয়। যেমন জামদানি। এটি শুধু একটি কাপড় নয়, আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। তাই নিজের ঐতিহ্যকে রক্ষা ও সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে।</p></div></div><div><div><p><strong>আপনি নিজেও তো পুরোনো কাঁথার নকশা নিয়ে কাজ করছেন</strong></p></div><div><p>পুরোনো বাংলার কাঁথার মধ্যে আমাদের ইতিহাস রয়েছে। উনিশ ও বিশ শতকের পুরোনো কয়েকটি কাঁথার নকশা নিয়ে আমি কাজ করেছি, সেগুলোকে নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছি। খুলনা, ফরিদপুর, যশোর ও কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কারুশিল্পের নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য আমাদের নিজেদেরই জানতে হবে।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/h7xbiil0ed">রাতে কলা খেলে কি ভালো ঘুম হয়, ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে?</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/d9973tde/KBRH3701.JPG"><figcaption>ফ্যাশনে ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন মাহিন খান</figcaption></figure><p><strong>বাঙালির পোশাকের নিজস্বতাকে কীভাবে দেখেন?</strong></p><p>পোশাক ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। বিশ্ব এখন অনেক কাছাকাছি এসেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের ফ্যাশন ও রুচির মধ্যে মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে। তবে একটি ভালো আর অন্যটি খারাপ—এভাবে দেখি না। কিন্তু নিজের ঐতিহ্য ও নিজস্বতাকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়। আমরা বাঙালি, আমাদের রুচির একটি নিজস্বতা আছে। সুতি কাপড়, হালকা রং ও আরামদায়ক পোশাক আমাদের জীবনযাপন ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে যায়। </p><div><div><p><strong>বাংলাদেশের ফ্যাশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?</strong></p></div><div><p>শুধু অন্য দেশের পণ্য বন্ধ করলেই হবে না। আমাদের নিজেদের পণ্যকে এমন ভালো করতে হবে, যাতে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তার মূল্য বুঝতে পারে। ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস না করে তাকে আধুনিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারলেই বাংলাদেশের ফ্যাশন আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমাদের কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রয়োজন নেই। আমাদের যা আছে, সেটিকেই আরও সুন্দরভাবে উন্নত করতে হবে। ভালো নকশা, উৎপাদন, মান ও সঠিক বিপণনের সমন্বয় দরকার।</p></div></div><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/jyt6dxx9qw">অনলাইনে সৌন্দর্য বিষয়ক সবকিছু অন্ধভাবে অনুসরণ করা ঠিক নয়: কানিজ আলমাস খান</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত
প্রতিদিন চুমু খেতে হবে—সিনেমায় অদ্ভুত শর্ত

<p>প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু খেতেই হবে। তা না হলে পরের দিন আর আসবে না। এমন অদ্ভুত শর্ত নিয়ে তৈরি হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘কিস ফর টুমরো’। ছবিতে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন সন সুক-কু ও পার্ক বো-ইয়ং।</p><p>সোমবার ছবিটির পরিবেশক নেক্সট এন্টারটেইনমেন্ট ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, পরিচালক কাং হিয়ং-চলের ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে গত শনিবার।</p><p>ছবিটির গল্পে দেখা যাবে, প্রতিদিন অন্তত একবার চুমু না খেলে পরের দিনে যেতে পারে না এক দম্পতি। একবার ছুটি কাটাতে ক্রুজ জাহাজে গিয়ে দুজন আলাদা হয়ে যান।</p><p> এরপর একে অপরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু করেন তাঁরা। এভাবেই গল্পে যুক্ত হয় টাইম লুপ বা সময়ের চক্রে আটকে যাওয়ার ঘটনা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/vb746eir5w">মাঠেই চুমু, একসঙ্গে খেলা দেখলেন কেটি পেরি–ট্রুডো</a></aside><p>সন সুক-কুকে সর্বশেষ ২০২৪ সালে ‘ট্রল ফ্যাক্টরি’ ছবিতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালে ডিজনি প্লাসের সিরিজ ‘নাইন পাজলস’-এ অভিনয় করেন তিনি। অন্যদিকে পার্ক বো-ইয়ংকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ২০২৩ সালের ‘কংক্রিট ইউটোপিয়া’ ছবিতে। </p><p>২০২৫ সালে টিভিএনের সিরিজ ‘আওয়ার আনরিটেন সিউল’-এ অভিনয় করেছেন তিনি। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁদের একসঙ্গে প্রথম কাজ।</p><p>তবে পরিচালক কাং হিয়ং-চলের সঙ্গে পার্ক বো-ইয়ংয়ের আগেও কাজের অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৮ সালে পরিচালকের ‘স্ক্যান্ডাল মেকার্স’ ছবিতে অভিনয় করে পরিচিতি পান পার্ক। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। ১৮ বছর পর আবারও একসঙ্গে কাজ করছেন তাঁরা।</p><p>কাং হিয়ং-চল এর আগে ‘সানি’ (২০১১), ‘তাজা: দ্য হিডেন কার্ড’ (২০১৪), ‘সুইং কিডস’ (২০১৮) ও ‘হাই-ফাইভ’ (২০২৫) পরিচালনা করেছেন। ‘কিস ফর টুমরো’ তাঁর পরিচালিত প্রথম রোমান্টিক ছবি।</p><p>ছবিটির শুটিং হবে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে। তবে মুক্তির তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।</p><p><sup>কোরিয়া হেরাল্ড টুডে</sup></p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।