ফুটবল

প্রবাসীদের ভরসায় ‘ফাঁপা আশা’: আসিয়ান কাপ কি আমাদের আয়না দেখাল

অক্টোবর ২, ২০২৬
প্রবাসীদের ভরসায় ‘ফাঁপা আশা’: আসিয়ান কাপ কি আমাদের আয়না দেখাল
প্রবাসীদের ভরসায় ‘ফাঁপা আশা’: আসিয়ান কাপ কি আমাদের আয়না দেখাল
গতকাল ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে হেরে শেষ হলো বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ অভিযান।

Prothomalo

View more
রাজধানীর পাইকপাড়ায় সরকারি ভবনের লিফট ছিঁড়ে শিশুসহ আহত ৩
রাজধানীর পাইকপাড়ায় সরকারি ভবনের লিফট ছিঁড়ে শিশুসহ আহত ৩

<p>রাজধানীর পাইকপাড়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পের একটি ভবনের লিফট ছিঁড়ে পড়ে শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে পাইকপাড়া আবাসন প্রকল্পের ১ নম্বর ভবনে এ ঘটনা ঘটে।</p><p> আহত ব্যক্তিরা হলেন মোস্তাফিজুর রহমান (৬২), নাইস আহমেদ (৪০) ও তাঁর ছেলে ওয়াসী (৮)।</p><p> যোগাযোগ করা হলে দারুসসালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, সকালে আবাসন প্রকল্পের একটি ভবনের লিফট ছিঁড়ে ওপর থেকে নিচে পড়ে। এতে ওই লিফটে থাকা শিশুসহ ভবনটির তিনজন বাসিন্দা আহত হন। পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটি বাদে অন্য দুজনের অবস্থা গুরুতর।</p><p>দারুসসালাম থানা পুলিশ ও ভবনটির বাসিন্দারা জানান, ফজরের নামাজের পর আজ সকালে ভবনটির তিন বাসিন্দা পঞ্চম তলা থেকে লিফটে করে নিচে নামছিলেন। একপর্যায়ে চতুর্থ তলায় লিফটের কেব্‌ল ছিঁড়ে গেলে লিফটটি নিচে পড়ে যায়। এতে ভবনটির বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান, নাইস আহমেদ ও তাঁর ছেলে ওয়াসী আহত হন। তাঁদের পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়।</p><p>ভবনটির এক বাসিন্দা জানান, ফজরের নামাজের পর ভবনের পঞ্চম তলার তিন বাসিন্দা লিফটে উঠেছিলেন। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে লিফটটি ছিঁড়ে পড়ে। শব্দ শুনে দারোয়ান সেখানে গিয়ে লিফটের ভেতরে চিৎকার শুনতে পান। পরে আশপাশের কয়েকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।</p><p>লিফটটি দীর্ঘদিন ধরে ত্রুটিযুক্ত বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা। ওই আবাসন প্রকল্পে মোট আটটি ভবন রয়েছে, যেখানকার অধিকাংশ ভবনের লিফটের অবস্থাই ভালো নয়।</p><p>আরেকজন বাসিন্দা সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের ফোন করলে বা চিঠি লিখলে আইসা তেল দিয়ে বা পানি দিয়ে মুছে বলে সার্ভিসিং করে দিয়েছি। আসলে এখানে প্রকৃত সার্ভিসিং করা হয় না।’</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
এত বিকল্প পেরিয়ে কেন ম্যাডিনসন? নেপথ্যে অসাধারণ এক গল্প
এত বিকল্প পেরিয়ে কেন ম্যাডিনসন? নেপথ্যে অসাধারণ এক গল্প

বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে দলের সঙ্গে থাকা জেক ওয়েদারাল্ড ছিলেন। ছিলেন স্যাম কনস্টাস, নাথান ম্যাকসুয়েনি, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, জেসন সাংহা ও ক্যাম্পবেল কেলাওয়েও।

অক্টোবর ২, ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত
চুয়াডাঙ্গায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা কবরস্থান মোড় এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ২, ২০২৬
কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা তিন মাসের মধ্যে উৎখাত হবে: চিফ হুইপ
কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা তিন মাসের মধ্যে উৎখাত হবে: চিফ হুইপ

<p>জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা সমূলে উৎখাত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো হেলমেট বাহিনী দেখতে চাই না, হাতুড়ি বাহিনী তৈরির কোনো ইচ্ছা বর্তমান সরকারের নেই। আমাদের দায় চাপানোর রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’</p><p> ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার চেয়ে সামাজিক আন্দোলনই অধিক কার্যকর’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এ কথা বলেন। এফডিসিতে আজ শুক্রবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।</p><p>চিফ হুইপ বলেন, অশ্লীল ভাষা আর বরদাশত করা হবে না। ইউটিউব ও ফেসবুকের মাধ্যমে যারা অপপ্রচার করছে, তাদের লাগাম টেনে ধরা হবে। তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকার কঠিন ও কঠোর বার্তা দিয়েছে। অপরাধ করে কেউই পার পাবে না।</p><p>সভাপতির বক্তব্যে হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী, মাদক কারবারি ও জুয়াড়িরা সব সময় ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক খোলস পাল্টায়। এদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই।</p><p>ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক এম এম বাদশাহ্, মনির মিল্লাত ও জাফর ইকবাল। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

<p> রাজধানীর মিরপুরে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে নূর আলম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি শাহ আলী থানা যুবদলের বহিষ্কৃত সভাপতি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে আলোচিত এই ঘটনায় মোট ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।</p><p> ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার আজ শুক্রবার রাতে নূর আলমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তদন্তে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে নূর আলমের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।</p><p>যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ প্রথম আলোকে জানান, নূর আলম শাহ আলী থানা যুবদলের সভাপতি ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চার বছর আগেই তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে স্থানীয় ‘কিশোর গ্যাং’–এর দলনেতা ইলিয়াস ও নাডা আওলাদকে ভাড়া করেছিলেন এই নূর আলম।</p><p>এদিকে দারুসসালাম থানার বেড়িবাঁধসংলগ্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির লুট হওয়া আসবাব, টিকা, রেজিস্টার খাতা, ফ্রিজ, অফিসের নথিপত্র, প্রিন্টার ও জেনারেটরসহ ৪৬ ধরনের মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে সরাসরি ভাঙচুর চালিয়ে মালামাল লুট করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে মিন্টু নামের একজনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের টিনসহ কিছু মালামাল এবং মিলন নামের আরেকজনের কাছ থেকে স্টিলের দরজা উদ্ধার করা হয়েছে।</p><p>গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে মিরপুর ১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে সন্ত্রাসী কায়দায় তাণ্ডব চালানো হয়। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢুকে নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর মূল্যবান চিকিৎসাসামগ্রী, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও নগদ টাকাসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট করে তারা। পরে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধা পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনাটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়।</p><p>‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে এই ভাঙচুর চালানো হয়। এতে এক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় একটি মামলা করেছেন।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
ড্রোন দিয়ে হারিয়ে যাওয়া পোষা প্রাণী উদ্ধার করে দেন যিনি
ড্রোন দিয়ে হারিয়ে যাওয়া পোষা প্রাণী উদ্ধার করে দেন যিনি

গত দুই বছরে নিউ জার্সিজুড়ে হারিয়ে যাওয়া ১২২টি প্রাণীকে উদ্ধার করেছেন তিনি। কুকুর ও বিড়াল, এমনকি একটি হারিয়ে যাওয়া গরুও উদ্ধার করে দিয়েছেন তিনি। এই কাজের জন্য ১৮টি আধুনিক ড্রোন ব্যবহার করেন তিনি

অক্টোবর ২, ২০২৬
নদীপারের অসমাপ্ত গল্প
নদীপারের অসমাপ্ত গল্প

গাঁয়ের উত্তর পাড়ায় ছিল ফিরোজদের বাড়ি। বয়সে সেলিনার সমান। নদীতে মাছ ধরা কিংবা অন্যের জমিতে কাজ করা ছিল তার পেশা। সুযোগ পেলেই সেলিনাদের বাড়ির আশপাশে ঘুরঘুর করা ছিল নেশা। প্রথম প্রথম ফিরোজকে দেখে সেলিনা বিরক্ত হতো। কিন্তু কখন যে ঝাঁকড়া চুলের ছেলেটার প্রতি সেই বিরক্তিই মায়ায় পরিণত হলো, তা সে নিজেও জানে না।

অক্টোবর ২, ২০২৬
প্রেম করছেন নানা, প্রেমিক কে
প্রেম করছেন নানা, প্রেমিক কে

<p>পর্দায় প্রেমের গল্পে অভিনয় করেছেন কোরীয় অভিনেত্রী নানা। এবার বাস্তব জীবনেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার এই অভিনেত্রী। </p><p>তাঁর প্রেমিক সাবেক বিগব্যাং সদস্য ও অভিনেতা টি ও পি। শুক্রবার দুজনের প্রেমের সম্পর্কের খবর নিশ্চিত করেছে তাঁদের এজেন্সি।</p><p>নানার এজেন্সি স্যাবলাইম জানিয়েছে, মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের সময় টি ও পির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।</p><p>টি ও পির এজেন্সি টপ স্পট পিকচার্সও তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এজেন্সির ভাষ্য অনুযায়ী, দুজনের প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়েছে এ বছরের জুনের দিকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/xm52hci0/jinanana176542572037849877371842371231206440978.jpg"><figcaption>অভিনেত্রী নানা</figcaption></figure><p>টি ও পির একক গান ‘স্টুডিও৫৪’-এর মিউজিক ভিডিওতে একসঙ্গে দেখা যায় দুজনকে। সেখানে টি ও পির সঙ্গে অভিনয় করেছেন নানা। মিউজিক ভিডিওর শুটিং থেকেই তাঁদের পরিচয়। এরপর সেই সম্পর্ক গড়িয়েছে প্রেমে।</p><p>প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসার পর নানার পুরোনো কিছু মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত মার্চে এমবিসির ‘দ্য ম্যানেজার’ অনুষ্ঠানে প্রেম নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। তখন নানা বলেছিলেন, ব্যস্ততার মধ্যেও অবসর পাওয়া ছোট ছোট সময় কাজে লাগিয়ে প্রেম করা সম্ভব।</p><p>নানা আরও জানিয়েছিলেন, তিনি এমন পুরুষ পছন্দ করেন, যাঁরা কোমল ও যত্নশীল। চেহারার চেয়ে আচরণ তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/ka13zdo6/ttt177552002038696648084921657712108412424.jpg"><figcaption>অভিনেত্রী নানা ও টি ও পি</figcaption></figure><p>এর আগে একটি ইউটিউব অনুষ্ঠানে নানা বলেছিলেন, কাউকে পছন্দ হলে তিনি নিজের আগ্রহ প্রকাশ করতে দ্বিধা করেন না; বরং পছন্দের মানুষকে নিজেই কাছে গিয়ে নিজের অনুভূতির কথা জানান। টি ও পির সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবশ্য প্রথমে কে এগিয়ে এসেছিলেন, তা জানা যায়নি।</p><p>নানা ২০০৯ সালে ‘আফটার স্কুল’ গার্ল গ্রুপের সদস্য হিসেবে বিনোদনজগতে যাত্রা শুরু করেন। পরে অভিনয়ে মন দেন। ‘দ্য গুড ওয়াইফ’, ‘মেমোরিজ অব আ লাভ’ ও ‘মাস্ক গার্ল’-এর মতো কাজের মাধ্যমে পরিচিতি পান। সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের ‘দ্য স্ক্যান্ডাল’ সিরিজে অভিনয় করে আবারও আলোচনায় আসেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/yhomhgs3y5">নানার ঠোঁটে ফিলার নিয়ে বিতর্কের ঝড়</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/71ofovro/jinanana175981233437378992354311167971206440978.jpg"><figcaption>অভিনেত্রী নানা</figcaption></figure><p>অন্যদিকে টি ও পি ২০০৬ সালে বিগব্যাংয়ের সদস্য হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও কাজ করেছেন। ‘আই অ্যাম দ্য সিক্রেট’, ‘তাজা’ ও ‘আউট অব কন্ট্রোল’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্কুইড গেম’-এর দ্বিতীয় মৌসুমেও দেখা গেছে তাঁকে।</p><p>নানা এবং টি ও পির প্রেমের খবর প্রকাশ্যে আসার পর দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন অঙ্গনে নতুন এই জুটিকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সম্পর্কের বিষয়ে দুজনের পক্ষ থেকে এর বেশি বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।</p><p><sup>ইয়োনহ্যাপ, কোরিয়া জুংঅ্যাং ডেইলি, দ্য কোরিয়া টাইমস অবলম্বনে</sup></p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে ভবনের ছাদের দরজা আটকে অস্বাভাবিক আচরণ, উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস
চিকিৎসক দেখাতে গিয়ে ভবনের ছাদের দরজা আটকে অস্বাভাবিক আচরণ, উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস

<p>নাসিম উদ্দিন (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে চিকিৎসকের চেম্বারে যান স্বজনেরা। চেম্বারে প্রবেশের আগেই তিনি পালিয়ে পাশের একটি তিনতলা ভবনের ছাদে উঠে দরজা আটকে দেন। এরপর অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করলে ভবনের মালিকসহ স্থানীয় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন।</p><p>আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা সদরের ডাকবাংলো সড়ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>স্বজনেরা জানান, বছর দেড়েক আগে নাসিম উদ্দিনের বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়। ওই সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা বেরিয়ে পড়লেও তিনি ঘরের শৌচাগারে ঢুকে যান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঝুঁকি নিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।</p><p>নাসিম উদ্দিন জুড়ীর সাগরনাল ইউনিয়নের পাতিলাসাঙ্গন গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, নাসিম উদ্দিন বেশ কিছু দিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন। আজ বিকেল চারটার দিকে স্ত্রী ও শ্বশুর তাঁকে নিয়ে ডাকবাংলো সড়ক এলাকায় একটি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট এক চিকিৎসকের চেম্বারে যান। একপর্যায়ে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।</p><p>পরে রোগনির্ণয় কেন্দ্রের বিপরীত পাশে অবস্থিত তিনতলা ভবনের ছাদে উঠে বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন নাসিম উদ্দিন। একপর্যায়ে ছাদ থেকে নিচে নামতে তিনি বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালান। এ দৃশ্য দেখে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে জুড়ী ফায়ার সার্ভিস ও জুড়ী থানা–পুলিশ সেখানে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালায়। পরে ছাদের স্টিলের দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p><p>উদ্ধার অভিযানে অংশগ্রহণকারী জুড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান কবিরুল ইসলাম বলেন, নাসিম উদ্দিনের আচরণে লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দরজা খুলে নিচে নামতে তাঁকে একাধিকবার অনুরোধ হয়। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি। পরে বাধ্য হয়ে দরজা ভাঙতে হয়।</p><p>কবিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে নাসিম উদ্দিনের বাড়িতে টিনশেডের বসতঘরে আগুন লাগে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। তিনি ঘরে টয়লেটের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন। পরে ঝুঁকি নিয়ে অক্ষত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।</p><p>নাসিম উদ্দিন ‘সিজোফ্রেনিয়া’ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাঈদ এনাম। তিনি বলেন, এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কখন, কী করতে হবে অথবা পারিপার্শ্বিক অবস্থা বুঝে উঠতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।</p>

অক্টোবর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন